ডাক্তার রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ঔষধ ও ব্যবহার বিধি স্পষ্ট অক্ষরে লেখার নির্দেশ।

বশিরুল ইসলাম:
চিকিৎসকদেরকে (ডাক্তার) রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ঔষধের নাম ইংরেজী বড় অক্ষরে এবং ঔষধের ব্যবহার বিধি স্পষ্ট ও বোধগম্যভাবে লেখার নির্দেশ প্রদান করেছে মহামান্য হাইকোর্ট। রোগীর ব্যবস্থাপত্রে  (প্রেসক্রিপশন) লেখাসমূহ সহজবোধ্য হওয়ার লক্ষ্যে  এবং তা যেন রোগীর লোক সহজে বুঝতে পারে তার জন্য এই নির্দেশ প্রদান করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মহোদয়ের অনুমতি সাপেক্ষে  পরিচালক (প্রশাসন) ডা: সমীর কান্তি সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

 স্মা: অধি: /প্রশা-১৫/২০০৭ (অংশ)/৮৩৮ স্মারকে বলা হয়েছে রোগীর ব্যব
স্থাপত্রে  (প্রেসক্রিপশন) লেখাসমূহ সহজবোধ্য হওয়ার লক্ষে তা স্পষ্টভাবে এবং বড় অক্ষরে লেখার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সে মোতাবেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল চিকিৎসককে রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের নাম ইংরেজী বড় অক্ষরে এবং ওষুধের ব্যবহার বিধি স্পষ্ট ও বোধগম্যভাবে লেখার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হল।

কুমিল্লা কোটবাড়ী জঙ্গী আস্তানায় জঙ্গী নেই, আছে শুধু বিষ্ফোরক

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা কোটবাড়ী গন্ধমতি জঙ্গী আস্তানায় জঙ্গী নেই আছে শুধু বিষ্ফোরক। আস্তানার তিনতলা ভবনে জঙ্গী সন্দেহে গত তিনদিন ধরে ঘিরে রাখা হয়েছিল। আনা হয়েছিল সোয়াট, র‌্যাব, ক্রাইম সিন, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
শুক্রবার সকাল থেকে ঘটনাস্থলের পাশের ২ কি:মি: এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এলাকার গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির  সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। 
পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহা. শফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের নিকট তথ্য ছিল ওই কক্ষে নোয়াখালীর আানিস প্রকাশ আনাস (২) এব রাজশাহীর রনি(২২) অবস্থান করছে। কিন্তু গত বুধবার দুপুরে র‌্যাব-পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলার আগেই হয়তো জঙ্গিরা পালিয়ে যায়। তাই তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। ওই কক্ষে চারটি গ্রেনেড , পাঁচ কেজি ওজনের দুটি বোমা এবং দুটি সুইসাইডাল ভেস্ট পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু ওই কক্ষে প্রচুর গ্যাস থাকায় গুলি উদ্ধার কিংবা নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়নি। শনিবার সকালে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসব বোমা ও গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করবেন। 
এর আগে শুক্রবার সকালে সোয়াট, র‌্যাব, ক্রাইমসিন ইউনিট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্য, পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে পৌছে জঙ্গীদের অচেতন করার জন্য পাইপের মাধ্যমে কক্ষে গ্যাস প্রবেশ করান এবং কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল ও প্রায় ১০০ রাউন্ড ফাকা গুলি করেন। 
পুলিশ সুপার শাহ মো: আবিদ হোসেন জানান, জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যে ভবনটি ঘিরে রাখা হয়েছিল সেটির ভেতর কোনো জঙ্গি পাওয়া যায়নি। তবে অনেক বিষ্ফোরক ও বোমা পাওয়া গিয়েছে। বোমা ডিসপোজাল ইউনিট এসব উদ্ধার কিংবা ধ্বংস করার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হবে। 
উল্লেখ্য এক জঙ্গির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার দুপুরে জঙ্গিদের অবস্থান সন্দেহে জেলার সদর দক্ষিণ থানার বাগমারা এলাকার গন্ধমতি নামক স্থানে তিন তলা বাড়ীর একটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে ওই বাড়ীর সকল ভাড়াটিয়াদের বের করে এনে বাড়ীটি নিয়ন্ত্রণে নেয় র‌্যাব-পুলিশ। আনা হয় সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। কিন্তু তিন দিনের অভিযান শেষে পাওয়া যায়নি কোন জঙ্গী। সিটি নির্বাচনের কারণে বৃহস্পতিবার অভিযান বন্ধ রাখা হয়েছিল। 

অবশেষে কিছুক্ষন পরেই শুরু হচ্ছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ।

বশিরুল ইসলাম: 
 আজ সকল জল্পনা কল্পনা আর হিসাব নিকাশের সমাপ্তি হবে। কে হবে তাদের নগর পিতা বা মাতা তা আজকে ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে। আজ বৃহস্পপতিবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে এক টানা ভোট চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। গতকাল (২৯ মার্চ) বিশেষ নিরাপত্তায় বলয়ের মাধ্যমে সকল ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী মালামাল পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠ ভোট উপহার দেওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভোটকে ঘিরে নগর জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ এবং এই উৎসবে ভোট দিতে প্রস্তুত ভোটররা। নারায়নগঞ্জ নির্বাচনের পর কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নৌকা ও ধানের শীষের প্রতিকের মধ্যে লড়াই হবে আজ।
২৯ মার্চ কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে ৩.৩০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে রিটার্নিং অফিসার ও কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান, নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠ ও সুন্দর রাখার জন্য ৪৫৭২জন আইনশৃংখলাবাহিনীর প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করবে। এদের মধ্যে পুলিশ রয়েছে ১৬৭৮জন, আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য রয়েছে ১৯৭২জন সাথে সিনিয়র ১৪জন আনসার, র‌্যাব সদস্য রয়েছে ৩২২ এবং বিজিবি সদস্য রয়েছে ৬০০জন। এদের মধ্যে র‌্যাব ৩৮টি টিমে কাজ করবে এবং বিজিবি ৩০ প্লাটুনে কাজ করবে। তাছাড়াও অনাকাঙ্খিত ঘটনা নিয়ন্ত্রনের জন্য ইনটেলিজেন্স এর সদস্যরা কাজ করবে। ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র গুলোর জন্য স্পেশাল ফোর্সের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে । কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচনে অফিসে বাংলাদেশ আনসার ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্তৃক আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান । নির্বাচনে সার্বিক সহযোগীতা ও সমন্বয় করার জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে আনসার সদস্য এসেছে প্রতি কেন্দ্রের জন্য ১৪জন । আমরা পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, সকলের সাথে নির্বাচন সমন্বয় করছি। ইতোমধ্যে মালামামল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। এই ব্যাপক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
বিরামহীন এই নির্বাচনে কোন প্রার্থী কতটুকু ভোটারদের মন জয় করতে পেরেছে তা বুঝা যাবে আজ ভোটের মাধ্যমে। সর্বত্রই পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে। রাস্তায় রাস্তায় অলি গলিতে সব জায়গায় নৌকা ও ধানের শীষের পোষ্টারই বেশি। নির্বাচনী উত্তাপ ছেয়ে গেছে সিটি কর্পোরেশনের এলাকা গুলোতে। সেখানকার ছোট বড় সব হোটেল, চায়ের দোকানে চলছে জমজমাট নির্বাচনী আড্ডা। চায়ের দোকানে ভোটারগন গালগল্পে মেতে উঠেছেন। সর্বত্র আড্ডায় সাবেক মেয়র ও কাউন্সিলরদের অতীত কর্মকান্ড হিসাব নিকাশের ইতি টানতে চায় ভোটাররা আজকের ভোটের মাধ্যমে।
কুসিক নির্বাচনে ৪ মেয়র প্রার্থী ১১৪জন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৪০ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আওয়ামীলীগ তথা নৌকা প্রতীকে আঞ্জুম সুলতানা সীমা, বিএনপি তথা ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এছাড়া ও মাঠে সক্রিয় না থাকলে ও জেএসডির মেয়র প্রার্থী শিরিন আক্তার তালা প্রতীকে, স্বতন্ত্র মেজর (অব) মামুনুর রশিদ মামুন টেবিল ঘড়ি প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন। সাধারণ মানুষের দাবী নৌকা ও ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ছাড়া অন্য দুই মেয়র প্রার্থীকে দেখা যায়নি মাঠে। পরিবর্তন ও কুমিল্লার উন্নয়নের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে মোবাইলে চলছে প্রচারণা। গ্রাহকদের মোবাইল নাম্বারে অটোমেটিক চলে যাচ্ছে এই ম্যাসেজ।
কুসিক নির্বাচন বর্তমান নির্বাচন কমিশন, আওয়ামীগ ও বিএনপি অর্থাৎ তিন পক্ষের জনপ্রিয়তা ও অস্থিত্ব যাচাইয়ের এক কঠিন পরীক্ষা । এদিকে ভোটাররা অতীতে কুমিল্লায় কে কি অবদান রেখেছে কে কি উন্নয়ন করেছে সেটি ও বিবেচনায় নিবেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া নতুন মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা জিতে গেলে কুমিল্লায় আগের তুলনায় কাজ একটু বেশি হবে বলে মনে করছে সাধারণ নাগরিক। কারণ হিসেবে তারা মনে করছেন যেহেতু সরকার ক্ষমতায় সেহেতু সীমাকে কাজ বেশি দেওয়া হবে এবং সীমা ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে ভালভাবে কাজ করবেন। অপর দিকে সাক্কু পাশ করলে এক হলো কুমিল্লায় কাজ কম হবে অন্যদিক দিয়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে অনেকটা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সার্বিক বিবেচনায় কুমিল্লা বাসী আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে তাদের নতুন মেয়র হিসেবে পেতে চাইবেন এমন ধারণাই করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এদিকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে ও মূল প্রতিদ্বন্দ্বি হচ্ছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে। এই নির্বাচনে লড়াই চলছে দ্বিমুখী। তাই এ লড়াইকে সামনে রেখে আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামছে দুই দল। স্থানীয় শক্তির সঙ্গে যোগ হয়েছে কেন্দ্রীয় শক্তি। ফলে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন রাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ে রূপ নিতে যাচ্ছে। আওয়ামলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা নির্বাচনে শতভাগ পাশের নিশ্চয়তা নিয়ে তিনি বলেন, আমি নৌকা প্রতিক পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়েছেন, আমি নিশ্চিত নৌকার পালে বিজয় নিশান লাগিয়ে ঘরে ফিরব। আপনারা সকলে একত্রিত হয়ে নৌকায় উঠুন স্লোগান তুলুন, কুমিল্লায় মাদক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই। আমি গণরায় মেনে নেব। এদিকে প্রতীক পাওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু বলেন, নির্বাচন নিয়ে কুমিল্লার মানুষের মাঝে গণজোয়ার ও আবেগের সৃষ্টি হয়েছে। সঠিক ও সুষ্ঠু ভোট হলে কুমিল্লায় অতীতের মতো সাধারণ মানুষ কুমিল্লার উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আমাকেই বেছে নেবে।
এদিকে নির্বাচনী বিধিমালা ২০১০ এর ৭৪ বিধি অনুসারে ২৮ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহনের পূর্ববর্তী ৩২ ঘন্টা এবং ভোট গ্রহনের পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা ১এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোন ব্যক্তি কোন জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা উহাতে যোগদান ও মিছিল সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ বলে আঞ্জলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে ২৭মার্চ ২০১৭ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কতিপয় নৌযান/ স্থলযানবাহন যেমন লঞ্চ, স্পীড বোট, বেবীটেক্সি, অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো চলাচলের উপর নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

কুমিল্লায় ৩০প্লাটুন বিজিবি ও ৩৩৮জন র‌্যাব মোতয়েন

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মোট ত্রিশ প্লাটুন বিজিবি ও ৩৩৮জন র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়াও বিপুল পরিমান পুলিশ সদস্য ও আনসার সদস্য কাল থেকে মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট ও সংরক্ষিত আসনে ৯জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি তদারকি করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪জন করে আইনশৃংখলাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ৭২টি ভোট কেন্দ্র এবং সদর দক্ষিন মডেল থানার ৩১টি ভোটকেন্দ্রের সবকটি জুকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সকলে নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডলের। 
 বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মোঃ নাহিদুজ্জামান মুঠোফোনে জানান,  নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আমাদের মোট ৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৬ প্লাটুন বিজিবি মাঠে চলে গিয়েছে এবং টহল দিচেছ।  
নির্বাচনী বিধিমালা ২০১০ এর ৭৪ বিধি অনুসারে আজ ২৭মার্চ ২০১৭ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ২৮ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহনের পূর্ববর্তী ৩২ ঘন্টা এবং ভোট গ্রহনের পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা ১এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোন ব্যক্তি কোন জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা উহাতে যোগদান ও মিছিল  সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ  ঘোষনা করা হয়েছে।  এছাড়াও ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কতিপয় নৌযান/ স্থলযানবাহন যেমন লঞ্চ, স্পীড বোট, বেবীটেক্সি, অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো চলাচলের উপর নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডলের সাথে একান্ত আলাপকালে তিনি জানান, আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার লক্ষ্যে সব ধরনের কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । ইতোমধ্যে আচরণ বিধি লংঘনকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা অভিযোগ করা মাত্র ব্যবস্থা গ্রহন করছি। এই পর্যন্ত কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।  আাগামী ৩০ মার্চ  কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ২৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৭হাজার ৫শ ৫৬জন। এই মোট ভোটারের মধ্যে ১লাখ২৫হাজার ৪শ ৪৭ জন পুরুষ ভোটার এবং ১লাখ ৫হাজার ১শ ১৯জন মহিলা ভোটার। সেখানে একজন রিটার্নিং অফিসার, ০৯জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার । মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩টি এবং সেখানে ভোট কক্ষ থাকছে ৬২৮টি এবং প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ১০৩জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ৬২৮জন পোলিং অফিসার থাকছে ১২৫৬জন । তাছাড়াও বিপুল পরিমাল আইনশৃংখলা বাহিনী প্রয়োজনের চেয়ে অধিক মোতায়েন থাকবে। ইতোমধ্যে আমাদের সকল প্রকার আইনশংলাবাহিনীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যথা সময়ে আপনারা ও পেয়ে যাবেন। 

২৮ মার্চ রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ

বশিরুল ইসলাম:
 নির্বাচনী বিধিমালা ২০১০ এর ৭৪ বিধি অনুসারে ২৮ মার্চ  দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহনের পূর্ববর্তী ৩২ ঘন্টা এবং ভোট গ্রহনের পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা ১এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোন ব্যক্তি কোন জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা উহাতে যোগদান ও মিছিল  সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ । আজ ২৭মার্চ ২০১৭ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 
এছাড়াও ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত  কতিপয় নৌযান/ স্থলযানবাহন যেমন লঞ্চ, স্পীড বোট, বেবীটেক্সি, অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো চলাচলের উপর নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে । 



আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডলের সাথে একান্ত আলাপকালে তিনি জানান, আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার লক্ষ্যে সব ধরনের কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । ইতোমধ্যে আচরণ বিধি লংঘনকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা অভিযোগ করা মাত্র ব্যবস্থা গ্রহন করছি। এই পর্যন্ত কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।  আাগামী ৩০ মার্চ  কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ২৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৭হাজার ৫শ ৫৬জন। এই মোট ভোটারের মধ্যে ১লাখ২৫হাজার ৪শ ৪৭ জন পুরুষ ভোটার এবং ১লাখ ৫হাজার ১শ ১৯জন মহিলা ভোটার। সেখানে একজন রিটার্নিং অফিসার, ০৯জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার । মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩টি এবং সেখানে ভোট কক্ষ থাকছে ৬২৮টি এবং প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ১০৩জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ৬২৮জন পোলিং অফিসার থাকছে ১২৫৬জন । তাছাড়াও বিপুল পরিমাল আইনশৃংখলা বাহিনী প্রয়োজনের চেয়ে অধিক মোতায়েন থাকবে। ইতোমধ্যে আমাদের সকল প্রকার আইনশংলাবাহিনীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যথা সময়ে আপনারা ও পেয়ে যাবেন। 

আজ ২৭ মার্চ রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার হোন্ডা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা।

বশিরুল ইসলাম: 
নির্বাচনী বিধিমালা ২০১০ এর ৭৪ বিধি অনুসারে আজ ২৭মার্চ ২০১৭ তারিখ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ২৮ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহনের পূর্ববর্তী ৩২ ঘন্টা এবং ভোট গ্রহনের পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা ১এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোন ব্যক্তি কোন জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা উহাতে যোগদান ও মিছিল  সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ  ঘোষনা করা হয়েছে।  এছাড়াও ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কতিপয় নৌযান/ স্থলযানবাহন যেমন লঞ্চ, স্পীড বোট, বেবীটেক্সি, অটোরিক্সা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো চলাচলের উপর নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। 

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডলের সাথে একান্ত আলাপকালে তিনি জানান, আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার লক্ষ্যে সব ধরনের কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । ইতোমধ্যে আচরণ বিধি লংঘনকারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা অভিযোগ করা মাত্র ব্যবস্থা গ্রহন করছি। এই পর্যন্ত কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।  আাগামী ৩০ মার্চ  কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ২৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২লাখ ৭হাজার ৫শ ৫৬জন। এই মোট ভোটারের মধ্যে ১লাখ২৫হাজার ৪শ ৪৭ জন পুরুষ ভোটার এবং ১লাখ ৫হাজার ১শ ১৯জন মহিলা ভোটার। সেখানে একজন রিটার্নিং অফিসার, ০৯জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার । মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০৩টি এবং সেখানে ভোট কক্ষ থাকছে ৬২৮টি এবং প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ১০৩জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার থাকছে ৬২৮জন পোলিং অফিসার থাকছে ১২৫৬জন । তাছাড়াও বিপুল পরিমাল আইনশৃংখলা বাহিনী প্রয়োজনের চেয়ে অধিক মোতায়েন থাকবে। ইতোমধ্যে আমাদের সকল প্রকার আইনশংলাবাহিনীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যথা সময়ে আপনারা ও পেয়ে যাবেন। 

কুমিল্লায় মাদক ও বাল্য বিবাহকে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ

চান্দিনা প্রতিনিধি: কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বড় গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ চান্দিনা শাখার আয়োজনে মাদক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে ১,৩০০ শিক্ষার্থীর শপথ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠান শনিবার বেলা ২টায়  অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিবিআই কুমিল্লা জেলা প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আপেল মাহমুদ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম জাকিরিয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা, লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম সোহেল, অধ্যক্ষ আখতার হোসাইন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ ভূইয়া, চান্দিনা উপজেলা শাখার সভাপতি রাসেল রানা, দেবিদ্বার শাখার সভাপতি ইমরান, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান ও অর্থ সম্পাদক আরিফ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ১৩০০ শিক্ষার্থী মাদক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে লাল কার্ড দেখিয়ে শপথ নেন। তারা সকল প্রকার মাদককে না বলে বর্জন করার ঘোষনাও দেন।

দেবিদ্বারে ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা।

বশিরুল ইসলাম:
দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন দুলাল(৪৫) নামে একজনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে দেবিদ্বার উপজেলার ১২নং ভানী ইউনিয়নের ভরাট এলাকায়। সে ভরাট গ্রামের মৃত সিরাজ ডিলারের ছেলে। ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় মেয়ের বাবা অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি সংবাদ সংগ্রহ করে তা পত্রিকায় প্রকাশ করে। সংবাদ প্রকাশের পর মেয়ের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৫ মার্চ  দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে উভয়ের বক্তব্য শুনে তাকে ১মাসের সাজা প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। 

দেবিদ্বারে ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা।

বশিরুল ইসলাম:
দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন দুলাল(৪৫) নামে একজনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে দেবিদ্বার উপজেলার ১২নং ভানী ইউনিয়নের ভরাট এলাকায়। সে ভরাট গ্রামের মৃত সিরাজ ডিলারের ছেলে। ৭ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় মেয়ের বাবা অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি সংবাদ সংগ্রহ করে তা পত্রিকায় প্রকাশ করে। সংবাদ প্রকাশের পর মেয়ের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৫ মার্চ  দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে উভয়ের বক্তব্য শুনে তাকে ১মাসের সাজা প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। 

এডভোকেট হনুফা আক্তার রিক্তা ভোট চাইলেন সীমার পক্ষে

বশিরুল ইসলাম:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী’র সহধর্মীনি এডভোকেট হনুফা আক্তার রিক্তা কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমার পক্ষে নৌকা মার্কার জন্য ভোট চেয়ে টমছম ব্রিজ, শাকতলা, আশ্রাফপুর সহ কুসিক এর বিভি
ন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন এই মার্কা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মার্কা, এই মার্কা শেখ হাসিনার মার্কা এই মার্কা আঞ্জুম সুলতানা সীমার মার্কা এই মার্কা মেহনতি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের মার্কা। তাই এই মার্কায় ভোট দিলে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন হবে তথা কুমিল্লা বাসীর উন্নয়ন হবে। সারাদেশ যেখানে দ্রুত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন স্তম্ভিত হয়ে আছে। তাই সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধুর মার্কা শেখ হাসিনার মার্কা সীমা আপার মার্কায় ভোট দিয়ে কুমিল্লাকে উন্নয়নের উচ্চ শিরায় নিয়ে যেতে সহযোগীতা করুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক আলহাজ¦ ওমর ফারুক, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সহ তরুন আওয়ামীলীগ নেতা   নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, সদর দক্ষিন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অঙ্গসংঠনের নেতৃবৃন্দ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম।

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অপারেশন রুমে এক অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম হয়েছে। শিশুটি আজ ২৩ মার্চ জন্ম হয়। শিশুটির কপালের ব্রু থেকে মাথার উপরের অংশ নেই। এতে করে সাধারণ মানুষের মনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটির বাবা মা কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ভুবনঘর এলাকার বাসিন্দা। ডাক্তারদের ধারণা বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে। কখনো ভিটামিন আবারো কখনো জন্মগত সমস্যা ও হতে পারে। কেউ কেউ আবার এটি ভাইরাস জাতীয় সমস্যা হিসেবে মনে করছেন। 

অজ্ঞাত এই ব্যক্তিটির সন্ধান চাই।

অজ্ঞাত এই ছেলেটির নাম কাইয়ুম (১৬), পিতা: মতিউর রহমান, মাতা: পার ভীন বেগম, গ্রাম: মন্দবাগ, থানা: কসবা। আজ ভোর ৫টার সময় অজ্ঞাত এক ড্রাইভার তাকে কুমিল্লা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে রেখে চলে যায়। বর্তমানে হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি আছে। যদি কেউ তাকে চিনেন তার পিতা মাতাকে জানালে ছেলেটির জন্য অনেক উপকার হবে। বর্তমানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসার যাবতীয় খরচ চালিয়ে আসছে। উক্ত বিষয়ে  কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সহ পুলিশ কন্ট্রোলরুমে জানানো হয়েছে। ০১৯১৯১০৯৯২৭

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে সেনা সাইক্লিং অভিযান।

বশিরুল ইসলাম:
বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে দুই দেশের সেনা সদস্যদের  সাইক্লিং অভিযান ।  এরই অংশ হিসেবে গত ১৬ মার্চ বাংলাদেশের সেনা সদস্যরা ভারতে গিয়েছিল এবং সেখানে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখে ও ভারতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে আজ ২২ মার্চ কুমিল্লা বিবির বাজার স্থল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এসময় ভারতের সেনা সদস্যরা ও বাংলাদেশে আসে। ভারতের সেনা সদস্যগন আগামী ২৮ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে। আগামীকাল ২৩মার্চ বৃহস্পতিবার কুমিল্লার বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান গুলো ঘুরে আগামী ২৪ মার্চ ঢাকায় পৌছবেন তার পর ঢাকা থেকে ফরিদপুর হয়ে যশোর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সেনা সদস্যরা নিজ দেশে প্রবেশ করবেন। ধারণা করা হচ্ছে দুই দেশের সেনা সদস্যদের মধ্যে বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক স্থানই হচ্ছে এর লক্ষ্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে উর্দ্ধতন এক কর্মকর্তা জানান, মূলত সেনা সদস্যদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনই হচ্ছে ভারত বাংলাদেশ ২০১৭ সাইক্লিং এডভেঞ্চার। 

বাহরাইনে বাংলাদেশী শ্রমিকদের কয়েক হাজার ভিসা বাতিল কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবী প্রবাসীদের।

বশিরুল ইসলাম:
বাইরাইনে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের কয়েকহাজার শ্রমিকের ভিসা বাতিল করেছে ঐ দেশের সরকার ফলে বাংলাদেশীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।  মাসিক মাত্র ১০ দিনার ট্যাক্স না দেয়াই এ ভিসা বাতিলের কারণ বলে জানা গেছে বাহরাইনে অবস্থানরত শামছুল ইসলাম ও রুবেল নামে দুই শ্রমিকের নিকট থেকে।  এই সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়ায় বিপুল বাংলাদেশী অবৈধ হয়ে পড়েছেন। ফলে এখন তাদের ওপর চলছে গ্রেফতার অভিযান। তাই প্রবাসীদের দাবী বাংলাদেশ সরকার বাহরাইনের সরকারের সাথে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ালে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। 

অফিসিয়ালি কোনরকম ঘোষনা না দিয়ে অভিযান শুরু হলেও এর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশীদের ওপর। পুলিশি ধরপাকড় এড়াতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন । হাজার হাজার শ্রমিক দালালের প্রলোভনে পড়ে দেশটিতে গিয়ে এখন কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। 
নয়াদিগন্তকে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া তথ্যমতে, ভিসা ট্রেডিংয়ের অংশই হচ্ছে ফ্রি ভিসা। শ্রমিকরা স্পন্সরের আওতায় চাকরি করে না। কিন্তু নিয়োগকারী কোম্পানির সাথে আগেই দালালদের অলিখিত চুক্তি থাকে, কোম্পানির নামে শ্রমিক যাবে, কিন্তু সে কোম্পানিতে তারা কাজ করবে না; অন্য যেকোনো স্থানে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। এটাই হচ্ছে মূল সমস্যা। দেখা গেছে শ্রমিক সেখানে যাওয়ার পর ফ্রি ভিসায় অনেকে কাজ পায় না। উল্টো প্রতারিত হয়ে কস্টের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। ভুক্তভোগীরা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উচিত, ওই দেশের লেবার মিনিস্ট্রির সাথে দ্রুত বৈঠক করা, যাতে কোম্পানি মালিকদের এ ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতার মধ্যে আনা যায়। চুক্তি মোতাবেক শ্রমিক যাবে এবং সে ক্ষেত্রে তারা চাকরি নিশ্চিত করবে। এ বিষয়টিই যৌথ কমিটির সাথে বৈঠক করে তুলে ধরতে হবে। তাদের মতে, স্থানীয় পুরনো শ্রমিকদের সাথে ওই দেশের মালিকদের যোগসাজশেই এধরনের অনিয়ম হচ্ছে। 
গত রবিবার ১৯ মার্চ দিন ও রাতে কুমিল্লার চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের  শামছুল ইসলাম,  নুরুল ইসলাম, বাচ্চু মিয়া ও মাইজখার ইউনিয়নের রুবেল সহ আরো অনেকের সাথে কথা বলে জানাযায়,  বর্তমানে বাহরাইনে বেশির ভাগ বাংলাদেশী কর্মীর দিন কাটছে কষ্টের মধ্যে। এর মধ্যে গত ১৫-২০ দিন আগে বাহরাইনের লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি (এলএমআরএ) ফ্রি ভিসায় যাওয়া কয়েক হাজার শ্রমিকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে। এ নিয়ে গালফ নিউজসহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। তারা বলেন, এমন সংবাদের পর শত শত শ্রমিক বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে অবস্থান নেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর পর থেকেই দূতাবাস ভিসা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। কী কারণে বাহরাইন সরকার হঠাৎ কর্মীদের ফ্রি ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে দশ বছর ধরে দেশটিতে থাকা প্রবাসী শ্রমিক বাচ্চু মিয়া জানান, যারাই ফ্রি ভিসায় আসছে তাদের প্রতি মাসের জন্য সরকার নির্ধারিত ১০ দিনার অর্থাৎ দুই হাজার ৫০ টাকা ভ্যাট-ট্যাক্স নির্ধারণ করে দিয়েছে লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি। কিন্তু অধিকাংশ শ্রমিকের নামে সরকার নির্ধারিত এ ট্যাক্স পরিশোধ না করার কারণে তাদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ফ্রি ভিসায় এসে শ্রমিকরা বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফল, মাছ বিক্রি করছে, যা এ দেশের আইনে নিষিদ্ধ। তারপরও হাজার হাজার শ্রমিক দালালের খপ্পরে পড়ে এখন বিপদের মধ্যে আছেন। তারা না পারছেন দেশে ফিরতে না পারছেন শান্তিতে কাজকর্ম করতে। এমন শ্রমিকের সংখ্যা অনেক। বাহরাইনে অবস্থানরত  সোলেমান নামে আরো এক শ্রমিক জানান, এ দেশে স্থানীয় লোকজন ও  পুরাতন শ্রমিকদের জোগসাজসে দালালদের খপ্পরে পড়েই মূলত চার-পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে বাহরাইনে আসছেন বাংলাদেশী শ্রমিকারা। না জেনে এই ভিসায় এসে তারা বিপদে পড়ছেন। কারণ বাংলাদেশী শ্রমিক বেশি হয়ে গেছে। সেই তুলনায় কাজ কম। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, অনেকে ঠিকমতো তিন বেলার খাবারও জোটাতে পারছে না। কিভাবে ১০ দিনার সরকারি ফি দেবেন তারা? তার দেখা মতে, যারা দুই বছরের ফ্রি ভিসায় এসেছেন, তাদের কারো তিন থেকে ছয় মাস না যেতেই লেবার মার্কেট অথরিটি ভিসা বাতিল করে দিচ্ছে। কারণ ভ্যাট ট্যাক্স কোম্পানি পরিশোধ করছে না। এখন যারা ধরা পড়ছেন তারা জেল জরিমানা দিয়েই দেশে ফিরছেন। যেহেতু ভিসার সমস্যা তাই এই মুহূর্তে দেশ থেকে কারো না আসাই উচিত বলে মনে করেন তিনি।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দুই মাসে দেশটিতে বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে গেছেন ৯ হাজার ৬৫৫ জন কর্মী। এর মধ্যে নারী শ্রমিক পাঁচজন। এর আগে ২০১৬ সালে দেশটিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৭২ হাজার ১৬৭ জন। এর মধ্যে ৭৯ জন মহিলাকর্মী।

বাহরাইনে বাংলাদেশী শ্রমিকদের কয়েক হাজার ভিসা বাতিল

বশিরুল ইসলাম:
বাইরাইনে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের কয়েকহাজার শ্রমিকের ভিসা বাতিল করেছে ঐ দেশের সরকার ফলে বাংলাদেশীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।  মাসিক মাত্র ১০ দিনার ট্যাক্স না দেয়াই এ ভিসা বাতিলের কারণ বলে জানা গেছে বাহরাইনে অবস্থানরত শামছুল ইসলাম ও রুবেল নামে দুই শ্রমিকের নিকট থেকে।  এই সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়ায় বিপুল বাংলাদেশী অবৈধ হয়ে পড়েছেন। ফলে এখন তাদের ওপর চলছে গ্রেফতার অভিযান।
অফিসিয়ালি কোনরকম ঘোষনা না দিয়ে অভিযান শুরু হলেও এর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশীদের ওপর। পুলিশি ধরপাকড় এড়াতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন । হাজার হাজার শ্রমিক দালালের প্রলোভনে পড়ে দেশটিতে গিয়ে এখন কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছে। 
নয়াদিগন্তকে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া তথ্যমতে, ভিসা ট্রেডিংয়ের অংশই হচ্ছে ফ্রি ভিসা। শ্রমিকরা স্পন্সরের আওতায় চাকরি করে না। কিন্তু নিয়োগকারী কোম্পানির সাথে আগেই দালালদের অলিখিত চুক্তি থাকে, কোম্পানির নামে শ্রমিক যাবে, কিন্তু সে কোম্পানিতে তারা কাজ করবে না; অন্য যেকোনো স্থানে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। এটাই হচ্ছে মূল সমস্যা। দেখা গেছে শ্রমিক সেখানে যাওয়ার পর ফ্রি ভিসায় অনেকে কাজ পায় না। উল্টো প্রতারিত হয়ে কস্টের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। ভুক্তভোগীরা বলেন, বাংলাদেশ সরকারের উচিত, ওই দেশের লেবার মিনিস্ট্রির সাথে দ্রুত বৈঠক করা, যাতে কোম্পানি মালিকদের এ ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতার মধ্যে আনা যায়। চুক্তি মোতাবেক শ্রমিক যাবে এবং সে ক্ষেত্রে তারা চাকরি নিশ্চিত করবে। এ বিষয়টিই যৌথ কমিটির সাথে বৈঠক করে তুলে ধরতে হবে। তাদের মতে, স্থানীয় পুরনো শ্রমিকদের সাথে ওই দেশের মালিকদের যোগসাজশেই এধরনের অনিয়ম হচ্ছে। 
গত রবিবার ১৯ মার্চ দিন ও রাতে কুমিল্লার চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের  শামছুল ইসলাম,  নুরুল ইসলাম, বাচ্চু মিয়া ও মাইজখার ইউনিয়নের রুবেল সহ আরো অনেকের সাথে কথা বলে জানাযায়,  বর্তমানে বাহরাইনে বেশির ভাগ বাংলাদেশী কর্মীর দিন কাটছে কষ্টের মধ্যে। এর মধ্যে গত ১৫-২০ দিন আগে বাহরাইনের লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি (এলএমআরএ) ফ্রি ভিসায় যাওয়া কয়েক হাজার শ্রমিকের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে। এ নিয়ে গালফ নিউজসহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। তারা বলেন, এমন সংবাদের পর শত শত শ্রমিক বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে অবস্থান নেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর পর থেকেই দূতাবাস ভিসা সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। কী কারণে বাহরাইন সরকার হঠাৎ কর্মীদের ফ্রি ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে দশ বছর ধরে দেশটিতে থাকা প্রবাসী শ্রমিক বাচ্চু মিয়া জানান, যারাই ফ্রি ভিসায় আসছে তাদের প্রতি মাসের জন্য সরকার নির্ধারিত ১০ দিনার অর্থাৎ দুই হাজার ৫০ টাকা ভ্যাট-ট্যাক্স নির্ধারণ করে দিয়েছে লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটি। কিন্তু অধিকাংশ শ্রমিকের নামে সরকার নির্ধারিত এ ট্যাক্স পরিশোধ না করার কারণে তাদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ফ্রি ভিসায় এসে শ্রমিকরা বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফল, মাছ বিক্রি করছে, যা এ দেশের আইনে নিষিদ্ধ। তারপরও হাজার হাজার শ্রমিক দালালের খপ্পরে পড়ে এখন বিপদের মধ্যে আছেন। তারা না পারছেন দেশে ফিরতে না পারছেন শান্তিতে কাজকর্ম করতে। এমন শ্রমিকের সংখ্যা অনেক। বাহরাইনে অবস্থানরত  সোলেমান নামে আরো এক শ্রমিক জানান, এ দেশে স্থানীয় লোকজন ও  পুরাতন শ্রমিকদের জোগসাজসে দালালদের খপ্পরে পড়েই মূলত চার-পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে বাহরাইনে আসছেন বাংলাদেশী শ্রমিকারা। না জেনে এই ভিসায় এসে তারা বিপদে পড়ছেন। কারণ বাংলাদেশী শ্রমিক বেশি হয়ে গেছে। সেই তুলনায় কাজ কম। পরিস্থিতি এমন হয়েছে, অনেকে ঠিকমতো তিন বেলার খাবারও জোটাতে পারছে না। কিভাবে ১০ দিনার সরকারি ফি দেবেন তারা? তার দেখা মতে, যারা দুই বছরের ফ্রি ভিসায় এসেছেন, তাদের কারো তিন থেকে ছয় মাস না যেতেই লেবার মার্কেট অথরিটি ভিসা বাতিল করে দিচ্ছে। কারণ ভ্যাট ট্যাক্স কোম্পানি পরিশোধ করছে না। এখন যারা ধরা পড়ছেন তারা জেল জরিমানা দিয়েই দেশে ফিরছেন। যেহেতু ভিসার সমস্যা তাই এই মুহূর্তে দেশ থেকে কারো না আসাই উচিত বলে মনে করেন তিনি।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দুই মাসে দেশটিতে বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে গেছেন ৯ হাজার ৬৫৫ জন কর্মী। এর মধ্যে নারী শ্রমিক পাঁচজন। এর আগে ২০১৬ সালে দেশটিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৭২ হাজার ১৬৭ জন। এর মধ্যে ৭৯ জন মহিলাকর্মী।

সদর দক্ষিন থানার ওসি নজরুল প্রত্যাহার

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি নজরুল ইসলাম পিপিএমকে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তাকে সদর দক্ষিণ থানা থেকে প্রত্যাহার করেছে। গত শনিবার ১৮মার্চ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিএনপি ধানের শীষ  প্রতিকের মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর এক অভিযোগের ভিত্তিতে  এবং ওসি সাহেবের উক্ত অভিযোগের জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে নির্বাচন কমিশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রত্যাহারের বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে একটি চিঠি কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক শাহ মো: আবিদ হোসেন এর কার্যালয়ে এসে পৌছেছে বলে নিশ্চিত করেছে তিনি। 

উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো: আবিদ হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অল্প কিছুক্ষন হয় আমি নির্বাচন কমিশন থেকে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়ক এই ধরণের  একটি চিঠি পেয়েছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। 

সদর দক্ষিন থানার ওসি নজরুল প্রত্যাহার

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি নজরুল ইসলাম পিপিএমকে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তাকে সদর দক্ষিণ থানা থেকে প্রত্যাহার করেছে। গত শনিবার ১৮মার্চ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিএনপি ধানের শীষ  প্রতিকের মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর এক অভিযোগের ভিত্তিতে  এবং ওসি সাহেবের উক্ত অভিযোগের জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে নির্বাচন কমিশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রত্যাহারের বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে একটি চিঠি কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক শাহ মো: আবিদ হোসেন এর কার্যালয়ে এসে পৌছেছে বলে নিশ্চিত করেছে তিনি। 

উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো: আবিদ হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অল্প কিছুক্ষন হয় আমি নির্বাচন কমিশন থেকে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়ক এই ধরণের  একটি চিঠি পেয়েছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। 

তনু হত্যার ১ বছরেও রহস্য উদঘাতি হয়নি

বশিরুল ইসলাম
তনু হত্যার দীর্ঘ ১বছর অতিবাহিত হলেও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর মৃত্যু রহস্যের জট খোলেনি। আজ সোমবার ১ বছর পূর্ণ হচ্ছে দেশব্যাপী আলোচিত এ ঘটনার। অজ্ঞাত কারণে মামলার রহস্যের জট খুলতে সিআইডি এখন অনেকটা চুপচাপ থাকলেও হতাশ ও ক্ষুব্ধ তনুর পরিবার।  তদন্ত কার্যক্রম কিংবা ঘাতক সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া নিয়ে মিডিয়ায় মুখ খুলতে নারাজ সিআইডি। ঘাতকদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে কুমিল্লা নগরীর পূবালী চত্বরে প্রতিবাদী সমাবেশ পুলিশসুপার বরাবর  স্মারকলিপি পেশ করবে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা গণজাগরণ মঞ্চ। 
গত  বছরের ২০ মার্চ কলেজ ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে পাওয়ার হাউজ এলাকায় একটি জঙ্গলে মরদেহ রেখে যায় ঘাতকরা। এ ঘটনার পর নানা নাটকীয়তা আর আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পার হয়ে যায় দীর্ঘ ১টি বছর। এ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ মাঠে নামে। কিন্তু বর্তমানে তনু হত্যার বিচার নিয়ে শংকিত তনুর পরিবার। 
এদিকে, দীর্ঘ ১বছরেও তনু হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে না পারা, সামরিক-বেসামরিক ৭০ জনের অধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা, দুই দফা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ করতে না পারা, এমনকি ডিএনএ পরীক্ষায় ৩ ধর্ষণকারীর শুক্রাণূ পেলেও এ পর্যন্ত ডিএনএ ম্যাচ করে ঘাতকদের সনাক্ত করতে না পারায় এ মামলার ভবিষ্যৎ কিংবা বিচার পাওয়া নিয়ে তনুর পরিবার, মানবাধিকার সংগঠনসহ বিভিন্ন মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। 
তনুর বাবা এয়ার আহম্মেদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মামলার তেমন কোন অগ্রগতি নাই। আমাদের সাথে এব্যাপারে বর্তমানে কেউ যোগাযোগ করছেনা। আগামীকাল ২০ মার্চ সোমবার আমি আমার মেয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনার জন্য দোয়ার আয়োজন করছি। আমাদের বাড়ীর দক্ষিণপাশের একটি এতিমখানার ছেলেদের এই আয়োজনে যোগদানের জন্য দাওয়াত করেছি। আমি মসজিদে ও মিলাদের আয়োজন করেছি। কিন্তু সিআইডি’র জালাল উদ্দিন আহমেদ এর সাথে যোগযোগা করা হলে তিনি আমাকে ঢাকা যাচ্ছেন বলে আর আমার সাথে কোন কথা বলেননি। আমি সঠিক বিচার পাব কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছি। তবে আমি জুমা’র নামাজ শেষে মুসল্লীদের কাছে  কিছু বলব আজ আর তেমন কিছু বলব না। আমি বিচার নিয়ে সংকিত।  
তনুর মা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন তনুর মা হাই প্রেসারের লোক। সে  প্রায় সময় আমাদের একমাত্র মেয়ে তনুকে নিয়ে চিন্তিত থাকে। গভীর রাতে তার কথা স্মরণ হলে চিৎকার করে। সিভিল সার্জন ও ডা: মুজিব আমাদের পরিবারের সকল সদস্যদের রোগের চিকিৎসা করে থাকেন।  
কুমিল্লা গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান এই প্রতিবেদককে জানান, আমরা আগামীকাল সোমবার সকাল ১১টায় পুলিশ সুপারের বরাবরে স্মরকলিপি পেশ করব এবং সেখানে তাদেরকে নির্দিষ্ট একটি সময় দেওয়া হবে। সেই সময়ের মধ্যে যদি তারা দৃশ্যমান কোন কিছু দেখাতে না পারে তাহলে আমরা কঠোর ও লাগাতার আন্দোলনে যাব। 
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন আহমেদ অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি প্রথমে ফোনটি কেটে দেন পরে অনেকবার ফোন করলে ও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এব্যাপারে সিআইডির অন্য এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন সাহেব বলবেন তবে আমরা প্রচন্ড চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমাদের চেষ্টার কোন কমতি নেই।  

মন্ত্রী সাহেবের পাশাপাশি আপনারা আমাকে ও পাবেন...................... হনুফা আক্তার রিক্তা।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম কাশিনগর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হকের নামে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন রেলপথমন্ত্রীর সহধর্মীনি এডভোকেট হনুফা আক্তার রিক্তা। তিনি বক্তৃতার এক পর্যায়ে বলেন এই চৌদ্দগ্রামে আপনারা যখন আপনাদের প্রয়োজন হয়েছে ঠিক তখনই মন্ত্রী মহোদয়কে পেয়েছেন। এখন থেকে আপনারা আমাকে ও পাবেন। মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আপনাদের পাশে আমিও থাকতে চাই । আমি আপনাদের সুখে দু:খে অংশ^ীদার হিসেবে কাজ করতে চাই।  তিনি আরো বলেন, আমি মন্ত্রী মহোদয়ের স্ত্রী হয়ে গর্ববোধ করি। কেননা তিনি এই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে মন্ত্রী হয়েছেন আর আজকে সেই স্কুলে প্রধান অতিথি হয়ে টুর্ণামেন্ট খেলার উদ্ধোধন করার সৌভাগ্য হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে ওই মাঠে খেলাটির উদ্বোধন করেন রেলপথমন্ত্রীর সহধর্মীনি এডভোকেট হনুফা আক্তার রিক্তা । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথমন্ত্রী মুজবিুল হক এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দনি আহমেদ চৌধুরী সেলিম, পৌর মেয়র মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক

মোহাম্মদ কায়সার হামিদ,  কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরীফ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  আবদুল্লাহ আলম মামুন,  চৌদ্দগ্রাম সার্কেলের এএসপি শাহ আলম।
টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমটিরি সভাপতি শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোশারেফ হোমেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবুল ফয়সল, বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন টিপু, জগন্নাথদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম ভূঁইয়া, কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান জাফর ইকবালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগের  নেতাকর্মীবৃন্দ। 
উদ্বোধনী খেলায় বরুড়া উপজলো ক্রীড়া সংস্থা ও বিবির বাজার খেলাঘর অংশগ্রহণ করে। খেলাটি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন দেখতে ভিড় জমায়। 

কুমিল্লা চান্দিনায় স্মরণ কালে সর্বাধিক শিলা বৃষ্টি

বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার বিভিন্ন  স্থানে স্মরণ কালের সবচেয়ে বেশি শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গিয়েছে। আজ শনিবার  বিকাল পৌনে পাঁচটায় এই বৃষ্টি হয়। বৃষ্টিতে টিনের ঘরের চালের প্রচন্ড আওয়াজে ঘরে থাকা মহিলা ও বাচ্চারা প্রচন্ড ভিত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। শীলা বৃষ্টির কারণে অনেক ফসলী জমি নষ্ট হওয়ায়  সাধারণ কৃষকের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা । মৌসুমী ফসল বাঙ্গী ও তরমুজ ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সাধারণ এক কৃষক। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৮ তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প।

বশিরুল ইসলাম:
আজ সকাল থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস  ১৭ ই মার্চ ২০১৭ ইং উপলক্ষে উপসম প্যাথলজি ও দারিদ্রমুক্ত সঞ্চয় ও ঋনদান সমবায় সমিতি ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করে। উক্ত ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে প্যাথলজি ও সমবায় সমিতির পরিচালক মো: রাশেক আহম্মেদ এর উপস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ডা: কাজী মো: কেফায়েত উল্লাহ ও ডা: শেফালী বেগম। এ সময় কুচাইতলী, বারপাড়া, হাউজিং এস্টেট, বাখরাবাদ, বালুতুপা ধনপুর ও আশে পাশের এলাকার সাধারণ লোকজন চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। 



সরকারি খালে বাধ দেওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি কৃষকের আলু সহ অন্যান্য ফসল নষ্ট

বশিরুল ইসলাম:
চান্দিনা গল্লাই ইউনিয়নের ব্যাপারী বাড়ী থেকে ঘাটাদৌড়া পর্যন্ত যে সরকারি রাস্তা ও খাল রয়েছে সেই  খালটি ভরাট করে দোকান ও বাড়ী নির্মাণের কারণে ঐ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃস্টি হয়েছে। ফলে কয়েক হাজার কৃষকের ফসলী  জমি আলু, ভোট্টা সকল মৌসুমী সকল ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবী সরকারি যে খালটি রয়েছে সেই খালটির ব্রিজের নিচে ভরাট করে বাড়ী নির্মান ও খাল ভরাট করে খালের উপর মার্কেট  ও বাড়ী নির্মাণ করায় এই এলাকায় ও পাশ^বর্তী বিলে এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই খালটি উন্মুক্ত করে পানি চলাচল সচল করে দিলে এই ফসলী জমি গুলো নষ্টের হাত থেকে রেহাই পাবে। 
কৃষক ফারুক মিয়া জানান, আমি যখন ছোট ছিলাম তখন দেখেছি এখানে একটি খাল ছিল এবং
এই রাস্তাটিও । এই রাস্তা দিয়ে আমরা সবসময় চলাচল করে আসছি। কিন্তু বছর কয়েক হয় এই খালটি ভরাট করে মার্কেট ও বাড়ী ঘর নির্মাণ করায় এই বিলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে বিলের সকল ফসল বিশেষ করে ভোট্টা ও আলু ব্যাপকভাবে ক্ষতি হচ্ছে। তাই এই খালটি দখলদারদের উচ্ছেদ করে উন্মুক্ত করে দিলে এই বিলের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব।  বৃষ্টির পানি জমে যাওয়াতে আলু খেতের আলু পানির নিচ থেকে কাদা মাটি থেকে হাতিয়ে হাতিয়ে আলু তুলতে হয়েছে। ভোট্টাক্ষেতের পানি জমে যাওয়ায় এই জমির ফসল ও নষ্ট হতে শুরু করেছে।
উক্ত খাল ও বিলের ব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আমিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, খালে বাধ দিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সরেজমিনে যাচাই করে খালটি পুনরুদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

সরকারি খাল ভরাট করায় জলাবদ্ধতা, কয়েক হাজার কৃষকের জমির ফসল নষ্ট

বশিরুল ইসলাম:
চান্দিনা গল্লাই ইউনিয়নের ব্যাপারী বাড়ী থেকে ঘাটাদৌড়া পর্যন্ত যে সরকারি রাস্তা ও খাল রয়েছে সেই  খালটি ভরাট করে দোকান ও বাড়ী নির্মাণের কারণে ঐ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃস্টি হয়েছে। ফলে কয়েক হাজার কৃষ
কের ফসলী  জমি আলু, ভোট্টা সকল মৌসুমী সকল ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবী সরকারি যে খালটি রয়েছে সেই খালটির ব্রিজের নিচে ভরাট করে বাড়ী নির্মান ও খাল ভরাট করে খালের উপর মার্কেট  ও বাড়ী নির্মাণ করায় এই এলাকায় ও পাশ^বর্তী বিলে এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই খালটি উন্মুক্ত করে পানি চলাচল সচল করে দিলে এই ফসলী জমি নষ্টের হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
কৃষক ফারুক মিয়া জানান, আমি যখন ছোট ছিলাম তখন দেখেছি এখানে একটি খাল ছিল এবং এই রাস্তাটিও । এই রাস্তা দিয়ে আমরা সবসময় চলাচল করে আসছি। কিন্তু বছর কয়েক হয় এই খালটি ভরাট করে মার্কেট ও বাড়ী ঘর নির্মাণ করায় এই বিলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই জলাবদ্ধতার কারণে বিলের সকল ফসল বিশেষ করে ভোট্টা ও আলু ব্যাপকভাবে ক্ষতি হচ্ছে। তাই এই খালটি দখলদারদের উচ্ছেদ করে উন্মুক্ত করে দিলে এই বিলের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব। 
উক্ত খাল ও বিলের ব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: আমিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, খালে বাধ দিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সরেজমিনে যাচাই করে খালটি পুনরুদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভা


বশিরুল ইসলাম:
আজ সন্ধায় ১০ মার্চ শুক্রবার কুমিল্লা ধর্মসাগড় পারস্থ ঐতিহ্যবাহী জামতলায় আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনায় সভায় আনোসার প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্ত ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান গণি’র সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক 

সহ অন্যান্য সদস্যরা আনোসা’র আগামী দিনের পথ চলা, অগ্রগতি সহ নানা দিক নিয়ে আলোচনা করে। সংগঠনের সভাপতি মতবিনিময় সভায় আনোসা সম্পর্কে বলেন, যারা পিছনে থেকে সমালোচনা করেন তারা সামনে আসেন সমালোচনা করেন তাহলে আনোসার কোথাও কোন ভুল থাকলে আমরা সংশোধনের চেষ্টা করবো। আমরা অরাজনৈতিক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সুতরাং এখানে সকলের স্থান সমান। আমরা ছোটদের ¯েœহ করতে হবে, বড়দের শ্রদ্ধা করতে হবে তাহলেই আমাদের মহত্ব এমনি এমনি  প্রকাশ পাবে আমাদের নিজেদের সম্মান ও বৃদ্ধি পাবে। অনুষ্ঠানে সংগঠনের লক্ষ উদ্দেশ্য ও সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। তিনি আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রাক্তন শিক্ষা সচিব এরশাদুল হক স্যারকে স্মরণ করে বলেন তাকে আল্লাহ তায়ালা বেহেস্ত নসিব করুক । তিনি গল্লাই গ্রামে এই রকম একটি প্রতিষ্ঠান করেছেন যার জন্য ঐ গ্রামের অনেক গরীব সন্তান খুব সহজেই লেখাপড়া করে আজ অনেক সম্মানিত স্থানে পৌছেছে। আমরা তার জন্য আজীবন প্রাণ ভরে দোয়া করব। আগামী কিছুদিনের মধ্যে ঢাকায় ও এরকম আরো একটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হবে এবং সেখানে আমাদের সচিব স্যারের আপন ভাই আবুল কাশেম সাহেব উপস্থাপন থাকবেন আশা প্রকাশ করে তার বক্তব্য শেষ করেন।

সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের গাড়ি চাপায় নিহত ১

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সদর উপজেলার চাপাপুর এলাকার বালুতুপার সন্নিকটে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের টহলকৃত গাড়ী চাপায় এক হোন্ডা আরোহী নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের চার সদস্যদের মধ্যে তিনজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে কোতয়ালী থানায় প্রেরণ করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অফিসার পালিয়েছে।  
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১০ মার্চ শুক্রবার ভোর ৫টায় পুলিশের একটি হাইএক্স গাড়ী মোটরসাইকেল চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাত লোকটি মারা যায়। ঘটনার পর পর আশে পাশের লোক দৌড়ে আসলে পুলিশ তাদেরকে হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। এক পর্যায়ে পুলিশ নিহত ব্যক্তির লাশটি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ হাত দূরে ইরি ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাধারণ
মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এতে করে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে  পুলিশের এক সদস্য পালিয়ে যায় এবং পুলিশের তিন সদস্যকে আটক করে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ঘটনার পর পর কুমিল্লার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানভীর সালেহীন ইমন, পিবিআই পুলিশ সদস্য, র‌্যাব-১১ এর সদস্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহউদ্দিন, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন, বালুতুপা এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার আলী হোসেন সহ স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশের ব্যবহৃত হাইএক্স গাড়ীটি সাধারণ মানুষ ঘটনাস্থলেই পুড়ে ফেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ প্রায় সময় এই রাস্তায় সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে। যারা মাদক বহন করে যারা মাদক ক্রয় বিক্রয় করে তাদেরকে না ধরে আমাদেরকে ধরে হয়রানি করে।
উক্ত ঘটনায় ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন সাধারণ মানুষকে শান্ত করার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শান্ত হন এখন যেহেতু একটি ঘটনা ঘটে গিয়েছে আবার নতুন ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয় । পুলিশ সদস্যরা   সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে ব্যাপারটি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। স্যারেরা ব্যাপারটি অবগত আছে। আপনাদের বিচার আপনারা পাবেন।  
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুস ছালাম মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ও তাকে পাওয়া যায়নি। 
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি মুঠোফোনে জানান, লক্ষীপুর এলাকায় আমাদের পুলিশ সদস্যদের একটি অভিযান ছিল। ঐ এলাকাটি সদর দক্ষিণ থানার আওতাধীন তবে আমরা সদর/ কোতয়ালী থানার উপর দিয়ে যেতে হয়। অভিযান শেষে আসার পথে গাড়ীর ড্রাইভার কোয়াশার কারণে ভালভাবে দেখতে পায়নি ফলে মোটর সাইকেল ও পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ীটি রাস্তা থেকে নিচে পড়ে যায়। ঐ মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহী ছিল। মৃত ব্যক্তিটি দৌড়ে পা
লিয়ে যাওয়ার সময় ২০০হাত দূরে ইরিক্ষেতে গিয়ে পরে যায়। স্থানীয় জনতা পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ীটি পুড়ে ফেলে। আমাদের পুলিশের ৪ সদস্যের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য কোতয়ালী থানায় আছে। পুলিশের যিনি অফিসার ছিলেন তিনি অসুস্থ্য তাই হাসপাতালে চলে যান। তিনি কুমেক হাসপাতাল থেকে সাময়িক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পর পর আমি সহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য ঘটনাস্থলে পৌছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছি এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশ সদস্যদের টহলকৃত গাড়ীর চাপায় যে ব্যক্তি মারা গিয়েছে তাকে আমরা কুমেক হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছি। এদিকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। কোন পুলিশ সদস্য এই ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠিন বিচার করা হবে। 

এযাবত কালের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রেনেড উদ্ধার ।

বশিরুল ইসলাম: 
গত ৭মার্চ সকাল ১১টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পুলিশের তল্লাশী চলাকালে দুই জেএমবি সদস্য সহ ৫টি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গ্রেনেড গুলো এযাবতকালের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রেনেড বলে দাবী আইনশৃংখলা বাহিনীর।
গ্রেনেড গুলো এতো শক্তিশালী যে এই ২কেজি ওজনের গ্রেনেড দিয়ে বড় ধরনের নাশকতা করা সম্ভব। গ্রেনেড গুলো ঐ দিন বিকাল ৫টায়  ঢাকা থেকে আসা বোম ডিসফিউজাল  ইউনিট নিষ্ক্রিয় করে। নিষ্ক্রিয় করা গ্রেনেড গুলোতে শক্তিশালী রাসায়নিক দ্রব্য পাওয়া গিয়েছে।  উল্লেখ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর খাদঘর এলাকায় গাড়ির গতি রোধে পুলিশের অভিযান চলাকালে হাইওয়ে পুলিশের উপর বোমা হামলার চেষ্টা করে। পরে বোমা ও ছুরিসহ জসিম (২২) ও হাসান (২৪) নামে জেএমবি’র দুই সদস্যকে আটক করে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুটুম্বপুর খাদঘর এলাকায় ২৪ রাউন্ড গুলি বর্ষণের পর ২০ মিনিটের মধ্যে তাদেরকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে জসিম নামে এক জেএমবি সদস্য গুলিবদ্ধ হয়। 
গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে বোম ডিসফিউজ ইউনিটকে কাজ করতে দেখা গিয়েছে। সেই সময় উক্ত স্থানে উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান সহ উক্ত থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্য। 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ বোমা সহ ২জেএমবি গ্রেফতার

বশিরুল ইসলাম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর খাদঘর এলাকায় গাড়ির গতি রোধে পুলিশের অভিযান চলাকালে হাইওয়ে পুলিশের উপর বোমা হামলার চেষ্টা করে। পরে বোমা ও ছুরিসহ জসিম (২২) ও হাসান (২৪) নামে জেএমবি’র দুই সদস্যকে আটক করে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুটুম্বপুর খাদঘর এলাকায় ২৪ রাউন্ড গুলি বর্ষণের পর তাদেরকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে জসিম নামে এক জেএমবি সদস্য গুলিবদ্ধ হয়। আটক জেএমবি সদস্য হাসান চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার শান্তিরহাট গ্রামের মৃত মোহাম্মদ হোসাইন এর ছেলে এবং জেএমবি হাসান এর পরিচয় পাওয়া যায়নি।চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, ‘হামলাকারীরা আল্লাহু আকবার বলেই পুলিশের উপর বোমা হামলা করে। তারা জেএমবি’র সদস্য বলে আমরা ধারনা করছি।’হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির ইন-চার্জ (এস.আই) মনিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকায় যানবাহনে অভিযান চলছিল। ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির সার্জেন্ট মোস্তফা কামাল এর নেতৃত্বে ওই অভিযান চলাকালিন সময়ে সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা শ্যামলী পরিবহণের একটি বাসের অধিক গতি চিহ্নিত হয়। পুলিশ গাড়িটি ধাওয়া করে আটক করার পর বাস থেকে নেমে আসা যাত্রীবেশী দুই জেএমবি সদস্য আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ে। ওই বোমা বিস্ফোরিত না হওয়ায় পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া শুরু করলে তারা বোমা ছোড়া অবস্থায় দৌঁড়ে খাদঘর গ্রামের ভিতরে প্রবেশ করে। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলিছুড়ে। প্রায় ২০ মিনিট প্রচেষ্টায় ২৪ রাউন্ড গুলি ছুড়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদেরকে আটক করে। এসময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জসিমকে এবং হাসান নামে আরও এক জেএমবি সদস্যকে আটক করে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪টি বোমা ও ১টি ধারালো ছুরি  ১ টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের দাবী জেএমবি সদস্য পানিতে একটি পিস্তল ছুড়ে মেরেছিল। কিন্তু সেটি পর অনেক খোজেও আর পাওয়া যায়নি। তবে সেই স্থান থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে।  
হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মোস্তফা কামাল জানান, আমরা গতি নিয়ন্ত্রণে গাড়িটি ধাওয়া করলেও বাসে থাকা জেএমবি সদস্যরা সন্দেহ করে আটকের বিষয়টি ভেবে আমাদের উপর হামলার চেষ্টা করে।গুলিবিদ্ধ জেএমবি সদস্য জসিমকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং  জেএমবি সদস্য হাসান পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।এদিকে ঘটনার পরপর হাইওয়ে পুলিশ  সুপার রেজাউল করিম বিপিএম, জেলা পুলিশ সুপার শাহ্ মো. আবিদ হোসেন, পিবিআই অতি: পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ, দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ, দাউদকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ, হাইওয়ে থানা দাউদকান্দির ইনচার্জ, চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসএম জাকারিয়া, অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধাসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।




আগামীকাল সোমবার টাউনহলে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের মানববন্ধন।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চলা চিকিৎসকদের কর্মবিরতীর ২য় দিনেও কুমেক শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে প্লেকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে কর্মবিরতী পালন করে ইন্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ। গতকাল রবিবার তারা শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ডাক্তারের সুরক্ষা দিন রোগী সুরিক্ষত থাকবে, রোগীর সেবা করতে এসেছি মার খেতে আসিনি, নারী চিকিৎসকদের প্রতি রোগীর স্বজনদের অন্যায় অশালীন আচরণের প্রতিকার চাই, নিরাপদ কর্মস্থল চাই, অনিরাপদ কর্মস্থল সুষ্ঠ চিকিৎসা সেবার অন্তরায়, বহিস্কৃত চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকের বহিস্কারাদেশ অবিলম্বের প্রত্যাহার চাই এই রকম নানান প্লেকার্ড, ব্যানার নিয়ে মানব বন্ধনে অংশ গ্রহন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসক বৃন্দ। ইণ্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের কুমেক হাসপাতাল শাখার সভাপতি নুর উদ্দিন মো: ফয়সাল জানান, সারা দেশের ন্যায় আমরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এই অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতী ও মানববন্ধন করে আসছি। আগামী বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে আমাদের দাবী না মানা হলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচীতে যাব। আন্দোলনরত ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ জানান,  ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ৮ঘটিকা হইতে বাংলাদেশের সকল মেডিকেল হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ লাগাতার কর্মবিরতী শুরু করেছে। আগামী ৭২ঘন্টার মধ্যে অন্যায়ভাবে চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের গৃহীত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। পুন: তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনপূর্বক দোষী রোগীর স্বজনদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় হাসপাতাল সমূহের অন্যান্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা করা হবে। কর্মবিরতী চলাকালীন সময়ে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ নিজ নিজ ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট স্থানে ব্যানার প্লেকার্ড সহ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। বার বার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইণ্টার্ন চিকিৎসক সহ সকল স্তরের চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারী মাসেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকবৃন্দ হামলার স্বীকার হয়েছে। এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ন্যুনতম কোন প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ায় ইন্টার্ণ চিকিৎসক ইভটিজিং ও শারীরিক লাঞ্চনার শিকার হলে উল্টো তাদেরকেই কঠোর শাস্তি দেয়া হচ্ছে। সমসাময়িক এ সকল ঘটনা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচেছ। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই বাংলাদেশের জনগন সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা পাবে। এ কারণে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তি স্থগিত এবং বাংলাদেশের সকল চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দাবীতে উক্ত কর্মসূচী ঘোষনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীল সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।  পাশাপাশি আমরা ২০ সদস্য বিশিষ্ট্য একটি ইমাজের্ন্সী মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করেছি যেন কোন ভাবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা ব্যহত না হয়। 
উক্ত ঘটনায় কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী হাসপাতালে কর্তব্যরত সিনিয়র অধ্যাপকবৃন্দকে নিয়ে এক জরুরী সভার আয়োজন করেন। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তারদের  মতামত ও পরামর্শ নিয়ে পরিচালক মহোদয় ইণ্টার্ণ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট চিকিৎসা সেবা যেন কোনভাবে ব্যহত না হয় সে জন্য বিকল্প ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরামর্শ দেন। তিনি জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালের ডাক্তারদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে সেখানে রোগীদের যেন চিকিৎসা নিতে কোন রকম সমস্যা না হয় তার মনিটরিং করবেন বলে সভায় জানান। হাসপাতালে আগত কোন রোগী যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় হাসপাতালে কর্তব্যরত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। উক্ত জরুরী সভায় ডাক্তারদের  পক্ষ থেকে আন্দোলনে একাত্ততা পোষন করেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: আব্দুল আউয়াল সোহেল, সিনিয়র ডা: আবুল বাশার, গাইনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: করুনা রানী কর্মকার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইএনটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রেডিওথেরাপী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া,  সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভুইয়া ও হাসপাতালের প্রধান কমকর্তা কামরুল ইসলাম প্রমুখ। 


কুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের কর্মবিরতী

বশিরুল ইসলাম:
ডাক্তারের সুরক্ষা দিন রোগী সুরিক্ষত থাকবে, রোগীর সেবা করতে এসেছি মার খেতে আসিনি, নারী চিকিৎসকদের প্রতি রোগীর স্বজনদের অন্যায় অশালীন আচরণের প্রতিকার চাই, নিরাপদ কর্মস্থল চাই, অনিরাপদ কর্মস্থল সুষ্ঠ চিকিৎসা সেবার অন্তরায়, বহিস্কৃত চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকের বহিস্কারাদেশ অবিলম্বের প্রত্যাহার চাই এই রকম নানান প্লেকার্ড, ব্যানার নিয়ে মানব বন্ধনে অংশ গ্রহন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসক বৃন্দ। ইণ্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের কুমেক হাসপাতাল শাখার সভাপতি নুর উদ্দিন মো: ফয়সাল জানান, সারা দেশের ন্যায় আমরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এই অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতী ও মানববন্ধন করে আসছি। আগামী বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে আমাদের দাবী না মানা হলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচীতে যাব। আন্দোলনরত ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ জানান,  ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ৮ঘটিকা হইতে বাংলাদেশের সকল মেডিকেল হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ লাগাতার কর্মবিরতী শুরু করেছে। আগামী ৭২ঘন্টার মধ্যে অন্যায়ভাবে চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের গৃহীত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। পুন: তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনপূর্বক দোষী রোগীর স্বজনদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় হাসপাতাল সমূহের অন্যান্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা করা হবে। কর্মবিরতী চলাকালীন সময়ে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ নিজ নিজ ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট স্থানে ব্যানার প্লেকার্ড সহ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। বার বার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইণ্টার্ন চিকিৎসক সহ সকল স্তরের চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারী মাসেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকবৃন্দ হামলার স্বীকার হয়েছে। এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ন্যুনতম কোন প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ায় ইন্টার্ণ চিকিৎসক ইভটিজিং ও শারীরিক লাঞ্চনার শিকার হলে উল্টো তাদেরকেই কঠোর শাস্তি দেয়া হচ্ছে। সমসাময়িক এ সকল ঘটনা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচেছ। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই বাংলাদেশের জনগন সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা পাবে। এ কারণে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তি স্থগিত এবং বাংলাদেশের সকল চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দাবীতে উক্ত কর্মসূচী ঘোষনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীল সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। 
উক্ত ঘটনায় কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী হাসপাতালে কর্তব্যরত সিনিয়র অধ্যাপকবৃন্দকে নিয়ে এক জরুরী সভার আয়োজন করেন। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তারদের  মতামত ও পরামর্শ নিয়ে পরিচালক মহোদয় ইণ্টার্ণ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট চিকিৎসা সেবা যেন কোনভাবে ব্যহত না হয় সে জন্য বিকল্প ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরামর্শ দেন। তিনি জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালের ডাক্তারদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে সেখানে রোগীদের যেন চিকিৎসা নিতে কোন রকম সমস্যা না হয় তার মনিটরিং করবেন বলে সভায় জানান। হাসপাতালে আগত কোন রোগী যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় হাসপাতালে কর্তব্যরত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। উক্ত জরুরী সভায় ডাক্তারদের  পক্ষ থেকে আন্দোলনে একাত্ততা পোষন করেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: আব্দুল আউয়াল সোহেল, সিনিয়র ডা: আবুল বাশার, গাইনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: করুনা রানী কর্মকার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইএনটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রেডিওথেরাপী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া,  সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভুইয়া ও হাসপাতালের প্রধান কমকর্তা কামরুল ইসলাম প্রমুখ। 

ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের কর্মবিরতী ও মানববন্ধন

বশিরুল ইসলাম:
ডাক্তারের সুরক্ষা দিন রোগী সুরিক্ষত থাকবে, রোগীর সেবা করতে এসেছি মার খেতে আসিনি, নারী চিকিৎসকদের প্রতি রোগীর স্বজনদের অন্যায় অশালীন আচরণের প্রতিকার চাই, নিরাপদ কর্মস্থল চাই, অনিরাপদ কর্মস্থল সুষ্ঠ চিকিৎসা সেবার অন্তরায়, বহিস্কৃত চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকের বহিস্কারাদেশ অবিলম্বের প্রত্যাহার চাই এই রকম নানান প্লেকার্ড, ব্যানার নিয়ে মানব বন্ধনে অংশ গ্রহন করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা

লের ইণ্টার্ন চিকিৎসক বৃন্দ। ইণ্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের কুমেক হাসপাতাল শাখার সভাপতি নুর উদ্দিন মো: ফয়সাল জানান, সারা দেশের ন্যায় আমরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী এই অবস্থান ধর্মঘট, কর্মবিরতী ও মানববন্ধন করে আসছি। আগামী বাহাত্তর ঘন্টার মধ্যে আমাদের দাবী না মানা হলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচীতে যাব। আন্দোলনরত ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ জানান,  ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ৮ঘটিকা হইতে বাংলাদেশের সকল মেডিকেল হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ লাগাতার কর্মবিরতী শুরু করেছে। আগামী ৭২ঘন্টার মধ্যে অন্যায়ভাবে চার ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের গৃহীত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। পুন: তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনপূর্বক দোষী রোগীর স্বজনদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় হাসপাতাল সমূহের অন্যান্য চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা করা হবে। কর্মবিরতী চলাকালীন সময়ে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকবৃন্দ নিজ নিজ ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট স্থানে ব্যানার প্লেকার্ড সহ প্রতিবাদ সমাবেশ করবে। বার বার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইণ্টার্ন চিকিৎসক সহ সকল স্তরের চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারী মাসেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকবৃন্দ হামলার স্বীকার হয়েছে। এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ন্যুনতম কোন প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ায় ইন্টার্ণ চিকিৎসক ইভটিজিং ও শারীরিক লাঞ্চনার শিকার হলে উল্টো তাদেরকেই কঠোর শাস্তি দেয়া হচ্ছে। সমসাময়িক এ সকল ঘটনা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচেছ। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই বাংলাদেশের জনগন সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা পাবে। এ কারণে ইণ্টার্ণ চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইণ্টার্ন চিকিৎসকদের শাস্তি স্থগিত এবং বাংলাদেশের সকল চিকিৎসকদের নিরাপত্তার দাবীতে উক্ত কর্মসূচী ঘোষনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীল সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।
উক্ত ঘটনায় কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী হাসপাতালে কর্তব্যরত সিনিয়র অধ্যাপকবৃন্দকে নিয়ে এক জরুরী সভার আয়োজন করেন। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তারদের  মতামত ও পরামর্শ নিয়ে পরিচালক মহোদয় ইণ্টার্ণ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট চিকিৎসা সেবা যেন কোনভাবে ব্যহত না হয় সে জন্য বিকল্প ভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরামর্শ দেন। তিনি জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালের ডাক্তারদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করে সেখানে রোগীদের যেন চিকিৎসা নিতে কোন রকম সমস্যা না হয় তার মনিটরিং করবেন বলে সভায় জানান। হাসপাতালে আগত কোন রোগী যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় হাসপাতালে কর্তব্যরত সকলের প্রতি আহ্বান জানান। উক্ত জরুরী সভায় ডাক্তারদের  পক্ষ থেকে আন্দোলনে একাত্ততা পোষন করেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: আব্দুল আউয়াল সোহেল, সিনিয়র ডা: আবুল বাশার, গাইনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: করুনা রানী কর্মকার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইএনটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, রেডিওথেরাপী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া,  সার্জারী বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভুইয়া ও হাসপাতালের প্রধান কমকর্তা কামরুল ইসলাম প্রমুখ। 

উৎসব মুখর পরিবেশে সীমার মনোয়ন পত্র দাখিল।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লায় উৎসবমুখর পরিবেশে গতকাল (২মার্চ) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী আনজুম সুলতানা সীমা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষদিন গতকাল কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আনজুম সুলতানা সীমা সকাল ১১টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আসেন। রির্টানিং অফিসার রকিব উদ্দিন মন্ডল এর কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সীমার পিতা ও কুমিল্লার বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খান,সাবেক জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের নেতা  আলহাজ্ব ওমর ফারুক, শাহিনুল ইসলাম শাহিন, সাবেক জিএস জাকির হোসেন, তরুন নেতা ও সাবেক ভিপি নুর উর রহমান মাহমুদ তানিমসহ নেতাকর্মীরা। 
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা এ্যাডভোকেট অধ্যক্ষ আফজল খানের মেয়ে আনজুম সুলতানা সীমা আগামী ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের নৌকার টিকেট পেয়েছেন। তিনি কুমিল্লা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, প্যানেল মেয়র ও আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
তিনি শুরু থেকে আশা পোষণ করে আসছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের গ্রুপিং নিরসন হবে এবং নৌকা প্রতিক বিজয়ী হবে। তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার এবং আমার গোটা পরিবারের আওয়ামী লীগের প্রতি অতীত অবদান বিবেচনা করে আমাকে নৌকার মাঝি বানিয়েছেন। এটা আফজল খান বা আনজুম সুলতানা সীমার নির্বাচন না। এটা নৌকার নির্বাচন। দলীয় নির্বাচন। এখন আর  কোনো গ্রুপিং থাকবে না সবাই নৌকার পক্ষে কাজ করবে। আমি যখন কুমিল্লা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলাম, তখন অনেক জুনিয়র হওয়া সত্ত্বেও পৌরবাসীর কল্যাণে নিবেদিত হয়ে কাজ করেছি। নিজে দুর্নীতি করিনি, অপরকেও দুর্নীতি করতে দেইনি। আমার দরজা দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য খোলা ছিল। আশা করি এবার আমি অনেক পরিণত হয়েছি। আল্লাহর রহমতে যদি নির্বাচিত হই কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনকে একটি আদর্শ সিটি কর্পোরেশন হিসেবে গড়ে তুলব।
প্রসঙ্গত: কুসিকের মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ডজনখানেক  দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তাদের মধ্যে নানা দিক বিবেচনা করে সীমাকেই দলীয় মনোনয়ন দেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সীমার মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে যে বিষয়গুলো কাজ করেছে, তার মধ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তার বাবা আফজল খানের অবদান। সর্বোপরি ছিল সীমার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রোফাইল এবং নারী অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি। 
সীমার অতীত ইতিহাসে দেখা যায়, ২০০০ সালে তৎকালীন কুমিল্লা পৌরসভার পৌর কাউন্সিলর এবং পরে প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি কুমিল্লা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদের জিএস নির্বাচিত হন।  পৌর চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর ২০০৩ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালের নির্বাচনে তৎকালীন কুমিল্লা পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে সীমা আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন।  তিনি ২০১২ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে কাউন্সিলর ও পরে প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হন। ওই সময় সিটি নির্বাচনে তার বাবা মেয়র পদে নির্বাচন করে পরাজিত হন। সীমা ২০০৫ সালে গঠিত দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি যতবারই নির্বাচন করেন, ততবারই বিজয়ী হয়েছেন। অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আলোচিত সকল প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়নের জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টেও সীমার নাম ছিল শীর্ষে। ওই সব রিপোর্টে সীমাকে গুরুত্বপূর্র্ণ প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী তাকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেন।
বর্তমানে হোটেল-রেস্তোরা, চা দোকান, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালতে এখন শুধু সীমাকে নিয়েই আলোচনা। অনেকেই বলেন, দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব নিরসন না করলে নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে পারবে না। এতে করে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থীর ভরাডুবি হতে পারে। 
কুমিল্লায় আফজল-বাহার দ্বন্দ্ব গত তিন দশক থেকেই। এ দ্বন্দ্বে একবার বিরতি পড়েছিল ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনের সময়। ওই নির্বাচনে আফজল-বাহার এক হয়ে বাহারের পক্ষে ভোট চেয়ে নৌকাকে বিজয়ী করতে পেরেছিলেন। প্রথম বিজয় ছিল ১৯৭৩ সালে। কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের ভোটার বেশি থাকার পরও ২০০৮ সাল পর্যন্ত আর নৌকা বিজয়ী হতে পারেনি দ্বন্দ্বের কারণে। উল্লেখ্য, আগামী ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল ২ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল।