কুমিল্লায় কয়েকটি পরিবারকে পানি বন্দী করে টাকা দাবী

সাংবাদিকের কাজে বাধা 
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের কুচাইতলী গ্রামের জয়নাল ও তার পরিবারের সদস্যরা পানি বন্দী করে রেখেছে কয়েকটি পরিবারকে । স্থানীয় উপজেলা পরিষদের  চেয়ারম্যান এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহনেওয়াজ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম, আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: আবদুল কাদের, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান সাজু,  গ্রামের সর্দার শাহজাহান বিষয়টি অবগত আছেন। কিন্তু তারা চেষ্টা করেও বিষয়টি সমাধান করতে পারেননি। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি হাজী আবুল হাশেম, হাজী ডা. মফিজুল ইসলাম, হাজী আলমগীর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, নজির আহমেদ, আব্দুর রহমান, আব্দুল হালিম, ইসমাইল হাজারী, খলিলুর রহমান, আব্দুল জব্বার, আব্দুল বারেক, মো: ইউনুছসহ এলাকাবাসী স্থানীয়ভাবে কয়েকবার  এ বিষয়টি  সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের কয়েকজনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আমরা কয়েকবার তাদেরকে পানি চলাচলের রাস্তাটি খোলে দেওয়ার জন্য বলার পরেও তারা আমাদের কথা শুনছেনা।  তারা সমাজের কারো কথা মানছেনা। এ বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার সালিশ হলেও কোন কিছুতেই জয়নাল আবেদীন ও তার পরিবারের সদস্যরা কর্ণপাত করছেনা। এজন্য তারা সমাজ থেকে আলাদা এককভাবে থাকে।  কিন্তু দু:খের বিষয় হলো তাদের কারণে এলাকার কয়েকটি পরিবার পানি বন্দী হয়ে আছে।   পানি বন্দী কয়েকটি পরিবারের অবস্থা দেখে ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিককে ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি। বরং ক্যামেরা হাত দিয়ে বলা হয় এখানে কোন ছবি তুলা যাবেনা।  উক্ত বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করে কোন প্রকার প্রতিকার পাওয়া যায়নি। 
                                   এব্যাপারে অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনাকে ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি এটি ঠিক হয়নি। আপনাকে বের করে দিয়েছে এজন্য আমি দু:খিত। তবে আমি তাদের নিকট টাকা চাইনি। তারা বরং আমাকে আড়াই লক্ষ টাকা দিতে চেয়েছিল। আমি নেইনি। পানি চলাচলের যে ড্রেনটি আছে সেটি আমার জায়গায় আছে তাই আমি ড্রেন বন্ধ করে রেখেছি। 
                                                 ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহনেওয়াজ জানান, আমরা কয়েকবার চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধানের কিন্তু জয়নাল আবেদীনের পরিবার জলাবদ্ধতা খোলে দিতে রাজি হচ্ছেনা। তারা সমাজের কাউকে মানছেনা। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন জানান, আমি কাজে ব্যস্ত আছি তবে বিষয়টি আমি জানি। আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জানান, এব্যাপারটি নিয়ে আমরা কয়েকবার বসেও সমাধান করতে পারিনি। আপনারা ছবি তুলে খবর প্রকাশ করে দেখেন কোন কাজ হয় কিনা। ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার শাহাজাহান সাজু’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। 
                                                উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, সাংবাদিককে কাজে বাধা দেওয়া ঠিক হয়নি। আপনি পত্রিকায় খবর প্রকাশ করেন আমরা ব্যবস্থা নেব। 
                                           কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু ছালাম মিয়া জানান, সাংবাদিককে ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি বিষয়টি ঠিক হয়নি। অভিযোগকারীকে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলেন আমরা ব্যবস্থা নেব। 

কুমিল্লা কোতয়ালী থানার এম.এ ছালাম শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত।

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু ছালাম মিয়া সারাদেশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন। ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদ এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশ পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি)এ.কে.এম শহীদুল হক বিপিএম,পিপিএম শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের স্বীকৃতি স্বরুপ সম্মাননা স্বারক, নগদ অর্থ ও সনদপত্র প্রদান করেন। বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারস কল্যাণ সমিতির ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় সারাদেশের তিনজন পুলিশ অফিসারকে এ সম্মান প্রদান করা হয়। তিনজন পুলিশ সদস্যরা হলেন কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু ছালাম মিয়া, ঢাকা বা
ড্ডা পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই কামরুল ইসলাম, বান্দরবন সদর থানার এসআই মো: নাসির উদ্দিন। কমিউিনিটি পুলিশিং এর সমাজ সেবা মূলক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য সারাদেশের পুলিশ সদস্যেদের মধ্য থেকে এই তিনজনকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করা হয়।  বিশেষ করে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবু ছালাম মিয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে ঝোপ-ঝাড় পরিস্কার করে ডাকাতি বন্ধ করা, মাদক নির্মূলে সচেতনতা বৃদ্ধি ও অভিযান পরিচালনা, বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ নানাবিধ সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহনের কারণে তাকে এই পুরুষ্কার প্রদান করা হয়।  এসময় পুলিশের প্রাক্তন আইজ এম সহীদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি, ডিআইজি, কমিশনার, এসপি, এএসপি, ওসি সহ পুলিশের বিভিন্ন পদের অফিসারগন। 

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত।

বশিরুল ইসলাম:
সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (দ্বিতীয় রাউন্ড) গতকাল শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) অত্র হাসপাতালের নিচ তলায় অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন মোট ১০৩৬জন শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়া



নো হয়। এদের মধ্যে ৬জন প্রতিবন্ধী, ৬ থেকে ১১মাস বয়সি ১৮৯জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি ৮৪১জন শিশু।
হাসপাতালে গিয়ে সকাল ৮টায় দেখা যায়, দূর দূরান্ত থেকে আগত ছোট ছোট শিশু ও অভিভাবকরা  সকাল থেকে ভিটামিন এ খাওয়ানোর জন্য অপেক্ষা করছে। হাসপাতালের পরিচালক ডা.স্বপন কুমারী অধিকারী উক্ত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই কর্মসূচী।  জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১মাস বয়সি শিশুদের ১টি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের ১টি লাল রঙের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
সূত্র থেকে জানা যায়,  ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল শিশুর দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশু মৃত্যুর হার কমায়।  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি  প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সাল থেকে জাতীয়ভাবে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। 
ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রধান (শিশু) মো: আজিজুল হক, আবাসিক চিকিৎসক (শিশু) শিমুল মজুমদার, ইপিআই ইনচার্জ মেহেরুন্নেছা মেরী, সেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহানারা আক্তার শানু, নার্সিং সুপারভাইজার ফারহানা আক্তার, সিনিয়র স্টাফ নার্স অঞ্জলী দাস, মাকসুদা পারভীনসহ প্রমুখ। 

কুমিল্লায় ডাকাত ফারুক ও রাসেল নিহত আটক আরো ৫ ডাকাত সদস্য।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লায় দেবিদ্বারে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ফারুক (২২) ও রাসেল (২৮) নামে দুই ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছে। নিহত  ফারুক দেবিদ্বার উপজেলার কুরুইন ব্যাপারী বাড়ীর ফরিদ মিয়ার ছেলে এবং রাসেল একই উপজেলার পাঁচ পুকুরিয়া গ্রামের রহমান ওরফে রইক্কার ছেলে। 

পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে জানা যায়,  গত ২২ডিসেম্বর দিবাগত রাত অনুমান আড়াইটায় কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন এর নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ সুপার, দেবি
দ্বার সার্কেল, শেখ মোহাম্মদ সেলিম, জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মনজুর আলম সঙ্গীয় ফোর্স সহ পুলিশের দুইটি দল আসামী গ্রেফতারের জন্য  অভিযানে যায়। অভিযানে থাকা অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন দেবিদ্বার থানাধীন জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের হাতিমারা নামক স্থানে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম পাশে ন্যাচারাল রাইচ ব্রান অয়েল কোঃ লিঃ এর সামনে ডাকাতরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছা মাত্রই ডাকাতদল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতারি গুলি ছুড়তে থাকে। এতে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই নজরুল ইসলাম, এসআই দয়াল চাকমা, মনিরুজ্জামান খান, মো: সাইফ উল্লাহ ও রবিন চন্দ্র দাস। আহত পুলিশ সদস্যদের কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  পুলিশ আত্ম রক্ষার্থে প্রায় ৮ মিনিট ধরে পাল্টা ৪৯ রাউন্ড গুলি ছুড়লে ডাকাত দলের সদস্যরা এদিক ওদিক ছুটাছুটি করে পালানোর সময় ৫ ডাকাত সদস্য পুলিশের হাতে আটক হয়। আটককৃত পাঁচ ডাকাত সদস্যরা হলো মোঃ রবিউল আউয়াল @ রবি, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ শরীফুল ইসলাম, পলাশ দেবনাথ, মোঃ সোহেল। ঘটনাস্থল হইতে এক রাউন্ড গুলিসহ একটি রিভলবার, তিনটি রামদা, ৪টি শাবল, ৫টি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়।

দলমত নির্বিশেষে জনগনের প্রার্থী হতে চান এম. এ. ছালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দলমত নির্বিশেষে জনগনের প্রার্থী হয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে চান অবিস্মরণীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান লেখক ও সম্পাদক এম.এ ছালাম। তিনি কুমিল্লা-৭ চান্দিনা নির্বাচনী এলাকায় আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চমকও দেখাতে চান। তিনি মনে করেন চান্দিনার মানুষ নতুনত্ব ও পরিবর্তন চায়। পাশাপাশি চায় ক্লিন ইমেজ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায় বিভিন্ন দিক থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ ছালাম জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। 
ইতোমধ্যে এম.এ ছালাম ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন । ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট লাগিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন চান্দিনাবাসীকে। 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এম.এ. ছালামের প্রস্ততি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৭ চান্দিনা নির্বাচনি এলাকার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন। সেই লক্ষ্যে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট লাগিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে নিজের আয়ত্বে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচেছন। 
অবিস্মরণীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান লেখক ও সম্পাদক মোঃ আবদুছ ছালাম মনে করেন, চান্দিনার মানুষ নেতৃত্বের পরিবর্তন ও নতুনত্ব চায়। পাশাপাশি চায় ক্লিন ইমেজ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায় বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম জয়ী হবে বলে মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষ মনে করে। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাদের মধ্য থেকে সাধারণ মানুষ এখন এম.এ. ছালামকেই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করছেন। তিনি বলেন,  সংসদ নির্বাচিত হলে চান্দিনার উন্নয়নের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত যত অনুদান ও টাকা আসবে তার সবটাই উন্নয়ন খাতে খরচ ও ব্যয় করা হবে। এর একটি টাকাও এদিক সেদিক যাবেনা। অর্থাৎ জনগনের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা জনগনের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমার যা কিছু সামান্য অর্থ সম্পদ আছে তার সবটুকুই সৎভাবে উপার্জিত এতে অবৈধ, ঘুষ ও দুর্নীতির একটি টাকা নেই। সকলের সহযোগীতা পেলে ভবিষ্যতে আমি সমাজ থেকে ঘুষ, দুর্নীতিসহ সকল ধরনের অন্যায়, অনিয়ম, অবিচার, শোষন ও নির্যাতনের মূল উৎপাটন করবো। 


তৃণমূলে এম.এ ছালাম, লক্ষ্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন অবিস্মরণীয় প্রকাশনীর প্রধান লেখক ও সম্পাদক মো: আবদুছ ছালাম। তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের সাথে দেখা করছেন এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে কমিটি করছেন। কমিটির সদস্যদের কাজ হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে সাধারণ মানুষ তার ভোটটি সঠিকভাবে যেন দিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করা।  তিনি মনে করেন চান্দিনার মানুষ নতুনত্ব ও পরিবর্তন চায়। পাশাপাশি চায় ক্লিন ইমেজ সম্পান্ন, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায় বিভিন্ন দিক থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। 
এম.এ. ছালাম ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ ও ওঠোন বৈঠক করছেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট লাগিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভোটারদের। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে চান্দিনায় সন্ত্রাসী. চাাঁদাবাজি, চুরি-ডাকাতি, খুন, রাহাজানি ও দুর্নীতি বন্ধ করে, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন মাদকমুক্ত সমাজ, ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, ধনী-দরিদ্র, নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে একটি মডেল চান্দিনা  তৈরির আশ^াস দেন। 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চমক দেখাতে চান এম.এ ছালাম।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৭ চান্দিনা নির্বাচনী এলাকায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে চমক দেখাতে চান অবিস্মরণীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ আবদুছ ছালাম। তিনি মনে করেন চান্দিনার মানুষ নতুনত্ব ও পরিবর্তন চায়। পাশাপাশি চায় ক্লিনইমেজ সম্পন্ন, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায় বিভিন্ন দিক থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ ছালাম জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। 
এম.এ. ছালাম ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট লাগিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। 
দলীয় প্রার্থীদের ভোট ভাগাভাগির মাঝখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আবদুছ ছালাম মনে করেন দুই দলের ভোটের ব্যাংক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে ভোট দিতে পারলে ভোট বাক্সে সকলের চেয়ে তার ভোট বেশি পরবে। তিনি আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা খুব কঠিন বলে মনে করছেন না। 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এম.এ.ছালামের ব্যাপক জনসংযোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
অবিস্মরণীয় প্রকাশনীর প্রধান লেখক ও সম্পাদক এম.এ. ছালাম আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চান্দিনা উপজেলায় সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে স্বত
ন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন। নির্বাচনকে ঘিরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক গনসংযোগ ও উঠান বৈঠক করছেন। সাধারণ মানুষের সুখ-দু:খের কথা শোনেন এবং সকলকে আশ্বস্ত করছেন। তিনি মনে করেন বর্তমান রাজনীতিবিদরা ভোগবিলাস নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে সময় দিতে পারছেন না। তাই তাদের কাছে থেকে ভোগ-বিলাসকে বিসর্জন দিয়ে সত্য ও ন্যয়ের পথে থেকে জনসাধারণকে সেবা করার উদ্দেশ্যে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। 
তিনি মনে করেন, চান্দিনার মানুষ এখন অনেক সচেতন। কলাগাছ কিংবা তুলাগাছ মার্কায় ভোট দিবেন না, ভোট দিবেন একজন শিক্ষিত, সৎ, যোগ্য ও সমাজ স্বীকৃত ভাল মানুষকে। কেননা অতীতে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) নির্বাচনী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এমন অনেক ইতিহাস রয়েছে। এখন চান্দিনার মানুষ পরিচ্ছন্ন, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধিকে চান্দিনার অভিভাবক হিসেবে দেখতে চায়। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায় বিভিন্ন দিক থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এম.এ ছালামের প্রস্ততি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৭ চান্দিনা নির্বাচনি এলাকার আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছেন। সেই লক্ষ্যে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও লিফলেট লাগিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে নিজের আয়ত্বে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচেছন। 
অবিস্মরণীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের প্রধান লেখক ও সম্পাদক মোঃ আবদুছ ছালাম মনে করেন, চান্দিনার মানুষ নেতৃত্বের পরিবর্তন ও নতুনত্ব চায়। পাশাপাশি চায় ক্লিন ইমেজ, শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি। যাকে দিয়ে চান্দিনার মানুষ উপকৃত হবে। চান্দিনায়
বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের অন্তর্কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম.এ. ছালাম জয়ী হবে বলে মাঠ পর্যায়ে সাধারণ মানুষ মনে করে। এ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফ ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম এবং বিশ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকনও মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাদের মধ্য থেকে সাধারণ মানুষ এখন এম.এ. ছালামকেই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করছেন। তিনি বলেন,  সংসদ নির্বাচিত হলে চান্দিনার উন্নয়নের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত যত অনুদান ও টাকা আসবে তার সবটাই উন্নয়ন খাতে খরচ ও ব্যয় করা হবে। এর একটি টাকাও এদিক সেদিক যাবেনা। অর্থাৎ জনগনের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা জনগনের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমার যা কিছু সামান্য অর্থ সম্পদ আছে তার সবটুকুই সৎভাবে উপার্জিত এতে অবৈধ, ঘুষ ও দুর্নীতির একটি টাকা নেই। সকলের সহযোগীতা পেলে ভবিষ্যতে আমি সমাজ থেকে ঘুষ, দুর্নীতিসহ সকল ধরনের অন্যায়, অনিয়ম, অবিচার, শোষন ও নির্যাতনের মূল উৎপাটন করবো।



কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, আতংকে রোগীদের ছুটাছুটি।

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল (১৬ই ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় হাসপাতালের মূল ভবনে গ্যাস লাইন থেকে আগুন লাগলে রোগীরা ভয়ে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করতে শুরু করে। রোগীদের চিৎকারে আশে পাশের লোকজন দৌড়ে এসে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে কুমিল্লা ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে আগুন নিয়ন্ত্রণ আসে। ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সিনিয়র স্টেশন অ
ফিসার মোহাম্মদ শফিকুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন এই গ্যাস লাইন মেরামত না করার কারণে পাইপ লাইনে মরিচা পরে লিক হওয়ায় গ্যাস বের হতো। কে বা কাহারা ধুমপান অথবা কোনভাবে আগুন পরে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে  এখানে আশে পাশে যে পাইপ লাইন আছে অধিকাংশ বাদ । এগুলো পরিবর্তন না করলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী জানান, হাসপাতালে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। গণপূর্ত বিভাগকে আমরা নিয়মিত হাসপাতালের সমস্যা সম্পর্কে অবহিত করছি। হাসপাতালের ভবনটি অনেক পুরাতন তাই ভবন সংস্কারের ব্যাপারে আমরা তাদেরকে অবহিত করেছি তারা ইস্টিমেট তৈরি করেছে কিন্তু পরে আর কোন কাজ দেখছি না। আজকের সমস্যার পর পর বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী গ্যাসের পাইপ লাইন  মেরামত করে দিয়েছে। 

এলাকার শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে কাজ করছে বাসকপ।

বশিরুল ইসলাম:
এলাকার শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে কখনো চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, কখনো স্কুলের বই কিনে দেওয়া, কখনো খেলাধুলাসহ নানা উৎসবে অনুষ্ঠান করে যাচ্ছে বারপা
ড়া সমাজ কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ)। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে আব্দুস সামাদ নামে এক তরুনের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছে একঝাঁক তরুন। তাদের সংঘঠনটির মূল উদ্দেশ্যে হলো সমাজের অবহেলিত সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদেরকে বিদ্যালয় মুখী করে লেখাপড়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা। আজ যে শিশু পৃথিবীর আলোয় এসেছে আমরা তার তরে একটি সাজানো বাগান চাই। গানের ভাষায় এমনটা বলা হয়ে থাকলে সব শিশুর জন্ম কিন্তু সাজানো বাগান হয়না। দেশের গ্রামে গঞ্জে এমন কয়েক লাখ  শিশু রয়েছে যাদের জন্ম একেবারে অসহায় বা সহায় সম্বলহীন পরিবারে। আমাদের দেশে পথ শিশুদের প্রতি নজর দিলে ও গ্রামের অসহায় পরিবারের  এদের প্রতি কেউ নজর দিচেছ না। কিন্তু বারপাড়া সমাজ কল্যাণ পরিষদের এমন উদ্যোগকে যে কেউ অনুসরণ করলে অজোপাড়া গায়ের শিশুদের প্রতি নজর যাবে সকলের।  তারা উঠে আসবে জাতীয়ভাবে অবধান রাখবে জাতীয় নানা কর্মসূচীতে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আজ ১৫ ডিসেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা ও সাধারণ জ্ঞানের প্রতিযোগীতা। এতে কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করবে। এই অনুষ্ঠান মালার আয়োজনে রয়েছে বারপাড়া এলাকার একঝাঁক তরুন। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে বারপাড়া সমাজ কল্যাণ পরিষদ (বাসকপ)। 

বিজয়ের এই মাসে সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। প্রতিবার এভাবেই মাথা উচু করে দাড়াবে বাংলাদেশ।


এসপি পদে পদোন্নতি পেলেন আপেল মাহমুদ।

বশিরুল ইসলাম:
পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেলে কুমিল্লা পিবিআই পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার ভৈরবপুর উত্তর পাড়া জমির মুন্সী বাড়ীর মো: সিদ্দিকুর রহমান ও মোসা: নুর জাহান বেগমের ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পিবিআই কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ ও কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো: আলমগীর হোসেন এসপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন। 

জানা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ পিবিআই কুমিল্লায় যোগদানের পর গত এক বছরে ২১৭টি টিসি মামলা, ১৩৫টি টিজি মামলা সহ ৫১জন আসামী গ্রেফতার করে সর্ব মহলে সুনাম অর্জন করেন। এব্যাপারে গত ০৪ ডিসেম্বর কুমিল্লার জনপ্রিয় দৈনিক কুমিল্লার কাগজে “কুমিল্লা পিবিআই এর সাফল্য নেপথ্যে অতি: আপেল মাহমুদ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ফেইসবুক সহ অনলাইনে বিষয়টি ভাইরাল হয় এবং প্রশাসনের নজরে পরে। কুমিল্লায় যোগদানের পূর্বে মাহমুদ নরসিংদী জেলার পিবিআই জেলা প্রধান থাকাকালীন বিভিন্ন প্রেক্ষিতে প্রশংসা অর্জন করেন । এরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পর পর দুইবার আই জি পি ব্যাচ পুরস্কার প্রাপ্ত হন ।

কুমিল্লা জেলার ইউনিট প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন,  উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার,  জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহনসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। যার ফলে বিজ্ঞ আদালতে, সাংবাদিক মহলে তথা সর্ব মহলে পিবিআই এবং সার্বিকভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল  হয়। তিনি  ২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৫ তারিখ এই ইউনিটে ইউনিট প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর গত ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ইং সাল পর্যন্ত ১ বছরে বহু সংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এতে পিবিআই পুলিশ তথা পুলিশের ভাবমূর্তি সর্বমহলে বৃদ্ধি পায়। 

ভারত যাচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

বশিরুল ইসলাম:
বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।  ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত স্বপরিবারে যোগদান করেছেন। ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত সহ ৩০জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত সরকার। 

জানা গেছে ভারতের হাইকমিশন ঢাকা অফিস থেকে ডা. প্রাণ গোপাল দত্তসহ মোট ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ভারত সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। বিজয় দিবস উৎযাপন করা হবে ভারতের কলকাতায়। কলকাতায় ১৪ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সফরের কথা উল্লেখ রয়েছে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান সহ জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত চট্টগ্রাম মেডিকেলের ১ম বর্ষের ছাত্রাবস্থায় মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। তিনি পূর্বাঞ্চলীয় সেক্টরে শেখ ফজলুল হক মনির নেতৃত্বাধীন মুজিব বাহিনীতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন এবং মুজিব বাহিনীর পক্ষে অস্থায়ী সরকারের চিঠিপত্র লিখতেন। প্রখ্যাত আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান ছিলেন তার স্টুডেন্ট লিয়াজো অফিসার। তার বাবা কালা চান দত্ত ও চাচা (বুয়েট শিক্ষক) মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয় । অপরজন এখনো নিখোঁজ। 

বিএসসি নার্সিং, ডিপ্লোমা নার্সিং ও মিডওয়াইফ নার্সিং এ ভর্তি চলছে।

ভর্তি শুরু ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত। বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন : 01919109927

BSC, Diploma and Midwife Nursing Admission


বিএসসি নার্সিং, ডিপ্লোমা নার্সিং ও মিডওয়াইফ নার্সিং-্ এ ভর্তি চলছে।

ভর্তির বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন: 01919109927

কুমেক হাসপাতাল পরিচালক নার্সদের উদ্দেশ্যে বলেন ঔষধের পাশাপাশি সুন্দর ব্যবহার ও সেবা দিতে হবে।

বশিরুল ইসলাম:
রোগীদেরকে ঔষধ দেওয়ার পাশাপাশি সুন্দর ব্যবহার ও  সুন্দর সেবা দিতে হবে সর্বোপরি রোগীদের সাথে ভালভাবে কথা বলতে হবে। রোগীকে বুঝিয়ে দিতে হবে। সে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসে কে ডাক্তার, কে নার্স, কে আয়া ও ক্লিনার কাউকে সে চিনেনা । কাকে কি বলতে হবে সে জানেনা।  তার সাথে সুন্দর ব্যবহার করে তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। ডাক্তারদের চেয়ে নার্সদের দায়িত্ব বেশি। তাদের কাজ বেশি। রোগীদের সাথে বাবা-মা, ভাই-বোনের মত ব্যবহার করে তাকে সুস্থ্য করে তুলতে হবে।  তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। রোগী খারাপ ব্যবহার করলেও তার সাথে খারাপ ব্যবহার করা যাবে না। তাকে সুন্দর সেবা দেওয়ার পর সে নিজেই আপনার নিকট দু:খ প্রকাশ করবে তার খারাপ ব্যবহারের জন্য। সমাজের প্রত্যেকটি লোকের সাথে আমরা ভাল ব্যবহার করতে হবে। গতকাল (১০ ডিসেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী এসব কথা বলেন। হাসপাতালের নার্সিং সেবা তত্তাবধায়ক শাহানারা আক্তার শানু’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা: ফরিদুল আলম, বিএমএ কুমিল্লা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও স্বাচিপের সাংগঠনিক সম্পাদক অত্র হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা: আবদুল আউয়াল সোহেল। বিদায়ী অতিথি উপস্থিত ছিলেন সাবেক সেবা তত্ত্বাবধায়ক রওশন আক্তার, সুপারভাইজার নুরজাহান বেগম ও সুপারভাইজার শেফালী বেগম। বক্তব্য রাখেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জ মো: মোবারক হোসেন, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং এসোসিয়েশনের কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর ইনচার্জ সাহিদা বেগম, কুমেক হাসপাতাল শাখার ডিএনএ সভাপতি নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর মিরণ নাহার, সিনিয়র স্টাফ নার্স জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মো: হাছান আলী খান ও গীতা পাঠ করেন নার্সিং শিক্ষার্থী মনিকা বারই। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নার্সিং ইনস্ট্রাক্টর ও কুমেক হাসপাতাল শাখার ডিএনএ সাধারন সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম সরকার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নার্সিং কর্মকর্তা ও  বাংলাদেশ ওয়ার্ড মাস্টার এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আকতার হোসেন ও মো: ইলিয়াছ মিয়া।  

অপু ও শাকিবের বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠি পাঠালেন শাকিব খান।

বশিরুল ইসলাম: 
অপু ও শাকিব খানের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের বিচ্ছেদ হয়েছে বলে অনলাইন সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাকিব ও অপুর মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছিল। এব্যাপারে মিডিয়াতে ও দুইজন তাদের অবস্থান তুলে ধরেছিল। সোমবার তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। তবে আইনী কারণে আরো ৩মাস তারা সময় পাবেন। এর মধ্যে তারা চাইলে আবারো
এক সাথে সংসার করতে পারবে। কিন্তু তাদের মধ্যে সমঝোতা হওয়া বা পুনরায় এক সাথে থাকার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছে ভক্তরা। এই দম্পতির আব্রাহাম খান জয় নামে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে এব্যাপারে কাহারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিস্তারিত তথ্য কাল মঙ্গলবার জানা যাবে।

২১৭টি টিসি মামলা, ১৩৫টি টিজি মামলা সহ ৫১জন আসামী গ্রেফতার.........নেপথ্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ যোগদানের ১ বছরের মধ্যে বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার সহ, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার আসামী গ্রেফতার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে সর্বমোট ৫১ জন আসামী গ্রেফতার এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন । যার প্রেক্ষিতে মামলার বাদী পক্ষের নিকট পিবিআই তথা পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়। তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে ও স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে ২১৭ টি সি আর মামলা এবং ১৩৫ টি জি আর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তদন্ত সমাপ্ত করাতে সক্ষম হন । যার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে প্রকৃত বাদী এবং নির্দোষ বিবাদীদের অল্প সময়ের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রাপ্তীর পথ সুগম হয় এবং এর মধ্যে দিয়ে পিবিআই  কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি খুবই বৃদ্ধি পায় ।

কুমিল্লা জেলার ইউনিট প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন,  উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার,  জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহনসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ। যার ফলে বিজ্ঞ আদালতে, সাংবাদিক মহলে তথা সর্ব মহলে পিবিআই এবং সার্বিকভাবে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল  হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ পিবিআই কুমিল্লায় যোগদান ও তার সাফল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে একান্ত আলাপে আমাদের প্রতিবেদক বশিরুল ইসলামকে জানান, তিনি  ২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৫ তারিখ এই ইউনিটে ইউনিট প্রধান হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর গত ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ইং সাল পর্যন্ত ১ বছরে বহু সংখ্যক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার সহ সামাজিক ও রাস্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহন করেন। 

অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিবিআই) আপেল মাহমুদের ভূমিকা ছিল সর্বজন প্রশংসিত। ভিকটিম সাবরিনা আক্তার (২৬) এবং তার কন্যা সন্তান তরিন আক্তার নিতু (৭)কে অপহরনকারী চক্রের নিকট থেকে উদ্ধার  করে প্রশংসা অর্জন করেছেন। নিজ চেষ্টায় ও উদ্দ্যোগে গত ১ বছরে বিভিন্ন আলোচিত অপহরন মামলার ১৯ জন ভিকটিমকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে তাদের দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী মূল আসামীদের গ্রেফতার করেন। কুমিল্লা জেলার ররুড়া থানার মামলা নং ১৩(৬)১৬ এর ভিকটিম সাবরিনা আক্তার (২৬) এবং তার কন্যা সন্তান তরিন আক্তার নিতু (৭) কে দ্রততম সময়ের মধ্যে অপহরনকারী চক্রের নিকট থেকে উদ্ধারের পর অপহরনকারী চক্রের তিন জন সদস্য গ্রেফতার করে নারী শিশু নিযার্তন আইনের ২২ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন । 

মুরাদনগর থানার অপহরন মামলা নং ১৩(৩)১৫ এর ভিকটিম রায়হান গত দুই বছর  নিজে আত্বগোপন যান।  তার বাবার সাথে যাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল তাদেরকে আসামী করে হয়রানী করতে থাকে । প্রথম পর্যায়ে মুরাদনগর থানা পুলিশ এই ভিকটিম উ্দ্ধারে সক্ষম হয়নি । কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের  আদেশে পরবতীতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ টিম ভিকটিম রায়হান কে আত্বগোপন থাকা অবস্থা থেকে উদ্ধার করে এবং বাদীর বিরুদ্ধে ২১১ ধারায় প্রতিবেদন প্রেরন করতে সক্ষম হয় । যার প্রেক্ষিতে মামলাটির বিবাদীগন দীর্ঘদিনের হয়রানী থেকে মুক্তি পায় এবং পিবিআই সর্ব মহলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন কর । 
আপেল মাহমুদ নিজে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিশেষ টিম গঠন করে গত ১ বছরে বহুসংখ্যক চাঞ্চল্যকর অপহরন মামলার শিশু ভিকটিম উদ্ধার করেন। এই আলোকে  সদর দক্ষিন থানার অপহরন মামলা ১(১২)১৬ এর শিশু ভিকটিম নাজমা আক্তার (১৪)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং  ১০(১১)১৬ এর ভিকটিম শারমিন আক্তার (১৪)কে, দাউদকান্দি থানার অপহরন মামলা নং১২(৫)১৭ এর ভিকটিম সুমী আক্তার কল্পনা(১৫) কে ,কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা১১(৭)১৭ এর ভিকটিম লিমা আক্তার (১৫) কে অত্যন্ত দ্রততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট আসামীদের গ্রেফতার করেন । 
চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার ভিকটিম নাদিরা আক্তারকে উদ্ধারে  আপেল মাহমুদের সুনাম বৃদ্ধি পায় আরো বেশি। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন থানার নাদিরা পারভিন নিজে অপহরন হয় । দীর্ঘ ৪১ দিন পর অপারেশন চালিয়ে আপেল মাহমুদ নাদিরা পারভীনকে অপহরনকারীদের নিকট থেকে উদ্ধার  করতে সক্ষম হন । কোতোয়ালী থানার মামলা নং -৭৭, ১১/১০ ।  অপহরণের দীর্ঘ দুই মাস পর অপহরন কারীদের নিকট থেকে জনাব মাহমুদ  ভিকটিম ছাব্বিরকে(১৩) উদ্ধার করেন । বড়–রা থানার মামলা নং -১৬(১১)১৭ নারী শিশু আইন । অপহরনের ৫ দিন পর ভিকটিম নুসরাত (১৩) উদ্ধার হয় । মামলা নং  সিপি নং -১৪১১/১৭ . 
এছাড়াও বিভিন্ন মামলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী শিশু নির্যাতন আইনের অপহরন মামলার ভিকটিম দ্রততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করেন ।  চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং ১৫(২)১৬ এর ভিকটিম খাদিজা আক্তার (১৬)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং  ৩৪(১)১৭ এর ভিকটিম তন্নী(১৬) কে , লাকসাম থানার অপহরন মামলা নং ১১(৭)১৭ এর ভিকটিম লিজা আক্তার (১৬) কে ,  এবং চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ৪(১১)১৭ এর ভিকটিম হালিমা আক্তার (২০) কে, বুড়িচং থানার অপহরন মামলা নং ২১(১)১৭ এর ভিকটিম  ফাতেমা আক্তার তানিয়া (১৯)কে, বরুড়া  থানার অপহরন মামলা নং ১৯(১)১৭ এর ভিকটিম হাছিনা (১৯)কে, লাঙ্গল কোট থানার অপহরন মামলা নং ৬(৬)১৭ এর ভিকটিম নুরজাহান বেগম (২০) কে, কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ৮১(৭)১৭ এর ভিকটিম মনোয়ারা মজুমদার (২২) কে ,চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ২৩(৭)১৭ এর কুলসুম আক্তার  (২৫) কে, কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ৭৯(৭)১৭ এর ভিকটিম আছমা আক্তার রিমি (২৬)কে , চান্দিনা থানার অপহরন মামলা নং ১(৭)১৭ এর ভিকটিম গাজী রোমানা ইসলাম (২০)কে , লাঙ্গলকোট থানার অপহরন মামলা নং ৬(৭)১৭ এর রোকসানা আক্তার (২০)কে, ,কোতোয়ালী থানার অপহরন মামলা নং ১৩(১০)১৭ এর ভিকটিম লাকি দাস কে উদ্ধারের পর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাহাদের নিজ নিজ অভিভাবকদের নিকট সুন্দরভাবে হস্তান্তর করে।  
বিগত এক বছরে অনেক মামলা কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালত থেকে নারাজী হয়ে পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর পূনরায় তদন্তের ভার ন্যাস্ত হয়েছে এ রকম অধিক সংখ্যক মামলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনেক মামলা পূর্ববতী তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক রহস্য উদঘাটন হয়নি কিন্তু পিবিআই কুমিল্লা জেলায় তদন্তভার পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে উক্ত মামলা সমূহের রহস্য উদঘাটন পূর্বক পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করাতে সক্ষম হন । 
এই আলোকে কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৭১, তাং ২৪-২-২০১৭ ই ং ধারা ৩০২/২০১/৩৪ দ: বি:।এই মামলাটি প্রথমে কোতোয়ালী থানার এস আই শাহজাহান মামলাটি তদন্ত করে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। নারাজী হওয়ার পর মামলাটি তদন্ত করেন সহকারী পুলিশ সুপার সূভাষ চন্দ্র সাহা । তিনিও একই রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন । আবারও মামলাটি নারাজী হয় । এবং ৩য় পর্যায়ে মামলাটি তদন্ত করেন সি আই ডি এস আই বলাই চন্দ্র। তিনিও একই চুড়ান্ত রিপোর্ট সত্য রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন । পরবতীর্তে আবারও মামলাটি বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক বাদী প্রদত্ত  নারাজীর আবেদন গৃহীত হয় এবং ৪র্থ পর্যায়ে বিজ্ঞ আদালত  মামলাটির  তদন্তভার ন্যাস্ত করেন পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর । এই পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে পুলিশ পরিদর্শক সারোয়ার আলম সরকারের মাধ্যমে তদন্ত করানো পূর্বক  অত্র মামলাটির মূল আসামী গ্রেফতার করেন এবং ধৃত আসামীর কা: বি: ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করাতে সক্ষম হন এবং মামলাটির রহস্য উদঘাটন পূর্বক মূল আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করাতে সক্ষম হন । 
মুরাদনগর থানার মামলা নং ১১(৩)১৫ ধারা ৩৬৪র্(ক)/৩৬৮ দ:বি: । এই মামলাটি উক্ত থানা এস আই মাসুদুর রহমান তদন্ত করেন এবং ২য় পর্যায়ে এস আই শামসুল আলম তদন্ত করেন এবং তদন্ত শেষে মামলাটির চুড়ান্ত রির্পোট তথ্যগত ভুল দাখিল করেছিলেন । বাদী কর্তৃক মামলার ফলাফল নারাজী হওয়ার পর বিজ্ঞ আদালত  নারাজীর আবেদন গৃহীত হয় এবং বিজ্ঞ আদালত  মামলাটির  তদন্তভার ন্যাস্ত করেন পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর ।এই পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে মামলার ভিকটিম উদ্ধার করা সহ তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালত অভিযোগপত্র দাখিল করাতে সক্ষম হন । 
একই ভাবে চান্দিনা থানার মামলা নং২(৪)১৩ ধারা ৩০২/৩৪, বরুড়া থানার মামলা নং ১৬(১)১৫ ধারা দ্রত বিচার আইন ২০০২, কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৯৫(১২)১৪ ধারা ৪৩৬/৪২৭ , বরুড়া থানার মামলা নং ২১(১১)১৫ ধারা ৩২৬/৩০৭,  চৌদ্দগ্রাম থানার থানার মামলা নং ২৭(১২)১৪ ধারার ৩২৬/৩৫৭.কোতোয়ালী  থানার মামলা নং ৩১(৩)১৫,ধারা ৪৩৫/৩৮০,  বিশেষ উল্লেখ্যযোগ্য।  ১ম পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী কর্মকর্তাগন চুড়ান্ত রির্পোট দাখিল করার পর বাদী কর্তৃক মামলার ফলাফল নারাজী হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত  নারাজীর আবেদন গ্রহন করে মামলার  তদন্তভার  পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপর ন্যাস্ত করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  আপেল মাহমুদ তার বস্তুনিষ্ট তদারকীর মাধ্যমে উপরোক্ত প্রত্যেকটি মামলার রহস্য উদঘাটন পূর্বক পিবিআই কুমিল্লা জেলা তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করতে সক্ষম হয় । যার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে বাদীগন প্রকৃত ন্যায় বিচার প্রাপ্ত হয় এবং সর্ব মহলে পিবিআই  কুমিল্লা জেলার ভাবমূর্তি উজ্জল হয় । 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ যোগদানের পর থেকে  কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাদক , ইভটিজিং , জঙ্গিবাদ বিরোধী অনুষ্ঠানে কখনো প্রধান অতিথি , আবার কখনো বিশেষ অতিথি হিসাবে অংগ্রহন করে সাধারণ মানুষ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে উৎসাহ দিয়েছেন।  যাহা বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রক্াশ পায় ফলে জনগনের মধ্যে পুলিশের ভাবমূতি বৃদ্ধি পায় । 
 যার প্রেক্ষিতে বলা যায় উপরোক্ত কার্যক্রম সমূহের সাফল্যর নেপথ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো আপেল মাহমুদের বিচক্ষন, দূরদর্শিতা,  একনিষ্ট পরিশ্রম ও দায়িত্বশীল ভুমিকা  সর্বমহলে প্রশংসার দাবিদার । উল্লেখ্য মাহমুদ নরসিংদী জেলার পিবিআই জেলা প্রধান থাকাকালীন
বিভিন্ন প্রেক্ষিতে প্রশংসা অর্জন করেন । এরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পর পর দুইবার আই জি পি ব্যাচ পুরস্কার প্রাপ্ত হন । জনাব মাহমুদের বাড়ী ভৈরবপুর উত্তর পাড়া জমির মুনসী বাড়ী । তার বাবা ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩ নং সেক্টরের গ্রুপ কমান্ডার । তার বড় ভাই এম আর সোহেল ভৈরব মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিষদের ও যুব কমান্ডের সভাপতি এবং ভৈরব পৌর আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক । তিনি নিজে একজন কলাম লেখক । জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের উপর তিনি বিভিন্ন পত্রিকায়  কলাম লিখে সুনাম অর্জন করেন । তাছাড়া তিনি সুদান মিশনের ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন এবং ভারত , ইন্দোনেশিয়া সহ দেশ বিদেশে প্রচুর সংখ্যক প্রশিক্ষন সম্পন্ন করেন । সর্বসাকুল্যে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের একজন সুনামধন্য পুলিশ অফিসার হিসেবে গর্ববোধ করেন।





কুমিল্লায় বোমাসহ সন্ত্রাসী আলিম আটক।

বশিরুল ইসলাম:
 কুমিল্লা র‌্যাব-১১ সদস্যরা গতকাল ২ ডিসেম্বর  মো: আব্দুল আলিম (৩৫) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে। সন্ত্রাসী কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তাকে র‌্যাব সদস্যরা বুড়িচং থানাধীন আল মদিনা রিয়া এন্টার প্রাইজ নামক দোকান থেকে ০৭টি হাত বোমা, ১২ রাউন্ড গুলিসহ আটক করে। আটককৃত আলিমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। 

শীঘ্রই চান্দিনাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে........... এমপি আলী আশরাফ।

বশিরুল ইসলাম:  
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মডেল হিসেবে পরিচিত। দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের অন্যান্য উপজেলার চেয়ে চান্দিনা একটি মডেল উপজেলা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করছে। চান্দিনা উপজেলার প্রতিটি রাস্তা, ব্রিজ কালভার্ট মসজিদ মন্দির, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সহ  সকল প্রকার সামাজিক, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। তাছাড়াও চান্দিনা উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকাকে বিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে এবং শীঘ্রই চান্দিনা উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত করা হবে। শনিবার (২ ডিসেম্বর) উপজেলার ১১নং দোল্লাই নবাবপুর লেবাস গ্রামের বিদ্যুতের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা-৭ চান্দিনা নির্বাচনী এলাকার গন মানুষের নেতা সাবেক ডেপুটি স্পীকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক মো: আলী আশরাফ এমপি এসব কথা বলেন। এর আগে দোল্লাই নোয়াবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা আক্তার এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এমপি আলী আশরাফ আরো বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, তাই সবার আগে শিক্ষা, কারণ একটি দেশকে সুন্দর করতে হলে সুশিক্ষিত লোকের একান্ত প্রয়োজন। বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অন্য যে কোন সময়ের চে
য়ে বর্তমানে অধিক নজর দিচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তপন বকসী, চান্দিনা পৌরসভা মেয়র ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মো: মফিজুল ইসলাম, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মো: মোস্তাফিজুর রহমান, সূর্যের হাসি ক্লিনিক বাংলাদেশের চীফ ডা. হালিদা আক্তার, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বিএসসি, বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য প্রবাসী মুজিবুল হক, দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাহাবুদ্দিন মাস্টার, চান্দিনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: নুরুল ইসলাম তুহিন, বাড়েরা ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা বেগম। শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে এমপি আলী আশরাফ চান্দিনার সাধারন মানুুষের সাথে সময় কাটান। চান্দিনা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (স:) ২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। পরে জশনে জুলুসে বিশাল গাড়ী বহরে যোগদান করেন এবং দোল্লাই নবাবপুর বাজারে গিয়ে জশনে জুলুসের গাড়ী বহরে নবীপ্রেমীদের মাঝে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। মধ্যাহ্ন ভোজের পর তিনি তার নিজ গ্রামের বাড়ী গল্লাই ইসমাইল ফাউন্ডেশ জামে মসজিদে আসর নামাজ আদায় করে পিতা মাতার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। পরে সন্ধ্যায় চান্দিনা উপজেলা স্কাউটস এর উদ্যোগে আয়োজিত কুটুম্বপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চান্দিনা উপজেরা নবম কাব ক্যাম্পুরী-২০১৭ এর উদ্বোধন করেন।