কুমিল্লা সদর দক্ষিণে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা সদর দক্ষিন উপজেলার ধনপুর ফুনকা ইন্ডাস্ট্রিজ এর দক্ষিণ পাশে শহর মুখী সিএনজি’র সাথে ট্রাকের সংঘর্ষে সিএনজিতে থাকা ড্রাইভার সহ চার জনের মধ্যে দুই জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয়রা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় জানা যায়নি। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গতকাল  (৩০ জানুয়ারী) দুপুর ১২টায় চৌয়ারাগামী ট্রাকের সাথে শহরমুখী সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সিএনজিটি উল্টে গিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। ঘটনার সাথে সাথে সিএনজি’র ভিতরে থাকা চার জনের মধ্যে দুই জন গুরুতর আহত হয়। বেপরোয়া ভাবে ট্রাকটি চালানোর কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। 


পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি


শিরুল ইসলাম:
গতকাল দৈনিক ডাক প্রতিদিন ও কুমিল্লার অনলাইন পত্রিকা গুলোতে সংবাদ প্রকাশের পর বিজ্ঞ আদালত ধর্ষক বাবুল মীর প্রকাশ বাবুল মেম্বারকে গ্রেফতারের আদেশ জারি করে। উক্ত আদেশের খবর পেয়ে বাদী আ: আজিজ সাংবাদিক সহ গনমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করে বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। তাদের একটু সহযোগীতা আমাদের সাধারণ মানুষের অনেক উপকারে আসে। দীর্ঘ ১৮১দিন অর্থাৎ ৬মাসে ও আমি আমার মেয়ের বিচার পাইনি। অনেক জায়গায় গিয়েছি অনেক ঘুরেছি আমাকে ব্রাক অফিস আর সাংবাদিক ছাড়া কেউ তেমন একটা সহযোগীতা করেনি। আমি অত্যন্ত খুশি যে দেরিতে হলেও আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। আশা করি এর মাধ্যমে আমরা একটি সঠিক বিচার পাব। 

বাদী বাড়ী ছাড়া, আসামী বাড়ীতে ঘুমায়, আদালতে চার্জশিট

২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের ১৮১দিনে ও ধর্ষক গ্রেফতার হয়নি
বশিরুল ইসলাম:
ডাক্তারী পরীক্ষা ও পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত সত্য বলিয়া প্রমাণিত হওয়ার পরে  আসামী দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস পেরিয়ে গেলে ও গ্রেফতার হয়নি।  মুরাদনগরে ধর্ষক  প্রভাবশালী হওয়ায় বাদী বাড়ীতে যেতে পারছেনা। এদিকে ধর্ষক বাবুল মীর প্রকাশ বাবুল মেম্বার দিন দুপুরে বাড়ীতে প্রকাশ্যে চলাফেরা করে আসছে।

স্থানীয় লোকজনের বক্তব্য, চার্জসিটের কপি ও বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায়, বাবুল মীর একজন খারাপ প্রকৃতির লোক। সে পূর্বে ও এই রকম অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলতে চায়না। ঘটনার পরপর তাছলিমার বাবা আবদুল আজিজ থানায় মামলা দায়েরের পর থেকে বাড়ীতে থাকতে পারছেনা। তার কর্মস্থলে কাজ করা ও বন্ধ করে দিয়েছে। বাবুল মীরের রয়েছে একটি গুন্ডা বাহিনী। বাহিনীর সদস্যরা বাদীকে বাদীর কর্মক্ষেত্রে ও বাড়ীতে গেলেই মেরে ফেলার হুমকি ধমকি সহ মেরে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে আসছে। প্রাণ নাশের হুমকির কারণে বাদী মুরাদনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী ও  করেছে। কিন্তু তারপর ও মামলার বাদী আব্দুল আজিজ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। তাকে কৌশলে বিভিন্ন ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছে। বাবুল মীর বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে মামলার স্বাক্ষীদেরকে বিভিন্ন কৌশলে তার পক্ষে কথা বলার জন্য উদ্ধবুদ্ধ করে এক সাথে উঠাবসা করছে। এমনকি স্বাক্ষীদের দিয়ে বাদীকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিচ্ছে যেন  আপোষ হয় নয়তো তাকে ইয়াবা অথবা গাজা দিয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়া হবে। ঘটনার সাথে সাথে বাদী থানায় মামলা দায়ের করলে আসামী পক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে কোম্পানীগঞ্জ বাজার বিআরটিসি কাউন্টারের ভিতরে প্রবেশ করে  বাদীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে।  বিষয়টি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক মো: জাহাঙ্গীর আলমকে জানানোর পরে ও সে কোন রকম ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। ১নং স্বাক্ষী বিআরটিসি কাউন্টারের মালিক মো: শফিকুল ইসলাম নির্যাতনের পর তাকে  মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে রক্ষা করে। বাদীকে সেখান থেকে বাচানোর অপরাধে ১নং স্বাক্ষীকে ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বাবুল মীরের বাহিনী । মামলার বাদীকে শারীরিক নির্যাতনের পর  বাদী গত ১৬ আগষ্ট ২০১৬ ইং তারিখ আসামী মো: বাবুল মীর, আ: আউয়াল, বাচ্চু মিয়া, মিন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লা বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আরো একটি মামলা দায়ের করে।  এদিকে  বাদী আরো জানান, ঘটনার সাথে সাথে ব্রাক মুরাদ নগর অফিসের লোকজন আমার মেয়েকে দেখেছে। দেখার পর আমার মেয়েকে আর্থিকভাবে সহযোগীতা করেছে। তারা আমাকে আইনী পরামর্শ সহ সকল প্রকার সহযোগীতা করার আশ^াস দিয়েছে। আমি সকলের সহযোগীতা চাই ধর্ষক বাবুল মীরের যেন সঠিক বিচার হয়। আমার মেয়ের মত যেন কাহারো  মেয়ের এই রকম অবস্থার স্বীকার হতে না হয়।
ব্রাক মুরাদনগর অফিসের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার নাজমা সুলতানা জানান, আমরা ব্রাক কর্মকর্তা কর্মচারীরা নির্যাতিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি। তাদের যে কোন সমস্যা সমাধানে ব্রাক অফিসের সকল সদস্য সদা সচেষ্ট। তাছলিমা মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত মেয়ের বাড়ীতে গিয়ে মেয়ের দেখাশুনা করেছি। চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগীতা করেছি পাশাপাশি আইনী পরামর্শ দিয়েছি। তাকে পুনর্বাসনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে ও আলোচনা করছি। ব্রাক মূলত সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত। আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মেয়েদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান, মামলা বর্তমানে আদালতে চলমান। আদালতের নির্দেশে আমরা চার্জশিট প্রদান করেছি। আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী না পর্যন্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে পারছিনা। তাছাড়া আসামী অগ্রিম জামিন নিয়ে আসলে ও আমরা তাকে গ্রেফতার করতে পারবোনা। তবে যদি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী হয় বাদী আমাকে এর কপি পৌছে দেয় আমি আসামী গ্রেফতার করে থানায় প্রেরণ করবো।
মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান জানান, গত বছরের  ২৮ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ বাজারে ২য় শ্রেণীর ছাত্রী তাছলিমা (৯) নামের যে মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছে সে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার পর তাকে হুমকি দিচ্ছে মর্মে থানায় ডায়েরী করলে আমরা তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহন করি। এর পর থেকে বাদী পক্ষ আমাদের সাথে কোন রকম যোগাযোগ করে নাই তাকে কেউ হুমকি ধমকি দিয়েছে আমাদেরকে জানায়নি । তাকে হুমকি দিলে আমাদের থানায় অভিযোগ করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো। মামলা যেহেতু আদালতে চলমান সেহেতু গ্রেফতারি পরোয়ানা না আসা পর্যন্ত আমরা আসামীকে গ্রেফতার করতে পারিনা। গ্রেফতারি পরোয়ানা আসার সাথে সাথে আসামীকে গ্রেফতার করব।

জরাজীর্ণ ভবনে চান্দিনা উপজেলা মৎস্য অফিস

বশিরুল ইসলাম:
 চান্দিনা উপজেলা মৎস্য অফিস সহ আরো দুইটি অফিস দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ভবনে অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। একই ছাদের নিচে উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিস ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অফিস। এই ভবনের চারপাশে ভেতরে বাহিরে বিভিন্ন স্থানে ফাটল আর ভাঙ্গার দৃশ্য চোখে পড়ার মত। যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটে প্রাণ হানির আশংকা করছে অফিসে আসা সাধারণ লোকজন। বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ভবনটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের । নিচ তলা কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ব্যবহার করছে আর দ্বিতীয় তলায় মৎস্য অফিস ও আনসার ভিডিপি অফিস। এই অফিস গুলোর কর্মকর্তা কর্মচারীরা সব সময় আতংকে থাকে
। কখন ইট আর শুরকির আস্তর পরে কার মাথা ফাটে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে। রাস্তা দিয়ে ট্রাক বা ভাড়ী গাড়ি চলাচলের সময় ভবনটি কাপতে থাকে। গত কিছুদিন পূর্বে ভূমি কম্পে বিল্ডিংয়ের আস্তর পরে অফিসের অনেক আসবাব পত্র নষ্ট হয়েছে। তাই তিনটি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবী এই ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষনা করে অন্যত্র অফিসের ব্যবস্থা করলে কর্মচারীরা অফিস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে এবং কাজে গতি আসবে। এই ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য অফিসার রাধেশ্যাম বৈষ্ণব জানান, এই ভবনটি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের। ভবনটি অনেক ঝুকিপূর্ণ। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে উপজেলায় একটি ভবন করার জন্য আমরা একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। আশা করি অতি শীঘ্রই আমাদের নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম জাকারিয়া জানান, আমি সদ্য চান্দিনা উপজেলায় যোগদান করেছি। মৎস্য অফিসের ভবন সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা।

বিদ্যুৎ অফিসের গাছ কাটা সাধারণ মানুষের ভোগান্তী


 গতকাল  (২৩ জানুয়ারী) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ বালুতুপা শাখার অধীনে গাছ কাটার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে করে রাস্তায় দীর্ঘ যানজট সাধারণ মানুষ ভোগান্তীতে পরে। হাসপাতালে আগত রোগীরা বাহিরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে কোন রকম পরিক্ষা নিরীক্ষা করতে পারেনি। সাধারণ মানুষের দাবী রাতে অথবা বন্ধের দিনে কাজটি করলে ভাল হয়।  ছবিটি গতকাল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামন থেকে দিনের ৪টায় তোলা হয়েছে। 

কুমিল্লা বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্ট ক্যাম্পিং কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা বিএনসিসি (সেনা) ময়নামতি রেজিমেন্ট ক্যাম্পিং ২০১৬-১৭ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর ময়নামতি রেজিমেন্ট কর্তৃক আয়োজিত রেজিমেন্ট ক্যাম্পিং গত ১৫ জানুয়ারী কুমিল্লা পুরাতন বিমান বন্দরে শুরু হয়ে ২৩জানুয়ারী দুপুর ১.৩০মি: এ  কুচকাওয়াজের মাধ্যমে সমাপ্তি হয়। স
মাপনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা এক্স ক্যাডেট এসোসিয়েশনের সভাপতি সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট সহ মোট ১০ টি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭শত ক্যাডেট এই ক্যামেপইনে অংশ গ্রহন করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. ওয়াহিদুজ্জামান ।  অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ময়নামতি রেজিমেন্টের রেজি
মেন্ট কমান্ডার লে: কর্ণেল সালাউদ্দিন আল মুরাদ, জি রেজিমেন্টের এ্যাডজুটেন্ট মেজর আবুল আলা মুহাম্মদ তৌহিদ,  ব্যাটেলিয়ন এ্যাডজুটেন্ট মেজর শিব্বির আহমেদ বিপু এবং মেজর মো: মোর্কারম আহমেদ সহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

বর-কনের পিতা মাতার নিকট দোয়া কামনা

আমি শাহরিয়ার রহমান শিশির এবং  আমি  তাসমিমা হোসেন মিতুল ।
আমরা  দুজন দুজনকে ভাল বাসি। ভালবাসার পূর্ণরুপ দিতে গত ০১-০১-২০১৭ ইং তারিখ শনিবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই।  আমাদের দুজনের বাবা মা এর নিকট দোয়া কামনা করছি, আমরা দুজন ভাল আছি এবং আমাদের জন্য দোয়া করবেন । বর শাহরিয়ার রহমান শিশির, পিতা: মো: শাহ এমরান, ডাকঘর: আড্ডা বাজার, থানা: বরুড়া ও কনে তাসমিমা হোসেন মিতুল, পিতা: মনাব্বর হোসেন, গ্রাম: গোপালনগর, ডাকঘর: রামমোহন বাজার, থানা: বরুড়া, উভয় জেলা কুমিল্লা।

কুমিল্লায় মোটরসাইকেল ও সড়ক দুর্ঘটনায় ৫জন আহত, গাড়ী ভাংচুর

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতরা হলো নাইম (২৫), সবুজ (২৫) , সজীব (২৭) ও আরো একজন। এদের মধ্যে দুই জন বাটপাড়া এলাকায় মোটরসাইকেল স্লিপ করে দুর্ঘটনার স্বীকার হন। অন্য দুই জন বোগদাদ বাসের সাথে ধাক্কা খেয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হউন।  তিন কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া ও চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় আরো এক যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত ব্যক্তির নাম ইকবাল । সে চান্দিনা দোতলা ্গ্রামের ছোবহান মিয়ার ছেলে। ব্যক্তিটি এখনো আংশকাজনক নেয় বিধায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে। 

দশ জন লোকের অভিশাপ আর দশ হাজার লোকের দোয়া এক কথা নয়।


বশিরুল ইসলাম: 
দশ জন ব্যক্তির  অভিশাপ আর দশ হাজার ব্যক্তির মন থেকে দোয়া করা এক কথা নয়। অধ্যাপক প্রাণ গোপাল যে কথাটি বলেছেন সেটি ছিল প্রায় ১৮ কোটি  সাধারণ জনগনের মনের কথা। অপ্রিয় হলে ও কথাটি সত্য ছিল। তবে সেখানে অনেকে থাকতে পারেন যারা হয়তো কমিশন খান না। কিন্তু বেশির ভাগ কমিশন খেয়ে থাকেন। বলছিলাম প্রাণ গোপাল দত্ত্ব স্যারকে নিয়ে ডা: শিরিন সাবিহা তন্বী’র লেখার সূত্র নিয়ে। তিনি ব্যাংকে গিয়ে অপদস্ত হয়েছেন বিব্রতকর পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছেন। জানিনা তিনি কেমন তবে তিনি বুঝার দরকার ছিল যে হয়তো বা তার পেশার কেউ না কেউ এটা করছে। প্রত্যেক পেশায় ভাল খারাপ লোক থাকতে পারে আর এটাই স্বাভাবিক। যদি সকল ব্যক্তি ভাল হতো তাহলে পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী, বিজিবি বা আইনশৃংখলা বাহিনী অথবা ইমাম মোয়াজ্জেনের প্রয়োজন ছিলনা। বিভিন্ন  বাহিনীর লোক যে শতভাগ ভাল সেটি ও বলছি না কেননা গত কিছুদিন পূর্বে সাত খুনের মামলায় ২৬ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ দিলে সেখানে বেশির ভাগ ছিল বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য। স্যার যেই কথাটি বলেছে হয়তো সারাদেশের সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগের উপর ভিত্তি করে তিনি কথাটি বলেছেন। তবে কথাটি অস্বীকার করার মত নয়। কেননা প্রতিদিন ডাক্তারদের চেম্বারে ঔষধ কোম্পানীর লোকদের ভিড়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকদের ভিড় লেগে থাকে। ঔষধ কোম্পানীর লোকেরা প্রায় সময় প্রতিযোগীতায় লেগে থাকেন কার ঔষধ কে বেশি কিভাবে সাধারণ মানুষকে খাওয়াবেন। এমনও দেখা যায় বেনামী ও নাম সর্বস্ব ঔষধ কোম্পানীর ঔষধ লিখে ডাক্তার। যে ঔষধের কোন উপকার ও নেই ক্ষতি ও নেই। কিছুদিন আগে ও এক ডাক্তার সুইটকেল ভি বিটামিন ক্যাপসুল লিখে প্রতি মাসে । তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি আটা ময়দা লিখব তাতে আপনার কি? পরবর্তীতে যখন সিভিল সার্জন তার প্রতিনিধি পাঠাল চাান্দিনা থানার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাসিমা পারভীন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উপজেলা অফিসে উপস্থিত হওয়ার নোটিশ দিলেন তখন সেই ডাক্তার কর্মস্থল লাপাত্তা হয়ে গেলেন। পরবর্তীতে জানতে পারলাম সেই সুইটকেল ভি ঔষধটি ক্ষতি ও করে না আবার উপকার ও করেনা। অর্থাৎ এর কোন ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া নেই। অথচ সেই ঔষধটি লিখেছিল একজন ডা: নামধারী ব্যক্তি। সেই ব্যক্তিটি ও আমাকে অভিশাপ দিয়েছিল কিন্তু তার কারণে ঐ এলাকার কয়েকশ লোক বেঁচে গিয়েছে সকলের নিকট প্রশংসিত হয়েছি। আর এজন্য যদি কেউ মনে করে আমি প্রশংসার জন্য এটি করেছি তাহলে খাম খেয়ালিপনা ছাড়া আর কিছুই নয়। কাহারো কোন মন্তব্য বা বক্তব্য শোনার পর আমরা সচেতন হতে হবে দায়িত্বের প্রতি আরো দায়িত্বশীল হতে হবে অন্য কাউকে দোষারুপ করে নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে খামখেয়ালীপনা করলে চলবে না। তাই আসুন ডা: প্রাণ গোপাল দত্ত স্যারের বক্তব্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সকলে সচেতন হই 

খানা খন্দ আর নির্মাণ সামগ্রীতে ভরপুর কুমিল্লার রাস্তা গুলো।


বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলা সহ আশে পাশে উপজেলা গুলোর রাস্তা গুলো খানা খন্দ আর নির্মাণ সামগ্রীতে ভরপুর। রাস্তা গুলোতে বালুর ট্রাকের বেপরোয়া চলাচলের কারণে ট্রাকের বালু পরে রাস্তা খানাখন্দে ভরে যাচ্ছে। রাস্তায় মাটি পড়ে একদিকে যেমন রাস্তা নষ্ট হচেছ অপর দিকে বালুর কারণে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সাধারন মানুষ বালুর কারণে সর্দি কাশি সহ নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।  একটু বৃষ্টি বা কোন রকম পানি পড়লেই তা কর্দমাক্ত হয়ে রাস্তার ঢালাই নষ্ট হয়ে রাস্তার পিচ উঠে যাচ্ছে।  উপরোন্তু রাস্তার দুপাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করে রেখেছে প্রভাশালীরা যার কারণে রাস্তা দিয়ে যাত্রী চলাচলে বিঘœ ঘটছে। এই সমস্যার জন্য সাধারণ মানুষ প্রশাসনকে দায়ী করছেন।  কেননা প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে এই ঘটনা গুলো প্রতিনিয়ত ঘটছে। 
বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,  কুমিল্লা সদর ও আশে পাশে রাস্তা গুলো বালু বা মাটি বাহী ট্রাক গুলোর বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে রাস্তার উপরে প্রচুর পরিমানে মাটি ও বালু পরে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার স্থলবন্দর রোড, বাখরাবাদ-টমছমব্রিজ রোড, সালাউদ্দিন-চকবাজার রোড, চাঁনপুর কালিকাপুর রোড, শাসনগাছা-বুড়িচং রোড, ধর্মপুর-ভিক্টোরি
য়া কলেজ রোড, ধর্মপুর-শাসনগাছা রোড সহ শহরে প্রবেশের আরো অনেক রোডের বেহাল অবস্থা। খানাখন্দের কারণে রাস্তার পিচ নষ্ট হয়ে রাস্তা দিয়ে যাত্রী চলাচলে কষ্ট হচ্ছে। তাছাড়াও রাস্তার দুপাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করে রেখেছে ভবন নির্মাণ মালিকগন। সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ভবন নির্মাণে ব্যস্ত এরা। কান্দিরপাড় থেকে শাসনগাছা রোডে ঝাউতলা মুন হাসপাতালের সামনে প্রধান সড়কে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের চিত্র দেখা যায়। টমছম ব্রিজ থেকে কান্দির পাড় যেতে রাস্তার দুই পাশে রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণের সামগ্রী পরে থাকতে দেখা গিয়েছে। ঢুলিপাড়া চৌমুহনী থেকে চর্থা যাওয়ার পথে চৌমুহনী মোড়েই ভবন নির্মাণের সমাগ্রী দিয়ে রাস্তা দখল,  থিরাপুকুরের উত্তর পাড়ে কবরস্থানের সামনে পুরো রাস্তা দখল করে মাটি ফেলে রাখা হয়েছে,  একটু সামনে গেলে চর্থা মোড়ের একটু আগে দেখা যায় ভবন নির্মাণের সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের চিত্র। রাস্তা দখলের কারণে এমন চিত্র মনে হয় না এখানে কোন রাস্তা আছে?  এছাড়াও শহরের প্রতিটি অলি-গলিতে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের দৃশ্য আরো বেশি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে।

নানা অায়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হলো S.A TV এর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান


গতিরোধকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে রাস্তায় গতিরোধক মরণ ফাঁদ

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন  স্থানে রাস্তায় গতিরোধক (স্পীড ব্রেকার) দিন দিন বাড়ছে । যে যেভাবে যেখানে মন চাচ্ছে সেখানে ইচ্ছামত গতিরোধক স্থাপন করছে। কোন রকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই এ গুলো হলেও সড়ক বিভাগ এব্যাপারে উদাসীন। এরা দায়িত্বহীনভাবে দেখে ও না দেখার মত এই স্পীড ব্রেকার তুলার কোন উদ্যোগ নিচ্ছেনা। আমাদের দেশে সংবিধানে কোথাও কোন গতিরোধক স্থাপনের নির্দেশনা নেই। গতিরোধকের কারণে পথচারীদের রাস্তায় চলাচলে বিবিধ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। 
কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে স্কুল কলেজ মাদ্রাসার সামনে এমনকি বাড়ীর সামনে ও স্পীড ব্র্রেকার ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। প্রতি বছর লাখো মানুষ মরছে সড়ক দুর্ঘটনায়। বেশির ভাগ মানুষ মারা যাচ্ছে বেপরোয়া গাড়ী চালানোর কারণে। আর বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালানো বন্ধে বিভিন্ন স্থানে গতিরোধক স্থাপন করছে স্থানীয় লোকজন। এই গতিরোধক বর্তমান সময়ে এসে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। নিয়ম বহি:র্ভুতভাবে যত্রতত্র স্থাপিত গতিরোধক গুলো যানবাহন চলাচলের জন্য বিপদজ্জনক হয়ে উঠছে। তাই যানবাহন চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার কারণে এগুলো তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গতিরোধক  স্থান গুলোতে গতিসীমা সংক্রান্ত সাইনবোর্ড ও ট্রাফিক চিহ্ন স্থাপন করে গতিরোধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে । প্রয়োজনে সড়কের উপর সাদা রংয়ের চিহ্ন দেওয়া যেতে পারে। গাড়ীর ড্রাইভারদেরকে প্রশিক্ষনের আওতায় এনে তাদেরকে নিয়ম নীতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। বিভিন্ন
সড়ক ও মহাসড়কের পাশে বসা হাট-বাজার অপসারণ করে  নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে হবে। সড়ক বা মহাসড়কের পাশে ভবিষ্যতে হাট বাজার বসার অনুমতি দেওয়া যাবেনা। বর্জ্য ও পত্যিক্ত পানি অপসারণে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে। মহাসড়ক গুলোতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বা অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে ওজন পরিমাপক যন্ত্র স্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও নষ্ট হওয়া যানবাহন অপসারণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। পারভেজ আলম সরকার নামে এক যাত্রী জানান, কিছু কিছু স্পীড ব্রেকার কার্যকরী আবার কিছু স্পীড ব্রেকার ফালতু জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। অনেক সময় ড্রাইভাররা গাড়ী স্লো না করেই স্পীড ব্রেকারের উপর দিয়ে চলে যায় ফলে অনেক সময় যাত্রীদের এক জায়গার হাড্ডি অন্য জায়গায় চলে যায়।
রাস্তায় গতিরোধক সম্পর্কে কুমিল্লার জেলার  জেলা প্রশাসক মো: জাহাংগীর আলম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, রাস্তা থেকে গতিরোধক তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আমরা সড়ক বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছি। কোথায় কোথায় গতিরোধক ব্যবহার করা হচ্ছে সেই তালিকা আমাদেরকে দেন আমরা গতিরোধক তুলে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করবো। প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে গতিরোধক গুলো তুলে নিতে হবে। 

কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে তীব্র শীত, জনজীবন বিপর্যস্ত।

বশিরুল ইসলাম:
তীব্র শীতে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে জনজীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে শুরু করেছে। মানুষের স্বাভাবিক কাজ কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গরীব মানুষদের দুর্ভোগ চরমে পৌছতে শুরু করছে। গত তিন দিন ধরে এই শীতের তীব্রতা বাড়ছে বলে ধারণা স্থানীয় লোকদের। 
বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শীত জেঁকে বসেছে। কনকনে হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার লোকজন। স্বপ্ল আয়ের মানুষজন শীত বস্ত্রের অভাবে খড়কুটো জ¦ালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। অনেকে পুরোনো কাপড়ের বাজার থেকে শীত বস্ত্র ক্রয়ের চেষ্টা করছেন। গত তিন দিন আকাশে কোন কোন স্থানে তেমন বেশি কুয়াশা না থাকলে ও শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি ছিল। জেলার কোথাও কোথাও কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ¦ালিয়ে গাড়ি চলাচল করতে হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ী থেকে বের হচ্ছেনা। শীত ও ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে বিভিন্ন স্থানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে উপস্থিতি কমতে শুরু করেছে। 
তীব্র শীত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইতিমধ্যে ঠান্ডা জনিত কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কাঁশি ও ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা একটু বেশি। 

দখলের কবলে কুমিল্লার ফুটপাত ও রাস্তা।

বশিরুল ইসলাম:
দখলের কবলে কুমিল্লার সড়ক ও মহাসড়কের পাশের ফুট পাত ও রাস্তা। ফুটপাত এবং রাস্তা দিন দিন দখলদারদের দখলে চলে যাচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনার কারণে সড়কের উপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। এতে করে বিভিন্ন ভাবে যানজটের সৃষ্টি হয়। সম্মুখীন হতে হয় দুর্ঘটনার। রাস্তার উপর অস্থায়ীভাবে জায়গা দখল করে বেচা-কেনা শুরু করেছে বিক্রেতারা। প্রশাসনের চোখে ধুলি দিয়ে শহরের প্রাণ কেন্দ্র কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সামনে, টমছম ব্রিজ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে, শাসনগাছা, চকবাজার, রাজগঞ্জ, জাঙ্গালিয়া, পদুয়ার বাজার বিশ^রোড, ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট এলাকা, বাখরাবাদ, চান্দিনা বাজার, দেবিদ্বার বাজার সহ এরকম বিভিন্ন উপজেলা রাস্তার উপর স্থান করে নিয়েছে চা দোকানদার, ফল ও মাছ বিক্রেতারা। হাটার জন্য যথেষ্ট জায়গা না থাকায় প্রধান সড়ককেই হাটার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে পথচারীরা। 
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন প্রকার অস্থায়ী দোকানপাট তৈরি করে কেনাবেচার কারণে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। শুধু কুমিল্লা মহানগরীতে নয় বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে রাস্তার উপর দোকান পাট ও বাজার বসতে দেখা গিয়েছে। কুমিল্লা টমছম ব্রিজ মোড়ে অটোরিক্সা আর সিএনজি স্ট্যান্ড টমব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তার উপর কাচা বাজার আর সিএনজি স্ট্যান্ড কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনের ফুট পাত দখলে নেমেছে একটি চক্র। আর এই চক্রটি উল্লেখিত স্থান গুলোতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশ্রয়ে থেকে চালিয়ে যাচেছ রাজত্ব। 
অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছু অসাধু চাদাবাজ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ভাঙ্গিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে শত শত অবৈধ দোকান বসিয়ে মোটা অংকের ভাড়া আদায় করছে। শুধু রাজনৈতিক নেতাকর্মী নয় বরং দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশরাও তাদের কাছ থেকে দৈনিক এবং মাসে মাসোয়ারা নিয়ে থাকে বলে একাধিক সূত্রে জানা গিয়েছে। 
সম্প্রতি ভ্রাম্যমান আদালত বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলে ও উচ্ছেদের পর পরই পুনরায় একই স্থানে বিকল্প উপায়ে অবৈধ স্থাপনা আবার স্থাপন করছে। 
এ ব্যাপারে পথচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন অফিসের কাজ শেষে বাড়ী ফেরার পথে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সড়কে দুই পাশে ফুটপাতের পাশে অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের তরকারি, মাছ ও ফলের দোকান থাকার কারণে ফুটপাত দিয়ে চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হয়। এতে করে রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে অটোরিক্সা ও সিএনজি’র ধাক্কা খেতে হয়। এতে পথচারীদের রাস্তার উপর দিয়ে চলাফেরা করতে হয় এবং বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন যানজটের সম্মুখীন হচ্ছে। মানুষ রাস্তার উপর দিয়ে চলাচলের কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। এসব দিক বিবেচনা করে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক যথাযথ ব্যবস’া গ্রহণের দাবি জানানো হয়।  কিছুদিন পূর্বে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার ইলিয়াছ অটোরিক্সার ধাক্কায় হাতে আঘাত প্রাপ্ত হন। এরকম অনেক ইলিয়াছ রাস্তার পাশ দিয়ে হাটার সময় দুর্ঘটনার স্বীকার হন। 

সড়ক দুর্ঘনায় আহত হয়ে জ্ঞাত ব্যক্তি কুমেক হাসপাতালে কয়েকদিন

বশিরুল ইসলাম:
লোকটি সড়ক দর্ঘটনায় আহত হয়ে কুমেক হাসপাতালে ভর্তি আছে। লোকটি বর্তমানে তার নাম বলতে পারে । সে জানিয়েছে তার নাম শামছুল হক, তার বাবার নাম নইমুদ্দিন, গ্রাম: ফুলগাজী বাজার। সে ঔষধের কাজ করে। তার তিন ছেলে রয়েছে। বাদল, শাহাবুদ্দিন ও নাম বলতে পারছেনা একজন। যদি কোন স্বহৃদয় বান ব্যক্তি এই লোকটিকে চিনেন তাহলে তার স্বজনদের জানালে লোকটি উপকৃত হবে। প্রত্যেকে শেয়ার করে তাকে তার স্বজনদের নিকট পৌছে দিতে সহযোগীতা করুন।

সিটিভি নিউজ ২৪ডট কম এর দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি মহোদয় সহ কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সকল সদস্য, সাংবাদিবৃন্দ এবং বাংলার আলোড়ন পত্রিকার সহ সম্পাদক জুনায়েদ শিকদার তপু প্রমুখ।


কুমিল্লা নুরপুরে যুবকের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মহানগরীর নুরপুর (দ:) এলাকায় যুবকের ছুরিকাঘাতে হাসান (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে নুরপুর বড় বাড়ীর মৃত আব্দুল হাকিমের ছোট ছেলে। ছয় মাস পূর্বে  বিদেশ থেকে ফেরত এসে কুমিল্লা মহানগরীর কান্দিরপাড়ে দোকানে কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছিল হাসান। 
                  স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গতকাল (৮ জানুয়ারী) দুপুর ১টায় নুরপুর
বড়বাড়ীর মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে হাসান ও হযরত পাড়া এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে স্বপনের সাথে কথাকাটা কাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়রা দুজনকে দুই দিকে পাঠিয়ে দিলে ঘটনার স্থান থেকে হাসান ও স্বপন চলে যায়। ঘটনার কিছুক্ষন পরে হাসান নুরপুর এলাকার শিমল মিয়ার সেলুন দোকানে গেলে সেখানে স্বপন, তুষার সহ আরো দুই তিন জন হাসানকে সেলুন দোকান থেকে ডেকে রাস্তায় এনে বুকের বাম পাশে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। হাসানের চিৎকারে স্থানীয়রা দৌড়ে আসলে স্বপন ও তুষার সহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। হাসানকে কুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসানের অবস্থা খারাপ দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। কুমেক হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল নেওয়ার পথে হাসান মারা যায়। এদিকে মৃত্যুর খবর শোনে হাসানের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। হাসানের মা  ভাই বোনদের কান্নায় নুরপুর এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠে। ঘটনার সাথে সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন  এবং আলামত সংগ্রহ করেন কোতয়ালী থানার  ওসি (তদন্ত) সালাউদ্দিন ও চকবাজার ফাড়ির ইনচার্জ মো: সফিউদ্দিন সহ এসআই বাদল, মজনু, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উক্ত ঘটনায় কোন মামলা দায়ের হয়নি। 
                                               কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, হাসান ও স্বপনের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাদের দুইজনকে দুই দিকে পাঠিয়ে দিলে স্বপন পরে দেখে নেব বলে চলে যায়। ঘটনার আধা ঘন্টা পরে স্বপন, তুষার ও দু’য়েক জন হাসানকে সেলুন দোকান থেকে বের করে রাস্তায় ছুরিকাঘাত করলে হাসানকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাসান মারা যায়। 

সিটিভি নিউজ ২৪ডট কম এর দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান

সিটিভি নিউজ ২৪ডট কম এর দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি মহোদয়ের নিকট থেকে সম্মান ক্রেস্ট গ্রহন করছেন বাংলার আলোড়ন পত্রিকার সহ-সম্পাদক জুনায়েদ শিকদার তপু। 

চান্দিনায় গল্লাই-কুটুম্বরপুর রাস্তায় গাছ কেটে রাস্তা অবরোধ করে ডাকাতি, আহত ৫

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কুটুম্বপুর থেকে গল্লাই রাস্তার গজারিয়া নামক স্থানে রাত সাড়ে ১২টায় মাইক্রোবাসে ডাকাতি। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু থানার পুলিশ সদস্যরা ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন। আহতরা কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 
আহতদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ০৭ জানুয়ারী ২০১৭ রাত সাড়ে ১২টায় গজারিয়া সানে দরগা পুলের উত্তর পাশে ঔষধ ফ্যাক্টরীর দক্ষিণ পাশের্^ কদম গাছ কেটে রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি করে মাইক্রোবাসটিকে থামানো হয়। গাড়িটি রাস্তায় দাড়ানোর সাথে সাথে চারদিক থেকে ডাকাতরা মাইক্রোবাসটিকে ঘিরে ফেলে এবং  আমাদের পকেটে থাকা টাকা পয়সা মোবাইল ও অন্যান্য জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। আমরা শুরচিৎকার করতে চাইলে তারা আমাদের মেরে রক্তাক্ত করে এবং জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আহত আ
বুল হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার পাক শ্রীরামপুরের বুরগী গ্রামের আ: লতিফের ছেলে। মহিউদ্দিন (৩২)  পিতা আলী আশ্রাফ চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। সালাউদ্দিন (২১) পিতা সাইদ আহমেদ একই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামের বাসিন্দা। মনির মাস্টার একই ইউনিয়নের জরুন্ডা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুটুম্বর থেকে গল্লাই আসা যাওয়ার রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে চান্দিনা-৭ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশ্রাফ এমপি মহোদয়ের বাড়ীতে ও আসা যাওয়া করা হয়। কিন্তু রাস্তাটিতে রাতের আধারে প্রায় সময় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা রাতে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে যাত্রীদের আহত করে সাথে থাকা নগত টাকা জিনিসপত্র কেড়ে  নেয়। থানার পুলিশ জেনে ও অনেক সময় না জানার মত করে ব্যাপারটি এড়িয়ে যায়।  পুলিশ রাতে কুটুম্বপুর এলাকায় ব্রিজের নিকট একটু এসে আবার সেখান থেকে আবার চলে যায়। তাছাড়া পুলিশ আসে ঠিকই কিন্তু ডাকাতি কমছে না । এই রাস্তায় গত ৬ই জানুয়ারী ২০১৭ তারিখ দিবাগত রাতেও ওজানী মাহফিল থেকে লোকজন বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে পরে। এই ভাবে প্রতি মাসে কয়েকবার ডাকাতি হচ্ছে কিন্তু প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। তাছাড়া পুলিশ রাতে সিএনজি ড্রাইভারদের নিকট থেকে পাহারা দেবার নামে সিএনজি প্রতি ত্রিশ টাকা করে নিচ্ছে কিন্তু রাত ১০টার পরে পুলিশ সদস্যরা ডিউটি থেকে চলে যাওয়ায় ডাকাতরা ১০টার পরে ডাকাতি করছে। রাতে পুলিশরা ডিউটি করা কালীন নাম্বার প্লেট ব্যবহার করছে না। এই যেন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত। যার কারণে আমরা তাদের নাম ও জানতে পারছিনা। প্রশাসনের নিকট আমাদের আবেদন পুলিশ টাকা নিচ্ছে আবার ডাকাতি ও হচ্ছে এটা কেন হবে। তাহলে আমাদের জান মালের নিরাপত্তা কোথায় এবং কে দিবে নিরাপত্তা আবার সিএনজি থেকে টাকা নিবে কেন । টাকা নিলে পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে না কেন।
                      চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কুটুম্বরপুর থেকে গল্লাই যাওয়ার যে রাস্তা সেই রাস্তায় ডাকাতি হচ্ছে আমরা কোন কিছু জানিনা । আমাদেরকে কেউ খবর দেইনি। তাছাড়া আমাদের পুলিশ সদস্য রাত ১২টা পর্যন্ত ঐ রাস্তায় টহল দিয়ে থাকে। পুলিশ সদস্য টাকা নিচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান, যদি কোন পুলিশ সদস্য টাকা নেয় তাহলে সেই পুলিশ সদস্যের নামটি দেন আমি সেই পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে হাজতে দেব। 

কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে সিএনজি অটো সংঘর্ষে আহত ৬

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে অটো, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী  সংঘর্ষে  আহত হয়ে
ছে ৬জন। আহতরা অটোরিক্সার ও মোটরসাইকেলের যাত্রী। কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে সিএনজি মোড়নেওয়ার সময় অটোরিক্সার সাথে ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেলের উপর পরলে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের তিনজনের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। এরা হলো  রিয়াজ (১৬), আলমগীর (৩৫), শিপন (৩৫)। 
প্রত্যেক্ষদর্শী ও আহতদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুমিল্লা মহানগরীর শাসন গাছা থেকে অটোরিক্সা যাত্রী নিয়ে চকবাজার যাওয়ার সময় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সামনে আসা মাত্র সামনে একটি সিএনজি ঘুরানোর সময় অটোরিক্সাটি ব্রেক যথাসময়ে যথাস্থানে না করতে পারায় সিএনজি’র ধাক্কায় অটোরিক্সাটি মোটর সাইকেলের উপর গিয়ে পড়লে মোটরসাইকেল আরোহী দুই জন ও অটোরিক্সার চালকসহ চারজন মোট ৬জন ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়। আহতদের তিন জন কুমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। 

বাসকপ এর উদ্যোগে সংগ্রামী শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান

বশিরুল ইসলাম:
গতকাল কুমিল্লা বারপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ (বাসকপ) এর উদ্যোগে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এলাকার দরিদ্র পরিবারের সংগ্রামী ৩২জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বারপাড়ার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক মো: শাহনেওয়াজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন বারপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মসজিদের সভাপতি মো: আব্দুল ওয়াদুদ, বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল বাশার, পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো: খোরশেদ আলম ও দারুস সালাম জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক হাজী সেলিম আহমেদ। এছাড়া  ও উপস্থিত ছিলেন বারপাড়া রাবেয়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল মালেক, সমাজসেবক হাজী আব্দুল হালিম মো: মফিজুল ইসলাম ও মো: আব্দুর রউফ প্রমূখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মো: আব্দুস সামাদ। সদস্য সচিব মো: কামরুল হাসানের উপস্থ্পানায় ও আহ্বায়ক মো: ইলিয়াছ আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি এর বক্তব্যে বলেন, বারপাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গ্রামের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনের এই কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আর্থিক পৃষ্ঠপোষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন। 


কুমিল্লায় নকল নবিশদের বিক্ষোভ কর্মসূচী

১৫ হাজার নকল নবিশদের রাজস্বখাতে স্কেল ভুক্তির দাবীতে

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সদর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবিশগন সারাদেশে ৫১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ১৫ হাজার নকল নবিশদের রাজস্বখাতে স্কেল ভুক্ত করার দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচী ও কর্মবিরতী করে আসছে। দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়া এবং নতুন করে বাহির থেকে লোক নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে তারা এ কর্মসূচী পালন করছে। 
নকল নবিশদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২০১৩ সালের ১০ জানুয়ারী স্কেল ভুক্ত করার জন্য এক দফা এক দাবী করলে আইন মন্ত্রণালয় এক্সট্রা মোহরারদের (নকল নবিশ) স্কেল ভুক্ত করার প্রস্তাব করে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হয়ে যাওয়ার পরে ও দাবী বাস্তবায়ন না করায় ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচী পালনকালে একই বছরের ১৪ এপ্রিল মাননীয় আইন মন্ত্রী মহোদয়ের বাসভবনে আলোচনা সভা হয় এবং সেখানে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে ও একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় হতে প্রেরিত পত্রের কোন বাস্তব পদক্ষেপ আদৌ না নেওয়ায়  এবং বেতন ভাতা বৃদ্ধি না করার দাবীতে গতকাল ৫ জানুয়ারী কুমিল্লা সদর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবিশগন শান্তিপূর্নভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ১৬ অক্টোবরের পর থেকে সংগঠন বারবার বেতন ভাতা বৃদ্ধি ও স্কেলে অন্তর্ভুক্তির আবেদন করে আসলে ও কোন রকম কর্নপাত না ক

রায় নকল নবিশদের সংগঠন এক্সট্রা মোহরার (নকল নবিশ) এসোসিয়েশন  গত ৪ ডিসেম্বর ২০১৬ থেকে কলম বিরতী ও কর্মবিরতী সহ অফিস প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছে। কর্মসূচী পালন কালে যদি কর্তৃপক্ষ আলোচনার মাধ্যমে দাবী বাস্তবায়ন না করে তাহলে কেন্দ্রীয় পরিষদ প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করতে পারে। এরই প্রেক্ষিতে আগামী ৭ জানুয়ারী জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৫১১টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ১৫ হাজার নকল নবিশদের রাজস্ব খাতে স্কেলভুক্ত করার দাবীতে আমরণ অনশন কর্মসূচী পালন করবে।
বাংলাদেশ এক্সট্রামোহরার  (নকল নবিশ) এসোসিয়েশনের কুমিল্লা জেলার শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: সুমন হোসেন জানান, ১৯৭৩ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নকল নবিশদের স্কেল ভুক্তির ঘোষণা ও ১৯৮৪ সালে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সানুগ্রহ সমর্থন ও বিগত ২৯ মে ১৬ ইং তারিখের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা ১৬ জুন ১৬ ইং তারিখের মাননীয় আইন মন্ত্রীর  চুক্তির বাস্তবায়ন ও মহা পরিদর্শক নিবন্ধন ঢাকা এর বেআইনী আদেশ বাতিলের দাবিতে আমাদের কর্মসূচী আমরণ অনশন চলছে চলবে। যতক্ষন পর্যন্ত মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট হইতে ঘোষনা না আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এ আন্দোলন থেকে পিছ পা হবনা। 

কুমিল্লা এক তীরে প্রেমিক প্রেমিকার আত্মহত্যা


বশিরুল ইসলাম:
 কুমিল্লা সদর দক্ষিন উপজেলার শাকতলা গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার ভাড়া বাসায় স্বামী স্ত্রী একই তীরে ফাঁস দিয়েছে। ফাঁস দেওয়া শারমিন আক্তারের (১৯) গ্রামের বাড়ী  ঝলম ইউনিয়নের মুহিতপু
র এবং ছেলে মোবারক হোসেনের (২২) বাড়ী একই উপজেলার আড্ডা ইউনিযনের গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ১মাস আগে ভালবেসে দুজনই পছন্দ করে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরিবারিকভাবে ছেলের বাবা-মা মেনে না নেওয়ার কারণে গতকাল বুধবার রাত ৮টায় একই তীরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে এই প্রেমিক যুগল। ফাঁস দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আশে পাশের এলাকার মানুষ তাদের এক নজর দেখার জন্য ছুটে আসে। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজ্জাক মিয়ার ভাড়া বাসায় তারা স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে গত ১মাস ধরে বসবাস করে আসছে। শুনেছি তাদের বিবাহ ছেলের বাবা মা মেনে নেয়নি। তবে তারা নব বিবাহিত।  বিবাহের পর থেকে তাদের চলাফেরা আচার আচরণ একে অন্যের সাথে ভাল সম্পর্ক ছিল। তবে তারা বাবা-মা আত্মীয় স্বজন আর লোক সমাজের প্রতি অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে এই প্রেমিক যুগল। 
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ থানার ইপিজেড ফাড়ির ইনচার্জ আজিজ আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,  রাত ৮টায় একই তীরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করলে আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শারমিন আক্তার  ও মোবারক হোসেনের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রীয়া চলছে। 


কুমিল্লায় র‌্যাবের সহায়তায় ঔষধ কোম্পানীকে জরিমানা।


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর সহায়তায় অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ঔষধ জিনসিন তৈরি করার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক  ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি বাবুল আখতার এর উপস্থিতিতে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজুর হোসেন এর পরিচালনায়  সদর দক্ষিণ থানাধীন কমলাপুর এলাকার ডিস্ট্রিবিউটর মো: মাহাবুব আলম (৩৮) কে বাংলাদেশ ঔষধ আইন ১৯৪০ সালের ১৮ (গ) ধারায় নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা  করা হয়। মাহাবুব কুমিল্লা সদর উপজেলার চকবাজার এলাকার মো: আবুল কালামের ছেলে। একটি সূত্র জানায় এই জিনসিন প্লাস ঔষধটি মানুষের দেহের ক্ষতি সাধন করে এবং কিছুক্ষনের জন্য শরীরে উত্তেজনার সৃষ্টি করে তাই সরকার এই ঔষধটির কোন রকম অনুমোদন দেয়নি ।   কিন্তু সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে একটি চক্র অধিক মোনাফার লোভে অবৈধভাবে ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ০৪ জানুয়ারী ২০১৭  র‌্যাবের উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জরিমানা করে। 



৫.০১ মাত্রার ভুমিকম্প উৎপত্তি স্থল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য

কুমিল্লা সহ সারাদেশে ভূমি কম্প অনুভূত। কুমিল্লার স্থানীয় সময় ৩.১০ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমি কম্প অনুভূত হওয়ার সাথে সাথে বহুতল ভবনের লোকজন দ্রুত নামতে গিয়ে অনেকে আহত হয়েছে। ৫.০১ মাত্রার ভুমিকম্পটির উৎপত্তি স্থল ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য । 

ধর্ষন ও হত্যা চেষ্টায় কুমিল্লা শাসন গাছা বিদ্যুৎ অফিসের হিসাব রক্ষক পুলিশে ।

বশিরুল ইসলাম:

কুমিল্লা শাসন গাছা বিদ্যুৎ অফিসের হিসাব রক্ষক শুভ্রকে স্থানীয় জনতা পুলিশে দিয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ইভা নামের একটি মেয়েকে ধর্ষন ও হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে জানায় স্থানীয় লোকজন। গতকাল ০১ জানুয়ারী রবিবার সে শাসনগাছা বিদ্যুৎ অফিসের পেছনে কলাবাগ হাউজিং হুমায়ুন আহমেদ এর বাসার ৬ তলার ছাদে এই ঘটনা ঘটায়।  ঘটনার সাথে সাথে কুমিল্লার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেন ভিকটিম ইভাকে হাসপাতালে দেখার জন্য ছুটে গিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার খোজ খবর সহ চিকিৎসার ব্যাপারে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের নানান দিক নির্দেশনা দেন। এক পুলিশ সদস্য মেয়েটিকে রক্ত দিয়ে সহযোগীতা করায় তাকে ধন্যবাদ জানান। পুলিশের পক্ষ থেকে সুষ্ঠ বিচারের আশ^াস দেওয়া হয়। সাথে সাথে কুমিল্লা পিবিআই পুলিশ ও মেয়েটিকে দেখার জন্যহাসপাতালে ছুটে আসে। 
স্থানীয় লোকজন জানায়, শুভ্র সিলেটের ঘটনাকে ও হারি মানিয়েছে।  সে নেশায় আসক্ত এবং অধিকাংশ সময় নেশায় লিপ্ত থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই ভবনের ৬ তলার ছাদে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। এই ছাদে একটি মাত্র কক্ষ। সে কক্ষটির দুই পাশ দিয়ে গ্লাস লাগানো। আর এই গ্লাসের ফাক দিয়ে ছাদে যত মহিলা পুরুষ আশে সকলকে সে দেখতে পায় কিন্ত বাহির থেকে তাকে কেউ দেখেনা। সে দীর্ঘদিন ধরে মহিলাদের কাপড় ছাড়ানো দেখতে দেখতে আজকে এই অবস্থার সৃষ্টি। তবে গতকাল সে বিদ্যুৎ অফিসে কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি নিয়ে ঘোরাঘোরি করতে দেখা গিয়েছে। গতকাল থেকেই সে উচ্ছৃখল আচরণ করে আসছিল। তার গ্রামের বাড়ী বরুড়া। বাবা বিদ্যুৎ অফিসে চাকুরী করতো। বর্তমানে বাবা চাকুরী থেকে অবসরে আছে। বাবার সাথে শুভ্রের সম্পর্ক ভাল ছিলনা। 
এদিকে বাড়ীর মালিক হুমায়ুন কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শুভ্র আমার বাসায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া থাকে। শুভ্র বিস্তারিত তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুভ্র বিদ্যুৎ অফিসে চাকুরী করে শুধু এই টুকু জানি। তার কোন তথ্য আমার নিকট নেই। আমি ঢাকা থাকি। আমার দারোয়ান থাকে সে বলতে পারবে।  তবে বর্তমানে যে দারোয়ান আছে সে মাত্র মাস দুয়েক হয়েছে এসেছে। 
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার জানান, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে খবর দিলে আমাদের পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। উক্ত ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে। নৃশংস এই ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। 

কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে এডহক কমিটির প্রথম সভা

বশিরুল  ইসলাম:
কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার দুপুর ১২ টায় কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এডহক কমিটির আহবায়ক কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরীর(২০১৫-১৬) সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রতন (২
০১৫-১৬), সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম (২০১৩-১৪), সাধারণ সম্পাদক কাজী এনামুল হক ফারুক (২০১৫-১৬), সহ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রনি (২০১৫-১৬) সহ এডহক কমিটির সদস্যগণ।  সভায় প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্র,যাচাই বাছাই, বার্ষিক আয় ব্যয় হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়।