বশিরুল ইসলাম:
পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেলে কুমিল্লা পিবিআই পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর উত্তর পাড়া জমির মুন্সী বাড়ীর মো: সিদ্দিকুর রহমান ও মোসা: নুর জাহান বেগমের ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ ও কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো: আলমগীর হোসেন এসপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
জানা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ পিবিআই কুমিল্লায় যোগদানের পর গত এক বছরে ২১৭টি টিসি মামলা, ১৩৫টি টিজি মামলা সহ ৫১জন আসামী গ্রেফতার করে সর্ব মহলে সুনাম অর্জন করেন। এব্যাপারে গত ০৪ ডিসেম্বর কুমিল্লার জনপ্রিয় দৈনিক কুমিল্লার কাগজে “কুমিল্লা পিবিআই এর সাফল্য নেপথ্যে অতি: আপেল মাহমুদ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ফেইসবুক সহ অনলাইনে বিষয়টি ভাইরাল হয় এবং প্রশাসনের নজরে পরে। কুমিল্লায় যোগদানের পূর্বে মাহমুদ নরসিংদী জেলার পিবিআই জেলা প্রধান থাকাকালীন বিভিন্ন প্রেক্ষিতে প্রশংসা অর্জন করেন । এরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পর পর দুইবার আই জি পি ব্যাচ পুরস্কার প্রাপ্ত হন ।
কুমিল্লা জেলার ইউনিট প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার, জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহনসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। যার ফলে বিজ্ঞ আদালতে, সাংবাদিক মহলে তথা সর্ব মহলে পিবিআই এবং সার্বিকভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হয়। তিনি ২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৫ তারিখ এই ইউনিটে ইউনিট প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর গত ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ইং সাল পর্যন্ত ১ বছরে বহু সংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এতে পিবিআই পুলিশ তথা পুলিশের ভাবমূর্তি সর্বমহলে বৃদ্ধি পায়।

No comments:
Post a Comment