
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ যোগদানের ১ বছরের মধ্যে বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার সহ, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার আসামী গ্রেফতার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে সর্বমোট ৫১ জন আসামী গ্রেফতার এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন । যার প্রেক্ষিতে মামলার বাদী পক্ষের নিকট পিবিআই তথা পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়। তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে ও স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে ২১৭ টি সি আর মামলা এবং ১৩৫ টি জি আর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তদন্ত সমাপ্ত করাতে সক্ষম হন । যার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে প্রকৃত বাদী এবং নির্দোষ বিবাদীদের অল্প সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রাপ্তীর পথ সুগম হয় এবং এর মধ্যে দিয়ে পিবিআই কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি খুবই বৃদ্ধি পায় ।
কুমিল্লা জেলার ইউনিট প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার, জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহনসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। যার ফলে বিজ্ঞ আদালতে, সাংবাদিক মহলে তথা সর্ব মহলে পিবিআই এবং সার্বিকভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ পিবিআই কুমিল্লায় যোগদান ও তার সাফল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে একান্ত আলাপে আমাদের প্রতিবেদক বশিরুল ইসলামকে জানান, তিনি ২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৫ তারিখ এই ইউনিটে ইউনিট প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর গত ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ইং সাল পর্যন্ত ১ বছরে বহু সংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার সহ সামাজিক ও রাস্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহন করেন।
অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিবিআই) আপেল মাহমুদের ভূমিকা ছিল সর্বজন প্রশংসিত। ভিকটিম সাবরিনা আক্তার (২৬) এবং তার কন্যা সন্তান তরিন আক্তার নিতু (৭)কে অপহরনকারী চক্রের নিকট থেকে উদ্ধার করে প্রশংসা অর্জন করেছেন। নিজ চেষ্টায় ও উদ্দ্যোগে গত ১ বছরে বিভিন্ন আলোচিত অপহরন মামলার ১৯ জন ভিকটিমকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে তাদের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী মূল আসামীদের গ্রেফতার করেন। কুমিল্লা জেলার ররুড়া থানার মামলা নং ১৩(৬)১৬ এর ভিকটিম সাবরিনা আক্তার (২৬) এবং তার কন্যা সন্তান তরিন আক্তার নিতু (৭) কে দ্রততম সময়ের মধ্যে অপহরনকারী চক্রের নিকট থেকে উদ্ধারের পর অপহরনকারী চক্রের তিন জন সদস্য গ্রেফতার করে নারী শিশু নিযার্তন আইনের ২২ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন ।
মুরাদনগর থানার অপহরন মামলা নং ১৩(৩)১৫ এর ভিকটিম রায়হান গত দুই বছর নিজে আত্বগোপন যান। তার বাবার সাথে যাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল তাদেরকে আসামী করে হয়রানী করতে থাকে । প্রথম পর্যায়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ এই ভিকটিম উ্দ্ধারে সক্ষম হয়নি । কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের আদেশে পরবতীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম ভিকটিম রায়হান কে আত্বগোপন থাকা অবস্থা থেকে উদ্ধার করে এবং বাদীর বিরুদ্ধে ২১১ ধারায় প্রতিবেদন প্রেরন করতে সক্ষম হয় । যার প্রেক্ষিতে মামলাটির বিবাদীগন দীর্ঘদিনের হয়রানী থেকে মুক্তি পায় এবং পিবিআই সর্ব মহলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন কর ।
আপেল মাহমুদ নিজে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিশেষ টিম গঠন করে গত ১ বছরে বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর অপহরন মামলার শিশু ভিকটিম উদ্ধার করেন। এই আলোকে সদর দক্ষিন থানার অপহরন মামলা ১(১২)১৬ এর শিশু ভিকটিম নাজমা আক্তার (১৪)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ১০(১১)১৬ এর ভিকটিম শারমিন আক্তার (১৪)কে, দাউদকান্দি থানার অপহরন মামলা নং১২(৫)১৭ এর ভিকটিম সুমী আক্তার কল্পনা(১৫) কে ,কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা১১(৭)১৭ এর ভিকটিম লিমা আক্তার (১৫) কে অত্যন্ত দ্রততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট আসামীদের গ্রেফতার করেন ।
চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার ভিকটিম নাদিরা আক্তারকে উদ্ধারে আপেল মাহমুদের সুনাম বৃদ্ধি পায় আরো বেশি। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানার নাদিরা পারভিন নিজে অপহরন হয় । দীর্ঘ ৪১ দিন পর অপারেশন চালিয়ে আপেল মাহমুদ নাদিরা পারভীনকে অপহরনকারীদের নিকট থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন । কোতোয়ালী থানার মামলা নং -৭৭, ১১/১০ । অপহরণের দীর্ঘ দুই মাস পর অপহরন কারীদের নিকট থেকে জনাব মাহমুদ ভিকটিম ছাব্বিরকে(১৩) উদ্ধার করেন । বড়–রা থানার মামলা নং -১৬(১১)১৭ নারী শিশু আইন । অপহরনের ৫ দিন পর ভিকটিম নুসরাত (১৩) উদ্ধার হয় । মামলা নং সিপি নং -১৪১১/১৭ .
এছাড়াও বিভিন্ন মামলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী শিশু নির্যাতন আইনের অপহরন মামলার ভিকটিম দ্রততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করেন । চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং ১৫(২)১৬ এর ভিকটিম খাদিজা আক্তার (১৬)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ৩৪(১)১৭ এর ভিকটিম তন্নী(১৬) কে , লাকসাম থানার অপহরন মামলা নং ১১(৭)১৭ এর ভিকটিম লিজা আক্তার (১৬) কে , এবং চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ৪(১১)১৭ এর ভিকটিম হালিমা আক্তার (২০) কে, বুড়িচং থানার অপহরন মামলা নং ২১(১)১৭ এর ভিকটিম ফাতেমা আক্তার তানিয়া (১৯)কে, বরুড়া থানার অপহরন মামলা নং ১৯(১)১৭ এর ভিকটিম হাছিনা (১৯)কে, লাঙ্গল কোট থানার অপহরন মামলা নং ৬(৬)১৭ এর ভিকটিম নুরজাহান বেগম (২০) কে, কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ৮১(৭)১৭ এর ভিকটিম মনোয়ারা মজুমদার (২২) কে ,চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ২৩(৭)১৭ এর কুলসুম আক্তার (২৫) কে, কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ৭৯(৭)১৭ এর ভিকটিম আছমা আক্তার রিমি (২৬)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ১(৭)১৭ এর ভিকটিম গাজী রোমানা ইসলাম (২০)কে , লাঙ্গলকোট থানার অপহরন মামলা নং ৬(৭)১৭ এর রোকসানা আক্তার (২০)কে, ,কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ১৩(১০)১৭ এর ভিকটিম লাকি দাস কে উদ্ধারের পর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাহাদের নিজ নিজ অভিভাবকদের নিকট সুন্দরভাবে হস্তান্তর করে।
বিগত এক বছরে অনেক মামলা কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালত থেকে নারাজী হয়ে পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর পূনরায় তদন্তের ভার ন্যাস্ত হয়েছে এ রকম অধিক সংখ্যক মামলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনেক মামলা পূর্ববতী তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক রহস্য উদঘাটন হয়নি কিন্তু পিবিআই কুমিল্লা জেলায় তদন্তভার পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে উক্ত মামলা সমূহের রহস্য উদঘাটন পূর্বক পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করাতে সক্ষম হন ।
এই আলোকে কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৭১, তাং ২৪-২-২০১৭ ই ং ধারা ৩০২/২০১/৩৪ দ: বি:।এই মামলাটি প্রথমে কোতোয়ালী থানার এস আই শাহজাহান মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। নারাজী হওয়ার পর মামলাটি তদন্ত করেন সহকারী পুলিশ সুপার সূভাষ চন্দ্র সাহা । তিনিও একই রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন । আবারও মামলাটি নারাজী হয় । এবং ৩য় পর্যায়ে মামলাটি তদন্ত করেন সি আই ডি এস আই বলাই চন্দ্র। তিনিও একই চুড়ান্ত রিপোর্ট সত্য রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন । পরবতীর্তে আবারও মামলাটি বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বাদী প্রদত্ত নারাজীর আবেদন গৃহীত হয় এবং ৪র্থ পর্যায়ে বিজ্ঞ আদালত মামলাটির তদন্তভার ন্যাস্ত করেন পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর । এই পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে পুলিশ পরিদর্শক সারোয়ার আলম সরকারের মাধ্যমে তদন্ত করানো পূর্বক অত্র মামলাটির মূল আসামী গ্রেফতার করেন এবং ধৃত আসামীর কা: বি: ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন এবং মামলাটির রহস্য উদঘাটন পূর্বক মূল আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করাতে সক্ষম হন ।
মুরাদনগর থানার মামলা নং ১১(৩)১৫ ধারা ৩৬৪র্(ক)/৩৬৮ দ:বি: । এই মামলাটি উক্ত থানা এস আই মাসুদুর রহমান তদন্ত করেন এবং ২য় পর্যায়ে এস আই শামসুল আলম তদন্ত করেন এবং তদন্ত শেষে মামলাটির চুড়ান্ত রির্পোট তথ্যগত ভুল দাখিল করেছিলেন । বাদী কর্তৃক মামলার ফলাফল নারাজী হওয়ার পর বিজ্ঞ আদালত নারাজীর আবেদন গৃহীত হয় এবং বিজ্ঞ আদালত মামলাটির তদন্তভার ন্যাস্ত করেন পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর ।এই পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে মামলার ভিকটিম উদ্ধার করা সহ তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালত অভিযোগপত্র দাখিল করাতে সক্ষম হন ।
একই ভাবে চান্দিনা থানার মামলা নং২(৪)১৩ ধারা ৩০২/৩৪, বরুড়া থানার মামলা নং ১৬(১)১৫ ধারা দ্রত বিচার আইন ২০০২, কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৯৫(১২)১৪ ধারা ৪৩৬/৪২৭ , বরুড়া থানার মামলা নং ২১(১১)১৫ ধারা ৩২৬/৩০৭, চৌদ্দগ্রাম থানার থানার মামলা নং ২৭(১২)১৪ ধারার ৩২৬/৩৫৭.কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৩১(৩)১৫,ধারা ৪৩৫/৩৮০, বিশেষ উল্লেখ্যযোগ্য। ১ম পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাগন চুড়ান্ত রির্পোট দাখিল করার পর বাদী কর্তৃক মামলার ফলাফল নারাজী হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত নারাজীর আবেদন গ্রহন করে মামলার তদন্তভার পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর ন্যাস্ত করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে উপরোক্ত প্রত্যেকটি মামলার রহস্য উদঘাটন পূর্বক পিবিআই কুমিল্লা জেলা তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে সক্ষম হয় । যার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে বাদীগন প্রকৃত ন্যায় বিচার প্রাপ্ত হয় এবং সর্ব মহলে পিবিআই কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি উজ্জল হয় ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ যোগদানের পর থেকে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাদক , ইভটিজিং , জঙ্গিবাদ বিরোধী অনুষ্ঠানে কখনো প্রধান অতিথি , আবার কখনো বিশেষ অতিথি হিসাবে অংগ্রহন করে সাধারণ মানুষ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে উৎসাহ দিয়েছেন। যাহা বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রক্াশ পায় ফলে জনগনের মধ্যে পুলিশের ভাবমূতি বৃদ্ধি পায় ।
যার প্রেক্ষিতে বলা যায় উপরোক্ত কার্যক্রম সমূহের সাফল্যর নেপথ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো আপেল মাহমুদের বিচক্ষন, দূরদর্শিতা, একনিষ্ট পরিশ্রম ও দায়িত্বশীল ভুমিকা সর্বমহলে প্রশংসার দাবিদার । উল্লেখ্য মাহমুদ নরসিংদী জেলার পিবিআই জেলা প্রধান থাকাকালীন
বিভিন্ন প্রেক্ষিতে প্রশংসা অর্জন করেন । এরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পর পর দুইবার আই জি পি ব্যাচ পুরস্কার প্রাপ্ত হন । জনাব মাহমুদের বাড়ী ভৈরবপুর উত্তর পাড়া জমির মুনসী বাড়ী । তার বাবা ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩ নং সেক্টরের গ্রুপ কমান্ডার । তার বড় ভাই এম আর সোহেল ভৈরব মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিষদের ও যুব কমান্ডের সভাপতি এবং ভৈরব পৌর আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক । তিনি নিজে একজন কলাম লেখক । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের উপর তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় কলাম লিখে সুনাম অর্জন করেন । তাছাড়া তিনি সুদান মিশনের ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন এবং ভারত , ইন্দোনেশিয়া সহ দেশ বিদেশে প্রচুর সংখ্যক প্রশিক্ষন সম্পন্ন করেন । সর্বসাকুল্যে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের একজন সুনামধন্য পুলিশ অফিসার হিসেবে গর্ববোধ করেন।