বশিরুল ইসলাম:

গত ১৫ নভেম্বর মঙ্গলবার ১৫দিন ব্যাপী হাউজিং এস্টেট এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত বয়স্ক কোরআন শিক্ষাকোর্স সম্পন্ন হলো। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ইকরা বাংলাদেশ স্কুল এন্ড মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মো: সোহাইবুল ইসলাম। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ কোটি শুকরিয়া আদায় করছি যে মহান রাব্বুল আলামীন খুবই চমৎকার একটি বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন করার মত তৌফিক দিয়েছেন। আরো শুকরিয়া আদায় করছি যে, বর্তমান যুগে মানুষ যেখানে নেকের কাজ ছেড়ে দিয়ে গুনাহের কাজে লিপ্ত হচ্ছে এবং কে কার আগে জাহান্নামে যাবে এই প্রতিযোগীতায় মগ্ন হয়ে আছে, ঠিক সেই মুহূর্তে কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকারবাসীর উদ্যেগে বিপুল পরিমান পুলিশ সদস্যদের অংশগ্রনে বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন হয়েছে যা নজিরবিহীন। বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্সে ছবক অনুষ্ঠানে হাইওয়ে পুলিশের সদস্য সহ অন্যানরা উপস্থিত ছিলেন। যাদের অক্লান্তে পরিশ্রমে ছবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে তারা হলেন-আরিফুল ইসলাম, এনামুল হক, ইমান হোসেন, ওয়াসিম, পারভেজ, সাব্বির ও বয়স্ক ছাত্রবৃন্দ। যেভাবে আমাদের কোর্সটি করানো হয়েছে তা হল-
১। সহজ পদ্ধতিতে মাত্র ১০দিনে শুদ্ধ করে কোরআন শরীফ পড়া ও অতি সহজে মাত্র তিনটি বিষয় আয়ত্ব করা। ২৯টি হরফ পৃথক-পৃথক ও যুক্ত নাম জানা সূরত চিনা জবর, জের, পেশ, জজম, তাশদীদ এর পরিচয় ও ইহার দ্বারা উচ্চারণ শিক্ষা করা। প্রথমে মোকদ্বামা বলিয়া দেওয়া। কোরআন শরীফের ছয় জায়গায় টান, দুই জায়গায় গুন্না এবং চারটি নিয়মে পড়িতে পারিলে ছহি করে কোরআন শরীফ পড়া যায়।
প্রথমত : আল্লাহ পাক ফরমান যেই ব্যক্তি আমার পথ অবলম্বন করার চেষ্টা করিবে তাহাকে আমি আমার রাস্তা দেখাইয়া দিব। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী করিম (সঃ) ফরমাইয়াছেন তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম ঐ ব্যক্তি যে কোরআন মজিদ শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।
দ্বিতীয়: দ্বীনি এলেম শিক্ষা করন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। এই জন্যেই আমরা চেষ্টা করিতেছি। যাহাতে আল্লাহর কালাম আল্লাহর বান্ধাদের কাছে পৌছাইয়া দিতে পারি কি-না! আমাদের কাজ চেষ্টা করা,অন্য কিছুই আমাদের করার ক্ষমতা নাই। যেমন: আয়নার পেছনে রং লাগাইবার আমাদের কারো ক্ষমতা নেই। এই রং কারখানায় লাগাইয়াছে। কিন্তু উপরে কালি অথবা ময়লা পড়িলে সেই ময়লা নেকরা দ্বারা মুছিয়া পরিস্কার করিয়া দিতে পারি। এরকমই মানুষের অন্তরের মধ্যে আল্লাহ পাক কোরআন শরীফ পড়িবার ক্ষমতা দিয়েই পাঠাইয়াছেন। আমি একটু চেষ্টা করিলেই অন্তরের আবরণ টুকু দূর হইয়া গেলেই ছহি ভাবে কোরআন শরীফ পড়িতে পারিব বলে আশা রাখি, ইনশাল্লাহ। কোরআন শরীফ যে সহজ তাহার উদাহরন যেমন: বাংলা ভাষা শিক্ষা করিতে হইলে ৪৮টি অক্ষর শিক্ষা করিতে হয়। ইংরেজী শিক্ষা করিতে হইলে ২৬প্রকারের অক্ষর শিখিতে হয়। আরবী শিখতে ২৯টি হরফ এ ১৬ প্রকারের নকশা শিক্ষা করিতে হয়। বাংলা ভাষায় হরকত ১২টি, এবং উর্দ্ধু, ইংরেজী ভাষায় যে কত হরকত তাহার হিসেব নেই। আরবী ভাষায় মোট ৫টি হরকত সীমাবদ্ধ, জবর, জের, পেশ, জজম, তাশদিদ। এই জন্যেই দেখা যায় আল্লাহর কালাম সহজ। সহজ পদ্ধতিতে কোরআন শরীফ শুদ্ধ করিয়া পড়িবার কতিপয় নিয়ম: যেই হরফ সেই রকম করলেই মাখরাজের সাথে উচ্চারণ হইয়া যায়। অত:পর যেই হরফ সেই রকম লিখা হইয়াছে। তাহার উচ্চারণ ও সেই রকম। এই জন্যই মাখরাজ পড়াইতে হয়না। ইমানে মোফাজ্জেল: আমানতু বিল্লাহি: ইমান আনিলাম আল্লাহর উপরে। ওয়া মালাইকাতিহি: ইমান আনিলাম ফেরেস্তাদের উপরে। ওয়া কুতুবিহি: ইমান আনিলাম আসমানী কিতাব সমূহের উপরে। ওয়া রাসুলিহি: ইমান আনিলাম, নবীদের উপরে। ওয়াল ইয়াওমাল আখিরী: ইমান আনিলাম পরকালের উপরে। ওয়াল কাদরী খাইরীহী অশাররিহী মিনাল্লাহি তায়ালা: ইমান আনিলাম ভাল মন্দের তকদীরের উপরে। ওয়াল বাছে বা’দাল মাউত: ইমান আনিলাম মৃত্যুর পরে পুন:জীবিত হওয়ার উপরে। যেমন: আলিফ এই হরফটি সোজা উচ্চারণ ও সহজ। যেমন বা দুই ঠোট মিলায়া বা উপরের ফাকা জায়গার মত ফাকা করিলেই উচ্চারণ হইয়া যায়। এরপর একটি একটি হরফ ব্লাক বোর্ডে লিখিয়া নাম বলিয়া বলিয়া ১৫টি হরফ শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু হরফের সাথে কোন কিছুর তুলনা না দেওয়া কারণ আল্লাহর কালামের সাথে কোন কিছুর সাথে তুলনা করা ঠিক নহে। আমাদের কাজ হরফ শিক্ষা দেওয়া, তুলনা করা বা দেওয়া নয়। যখন আলিফ লিখিবেন তখন আলিফই উচ্চারণ করিবেন। বা লিখিয়া বাই উচ্চারণ করিতে হইবে। যাহাতে হরফের পরিচয় হইয়া যায়।
তোয়া হইতে বাকি হরফ গুলো এভাবে একটি একটি করে শুধু উচ্চারণ করিয়া পড়াইয়া দেওয়া এই বার ২৯টি হরফ এলোপাথারি লিখিয়া জিজ্ঞাসা করা তাহাতে দেখা যাইবে প্রায় লোকেই পারেন। দ্বিতীয় দিনের ছবকটুকু প্রথমেই আবার জিজ্ঞাসা করিয়া দেখিতে হইবে পারে কিনা? এই ভাবে প্রত্যেক দিন পেছনের কিছু কিছু ছবক জিজ্ঞাসা করা যাহাতে ভুলিয়া না যায়। এরপর কাটা হরফ শিক্ষা করা। যেমন: এক দাত গোল মাথা তিন দাত ছোয়াদের মাথা তোয়া এই নকশাটি মুখস্ত করাইয়া দেওয়া এবং এই নকশায় কতটি হরফ হয় বুঝাইয়া দেওয়া যেমন :এক দাতের নিচে এক নোকতা দিলে বা এক দাতের উপরে এক নোকতা দিলে নুন। এক দাতের উপরে দুই নোকতা দিলে তা। এক দাতের নিচের দুই নোকতা হলে ইয়া। উপরে তিন নোকতা দিলে ছা। গোল মাথার উপরে এক নোকতা দিলে ফা। গোল মাথার উপরে দুই নোকতা দিলে কফ। তিন দাত ওয়ালা চিহ্নকে সিন বলে। তিন দাতের উপরে তিন নোকতা দিলে .শিন বলে। ছোয়াদের মাথা .ছোয়াদ। ছোয়াদের মাথার উপরে এক নোকতা দিলে দোয়াদ। তোয়াই তোয়া। তোয়ার উপরে এক নোকতা দিলে যোয়া। এখন দেখাইয়া দেওয়া এই নকশায় তেরটি হরফ হইল। এবার একটি একটি করে লিখিয়া দেখানো যেমন বুঝে আসে।
চতুর্থ দিনের ছবক
প্রথমে পূর্বের নকশাটা একটু পড়াইয়া দেওয়া এবং পরপরই নকশা শুরু করা। যেমন : উল্টা দাত হায়ের মাথা আইন, লাম, গোলহা, মিম। উল্টা দাতের কিছুই হয়না। তবে ডাইনের হরফ মিলানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। হায়ের মাথা হা। হায়ের মাথার উপরে এক নোকতা দিলে খ। হায়ের মাথার নিচে এক নোকতা দিলে জিম।
আইন আসলে আইনের মাথা আইন। আইনের উপরে এক নোকতা দিলে গঈন। লাম. ই.লাম। লামের উপরে কোনা কোনি টান দিলে.কাফ। গোলহা একটি হরফ..হা। মিম.ই একটি হরফ .মিম। এখন দেখাইয়া দেওয়া এই নকশায় মোট ৯ টি হরফ হইল। এই নকশার হরফ গুলি যোগ দিয়ে দেখাইয়া দেওয়া যেমন : ২২টি হরফ হইল। এখন জিজ্ঞাসা করা কত হরফ বাকী রহিল। যেমন: আলিফ, দাল, জাল, র, জা, হামজা, ওয়াও, এই ৭ হরফের বামে কোন হরফ মিলিবে না। ডানে মিলিতে পারে। এবার পেছনের ছবক একটু একটু বোর্ডে লিখিয়া দেওয়া ।
পঞ্চম দিনের ছবক উপরের কোনাকোনি টানকে জবর বলে। .নিচের কোন কোনি টানকে জের বলে। উপরের কোনাকোনি টানের এক মাথা গোলকে পেশ বলে। .এক জবর, ..এক জের, ...এক পেশ কে হরকত বলে। হরকতের উচ্চারণ তারাতারি করিয়া পড়িতে হয়। আলিফের উপরে হরকত হইলে আলিফকে হামজা বলে। এখন কিছু হরফ মিলাইয়া উদাহরণ দেওয়া। যেমন: উদাহরণ গুলি হরকতের সময় দিলে ভাল হয়।
উপরের বাঁক্য চিহ্নকে জজম বলে। জজম ওয়ালা হরফ একা পড়া যায় না। জজম ওয়ালা হরফ তাহার ডাইনের হরফের সাথে একবার পরা যায়। যেমন: ...আব...আদ...আত্ব......আফ এর সাথে সাথে কলকলা বলিয়া দেওয়াও উচ্চারণ দেখাইয়া দেওয়া ..উপরের তিন দাত ওয়ালা চিহ্নিকে তাশ দিদ বলে। তাশ দিদ ওয়ালা হরফ দুই বার পড়া যায়। একবার ডাইনের হরফের সাথে আর একবার নিজ হরফের সাথে যেমন-....আম্মা...আন্না, মিম এর উপর নুনের উপর তাশ দিদ হইলে গুন্না করিয়া পড়িবে হয়।
০৬ দিনের ছবক
প্রায় সকল লোকেই বড় ভুল করেন যে, কোরআন শরীফে যেখানে টান আছে সে খানে দেয় না। যেই খানে নাই সে খানে টান দেয় এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। কিন্তু কোরআন শরীফে মোট ছয় জায়গায় টান আছে। এবং এই ছয় জায়গায় টানিয়া পড়িতে হয়। যেমন: .জবরের বাম পার্শ্বে খালি আলিফ.জেরের বাম পার্শ্ব জজম ওয়ালা ইয়া.. পেশের বাম পার্শ্বে জজম ওয়ালা ওয়াও।..খাড়া জবর...খাড়া জের ...উল্টাপেশ হইলে টানিয়া..পড়িতে হয়।.টানিয়া দেখাইয়া দেওয়া, এক আলিফ টানিয়া পড়িতে হয় বলা যাইতে পারে।এই বাঁকা চিহ্ন দেখিলে বা আসিলে একটু বেশি টানিয়া পড়িতে হয়। অথবা তিন আলিফ টানিয়া পড়িতে হয়। এই চিহ্ন সোজা আশিলে বা দেখিলে বেশি টানিয়া পড়িতে হয়। যেখানে যতটুকু টান টানিয়া দেখাইয়া দেওয়া। এই দুটি চিহ্ন দেখাইলে বাকী আট প্রকার মদ পড়িতে হয়না এবং এটা ভুলিয়া যাইবে না। এবার কিছু মদের উদাহারন দেওয়া যেমন:
০ গোল চিহ্নি টি দেখাইয়া ওয়াকফ বুজাইয়া দেওয়া।
কিন্তু কোন মদের নাম বলা যাইবে না। কারণ মদের নাম বলিলে স্বরণ থাকিবে না।এবং ঠিকও রাখিতে পারিবেনা। এর পরেই সূরা আল হামদুল্লিাহ হইতে পড়ান শুরু করিতে হইবে।বোর্ডে একটি একটি হরফ লিখিয়া এক একটি হর কত দিয়া শব্দ গঠন করিতে হইবে। এবং শব্দ গঠন করিয়া মিলাইয়া আয়াত বর্ণ করিয়া পড়াইতে হইবে। আন আমতা পর্যন্ত গেলেই নূন ছাকিনের ও নূন তানবিনের কায়দা পড়াইতে হইবে।
নূন ছাকিনের এবং তানবিনের বিবরণ:
... জজম ওয়ালা নূনকে নুন ছাকিন বলে. দুই জবর দুই জের দুই পেশকে নূন তানবিন বলে। নূন ছাকিন এবং নূন তানবিনকে চার প্রকার পড়া যায় যেমন এজাহার ,একলাব এদগাম, এখফা। এইবারে শুধু এজাহার পড়াইতে হইবে:- বাকি গুলো পড়াইতে হয় না।
...এজাহার ভাল তাবে পড়ানো চাই....যেমন: এজাহারের হরফ ছয়টি . এজাহার অর্থ ষ্পষ্ট করিয়া পড়া। নোন ছাকিন ও নোন তানবিন এরপরে এজাহারের ৬হরফের যেকোন হরফ আসিলে ছাকিন ও তানবিন কে ষ্পষ্ট করিয়া পড়িতে হয়। বাকী তিন প্রকার একটু দেখাইয়া দিলেই হইয়া যায়। যেমন....এরকম ইকলাবের সময় সব জায়গায় মিম ....নোনের উপরে ..এ মিম দেখিয়া মিম উচ্চারণ করিলে হইয়া যায়। কায়দা বা নিয়ম শিখাইতে হয়না।
সপ্তম দিনের ছবক
এদগামের হরফ ৬টি. এদগাম অর্থ মিলাইয়া পড়া যেমন: . জজম একবার পড়া যায় এবং তাজদিদ দুই বার পড়া যায়। যেহেতু জজমের পরে তাজদিদ আসিলে তাজদিদ দেখিয়া পড়িতে হয়। জজম পড়িতে হয়না। কাজেই তাজদিদ দেখিয়া পড়িবে। এদগাম পড়াইতে হয়না। তাজদিদ দেখিয়া পড়িলে অনিচ্ছায় ও উচ্চারণ হইয়া যায়। যেমন: এখানে গুন্নাহ করিতে চাইলে গুন্নাহ করা যায়না। এই ভাবে এদগাম বা গুন্নাহ’র জায়গায় গুন্নাহ হইয়া যায়। বাকী যত হরফ সবই..এখানকার ১৫ হরফ আসিলে নোন ছাকিন ও তানবিনকে গোপন করিয়া পড়িতে হয়। আংতা উদাহরণ. আংতা পড়ে আমপাড়ার সূরা নাস পড়াইবেন। এক শব্দ এক শব্দ করে আয়াত পূরণ করিয়া ভাল ভাবে পড়াইতে হইবে। প্রত্যেক আয়াত লিখার সাথে সাথে কিছু জায়গায় টান আছে। জিজ্ঞাসা করিতে হইবে তাহা হইলে আর কোন দিন টান ভুল করিবে না।
৮ম দিনের ছবক সূরা ফালাক ও ঘন্টার শেষের দিকে আয়াত যতদূর পারেন লিখিয়া পড়াইবেন।
নবম দিনের ছবক
নামাজের তাকবির, তাহমিদ, তাসমিয়া, রুকু ও সিজদার তাছবিহ ও দোয়ায় কুনুত পড়িয়া শেষ করবেন।
দশম দিনের ছবক: বি: দ্র: শেষের দিকে বলিয়া দিবেন যে, ছোট এক আয়াত এবং বড় হইলে চার শব্দের বেশি কোন দিন পড়িবে না। এক আয়াত করিয়া পড়িলে কোরআন শরীফ খতম করিতে আঠারো বৎসর ছয় মাস লাগিবে। জীবনে যিনি বিশ বৎসর নামাজ পড়িয়াছেন এবং ইমামের পিছনে যদি দিনে দুই ওয়াক্ত নামাজ পড়িয়া থাকেন তবে বিশ বৎসর ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) বার সূরা ফাতেহা শোনা হইয়াছে। তবু ও এক আল হামদু সূরা ছহী হইলনা। কিন্তু একদিনের এক আয়াত করিয়া সাত দিনে ছহী হইয়া যাইতো।