চান্দিনা উপজেলা মৎস্য অফিসারের সাথে লিফদের মাসিক সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: 
মাছ চাষ সম্প্রসারণ, জেলেদের মাছ চাষে উদ্বুদ্ধকরণ, গত বছরের মাছ চাষের বিভিন্ন সমস্যা এবং সফলতা, সমস্যা সমাধানের নানা উপায়, মাছ চাষের জন্য পানির উপযুক্ত ব্যবহার, পানিতে কোন সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উপায়, পানি পরীক্ষার নিয়মকানুন, সিআইজি সমিতির লাইসেন্স নবায়ন, সমিতির সদস্যদের সঞ্চয়দানে উদ্বুদ্ধকরণ এবং মাছ চাষের প্রদর্শণী নির্বাচন এবং প্রদর্শনী নির্বাচনের নানা দিক নিয়ে আজ (১৯ ফেব্রুয়ারী-২০১৮ ইং ) চান্দিনা উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের লিফদের নিয়ে উপজেলা মৎস্য
অফিসে মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমন্বয় সভায় নবাগত সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার  ফারুক ময়েদুজ্জামান মুকুলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রাধেশ্যাম বৈষ্ণব, সম্প্রসারণ মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক, উপজেলার সকল লিফ, ক্ষেত্র সহকারী মো: মনির হোসেন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোরশেদুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতি তার সমাপনি বক্তব্যের মাধ্যমে সভার কাজ সমাপ্ত করেন। 
উল্লেখ্য সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক ময়েদুজ্জামান মুকুল ২৯তম বিসিএস এর মাধ্যমে ২০১১ ইং সালে হাতিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগদান করে পরে মাদরীপুরের রাজৈর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ ইং সালের জানুয়ারী মাসে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার হিসেবে পদন্নোতি পান।  ২০১৮ইং সালের ফেব্রুয়ারী মাসে একই পদে চান্দিনা উপজেলায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ও খামার ব্যবস্থাপক হিসেবে  যোগদান করেন।  সততা ও নিষ্ঠার দায়িত্ব সাথে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ও একই সাথে খামার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে আরো বলেন সকল লিফদের সহযোগীতায় এবং চান্দিনা উপজেলা মৎস্য চাষীদের নিয়ে সরকারের মৎস্য কাজে উন্নয়নের সর্বাধিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। 

কামাল উদ্দিন চৌধুরীর ১৫তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

সাবেক কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন চৌধুরীর ১৫তম মৃত্যু বার্ষিকী গতকাল পালিত হয়েছে। ২০০৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী কামাল উদ্দিন চৌধুরী তৎকালীণ কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় কামাল চৌধুরী স্মৃতি সংসদ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে। এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মরহুমের টমসমব্রীজস্থ কবরস্থানে কবর জিয়ারত,কবরে পুষ্পার্ঘ অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।কবর জিয়ারতে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মহিউদ্দিন। সকালে মরহুমের উত্তর চর্থাস্থ বাসভবনে কোরাণখানী ও বিকেলে সৈয়দবাড়ী জামে মসজিদে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন কামাল চৌধুরী স্মৃতি সংসদের আহবায়ক ডাঃ গোলাম মহিউদ্দিন দীপু ,সদস্য সচিব সাংবাদিক ওমর ফারুকী তাপস,মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় মোনাজাত করেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম,কবি ফখরুল হুদা হেলাল,মরহুমের পুত্র নাসির উদ্দিন চৌধুরী রাসেল,সমাজ সেবক মোঃ আসিফ মাহমুদ বকুল,রাজনীতিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম খান আরো অনেকে। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মহিউদ্দিন 

কুমিল্লার ভোক্তা আইনে অভিযোগ করে ২৫% পেলেন অভিযোগকারী

 বশিরুল ইসলাম:
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ কুমিল্লায় ভোক্তা আইনে অভিযোগ করে দুইজন অভিযোগকারী জরিমানার ২৫% পেয়েছেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,  মো: আরিফ নামের একজন ভোক্তা কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকার খন্দকার হক টাওয়ারে অবস্থিত একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ১.৫ লিটার পানির দাম রাখা হয় ২৫ টাকার স্থলে ৩০টাকা। তিনি ভোক্তা আইনে অভিযোগ করলে তদন্তে আজ তার সত্যতা মেলে। ফলে অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয় প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ঐ রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে আর্থিক জরিমানা করেন আর অভিযোগকারী হিসেবে  আরিফ পান জরিমানার পঁচিশ শতাংশ। 
অন্যদিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোর্টে উপজেলার বাঙ্গড্ডা বাজার এলাকার  মো: রাশেদ নামের একজন ভোক্তা তার পরিবারসহ ঐ এলাকার একটি বিখ্যাত রেস্টুরেন্টে খেতে যান  তিনি দেখেন যেখানেও পানির দাম রাখা হচ্ছে ২৫ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা । তিনি ভোক্তা আইনে অভিযোগের কথা বললে তারা তাকে অপমান করেন ও বলেন পারলে অভিযোগ করতে। রাশেদ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ওয়ের সাইটের নাগরিক কর্ণার থেকে অভিযোগ দায়ের করেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানি করে ঘটনার সত্যতা মিললে অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয় সেই রেস্টুরেন্টকে ১০,০০০/-(দশ হাজার টাকা) জরিমানা করে। অভিযোগ কারী হিসেবে রাশেদ পান ২,৫০০/-(দুই হাজার পাঁচশত টাকা)। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় রাশেদ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এর কার্যক্রমকে স্বাগত জানান ও সরকারকে ধন্যবাদ দেন। 
এ বিষয়ে অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও অভিযোগ নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তা মো: আছাদুল ইসলাম জানান,  ভোক্তা হিসেবে কোন পণ্য কিনে কেউ প্রতারিত হলে আমাদের কাছে বিনামূল্যে অভিযোগ করতে পারেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হলে অভিযোগকারী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৭৬(৪) ধারা অনুসারে জরিমানার ২৫% পেয়ে থাকেন। তিনি সকলকে এ ব্যাপারে সচেতন হওয়ায় আহ্বান জানান। 



চান্দিনা মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ে পাচ লক্ষ টাকায় নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চান্দিনা মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নি¤œমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে লোক নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গতকাল সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ পত্রটি জমা হয়। আগামী ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী বুধবার উক্ত পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাধাইয়া ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়ে নি¤œমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ঐ স্কুলে খন্ডকালীন দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষিকা মোসা: নুরজাহান বেগমকে নি¤œমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন, ভাইভা সহ যাবতীয় কার্য সম্পাদনের জন্য তার নিকট থেকে পাচ লক্ষ টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে মো: বাতেন খান ও মো: রফিকুল ইসলাম নামে দুই ব্যক্তি বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয় সেখানে উক্ত পদের জন্য আবেদন করা অনেক শিক্ষার্থীকে প্রবেশ পত্র দেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষার প্রশ্ন সহ ভাইভাবোর্ডে পাশ করে দেওয়ার জন্য প্রার্থীর নিকট থেকে এই টাকা নেওয়া হয়েছে তাই পরীক্ষাটি স্থগিত করে পুনরায় জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুনভাবে পরীক্ষার আয়োজন করার আবেদন করেন। 

চান্দিনায় সরকারি খাল ভরাট করে দখল

চান্দিনা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাজারের দক্ষিণ পার্শ্বে মাধাইয়া-কাশিমপুর সংযোগ খাল স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল মাটি ভরাট করে দখলে নিয়েছে। খালটি ভরাট হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে সংশ্লিষ্ট এলাকার পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। ফলে খালের পাশের ফসলি জমি গুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই ব্যবস্থা নিতে জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের মাধাইয়া-কাশিমপুর সংযোগ খালটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। নোয়াপাড়া, সোনাপুর, দোতলা ও বড় কলাগাঁও এলাকার কৃষকদের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খাল এটি। গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে নোয়াপাড়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি এনে খালটি ভরাট করে। 
নাওতলা গ্রামের বাসিন্দা আবুল খায়ের জানান ,এই খালটি ভরাট করার ফলে বৃষ্টির পানি আটকে চাষীদের ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
গত সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মাধাইয়া ইউনিয়নের অধীনে সোনাপুর মৌজায় সরকারি ম্যাপে ৭০১নং দাগে একটি খাল রয়েছে যেটি মাটি দিয়ে ভরাট করে প্রায় ৪৫ ফুট  উচু করে পাশের জমির সাথে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার এবং শনিবার রাতের অন্ধকারে মাটি ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম ও পাশ্ববর্তী জমির মালিক রবিউল্লাহ-লিলুসহ আরো কয়েকজন মিলে ড্রেজার মেশিন  দিয়ে মাটি এনে খালটি ভরাট করে।
জমির মালিক রবিউল্লাহ ও লিলু মিয়া জানান, আমরা জমি কিনেছি নোয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে মো. তাজুল ইসলাম এর কাছ থেকে। তাজুল ইসলাম এখন আমাদের জমি ভরাট করে দিচ্ছে। আমাদের জমির অংশের সাথে সরকারি খালও ভরাট করে ফেলেছে কিনা, তা আমরা বলতে পারবো না। সরকারি খাল দখল করা অন্যায়। 
মাধাইয়া ভূমি অফিসের তহশিলদার (নায়েব) মো. দেলোয়ার হোসেন মুঠো ফোনে জানান, গত শুক্রবার রাতের অন্ধকারে খালটি ভরাট করেছে জানতে পেরে আমি ছুটে যাই খালের পাড়ে। গিয়ে দেখি খালটি ভরাট করা হয়েছে। সাথে সাথে তা আমি স্যারকে জানাই।
এ ব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমেদ জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে এসেছি। প্রভাবশালী একটি মহল খালটিকে ভরাট করে ফেলেছে। সব তথ্যাদি নিয়ে শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন এমপি বাহার

দেলোয়ার হোসেন জাকির:
কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে রামঘাটস্থ কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের নির্মানাধীন কার্যালয় পরিদর্শন করতে যান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, দপ্তর সম্পাদক শিব প্রসাদ রায়, সহ-দপ্তর সম্পাদক দুলাল মাহমুদ। ৮তলা বিশিষ্ট মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যালয়টি এখন আর স্বপ্নের নয় বাস্তব। এটি বাস্তবায়নে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। গত মঙ্গলবার সকালে বহুতল ভবনটির পাইলিং শেষে বেইজমেন্টের ক্যাপ পাইল ঢালাইয়ের কাজ পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় ভবনটির নির্মাণে দায়িত্বরত মহানগর আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শিব প্রসাদ রায় এবং নিয়োজিত প্রকৌশলীদের দিক নির্দেশনা দেন তিনি।

২০১৭ সালের ২২ জুলাই সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে সভাপতি ও আরফানুল হক রিফাতকে সাধারণ সম্পাদক করে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়। তারপর থেকেই মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের স্বপ্ন দেখেন এমপি বাহার। স্বল্প সময়ে তার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন তিনি। তিন হাজার নয়শত  বর্গফুটের আওয়ামীলীগ কার্যালয়টি অত্যাধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা সংযোজিত একটি বহুতল ভবন। যা আগামী এবং বর্তমান প্রজন্মের আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঠিক এবং আদর্শ কর্মী তৈরীতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন দলের নেতাকর্মীরা। 

কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসকদের অর্থায়নে চিকিৎসা সরঞ্জাম

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের অর্থায়নে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মেশিন ক্রয় করা হয়েছে। অসহায় ও গরীব রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য এই মেশিন ও যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও প্রশিক্ষনের কাজে এ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে। তবে এজন্য রোগীদের নিকট থেকে কোন প্রকার টাকা নেওয়া হবে না। হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মাহবুবুল ইসলাম মজুমদারের উদ্যোগে উক্ত বিভাগের অন্যান্য ডাক্তারদের সহযোগীতায় প্রায় ২৫লক্ষ টাকার ড্রপলার ইকো, এনকে ফেলোগ্রাম, ইসিজি মেশিন, স্পাইরো মেট্রো, উন্নত মানের নেবুলাইজার মেশিন, কার্ডিয়াটক মনিটর ইউথ ডিফিবিলেটর সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় করেছে বলে নিশ্চিত করেছে একটি সূত্র।
সূত্র থেকে জানা যায়, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের যথেষ্ট স্বপ্লতা রয়েছে। যার কারণে হাসপাতালে আসা অসহায় ও হতদরিদ্র রোগীরা টাকার অভাবে পরীক্ষা করতে পারেনা। তাই এই উদ্যোগের ফলে অসহায় ও গরীব রোগীদের অনেকটা কাজে আসবে এবং রোগীরা উপকৃত হবে। এই যন্ত্রপাতি গুলো দেখাশোনা ও নষ্ট হলে যেন মেরামত করা যায় সে জন্য ডাক্তারদের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এব্যাপারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী, উপাধাক্ষ অধ্যাপক ডা: জাহাঙ্গীর হোসেন ভুঞা, হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী, মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও এই মহতি উদ্যোগের উদ্যোক্ত অধ্যাপক মাহবুবুল ইসলাম মজুমদার, হাসপাতালের উপ পরিচালক, সহকারী পরিচালক কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও হাসপাতালের ডাক্তারগন।

নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে........ শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

বশিরুল ইসলাম:
বাংলাদেশ আজ বিশে^ উন্নয়নের রোল মডেল। এদেশে অনির্বাচিত সরকারের অধীনে আর কখনো নির্বাচন হবেনা। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধিনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশে কখনো তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা আসবেনা। ভারতের ন্যায় বাংলাদেশে ও নির্বাচিত সরকারে অধিনেই নির্বাচিন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হলে অথবা ২০১৪ সালের মত অরাজকতা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আজ বাংলাদেশে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিতে শক্তিশালী করতে হলে আওয়ামীলীগ সরকারকে আবারো নির্বাচিত করতে হবে। গতকাল কুমিল্লা টাউনহল ময়দানে কুমিল্লা মহানগর আ’মীলীগের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম এসব কথা বলেন। এসময় কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কুমিল্লা-৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  ডা. দীপু মনি এমপি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেল পথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাড. মুজিবুল হক এমপি.  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামিম, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি. মো: আবদুস সবুর, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সদস্য এ্যাড. নজিবুল্লাহ হিরু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত । বক্তব্য রাখেন উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার। এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আবু তাহের, প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল আউয়াল সরকার, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী আবুল বাশার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল, ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুর রহমান জুয়েল, জাগ্রত মানবিকতার সাধারণ সম্পাদক তাহসিন বাহার সুচী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক
তুলে ধরে বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার তথা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশে উন্নয়ন হয়। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তবে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আজ খেতে পায়, সকলের পায়ে স্যান্ডেল আছে। দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভুত পূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। আজ মেয়েরা সম্মানিত হয়েছে। সেনাবাহিনীতে মেয়েরা কাজ করছে। মেয়েরা স্পীকার হচ্ছে।  বাংলাদেশে আজ স্যাটেলাইট নির্মাণ হয়েছে। অপটিক্যাল ফাইভারের সাথে সংযুক্ত হয়েছে।   সেনাবাহিনী আজ সক্ষম, ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী তৈরি হয়েছে। পুলিশ বাহিনী, বিজিবি দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম। বিশে^ আজ বাংলাদেশ মাথা উচু করে কথা বলতে পারে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবে রূপ লাভ করেছে। আজ আটত্রিশ লক্ষ শিশু বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তাই আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসংগঠন এক হয়ে কাজ করতে হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের সাথে কাজ করলে জামাত শিবির বিএনপি’র কোন ষড়যন্ত্র এদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তাই আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ তৃতীয়বারের মত নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করবে ।