শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চত নার্সিং অধিদপ্তরের দায়িত্ব অবহেলা

বশিরুল ইসলাম:
বাংলাদেশ সেবা অধিদপ্তরের দায়িত্ব অবহেলার কারণে হাজার হাজার  শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন অনিশ্চত হয়ে পড়েছে। গত ৪ডিসেম্বর ২০১৬ ইং সেবা অধিদপ্তর বিএসসি নার্সিং, ডিপ্লোমা নার্সিং ও মিডওয়াইফারী কোর্সে অনলাইনে ভর্তির আবেদন গ্রহন করে। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ছিল ১৮ ডিসেম্বর এবং টাকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ১৯ ডিসেম্বর আর অনলাইনে প্রবেশ পত্র সংগ্রহের শেষ তারিখ ছিল ৩১ ডিসেম্বর কিন্তু অদ্যবধি শিক্ষার্থীরা এখ
নো প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করতে পারেনি। ডিএনএস অবসাইটে সার্ভার সমস্যা দেখিয়ে আসছি অদ্যবধি। আজ (৩১ডিসেম্বর) সার্ভারে শিক্ষার্থী প্রবেশ পত্রের জন্য প্রবেশ করতে গিয়ে দেখতে পারছে সেখানে লেখা রয়েছে ছবি আপলোডের সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। অথচ শিক্ষার্থীরা গত ১৯ ডিসেম্বরের পর থেকে বার বার চেষ্টা করে ও তাদের অবসাইটে প্রবেশ করতে পারেনি। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে আগামী ৬ জানুয়ারী ২০১৬ ইং সেবা অধিদপ্তরের অধীনে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত ০৪ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা বিএসসি নার্সিং এর  জন্য পাঁচ শ টাকা ডিপ্লোমা নার্সিং এর জন্য তিন শত পঞ্চাশ টাকা ও মিডওয়াইফারী নার্সিং এর জন্য তিন শত পঞ্চাশ টাকা করে দিয়ে অনলাইনে ফরম পূরণ করেছে। কিন্তু গত দশ দিনে সেবা পরিদপ্তর প্রবেশ পত্র দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
হালিমা নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, গত ১৯ ডিসেম্বরের পর থেকে আমরা প্রবেশ পত্র সংগ্রহের জন্য অনলাইনে বার বার প্রবেশ করার চেষ্টা করে ও প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করতে পারিনি। সেখানে বার বার সার্ভার সমস্যা দেখিয়ে আসছে। কিন্তু আজ ৩১ ডিসেম্বর আবার সার্ভারে প্রবেশ করে দেখি সেখানে লেখা আসছে ছবি আপলোডের সময় সীমা শেষ । এমুহূর্তে আমরা হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমরা আজো চিন্তিত পরীক্ষা দিতে পারব কি পারবনা। আমরা সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি আমাদের পরীক্ষা যেন সুষ্ঠভাবে দিতে পারি এবং সুন্দর ভাবে যেন এ বছর নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে পারি। 
নার্সিং অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছু দিনের মধ্যে প্রবেশ পত্র পাওয়া যাবে। আগামী ৬ ডিসেম্বর পরীক্ষা সম্পর্কে জানতে চাইলে জানান, মন্ত্রণালয় যে কোন সময় পরীক্ষার সময় বাড়াতে পারে বা কমাতে পারি তবে আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ পত্র পাবে। 

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ আগামীকাল থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ আগামীকাল (৩১ ডিসেম্বর) শনিবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্রদের সামাজিক সংগঠন সহ সকল সংগঠনের কাজ স্থগিত থাকবে এবং হোস্টেল মনিটরিংয়ের কাজ বন্ধ থাকবে।  গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

গত ২৭ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে ১৫জন শিক্ষার্থী আহত হয় । আহতের ঘটনায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মহসিন উজ জামান চৌধুরী এক জরুরী সভায় ২৮ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ ঘোষনা করে।  এরই প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বিষয়টি মাথায় রেখে গতকাল রাতে জরুরী সভায় কলেজ  আগামীকাল শনিবার থেকে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 
কলেজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মহসিন উজ জামান চৌধুরী সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,  গতকাল রাতে জরুরী সভায় কলেজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক শনিবার থেকে কলেজ খুলা থাকবে এবং যথারীতি ক্লাশ চলবে তবে কলেজে সকল প্রকার  সামাজিক সংগঠন ও হোস্টেল মনিটরিংয়ের কাজ বন্ধ থাকবে। 

 

আজ থেকে কুমিল্লা এজতেমা শুরু


বশিরুল ইসলাম:
আজ ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কুমিল্লায় এজতেমা শুরু হচ্ছে। আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর শনিবার  আখেরাী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। সমাবেশ স্থলে বিদেশী ৯০জন মেহমান উপস্থিত থাকছেন। দেশী মেহনা সর্বমোট প্রায় ৮ লাখ মুসল্লীর সমাগম ঘটবে।আইনশৃংখলা বাহিনীর  ১২শ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ২০টি সিসি ক্যামেরা ও পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে।  এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আলেখারচর বিশ^রোডের সাথে আমতলী এলাকার গোমতী নদীর চরে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলা থেকে মুসল্লীরা নিজেদের স্থান দখল করে নিয়েছেন।  এজতেমায় সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরে
শনের মেয়র মনিরুল সাক্কু অংশগ্রহন করার কথা রয়েছে। কুমিল্লায় এবারই প্রথম সবচেয়ে বড় এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ফলে কুমিল্লা জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীদের মধ্যে অংশগ্রহনে স্বতস্ফুর্ততা ছিল একটু বেশি।
এজতেমার মুরুব্বীদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, পুরো সমাবেশস্থলটি একটি উন্মুক্ত মাঠ, যা বাঁশের খুঁটির উপর চট লাগিয়ে ছাউনি দিয়ে সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সমাবেশস্থলটি প্রথমে খিত্তা ও পরে খুঁটি নম্বর দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীগণ খিত্তা নম্বর ও খুঁটি নম্বর মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান সনাক্ত করবেন। বিদেশী মেহমানদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনী সমৃদ্ধ স্থান নির্ধারিত আছে, সেখানে স্বেচ্ছাসেবকরাই কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।  এই পবিত্র কাজের জন্য কাউকে কোন প্রকার মজুরী দেওয়া হয়না। সকলেই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এজতেমার ময়দানে যারা কাজ করেন তারা নিজের খাবারটিও নিয়ে আসেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ, পানি, চট, লাইট, বিদ্যুৎ, দড়ি ইত্যাদির দায়িত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে এই বিশাল আয়োজন করে থাকে। ফলে কাহারো উপরে তেমন কোন বাড়তি চাপ পড়েনা। 
আগত এক মুসল্লীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা এখানে তিন রাত অবস্থান করবো। শীত কালে এই আয়োজন হওয়ায় আমরা খুশি। তবে আল্লাহ তায়ালাকে খুশী করার জন্য যে কোন সময় আয়োজন করলে ও আমরা আসতাম। এখন হওয়াতে আমাদের একটু বেশি ভাল লাগতেছে। কেননা এখানে কোন অতিরিক্ত গরম লাগছেনা। আমরা দিন রাত আল্লাহ তায়ালার এবাদত করার মাধ্যমে সময়গুলি পার করতে পারব। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা ও সকলের জন্য দোয়া করব। 

কুমিল্লায় তিনদিন ব্যাপী এজতেমা।


বশিরুল ইসলাম:
আগামী ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কুমিল্লায় এজতেমা শুরু হচ্ছে। আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর শনিবার  আখেরাী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। সমাবেশ স্থলে বিদেশী ৯০জন মেহমান উপস্থিত থাকবেন। দেশী মেহনা প্যান্ডেলের নিচে থাকবেন প্রায় ৩লাখ মুসল্লী এবং প্যান্ডেলের বাহিরে আরো ৪ লাখ মুসল্লীর সমাগম ঘটবে। ১হাজারের ও বেশি আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ২০টি সিসি ক্যামেরা ও পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে।  এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আলেখারচর বিশ^রোডের সাথে আমতলী এলাকার গোমতী নদীর চরে। ইতোমধ্যে সেখানে ১৩ লাখ বর্গফুটের প্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ করা হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর এজতেমা শুরু হলেও ইতোমধ্যে এজতেমাস্থলে মুসল্লীগন আসতে শুরু করেছে। এজতেমায় সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল সাক্কু অংশগ্রহন করবেন। কুমিল্লায় এবারই প্রথম সবচেয়ে বড় এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ফলে কুমিল্লা জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীদের মধ্যে আগ্রহ একটু বেশি। 
                                 


এজতেমার মুরুব্বীদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, পুরো সমাবেশস্থলটি একটি উন্মুক্ত মাঠ, যা বাঁশের খুঁটির উপর চট লাগিয়ে ছাউনি দিয়ে সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সমাবেশস্থলটি প্রথমে খিত্তা ও পরে খুঁটি নম্বর দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীগণ খিত্তা নম্বর ও খুঁটি নম্বর মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান সনাক্ত করবেন। বিদেশী মেহমানদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনী সমৃদ্ধ স্থান নির্ধারিত আছে, সেখানে স্বেচ্ছাসেবকরাই কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।  এই পবিত্র কাজের জন্য কাউকে কোন প্রকার মজুরী দেওয়া হয়না। সকলেই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এজতেমার ময়দানে যারা কাজ করেন তারা নিজের খাবারটিও নিয়ে আসেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ, পানি, চট, লাইট, বিদ্যুৎ, দড়ি ইত্যাদির দায়িত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে এই বিশাল আয়োজন করে থাকে। ফলে কাহারো উপরে তেমন কোন বাড়তি চাপ পড়েনা।

মাছ বাজারের প্রবেশ পথে মাছের দোকান পথচারীরা বিপাকে

বশিরুল্ ইসলাম
কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড পুরাতন বাজারের কমিটির আশ্রয়ে চলছে রাস্তা দখল করে মাছের আড়তের ব্যবস্যা। সাধারন মানুষের প্রবেশ পথটি দখল করে রেখেছে মাছ ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কমিটির লোকজন উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে।  দায়িত্বহীন ভাবে একে অন্যের উপর দায় দিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে।  
মাছ বাজারে আগত ক্রতোরা জানান, পদুয়ার বাজার বশ্বিরোড এলাকার পুরাতন বাজারে প্রবশে পথটি বাজার কমটিরি আশ্রয় প্রশ্রয়ে দখল করে রখেছেে মাছ ব্যবসায়ীরা। রাস্তার উপর দোকান গুলো এমনভাবে বসানো হয়ছেে ক্রতোরা মাছ বাজারে প্রবশে করতে এবং ক্রতোরা বাজার থকেে বরে হতে সমস্যা সৃস্টি হয়। মাছরে পানি এবং কাদায় বাজারে আসা ক্রতোদরে জামা কাপড় নষ্ট হয়। ফলে কাপড় থকেে র্দুগন্ধ আস।ে অনকে খুজাখুজি করে কমটিরি লোকদরে খুজে বরে করার পর কমটিরি জসমি জানান, বাজারে সব সময় এইভাবে মাছরে দোকান বসনো তবে আজ অন্য কারনে বসছে।ে তবে এক সাড়তিে সব সময় বসে জজ্ঞিসে করলাম বাজাররে ভতের ভটিতিে না বসে রাস্তায় কনে তনিি উত্তর দলিনে, কার থকেে কে  িবশেি মাছ বক্রিি করবে এই নশোর কারণে ভটিতিে না বসে রাস্তায় বসছে।ে তবে পরর্বতীতে এেক সাড়তি রোখা হবে দুই সাড়ি

নবাগত নার্সদের সারাদেশে নিয়োগের পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিমের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে কথোপকথনের জন্য অপেক্ষাকৃত নার্সবৃন্দ এবং গান করছেন কুমেক হাসপাতালের নার্সিং সুপার ভাইজার শাহানা আক্তার সানু



কুমিল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

বশিরুল ইসলাম
পত্রিকা ও টিভি সাংবাদিকদের দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ কুমিল্লা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ শেষে সন্ধ্যায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: আলী আশরাফ।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী এনামুল হক ফারুকের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রতন, সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক অশোক বড়–য়া, নির্বাহী সদস্য ইয়াসমিন রীমা, ফটো
সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুকী তাপস।
প্রশিক্ষণ দেন পিআইবির প্রশিক্ষক রহমান মোস্তাফিজ, ৭১ টিভির সিনিয়র ক্যামেরাপারসন শামসুল হুদা, কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের প্রভাষক বেলায়েত হোসাইন ভূঁইয়া।
দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে রিপোটিং,ফটো ও ভিডিও, সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা ও নৈতিকতার উপর আলোচনা করা হয়।
 প্রশিক্ষণ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক খাইরুল আহসান মানিক, প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল, নির্বাহী সদস্য আরিফ অরুণাভ, মামশাদ কবীর, সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া, দৈনিক বাংলার আলোড়ন সহ সম্পাদক জোনায়েদ শিকদার তপু,দপ্তর সম্পাদক বাহার রায়হান, ক্রীড়া সম্পাদক তাওহীদ হোসেন মিঠু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আরিফ সেলিম ওপেল, জাহাঙ্গীর আলম, বাচ্চু বাকাউল, জাকারিয়া মানিক, ফয়সাল বারী মুকুল, সাইফ উদ্দিন রনি, এন কে রিপন, রুমা বাকাউল, এম এইচ মনির, দাউদ ওমর ফারুক, মনির হোসেন, সালাউদ্দিন সুমন, সৈয়দ আহসান হাবিব পাখি প্রমুখ।
প্রশিক্ষণে টিভি ও কুমিল্লার স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার প্রতিনিধি ক্যামেরা পার্সনরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে ৭০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেয়।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের আয়োজনে শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা


মহান বিজয় মাসে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের আয়োজনে সাংবাদিকদের সন্তানদের অংশগ্রহনে এক চিত্রাংকন প্রতিয়োগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবে এ শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মুক্তিযোদ্ধের বীরগাঁথা কাহিনী তুলে ধরেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নন্দন চৌধুরী। 
উক্ত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী এনামুল হক ফারুক, অর্থ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জাকির, নির্বাহী সদস্য ইয়াসমিন রীমা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আহবায়ক ওমর ফারুকী তাপস।ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন দৈনিক রূপসী বাংলা পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার অশোক বড়–য়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক বাহার রায়হান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার তাওহীদ হোসেন মিঠু, দেলোয়ার হোসেন আকাইদ, জাকারিয়া মানিক, জাহাঙ্গীর আলম, মো: জোনায়েদ শিকদার তপু, কাজী শামীম,এন কে রিপন, রুমা বাকাউল, সৈয়দ আহসান হাবিব পাখি, অমিত মজুমদার, বিধান সহ আরো অনেকে।চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা শেষে শিশু প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।

এই আমাদের জাবের সকলে তার জন্য দোয়া করবেন।


পেটের ভেতর মব (গজ) রেখেই অপারেশন সম্পন্ন আট মাস পর পুনরায় অপারেশন করে মব গজ উদ্ধার


বশিরুল ইসলাম :
                 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশনের আট মাস পর পুনরায়  পেটের ভেতর থেকে  মব ( গজ)   উদ্ধার । অপারেশনের কাজটি করেন  কুমেক হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভুইয়া।  গত ২৮ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে গাইনি বিভাগের  ইউনিট ৩-এ হালিমা নামের রোগীটি  ভর্তি হলে ডা: হাবিবা সিজার অপারেশন করেন।  চিকিৎসা  গ্রহনের পর থেকে পেটে ব্যথা অনুভব করলে গত ১৪ ডিসেম্বর হাসপাতালে হালিমা নামের ঐ রোগীকে  পুনরায় অপারেশন করে প্রচুর পরিমান মবগজ উদ্ধার করা হয়। দায়িত্ব অবহেলার কারণে ডাক্তার রোগীর পেটের ভেতর মব গজ রেখেই রোগীর পেট সেলাই করে তার অপারেশন সম্পন্ন করে।
হাসপাতালে কর্মরত বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রোগীর লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিনিয়র ডাক্তারগন হাসপাতালে অপারেশনের  নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময় কম থাকেন। জুনিয়র ডাক্তার, অনারারারি ডাক্তার  বা ইন্টার্ণী ডাক্তার দিয়ে বেশির ভাগ সময় অপারেশন করা হয়। সিনিয় ডাক্তারদের  সামনে কাজ করে ভুল করলে হুমকি ধমকি বা শাসনের ভয়ে বেশির ভাগ রোগীকে রাতে অপারেশন  করা হয়। কেননা সিনিয়র ডাক্তাররা রাতে বেশি একটা থাকে না। রাতে যেভাবে মন চায় অপারেশন থিয়েটারে সেই ভাবে কাজ করে প্র্যাকটিস করা হয় রোগীর জীবন নিয়ে। বেশি ভুলে মৃত্যু হলে ডাক্তারদের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসে রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ ছিল তাই  রোগীর মৃত্যু  হয়।  এদিকে এক রোগীর লোক বলে আমরা তো জানিই না যে কে ডাক্তার বা কোন ডাক্তার রোগীর অপারেশন করবেন। তেমন কোন তালিকা ও দেওয়া হয়না। তাই যার মন চায় সে অপারেশন থিয়েটারে প্রবেশ করে অপারেশন করতে পারে।  এদিকে হালিমা নামের রোগী অপারেশন করার পর থেকে পেটের ব্যথা নিয়ে কুমেক হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে অনেক ঘুরাঘুরি করে ও চিকিৎসা করতে পারেননি। অবশেষে দীর্ঘ আট মাস পর তার চিকিৎসা করতে হয়েছে।  অনেক আল্ট্রা করেও আল্ট্রার ডাক্তার পেটের ব্যথার কিছু নেই বলে মন্তব্য করে আসছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন তাহলে হাসপাতালে এতগুলো আল্ট্রা করা হলে ডাক্তার সব গুলো আল্ট্রার রিপোর্ট নরমাল দিয়ে আসছে কিভাবে। সে কি আসলেই আল্ট্রা করেছে নাকি রোগীকে আল্ট্রা না করে রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন আসছে সমস্যা আল্ট্রা মেশিনে নাকি সমস্যা ডাক্তারের। হয়তো ডাক্তার আল্ট্রা ভালভাবে করতে পারছেনা অথবা মেশিন সমস্যা। তাই প্রশাসনের নিকট সাধারণ রোগীদের আকুল আবেদন ব্যাপারটি খতিয়ে দেখার জন্য কেননা  বিষয়টি জীবনমৃত্যুর সাথে জড়িত বিধায় এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু একটি আল্ট্রা পরিক্ষার উপর  নির্ভর করে ডাক্তার চিৎিসা দিয়ে থাকেন।  হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে  উক্ত রোগীর ভর্তির কাগজ খোজতে গিয়ে সেখানে সকল রোগীর ভর্তির কাগজ পাওয়া গেলেও হালিমা নামের রোগীর ভর্তির কাগজটি পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে আল্ট্রা ইউনিটের কর্তব্যরত ডাক্তার ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন অর্ধ-শতাধিক রোগী আল্ট্রা করার জন্য  আসে কিন্তু ডাক্তার বিশটির বেশি করবেন না বলে রোগীদের জানান। ফলে রোগীর লোকজন আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সিরিয়ালের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সিরিয়ালের ব্যবস্থা করেন। অভিযোগ রয়েছে ডাক্তার ও কর্তব্যরত লোকজনের যোগসাজসে রোগীর লোকের নিকট থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকেন অথবা বাহিরে আল্ট্রা করার পরামর্শ দেন। অনেক ক্ষেত্রে টাকা দিলে বিশটির বেশিও আল্ট্রা করা হয় যা অনেক সময় ত্রিশটি  পর্যন্ত করা হয়। টাকা না দিলে বাহিরে আল্ট্রা করতে হয়। ডাক্তারদের বিরদ্ধে আরো অভিযোগ অতিরিক্ত পরীক্ষা নিরিক্ষা ও ঔষধের সরঞ্জাম লিখে থাকেন। 
                   উক্ত ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: আব্দুল আউয়াল সোহেল জানান, হাসপাতালে গাইনী ওয়ার্ডে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি অনাকাঙ্খিত একটি ভুল। এই ভুল থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে কোন রোগীকে অপারেশনের সময় আরও সচেতনতার সাথে কাজ করতে হবে। এই রকম ভুল যেন আর না হয় সেদিকটি সকল ডাক্তার যেন মাথায় রাখে সে বিষয়টি ডাক্তারদেরকে অবহিত করার চেষ্টা করা হবে।
                         হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী জানান, গাইনী ওয়ার্ডের রোগীর পেটের ভেতর মব পাওয়া গিয়েছে আমরা বিষয়টি অবগত হয়েছি। এই ঘটনায় আমরা হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করবো । তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেয়ে কর্তব্যরত ডাক্তারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী ও বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন রুবেল ও কুমিল্লা পলিটেকনিক শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. রুবেল সহ প্রমুখ ।


বালুতুপা বিবিরবাজার রোডে বালুর ট্রাক কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ।


বশিরুল ইসলাম: 
গতকাল বালুতুপা বিবিরবাজার রোডে বাজগড্ডা নামক স্থানে বালুর ট্রাকের চাপায় ওয়াসিম (১৪)নামে এক কিশোরের অকাল মৃত্যু হয়েছে। সে বাজগড্ডা গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে। পারিবারিক অভাব অনটনের কারণে কাঠমিস্ত্রীর দোকানে কাজ করে বাড়ী ফেরার পথে বাড়ীর সামনেই দুর্ঘনার স্বীকার হয়।  মনু মিয়ার পরিবারে তিন ছেলে দুই মেয়ের মোট ৫সন্তানের মধ্যে ওয়াসিম তিন নম্বর। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,  বিবিরবাজার রোডে রাত বিরাতে বালুর ট্রাকের কারণে রাস্তার আশে পাশের লোকজনের ও নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। দিনের চেয়ে রাতে আরো বেশি গতিতে ট্রাক চলে যার কারণে প্রচন্ড শব্দ ও হরণের আওয়াজে এলাকার মানুষ নির্ঘুম থাকতে হয়। একটি প্রভাবশালী মহল ঘুমতি নদীর বালু বিক্রি করে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার খাল, গর্ত, পুকুর সহ বিভিন্ন কিছু ভরাট করে আসছে। ফলে এই রাস্তা দিয়ে রাত দিন বালুর ট্রাক আসা যাওয়া করে। গতকাল দুপুর ১২টায় বাজগড্ডা বাজার মোড়ে বালুর ট্রাকের চাপায় ঐ এলাকার ওয়াসিমের মৃত্যু হয়। ঘটনার সাথে সাথে স্থানীয় লোকজন ট্রাক সহ চালককে আটক করে। চালকের বাড়ী চৌয়ারা এবং সে নিজের ট্রাক নিজেই চালিয়ে বালুর ব্যবসা করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ বাজগড্ডা বাজারের মার্কেটের মালিক মজুমদারের ছেলে গোল জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থলের স্পীড ব্রেকারটি তোলে নেওয়ায় আজকে এই দুর্ঘটনা স্বীকার হতে হয়েছে ওয়াসিমের। স্পীড ব্রেকার না তুল্লে হয়তো এ ছেলেটি অকালে মৃত্যুবরণ করতো হতোনা। এই মার্কেটের মালিক ও বেপরোয়া ভাবে গাড়ী চালানোর কারনে চালকের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া দরকার। 
এদিকে ঘটনার সাথে সাথে  কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুর রবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে  পুলিশ মোতায়েন করেন। রাস্তায় যেন কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 


কুমিল্লা পেশাজীবি সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রশিক্ষন কর্মশালা


বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষন কর্মশালার আয়োজন করা হয়। গতকাল  বুধবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং সংগঠনের নিজ কার্যালয় পায়েল প্লাজার ৪র্থ তলায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ৭১ টিভির জেলা প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক। আগত সকল প্রশিক্ষনার্থীদেরকে সাংবাদিকতার অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোকপাত করেন। উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল হক, সহ-সভাপতি মো: বাবর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: জুয়েল রানা, সহ সাধারণ সম্পাদক মো: খন্দকার আলে এমরান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো বশিরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: আবদুল আউয়াল সরকার, সহ- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো: মামুনুর রশিদ মামুন, সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো: ফখরুল ইসলাম জিমি, দপ্তর সম্পাদক মো: মারুফুর রহমান, সদস্য মো: মনির হোসেন, মোস্তাক আহাম্মেদ, মো: সাইদুর রহমান সোহাগ, এস.এম সাহাদাৎ হোসেন, মো: ফজলে রাব্বী সহ প্রমুখ। 

নার্সিং ভর্তি গাইড পাওয়া যায়

নার্সিং ভর্তি গাইড পাওয়া যায়। ডিপ্লোমা নার্সি
ং বিএসসি নার্সিং ও মিডওয়াইফারী নার্সিং এর ভর্তি গাইডের জন্য যোগাযোগ : 01919109927-01817109927, কুমিল্লা  মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেইট, কুচাইতলী, ‍কুমিল্লা। 

কুমেক হাসপাতালে আইসিইউ ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই।

সিটিস্ক্যান এমআরআই মেশিন অকেজো 


বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তাররা প্রেসক্রাইব করার পর রোগীরা হাসপাতালের অভ্যন্তরে সকল পরীক্ষা নিরিক্ষা করতে পারছেনা। অতি জরুরী রোগীদের জন্য আইসিইউ এর ব্যবস্থা ও নে
ই। বাহির থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে রোগীদের। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিসিও এর ব্যবস্থা থাকলে ও তা পর্যাপ্ত নয়। প্রাইভেট হাসপাতালের আইসিইউ তে গুনতে হয় দ্বিগুন টাকা যা অনেক রোগীর পক্ষে সম্ভব নয়।

রোগী ও হাসপাতালের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে আইসিইউ নেই । জরুরী রোগীদের  কুমিল্লাতে কোন প্রাইভেট হাসপাতাল অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হয়। ফলে রোগী ঢাকা যাওয়ার পথে রাস্তায় মারা যাচ্ছে।  হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আদৌ আসে নাই, এমআরআই মেশিন, সিটিস্ক্যান মেশিন থাকলে ও তা দীর্ঘদিন অকেজো। কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করার পরেও তা মেরামত করা হচ্ছে না।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে রোগীর এক লোক জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ এর ব্যবস্থা নেই অথচ কুমিল্লাতে প্রাইভেট হাসপাতালে ও আইসিইউ এর ব্যবস্থা আছে এটা কিভাবে সম্ভব তাও আমরা বুঝতে পারছিনা। 
এমআরআই মেশিনটি ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আর এফ ইউনিটটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে নিমুকে আবেদন করে অবহিত করার পর তাদের কারিগররা বার বার এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু আজো কোন সমাধান দিতে পারছেনা বর্তমানে এমআরআই মেশিন একেবারেই অকেজো হয়ে পড়ে আছে। হাসপাতালে ডিজিটাল মেশিন নেই কিন্তু ডাক্তারগন ডিজিটাল মেশিন প্রেসক্রিপশনে লিখে থাকেন। হাসপাতালে বেশির ভাগ ডাক্তারই ডিজিটাল এক্সরের কথা উল্লেখ করে থাকে অথচ এই সেবা হাসপাতালে চালু নেই। আবুল হাসনাত নামের এক রোগী জানান, হাসপাতালে যে সার্ভিস চালু নেই সেই সার্ভিসের জন্য ডাক্তার কেন যে লিখে তা আমরা বুঝতে পারছিনা তবে সে সার্ভিসে তাদের কোন সুযোগ সুবিধা আছে হয়তো সে জন্যই লিখে থাকে। 
হাসপাতালে এমআরআই, সিটিস্ক্যান, ডিজিটাল এক্সরে, আইসিইউ এই সেবাগুলো বন্ধ থাকায় বাহিরের কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে নিয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পাচ্ছেনা মানসম্মত পরীক্ষা-নিরিক্ষা। উপরোন্তু প্রতারণার স্বীকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাক। 


দুই হাজার পিস ইয়াবা সহ চান্দিনার ইয়াবা ব্যবসায়ী নার্গিস বেগম আটক

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিপুল পরিমান ইয়াবা (মাদক) সহ আসমা বেগম নামে এক মহিলাকে আটক করেছে। আটককৃত নার্গি স বেগম চান্দিনা থানার শুহিলপুর পশ্চিম পাড়া আবুল কালামের স্ত্রী। সে কোতয়ালী থানার ঠাকুর পাড়া এলাকার জোড়পুকুর পাড়স্থ পীর বাড়ীর আ: রব মিয়ার তিন তলার বাড়ীর নিচ তলায় ভাড়া থাকে। নার্গি স বেগম দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। ডিবি পুলিশ জানায় গতকাল ০৭/১২/২০১৬খ্রিঃ এসআই/ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান সঙ্গীয় এসআই/মোঃ আদিল মাহমুদ, এসআই/মোঃ হান্নান খান, এএসআই শামীম আল মামুন সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে রাত ১৭:৫০ ঘটিকার সময় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ঠাকুরপাড়া জোড় পুকুর পাড়স্থ পীর বাড়ীর জনৈক আঃ রব মিয়ার তিনতলা বাড়ির নিচ তলার ভাড়াটিয়া আসামী (১) মোসাঃ নার্গি স বেগম (৩২), স্বামী-আবুল কালাম, সাং-সোহেলপুর পশ্চিম পাড়া, থানা-চান্দিনা জেলা-কুমিল্লাকে ২০০০ (দুই হাজার) পিস ইয়াবা (মাদক), যাহা ১০টি এয়ার টাইট পলিপ্যাকে প্যাক করা, প্রতি প্যাকেটে ২০০ (দুইশত ) পিস করিয়া ১০টি প্যাকেটে ২০০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে।  এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হইয়াছে।

কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা সহ ০২ মহিলা আটক

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা কোতয়ালীর থানার ছত্রখিল ফাড়ীর ইনচার্জ এসআই মোহাম্মদ শাহীন কাদির সদর উপজেলার চানপুর ব্রীজের উত্তর পাশ চৌরাস্তা থেকে দুইটি ব্রিফকেইস হতে ২০ কেজি গাঁজা সহ দুই মহিলাকে আটক করেছে। আটকৃত দুই মহিলার নাম মোসা: রাবু ও মোসা: রুমানা। তাদের উভয়ের গ্রামের বাড়ী  ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার কসবা
থানার গাইনবাড়ী এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আবদুর রব সাহেবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই মোহাম্মদ শাহীন কাদির সঙ্গীয় ফোর্স সহ  ইং ০৭/১২/২০১৬ তারিখ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করিয়া একই তারিখ ১৬.৩০ ঘটিকার সময় কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁনপুর ব্রীজের উত্তর পাশে চৌরাস্তার উপর হইতে মাদক ব্যবসায়ী ১। মোসাঃ রাবু (২৫), স্বামী-মানিক মিয়া, পিতা-মৃত চান মিয়া, ২। মোছাঃ রুমানা (৩০), পিতা-মৃত ছদর উদ্দিন আহাম্মদ, উভয় সাং-মঈনপুর, গাইনবাড়ী, থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মনবাড়ীয়া, এ/পি সাং-শশীদল  নোয়াপাড়া ছালাম মিয়ার বাড়ী), থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-কুমিল্লাদ্বয়কে ধৃত করেন এবং তাহাদের মধ্যে মোসাঃ রাবু এর হাতে থাকা ১টি নেভী ব্লু রং এর ব্রীফ কেইস এর ভিতর ১০ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা ও অপর আসামী মোছাঃ রুমানা এর হাতে থাকা ১টি নেভী ব্লু রং এর ব্রীফ কেইস এর ভিতর হইতে ১০ কেজি গাঁজা, সর্বমোট ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। উক্ত ঘটনায় আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এসআই মোহাম্মদ শাহীন কাদির কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করিলে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়। ধৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা ও ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে একাধিক মামলা রহিয়াছে বলিয়া জানা যায়। 

মন্ত্রী আগমন উপলক্ষ্যে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান চলছে।

বশিরুল ইসলাম
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে দোকান পাট ভেঙ্গে হাসপাতাল ও কলেজের সামনের পরিবেশ পরিস্কার করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ এই ফুটপাত পরিস্কারের এই  দৃশ্য কত দিন তা থাকবে।  শুধু মন্ত্রী কে দেখানোর জন্যই এই দৃশ্য না স্থায়ী ভাবে ফুটপাত বেদখল করা হচেছ। বাংলাদেশের কোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই রকম মাছ বাজার ও ফুটপাত দখলের দৃশ্য কমই আছে। ছবিটি গতকাল রাত ১০.৪৫মিনিটে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতারের সামন থেকে তোলা। 

মাদক ব্যবসায় বাধা প্রদান করায় মামাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বাগিনা।

বশিরুল ইসলাম: 
       
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে হাফিজ উদ্দিন মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় এবং এই ব্যবসা বন্ধের চেষ্টা করায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে আপন বোনের ছেলে বাগিনা হাছান। উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকায় মৃত হাফিজ উদ্দিনের মা হাফিজা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ অন্যরা পলাতক।
            স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, হাছানের বাবা ও মা দীর্ঘদিন ধরে নিহত হাফিজ উদ্দিনদের বাড়িতে থাকে। হাছান সদর উপজেলার কাটাবিল গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে। কামাল মিয়া ও সোহেল ঘরজামাই হিসেবে এই বাড়ীতে থাকে পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করে । গত ৫ডিসেম্বর হাফিজ উদ্দিনের সাথে সোহেল ও কামালের কথা কাটাকাটি হয়। ৬ ডিসেম্বর সকালে  ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক পর্যায়ে কামাল, সোহেল ও কামালের ছেলে হাছান সম্পত্তির অংশ দাবী করে এবং তা নিয়ে তুমুল বাক বিতন্ডা হয়।  দুপুর ১.৩০টায় বাড়ীর সন্নিকটে রাস্তার পাশে তাকে কুপিয়ে জখম করলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাফিজ উদ্দিন মারা যায়। হাফিজ উদ্দিনের ২ ছেলে ও  ৪ মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে আসমা (১৯), ছেলে মিজান (১৫), তান্নি  (৮) ও মুন্নী (৮),  ছেলে তানভীর (৬), সালমা (৫)। 
        নিহত হাফিজ উদ্দিনের ছোট মেয়ে মুন্নী (৮)জানায়, আমি জঙ্গলপুর নুরানী মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেনীতে লেখাপড়া করি। মাদ্রাসা থেকে  দুপুরে বাড়ীতে আসার সময় বাড়ীর পূর্বপাশে রাস্তার পাশে হাছান আমাকে বলে যদি আজকে হাফিজ উদ্দিনকে পাইতাম তাহলে তাকে জীবনে মেরে ফেলতাম তখন আমি বল্লাম এটা কি রং পাইছেন নি যা ইচ্ছা তা করবেন। তখন হাছান আমাকে এসে মারধর করলে আমার চিৎকার শুনে বাবা এবং মা এগিয়ে আসলে আমার মার চোখে আমার দাদী মরিচের গুরা মারে আর বাবাকে হাছান কুপিয়ে জখম করে। আমাদের চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন দৌড়ে আসলে হাছান ও তার বাবা দৌড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আমার বাবাকে সেখান থেকে গাড়ীতে করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাবা মারা যায়। 
          উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় যোগযোগ করা হলে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কালিকাপুরে হাফিজ উদ্দিন নামে একজন নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আমরা মৃত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করার নিদের্শ দেই। সেখান থেকে স্বজনরা বাড়ীতে নিয়ে লাশ দাফন করে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আমরা হাফিজ উদ্দিনের মা হাফিজা বেগমকে আটক করেছি। এই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। 

দীর্ঘ ১বছর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত দুই রোগী


বশিরুল  ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ১বছরের অধিক সময় ধরে দুইজন অজ্ঞাত রোগী পরে আছে। দুই জনই মানুষসিক ভারসাম্যহীন। তাদের ব্যাপারে হাসপাতালের কেউ কোন তথ্য দিতে পারেনি। হাসপাতালে তাদেরকে সার্বক্ষনিক দেখার জন্য কোন লোক না থাকলে ও হাসপাতালের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী  সুলতান তার নির্দিষ্ট কর্তব্য কাজের বাহিরে স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের দেখা শোনা করে।  একটি সূত্র থেকে জানা যায়, কুমিল্লা জেলা সহ আশে পাশের জেলা গুলো থেকে স্মৃতি শক্তিহীন, বাক প্রতিবন্ধী ও সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তিদের কুমেক হাসপাতালে রেখে চলে যায়। ফলে হাসপাতালে একটি রোগী নির্দিষ্ট দিনের বেশি রাখা যায়না। তখন হাসপাতালে কর্মরত সুলতান তাদের দেখা শোনা করে। এই রোগী গুলোর জন্য হাসপাতালে নির্ধারিত কোন বরাদ্দ না থাকলে ও হাসপাতালের কিছু ডাক্তারের সহযোগীতায় এই রোগী গুলোকে দেখাশোনা ও খাওয়া খরচের ভার বহন করা হয়। তাই কোন ব্যক্তি যদি এই লোকদের চিনেন তাহলে তাদের স্বজনদের নিকট পৌছে দিলে হয়তো তারা ভাল সেবা পেলে সুস্থ্য হয়ে পরিবারের সাথে ভাল ভাবে থাকতে পারবে। 

আমাদের ছোট্ট খোকামনি নাম রেখেছি জাবের ইবনে বশির সকলে তার জন্য দোয়া করবেন


কুমিল্লায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

বশিরুল ইসলাম
গতকাল কুমিল্লা কোটবাড়ী বিশ^রোড এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত একটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তাঅধিকারী আইনে ১৫,০০০/- পনের হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১১ এর সদস্য, পুলিশ প্রশাসন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসআই জামাল সহ অন্যরা এবং সাংবাদিক বৃন্দ।  

ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৫,০০০/- জরিমানা।

বশিরুল ইসলাম
গতকাল কুমিল্লা কোটবাড়ী বিশ^রোড এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত একটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তাঅধিকারী আইনে ১৫,০০০/- পনের হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ চন্দ্র সাহা । এ সময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১১ এর সদস্য, পুলিশ প্রশাসন সহ সাংবাদিক বৃন্দ।

জিলা স্কুল ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ফরম ফিলাপ করা হয়।


মেদ কমিয়ে কিভাবে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন ? জেনে নিন!


মেদবিহীন ছিপছিপে সুন্দর স্বাস্থ্য সবার প্রিয়। আর সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুগড়ন ও কার্যক্ষম শরীর। এই প্রত্যাশা পূরণ সহজ কাজ নয়। রসনার সংযম এবং নিয়মিত শরীর চর্চায় ব্রত শক্ত মনের মানুষই স্বাভাবিক ওজন ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকেন। এজন্য অহেতুক জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা বা জোগাড় যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ে না। কতিপয় বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। প্রথমত: মিষ্টি ও ভাজাভূনা খাবেন না। ভাত খাবেন নামমাত্র। দ্বিতীয়ত: প্রতিদিন জীবনযাপনে যাই ঘটুক নিজে নিজে একটু ব্যায়াম করে নেবেন। সেটা হাটা, সাঁতার বা ফ্রি হ্যান্ড যাই আপনার পছন্দ। এ দু’টি হলো জিমে না গিয়ে ওজন কমানোর প্রাথমিক ও অন্যতম শর্ত।

আগামীকাল দেবিদ্বার পাক হানাদার মুক্ত দিবস।


বশিরুল ইসলাম:
       আগামীকাল  ৪ ডিসেম্বর। কুমিল্লার দেবিদ্বার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের রক্তঝরা এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে দেবিদ্বার মুক্ত হয়েছিল। 

     স্বাধীনতা ঘোষণার মাত্র ৫ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩১ মার্চ কুমিল্লা সিলেট মহাসড়কে বি.বাড়িয়া থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসে (তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান সেনা ছাউনি) পায়ে হেঁটে গমনকারী আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত ১৫ জনের একটি হানাদার দল ভোরে দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ি স্থানে জনতা কর্তৃক প্রথম অবরুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে ৩৩ জন বাঙালি শহীদ হন। ৬ সেপ্টেম্বর পাক হানাদারদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে দেবিদ্বারের বাগুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. জয়নাল আবেদীন, বাচ্চু মিয়া, শহিদুল ইসলাম, আলী মিয়া, আ. ছালাম, সফিকুল ইসলাম, মো. হোসেনসহ ৭ জন শহীদ হন। 

      মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদারদের বর্বরতার নির্মম স্বাক্ষর দেবিদ্বারের অবহেলিত ‘গণকবর’। ১৭ সেপ্টেম্বর শক্র সেনারা মুরাদনগরের রামচন্দ্রপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ২০ বাঙালিকে ধরে এনে দেবিদ্বার উপজেলা সদরের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সামনে গর্ত খুঁড়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে নির্মমভাবে হত্যা করে। 

     এ সময় ভাগ্যক্রমে একজন বেঁচে গেলেও বাকি ১৯ শহীদকে সেখানে মাটি চাপা দেয় পাকবাহিনী। দীর্ঘ দিন ধরে ওই স্থানটি অবহেলিত ও দখলে থাকলেও দেবিদ্বার প্রেস ক্লাব ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এর আংশিক স্থান দখল মুক্ত করে এরই মধ্যে সেই গণকবরে স্মৃতি ফলক লাগানো হয়েছে। 

     
একাত্তরের ৩ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী যৌথভাবে হানাদারদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে। ৪ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কোম্পানীগঞ্জ ব্রিজটি মাইন বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়। মিত্র বাহিনীর ২৩ মাউন্টেড ডিভিশনের মেজর জেনারেল আরডি বিহারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মিত্র বাহিনীর একটি ট্যাংক বহর বুড়িচং ও ব্রাক্ষণপাড়া হয়ে দেবিদ্বার আসে। পাক হানাদাররা এ রাতে পিছু হটে এবং দেবিদ্বার ছেড়ে কুমিল্লা সেনা ছাউনীতে পালিয়ে যায়। ধীরে ধীরে মুক্তিবাহিনী সেনা সদরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মিত্র বাহিনীর ট্যাংক বহরটি দেবিদ্বার থেকে চান্দিনা হয়ে ঢাকা অভিমুখে রওনা হলে মোহনপুর এলাকায় ভুল বুঝাবুঝির কারণে দুই মিত্র গ্রুপে গুলি বিনিময়কালে ৬ মিত্র সদস্য নিহত হন। এভাবেই ৪ ডিসেম্বর দেবিদ্বার শত্রুমুক্ত হয় এবং উল্লাসিত জনতা স্বাধীন বাংলার লাল সবুজের পতাকা নিয়ে বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠেন। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র।

কুমিল্লা শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের পরিচালনায় জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন বেসিক কোর্সে ভর্তি চলিতেছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়
সমাজ সেবা অধিদফতর
শহর সমাজ সেবা কার্যালয়, কুমিল্লা।

ভর্তি চলিতেছে! ভর্তি চলিতেছে! ভর্তি চলিতেছে!
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন বেসিক কোর্সে
তিন/ছয় মাস মেয়াদী (৩৬০ ঘন্টা) (জানুয়ারী-মার্চ,এপ্রিল-জুন, জুলাই-সেপ্টেম্বর,অক্টোবর-ডিসেম্বর,জানুয়ারী-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর সেশন)
আমাদের কোর্স সমূহঃ
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-৭৬
ড্রেস মেকিং এন্ড টেইলারিং-২৯
মোবাইল ফোন সার্ভিসিং-৩৫
গ্রাফিক ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া প্রোগ্রামিং-৮১
সার্টিফিকেট ইন বিউটিফিকেশন-৭২
ব্লক বাটিক এন্ড প্রিন্টিং-৯৬

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক মূল্যায়ণ ও সার্টিফিকেট প্রদান
দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
(বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র)
প্রতিষ্ঠান কোড: ৬৫১৬৫
ঠিকানা: কার্জনকুটির, জজকোর্ট রোড, ৪নং ওয়ার্ড সিটি কর্পোরেশন, কুমিল্লা।
ফোন নং: ০১৮-৬১৬৪৩, ইমেল: ঁপফপড়সরষষধ৪৩@মসধরষ.পড়স
পরিচালনায়: সমন্বয় পরিষদ, শহর সমাজ সেবা কার্যালয়, কুমিল্লা। 
বাস্তবায়নে: সমাজ সেবা অধিদপ্তর, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত।

 বশিরুল ইসলাম: 
অদ্য ০১ডিসেম্বর ২০১৬ ইং কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের তৃতীয় বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে এবং কর্মরত সাংবাদিকদের প্রশিক্ষনের প্রদানের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত  সভায় সংগঠনের সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি মো: বাবর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: জুয়েল রানা, সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আলে এমরান হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: বশিরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য ও প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন সরকার,কার্যনির্বাহী সদস্য ফজলে রাব্বী, সদস্য মারুফ আহমেদ,  আসাদুজ্জামান সহ প্রমুখ। 


জিলা স্কুল ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা স্কুলের আবেদন ফরম পূরণ করা হয়।

কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।  কুমিল্লা জিলা স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৪০ জন এবং ফয়জুন্নেসায় ৩য় শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ১৮০জনের আসন  রয়েছে।

সোমবার ভর্তি কমিটি ২০১৭ এর সদস্য সচিব রাশেদা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 বিজ্ঞপ্তি সূত্র জানা যায়, ৩০ নভেম্বর রাত ১২ টা থেকে ১২ই ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত অনলাইনে (http//gsa.teletalk.com.bd) আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর। ৩য় শ্রেনি সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, ৫ম শ্রেণি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা, ৬ষ্ঠ শ্রেনী সকাল ১০ টা থেকে ১২ টায়।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.dshe.gov.bd এ ওয়েবসাইটে।  

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংস্কার ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে পুরোদমে।


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে রজত জয়ন্তী উৎসব উপলক্ষ্যে হাসপাতাল ও কলেজে চলছে শেষ পর্যায়ের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কাজ। আগামী ১০ ও ১১তারিখ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আকম বাহাউদ্দিন বাহার ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবেচ উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল ও যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন রজত জয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মহসিনউজ জামান চৌধুরী।  একটি সূত্র জানায়, মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন উপলক্ষ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কলেজ ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের কাজ চলছে তরিগরি করে। 

পিবিআই কুমিল্লায় মামলা হওয়ার ২৪ঘন্টার মধ্যে অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার এবং প্রধান আসামী গ্রেফতার


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা পিবিআই অফিসে মামলা হওয়ার ২৪ঘন্টার মধ্যে অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার ও প্রধান আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার কৃত আসামী কামরুল হাসান কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কালেমসার গ্রামের তমিজউদ্দিনের ছেলে। 
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬/১১/১৬ইং তারিখে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতের আদেশে ভিকটিম হালিমা আক্তার(১৭), পিতা-জসিম উদ্দিন, সাং-কালেমসার, পোঃ-ভোমরকান্দি, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লাকে অপহরন করার প্রেক্ষিতে  ভিকটিমের মাতা বাদীনি মোসাঃ মাহফুজা আক্তার  এর অভিযোগটি চান্দিনা থানা মামলা রুজু করতঃ  পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লাতে তদন্তভার আসলে অদ্য ২৮/১১/১৬ইং তারিখ পিবিআই কুমিল্লা টীমের পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ)/মোঃ মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ) মোঃ হিলাল উদ্দিন, এসআই(নিঃ) মাহমুদুল হাসান খান, এএসআই(নিঃ) মোঃ মোশারফ হোসেনগন সারাদিন ব্যাপী সাঁড়াশী অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম হালিমা আক্তারকে উদ্ধার করে এবং আসামী কামরুল হাসান (২৪), পিতা-তমিজ উদ্দিন, সাং-কালেমসার, পোঃ-ভোমরকান্দি, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ভিকটিম উদ্ধারে এবং আসামী গ্রেফতারে বাদীনি সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন পিবিআই আন্তরিকতার সাথে যেভাবে কাজ করেছে তাতে আমরা সাধারণ নাগরিক অত্যন্ত খুশি এবং পুলিশের প্রতি মানুষের যে ধারণা ছিল সেটি পাল্টিয়ে দিয়েছে। । উক্ত ঘটনায় কুমিল্লায় কর্মরত  সাংবাদিক সহ অন্যান্য  মহলে  কুমিল্লা জেলা পিবিআই প্রশংসা অর্জিত হয়। 

কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি


কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।  কুমিল্লা জিলা স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৪০ জন এবং ফয়জুন্নেসায় ৩য় শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ১৮০জনের আসন  রয়েছে।

সোমবার ভর্তি কমিটি ২০১৭ এর সদস্য সচিব রাশেদা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 বিজ্ঞপ্তি সূত্র জানা যায়, ৩০ নভেম্বর রাত ১২ টা থেকে ১২ই ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত অনলাইনে (http//gsa.teletalk.com.bd) আবেদন করতে পারবে।
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর। ৩য় শ্রেনি সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, ৫ম শ্রেণি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা, ৬ষ্ঠ শ্রেনী সকাল ১০ টা থেকে ১২ টায়।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.dshe.gov.bd এ ওয়েবসাইটে।  


সংগ্রহীত: জাগো কুমিল্লা হতে

কুমিল্লা জেলা আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র।

জানুয়ারী থেকে অক্টোবর ২০১৬ইং পর্যন্ত


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সংঘটিত অপরাধ সংখ্যা
ন্ত 
আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাভাবিক অবস্থা দাবী করলে ও সাধারণ মানুষ মনে করছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। তার পরে ও কুমিল্লা পুলিশ সুপার পরিস্থিতি স্বাভাবি রাখার লক্ষ্যে সকলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পরামর্শ প্রদান করেছেন। কুমিল্লা জেলার ১৬টি উপজেলার ১৭টি থানায় জানুয়ারী ২০১৬ থেকে এই পর্যন্ত সংঘটিত অপরাধের সংখ্যা ও মামলার বিস্তারিত হল গত সেপ্টেম্বর  কুমিল্লায় ৬০৮টি অপরাধ সংগটিত হয়।  গত অক্টোবরে ৫৭৩টি অপরাধ সংঘটিত হয় তার মধ্যে অক্টোবরে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় ১০৯টি,সদর দক্ষিন থানায় ৫৮টি, চৌদ্দগ্রাম থানায় ৪৩টি, নাঙ্গলকোট থানায় ১৮টি, লাকসাম থানায় ১৮টি, মনোহরগঞ্জ থানায় ১৯টি, বুড়িচং থানায় ৩২টি, ব্রাহ্মনপাড়া থানায় ২২টি, বরুড়া থানায় ২১টি, চান্দিনা থানায় ৪৫টি, দাউদকান্দি থানায় ৪৯টি, তিতাস থানায় ২৫টি, মেঘনা থানায় ১৪টি, হোমনা থানায় ১৫টি, মুরাদনগর থানায় ২৭টি, দেবিদ্বার থানায়৩৯টি, বাঙ্গরা থানায় ১৯টি অপরাধ সংঘটিত হয়।   গত সেপ্টেম্বর মাসে  মোট অপরাধ সংঘটিত হয় ৫৩৫টি। আগষ্ট মাসে অপরাধ সংঘটিত হয় ৬৪৯টি। রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় আগষ্ট মাসের চেয়ে সেপ্টেম্বর মাসে অপরাধের সংখ্যা তুলনামূলক কম কিন্ত অক্টোবরে অপরাধের সংখ্যা কিছুটি বেড়ে গিয়েছে।  জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলার ১৬ উপজেলার ১৭ থানায় ১৩২ খুনের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে চুরি, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, অপহরণ ও মাদকসহ অন্যান্য অভিযোগে মোট মামলা হয়েছে পাঁচ সহ¯্রাধিক। জানুয়ারি মাসে খুনের ঘটনা ঘটে নয়টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৩৬, অস্ত্র মামলা দুটি, মাদক ২০৭সহ অন্যান্য অপরাধে মামলা ৪৩৬টি, ফেব্রুয়ারি মাসে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৩৮, অস্ত্র ৭, মাদক ৩৪২ সহ অন্যান্য অপরাধে মোট মামলা ৫০০। মার্চ মাসে খুন ১৪টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৬১, অস্ত্র ৮, মাদক ১৮৯, অন্যান্য অপরাধ ৪৯২, এপ্রিলে খুন ১৫, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৩, অস্ত্র ৩, মাদক ১৮৮, মোট অপরাধ ৪৯৯, মে মাসে খুন ১৬, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৭, অস্ত্র ৮, মাদক ১৭৫টি মোট অপরাধ ৫০৫।

জুন মাসে খুন ১০টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫২, অস্ত্র ৭, মাদক ২০৯, মোট অপরাধ ৫৪৬, জুলাই মাসে খুন ৬, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৯, অস্ত্র ৬, মাদক ১৭১, মোট মামলা ৪৫৪টি, আগস্টে খুন ১০, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪২, অস্ত্র ১৪, মাদক ৩৩১, মোট অপরাধ ৬৪৯, সেপ্টেম্বরে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৭, অস্ত্র ১৪, মাদক ২৪১, মোট অপরাধ ৫৩৫, অক্টোবরে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৮, অস্ত্র ৮, মাদক ৩২০সহ মোট অপরাধ ৫৭৩টি। অপরদিকে, ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শুধু খুনের ঘটনাই ঘটেছে ১০টি। এর মধ্যে গত ৮ নভেম্বর-দাউদকান্দির গৌরীপুর পেন্নাই এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসাইন সরকার ও গাড়িচালক মহিউদ্দিনের হত্যাকান্ডটি ছিল বেশ আলোচিত। ১৩২টি হত্যাকান্ডে র মধ্যে বেশ কিছু আলোচিত হত্যাকান্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরে ঘটে যাওয়া কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকান্ডটি অন্যতম, যা নিয়ে কুমিল্লাসহ দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। যদিও ওই হত্যাকান্ডের এখনো কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

পুলিশের পক্ষ
থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয় ৩টি বিদেশী রিভলবার, ৬টি পিস্তল একটি দেশী ৫টি বিদেশী, ২টি পাইপগান ৩টি এলজি, ৩২টি গুলি, ৮টি কার্তুজ ও ২টি খোসা মোট ৬৮টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গত অক্টোবর মাসে ১টি বিদেশী রিভলবার, ৫টি বিদেশী পিস্তল,  ১টি পাইপগান, ৪টি এলজি, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ১৬টি কার্তুজ মোট ৪৪টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গত অক্টোব মাসে ভেজাল খাদ্যে ভোক্তা অধিকার আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে  মোট অভিযান হয় ২৩টি মামলা করা হয় ৪১টি জরিমানা করা ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ৪২জনকে অর্থ দন্ড করা হয়। বিদ্যুৎ আইনে অভিযান করা ৩টি , মামলা হয় ৩টি, ৩জনকে ২৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শিল্প কারখানা ও গার্মেন্টস ফ্যাক্টুরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয় ৫টি, মামলা হয় ৭টি, অর্থদন্ড করা হয় ৬জনকে ১লক্ষ ৪৩হাজার টাকা। ইভটিজিংয়ের কারণে ৪টি অভিযানে ৫টি মামলায় ১জনকে ১০হাজার টাকা জরিমানা ও ৪ জনকে কারাদন্ড দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আগষ্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। আগষ্ট, ২০১৬মাসে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৬৪৯টি এবং সেপ্টেম্বর/২০১৬মাসে ৫৩৫টি মামলা রুজু হয়েছে। সেপ্টেম্বর ২০১৬ মাসে দস্যুতা, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, সিদেল চুরি ও অন্যান্য চুরি আইনে মামলা দায়ের বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অন্যান্য অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করার কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহন এবং মামলা ও গুরুতর অপরাধের সংখ্যা হ্রাসকরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে সভায়। 

চান্দিনায় রাস্তার উপর বাশের সাকোঁ


বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা গ্রামে আসা যাওয়ার জন্য একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলা ও বিভিন্ন পেশার  প্রায় আড়াইহাজার থেকে তিন হাজার লোকের চলাচল। অথচ দীর্ঘ ছয় মাস ধরে রাস্তাটির এই বেহাল অবস্থা । প্রশাসনকে জানানোর পরে মাটি সংগ্রহের সমস্যার কথা বলে দায় এড়িয়ে গেলে ও কাজ করে দিবে বলে এখনো আশ^াস দিচ্ছে। 
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাস্তাটি তৈরি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুরে পরে যায়। বর্ষা মৌসুম হওয়ার কারণে ঠিকাদার রাস্তা মেরামতের কাজ করতে পারছেনা। এলাকাবাসীর দাবী রাস্তাটি করার সময় সাইড ওয়ালটি  মানসম্মত ভাবে করা হয়নি। ফলে পুকুর সেচ করার কারণে রাস্তাটি এমনিতে ভেঙ্গে পরে যায়। এতে করে মিরাখলা, গল্লাই উত্তর পাড়া সহ আশে পাশের এলাকার সাধারণ মানুষ সহ শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা যাওয়া করতে  সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাশের সাকো দিয়ে চলাচল করার সময় পরে গিয়ে বই, খাতা ও জামা কাপড় নষ্ট করছে এবং অনেক সময় হাত-পা ভাঙ্গছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে এবং এলাকার জেলে, কৃষক ও বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষ চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। 
উক্ত রাস্তার বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মোল্লা মো: আবুল কালাম আজাদ জানান, রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে ব্যাপারটি আমাদের জানা আছে। আমাদের লোক দিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া জায়গাটি সার্ভে করিয়েছি। যখন রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে তখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় আমরা রাস্তাটি মেরামত করতে পারিনি। এখন বর্ষা চলে যাচ্ছে আমরা মাটির ব্যবস্থা করে রাস্তাটি মেরামত করব। তবে এখন কোন পক্ষকে নোটিশ করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু রাস্তাটি মেরামতের জামানতের টাকা এখনো আমাদের হাতে আছে তাই রাস্তাটি সংস্কার করতে আমাদের তেমন কোন সমস্যা হবে না। 

উক্ত ঘটনায় চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সুমন চৌধুরী জানান, রাস্তাটি যেখানে ভেঙ্গে গিয়েছে সেই স্থানের পুকুর মালিক এবং যে ঠিকাদার রাস্তাটি নির্মাণ করেছে সেই ঠিকাদার  দুই জনকে নোটিশ করা হউক। নোটিশের কপি আমার অফিসে জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ব্যাপারে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। রাস্তার পাশে কোন পুকুর এবং মাছ চাষের প্রকল্প তৈরি করার সময় ভাঙ্গা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে যেন রাস্তা ভেঙ্গে না যায়। 


কুচাইতলী এলাকা থেকে ৬টি বিষধর সাপ উদ্ধার



বশিরুল্ ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন কুচাইতলী পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশ থেকে ৬টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাপ গুলো উদ্ধারের সময় উৎসুক জনতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। 
স্থানীয়রা জানায়, এখানে একটি পুকুর ছিল । পুকুরে অনেক কচুরী পানা ছিল । পুকুরটি ভরাট হওয়ার কারণে সাপ গুলো এখন পাশের বাড়ী কবরস্থানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এলাকাবাসী সাপুড়েকে খবর দিলে সাপুরে এসে সাপ গুলো উদ্ধার করে । আমরা সকরে দাড়িয়ে থেকে দেখছি। 
সাপুরে শাহাআলম জানায়, এখানে সাপ আছে বলে এলাকাবাসী খবর দিলে আমি এসে তাদের উপস্তিতিতে সাপ গুলো উদ্ধার করি। এই সাপ গুলো বিষধর সাপ। 

আমার আজকের প্রতিবেদন দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত রাস্তার উপর সাকোঁ


র‌্যাবের অভিযানে কুমিল্লায় গাজা সহ ১জন আটক।



বশিরুল ইসলাম:
 কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার চরানল গ্রামের মো: মহসিন আলীর বাড়ী থেকে বিপুল পরিমান গাজা, মিনি পিকআপ এবং মাদক বিক্রির নগদ তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিনশত টাকা সহ গাড়ীর ড্রাইভার সামসুদ্দিনকে আটক করে। মাদকবিক্রেতা মো: মহসিন আলী র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় বলে দাবী র‌্যাবের। 
র‌্যাবের র‌্যাব-১১ জানায়, অদ্য ২৩ নভে¤¦র ২০১৬ তারিখ রাত ০২.৫০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬৫ কেজি গাঁজা, ০১ টি টাটা মিনি পিকআপ এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩,৯৯,৩০০/-(তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিনশত) টাকা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন চরানল গ্রামস্থ জনৈক মোঃ মহসীন আলী এর বসত বাড়ীতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রেখেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মোঃ মহসীন আলম (৪৪), পিতাঃ মৃত মাইন উদ্দিন, সাং-চরানল, থানাঃ বরুড়া, জেলাঃ কুমিল্লা পালিয়ে যায় এবং উক্ত বাড়ীর উঠানে থাকা একটি টাটা মিনি পিকআপ, যাহার ড্রাইভার মোঃ শামসুদ্দিন (২৫), পিতাঃ মোঃ মানিক মিয়া, সাং-ইলিশা (লাটবাড়ী), থানা ও জেলাঃ ভোলা বর্তমানে সাং- চরানল (মোঃ মহসীন আলমের বাড়ী), থানাঃ বরুড়া, জেলাঃ কুমিল্লাকে আটক করলে সে জানায়, সে মোঃ মহসীন আলমের উক্ত গাড়ীর ড্রাইভার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত গাড়ীর বডির গোপন পাটাতনের ভিতরে গাঁজা আছে বলে ¯¦ীকার করে এবং বের করে দেয়। উক্ত ধৃত আসামী আরো ¯¦ীকার করে উক্ত গাঁজা ও গাড়ীর প্রকৃত মালিক মোঃ মহসীন মিয়া। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সাথে নিয়ে মহসীন আলীর বসত ঘরে তল্লাশী চালিয়ে গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩,৯৯,৩০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিন শত) টাকা উদ্ধার করা হয়। উক্ত উদ্ধারকৃত ৬৫ কেজি গাঁজার আনুমানিক মুল্য ৩,৯০,০০০/- (তিন লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা। উক্ত ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদে সে আরো জানায়, উক্ত পিকআপে গোপন পাটাতনের ভিতরে গাঁজা বহন করিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা বিক্রয় করে আসছে। এ ব্যাপারে উক্ত ধৃত আসামী এবং পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


ডাক্তারী পরীক্ষায় কমিশন না খেলে


৪০শতাংশ ব্যয় কম হবে রোগীর ....ডা. প্রাণ গোপাল দত্ন
লাইন ডেস্স্কে: 

দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক ও কুমিল্লা জেলার চান্দিনার সন্তান অধ্যাপক ড. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেছেন, চিকিৎসকরা যদি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন না নেয় তাহলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের ৪০শতাংশ কমে আসবে। তিনি গত শনিবার ৫নভেম্বর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে বলেন, কমিশন বিজনেসের জন্য চিকিৎসকদের সম্মানহানী ঘটছে। চিকিৎসকদের উচিত হবে কমিশন গ্রহণের মতো ‘ম্যালপ্র্যাকটিস’ থেকে বেরিয়ে আসা। তাহলে চিকিৎসকরা হারানো সম্মান পুনরায় ফিরে পাবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ ভিসি বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসানো হয়। কিন্তু রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশে চিকিৎসকরা ততটা সম্মান পান না। এখানকার রোগীদের প্রত্যাশা চিকিৎসকদের কাছে অসীম। তবুও নীতি নৈতিকতা মেনে রোগীদের সঙ্গে পেশাদারি সম্পর্ক গড়ে তোলারও আহ্বান জানান বিশিষ্ট নাক-কান-গলা এই বিশেষজ্ঞ।