জিলা স্কুল ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা স্কুলের আবেদন ফরম পূরণ করা হয়।

কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।  কুমিল্লা জিলা স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৪০ জন এবং ফয়জুন্নেসায় ৩য় শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ১৮০জনের আসন  রয়েছে।

সোমবার ভর্তি কমিটি ২০১৭ এর সদস্য সচিব রাশেদা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 বিজ্ঞপ্তি সূত্র জানা যায়, ৩০ নভেম্বর রাত ১২ টা থেকে ১২ই ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত অনলাইনে (http//gsa.teletalk.com.bd) আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর। ৩য় শ্রেনি সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, ৫ম শ্রেণি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা, ৬ষ্ঠ শ্রেনী সকাল ১০ টা থেকে ১২ টায়।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.dshe.gov.bd এ ওয়েবসাইটে।  

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংস্কার ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে পুরোদমে।


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে রজত জয়ন্তী উৎসব উপলক্ষ্যে হাসপাতাল ও কলেজে চলছে শেষ পর্যায়ের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কার কাজ। আগামী ১০ ও ১১তারিখ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা-৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আকম বাহাউদ্দিন বাহার ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবেচ উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সনাল ও যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ।  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন রজত জয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মহসিনউজ জামান চৌধুরী।  একটি সূত্র জানায়, মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন উপলক্ষ্যে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কলেজ ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের কাজ চলছে তরিগরি করে। 

পিবিআই কুমিল্লায় মামলা হওয়ার ২৪ঘন্টার মধ্যে অপহরন মামলার ভিকটিম উদ্ধার এবং প্রধান আসামী গ্রেফতার


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা পিবিআই অফিসে মামলা হওয়ার ২৪ঘন্টার মধ্যে অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার ও প্রধান আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার কৃত আসামী কামরুল হাসান কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কালেমসার গ্রামের তমিজউদ্দিনের ছেলে। 
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬/১১/১৬ইং তারিখে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতের আদেশে ভিকটিম হালিমা আক্তার(১৭), পিতা-জসিম উদ্দিন, সাং-কালেমসার, পোঃ-ভোমরকান্দি, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লাকে অপহরন করার প্রেক্ষিতে  ভিকটিমের মাতা বাদীনি মোসাঃ মাহফুজা আক্তার  এর অভিযোগটি চান্দিনা থানা মামলা রুজু করতঃ  পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লাতে তদন্তভার আসলে অদ্য ২৮/১১/১৬ইং তারিখ পিবিআই কুমিল্লা টীমের পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ)/মোঃ মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ) মোঃ হিলাল উদ্দিন, এসআই(নিঃ) মাহমুদুল হাসান খান, এএসআই(নিঃ) মোঃ মোশারফ হোসেনগন সারাদিন ব্যাপী সাঁড়াশী অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম হালিমা আক্তারকে উদ্ধার করে এবং আসামী কামরুল হাসান (২৪), পিতা-তমিজ উদ্দিন, সাং-কালেমসার, পোঃ-ভোমরকান্দি, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ভিকটিম উদ্ধারে এবং আসামী গ্রেফতারে বাদীনি সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন পিবিআই আন্তরিকতার সাথে যেভাবে কাজ করেছে তাতে আমরা সাধারণ নাগরিক অত্যন্ত খুশি এবং পুলিশের প্রতি মানুষের যে ধারণা ছিল সেটি পাল্টিয়ে দিয়েছে। । উক্ত ঘটনায় কুমিল্লায় কর্মরত  সাংবাদিক সহ অন্যান্য  মহলে  কুমিল্লা জেলা পিবিআই প্রশংসা অর্জিত হয়। 

কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি


কুমিল্লা জিলা স্কুল ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।  কুমিল্লা জিলা স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ২৪০ জন এবং ফয়জুন্নেসায় ৩য় শ্রেণিতে ১৩০ জন, ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ১৮০জনের আসন  রয়েছে।

সোমবার ভর্তি কমিটি ২০১৭ এর সদস্য সচিব রাশেদা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 বিজ্ঞপ্তি সূত্র জানা যায়, ৩০ নভেম্বর রাত ১২ টা থেকে ১২ই ডিসেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত অনলাইনে (http//gsa.teletalk.com.bd) আবেদন করতে পারবে।
ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর। ৩য় শ্রেনি সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, ৫ম শ্রেণি সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা, ৬ষ্ঠ শ্রেনী সকাল ১০ টা থেকে ১২ টায়।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.dshe.gov.bd এ ওয়েবসাইটে।  


সংগ্রহীত: জাগো কুমিল্লা হতে

কুমিল্লা জেলা আইনশৃংখলা পরিস্থিতি ও অপরাধ চিত্র।

জানুয়ারী থেকে অক্টোবর ২০১৬ইং পর্যন্ত


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলার জানুয়ারী থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সংঘটিত অপরাধ সংখ্যা
ন্ত 
আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাভাবিক অবস্থা দাবী করলে ও সাধারণ মানুষ মনে করছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। তার পরে ও কুমিল্লা পুলিশ সুপার পরিস্থিতি স্বাভাবি রাখার লক্ষ্যে সকলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পরামর্শ প্রদান করেছেন। কুমিল্লা জেলার ১৬টি উপজেলার ১৭টি থানায় জানুয়ারী ২০১৬ থেকে এই পর্যন্ত সংঘটিত অপরাধের সংখ্যা ও মামলার বিস্তারিত হল গত সেপ্টেম্বর  কুমিল্লায় ৬০৮টি অপরাধ সংগটিত হয়।  গত অক্টোবরে ৫৭৩টি অপরাধ সংঘটিত হয় তার মধ্যে অক্টোবরে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় ১০৯টি,সদর দক্ষিন থানায় ৫৮টি, চৌদ্দগ্রাম থানায় ৪৩টি, নাঙ্গলকোট থানায় ১৮টি, লাকসাম থানায় ১৮টি, মনোহরগঞ্জ থানায় ১৯টি, বুড়িচং থানায় ৩২টি, ব্রাহ্মনপাড়া থানায় ২২টি, বরুড়া থানায় ২১টি, চান্দিনা থানায় ৪৫টি, দাউদকান্দি থানায় ৪৯টি, তিতাস থানায় ২৫টি, মেঘনা থানায় ১৪টি, হোমনা থানায় ১৫টি, মুরাদনগর থানায় ২৭টি, দেবিদ্বার থানায়৩৯টি, বাঙ্গরা থানায় ১৯টি অপরাধ সংঘটিত হয়।   গত সেপ্টেম্বর মাসে  মোট অপরাধ সংঘটিত হয় ৫৩৫টি। আগষ্ট মাসে অপরাধ সংঘটিত হয় ৬৪৯টি। রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় আগষ্ট মাসের চেয়ে সেপ্টেম্বর মাসে অপরাধের সংখ্যা তুলনামূলক কম কিন্ত অক্টোবরে অপরাধের সংখ্যা কিছুটি বেড়ে গিয়েছে।  জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলার ১৬ উপজেলার ১৭ থানায় ১৩২ খুনের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে চুরি, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, অপহরণ ও মাদকসহ অন্যান্য অভিযোগে মোট মামলা হয়েছে পাঁচ সহ¯্রাধিক। জানুয়ারি মাসে খুনের ঘটনা ঘটে নয়টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৩৬, অস্ত্র মামলা দুটি, মাদক ২০৭সহ অন্যান্য অপরাধে মামলা ৪৩৬টি, ফেব্রুয়ারি মাসে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৩৮, অস্ত্র ৭, মাদক ৩৪২ সহ অন্যান্য অপরাধে মোট মামলা ৫০০। মার্চ মাসে খুন ১৪টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৬১, অস্ত্র ৮, মাদক ১৮৯, অন্যান্য অপরাধ ৪৯২, এপ্রিলে খুন ১৫, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৩, অস্ত্র ৩, মাদক ১৮৮, মোট অপরাধ ৪৯৯, মে মাসে খুন ১৬, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৭, অস্ত্র ৮, মাদক ১৭৫টি মোট অপরাধ ৫০৫।

জুন মাসে খুন ১০টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫২, অস্ত্র ৭, মাদক ২০৯, মোট অপরাধ ৫৪৬, জুলাই মাসে খুন ৬, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৯, অস্ত্র ৬, মাদক ১৭১, মোট মামলা ৪৫৪টি, আগস্টে খুন ১০, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪২, অস্ত্র ১৪, মাদক ৩৩১, মোট অপরাধ ৬৪৯, সেপ্টেম্বরে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৭, অস্ত্র ১৪, মাদক ২৪১, মোট অপরাধ ৫৩৫, অক্টোবরে খুন ১৪, নারী ও শিশু নির্যাতন ৪৮, অস্ত্র ৮, মাদক ৩২০সহ মোট অপরাধ ৫৭৩টি। অপরদিকে, ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত শুধু খুনের ঘটনাই ঘটেছে ১০টি। এর মধ্যে গত ৮ নভেম্বর-দাউদকান্দির গৌরীপুর পেন্নাই এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসাইন সরকার ও গাড়িচালক মহিউদ্দিনের হত্যাকান্ডটি ছিল বেশ আলোচিত। ১৩২টি হত্যাকান্ডে র মধ্যে বেশ কিছু আলোচিত হত্যাকান্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরে ঘটে যাওয়া কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকান্ডটি অন্যতম, যা নিয়ে কুমিল্লাসহ দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। যদিও ওই হত্যাকান্ডের এখনো কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

পুলিশের পক্ষ
থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয় ৩টি বিদেশী রিভলবার, ৬টি পিস্তল একটি দেশী ৫টি বিদেশী, ২টি পাইপগান ৩টি এলজি, ৩২টি গুলি, ৮টি কার্তুজ ও ২টি খোসা মোট ৬৮টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গত অক্টোবর মাসে ১টি বিদেশী রিভলবার, ৫টি বিদেশী পিস্তল,  ১টি পাইপগান, ৪টি এলজি, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ১৬টি কার্তুজ মোট ৪৪টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গত অক্টোব মাসে ভেজাল খাদ্যে ভোক্তা অধিকার আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে  মোট অভিযান হয় ২৩টি মামলা করা হয় ৪১টি জরিমানা করা ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ৪২জনকে অর্থ দন্ড করা হয়। বিদ্যুৎ আইনে অভিযান করা ৩টি , মামলা হয় ৩টি, ৩জনকে ২৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শিল্প কারখানা ও গার্মেন্টস ফ্যাক্টুরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয় ৫টি, মামলা হয় ৭টি, অর্থদন্ড করা হয় ৬জনকে ১লক্ষ ৪৩হাজার টাকা। ইভটিজিংয়ের কারণে ৪টি অভিযানে ৫টি মামলায় ১জনকে ১০হাজার টাকা জরিমানা ও ৪ জনকে কারাদন্ড দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ চিত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আগষ্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। আগষ্ট, ২০১৬মাসে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৬৪৯টি এবং সেপ্টেম্বর/২০১৬মাসে ৫৩৫টি মামলা রুজু হয়েছে। সেপ্টেম্বর ২০১৬ মাসে দস্যুতা, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতন, সিদেল চুরি ও অন্যান্য চুরি আইনে মামলা দায়ের বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অন্যান্য অপরাধ হ্রাস পেয়েছে। অপরাধ প্রবণতা হ্রাস করার কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহন এবং মামলা ও গুরুতর অপরাধের সংখ্যা হ্রাসকরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে সভায়। 

চান্দিনায় রাস্তার উপর বাশের সাকোঁ


বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা গ্রামে আসা যাওয়ার জন্য একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলা ও বিভিন্ন পেশার  প্রায় আড়াইহাজার থেকে তিন হাজার লোকের চলাচল। অথচ দীর্ঘ ছয় মাস ধরে রাস্তাটির এই বেহাল অবস্থা । প্রশাসনকে জানানোর পরে মাটি সংগ্রহের সমস্যার কথা বলে দায় এড়িয়ে গেলে ও কাজ করে দিবে বলে এখনো আশ^াস দিচ্ছে। 
সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাস্তাটি তৈরি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুরে পরে যায়। বর্ষা মৌসুম হওয়ার কারণে ঠিকাদার রাস্তা মেরামতের কাজ করতে পারছেনা। এলাকাবাসীর দাবী রাস্তাটি করার সময় সাইড ওয়ালটি  মানসম্মত ভাবে করা হয়নি। ফলে পুকুর সেচ করার কারণে রাস্তাটি এমনিতে ভেঙ্গে পরে যায়। এতে করে মিরাখলা, গল্লাই উত্তর পাড়া সহ আশে পাশের এলাকার সাধারণ মানুষ সহ শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা যাওয়া করতে  সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাশের সাকো দিয়ে চলাচল করার সময় পরে গিয়ে বই, খাতা ও জামা কাপড় নষ্ট করছে এবং অনেক সময় হাত-পা ভাঙ্গছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে এবং এলাকার জেলে, কৃষক ও বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষ চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। 
উক্ত রাস্তার বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মোল্লা মো: আবুল কালাম আজাদ জানান, রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে ব্যাপারটি আমাদের জানা আছে। আমাদের লোক দিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া জায়গাটি সার্ভে করিয়েছি। যখন রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে তখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় আমরা রাস্তাটি মেরামত করতে পারিনি। এখন বর্ষা চলে যাচ্ছে আমরা মাটির ব্যবস্থা করে রাস্তাটি মেরামত করব। তবে এখন কোন পক্ষকে নোটিশ করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু রাস্তাটি মেরামতের জামানতের টাকা এখনো আমাদের হাতে আছে তাই রাস্তাটি সংস্কার করতে আমাদের তেমন কোন সমস্যা হবে না। 

উক্ত ঘটনায় চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সুমন চৌধুরী জানান, রাস্তাটি যেখানে ভেঙ্গে গিয়েছে সেই স্থানের পুকুর মালিক এবং যে ঠিকাদার রাস্তাটি নির্মাণ করেছে সেই ঠিকাদার  দুই জনকে নোটিশ করা হউক। নোটিশের কপি আমার অফিসে জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ব্যাপারে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। রাস্তার পাশে কোন পুকুর এবং মাছ চাষের প্রকল্প তৈরি করার সময় ভাঙ্গা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে যেন রাস্তা ভেঙ্গে না যায়। 


কুচাইতলী এলাকা থেকে ৬টি বিষধর সাপ উদ্ধার



বশিরুল্ ইসলাম: 
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন কুচাইতলী পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাশ থেকে ৬টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। সাপ গুলো উদ্ধারের সময় উৎসুক জনতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। 
স্থানীয়রা জানায়, এখানে একটি পুকুর ছিল । পুকুরে অনেক কচুরী পানা ছিল । পুকুরটি ভরাট হওয়ার কারণে সাপ গুলো এখন পাশের বাড়ী কবরস্থানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এলাকাবাসী সাপুড়েকে খবর দিলে সাপুরে এসে সাপ গুলো উদ্ধার করে । আমরা সকরে দাড়িয়ে থেকে দেখছি। 
সাপুরে শাহাআলম জানায়, এখানে সাপ আছে বলে এলাকাবাসী খবর দিলে আমি এসে তাদের উপস্তিতিতে সাপ গুলো উদ্ধার করি। এই সাপ গুলো বিষধর সাপ। 

আমার আজকের প্রতিবেদন দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত রাস্তার উপর সাকোঁ


র‌্যাবের অভিযানে কুমিল্লায় গাজা সহ ১জন আটক।



বশিরুল ইসলাম:
 কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার চরানল গ্রামের মো: মহসিন আলীর বাড়ী থেকে বিপুল পরিমান গাজা, মিনি পিকআপ এবং মাদক বিক্রির নগদ তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিনশত টাকা সহ গাড়ীর ড্রাইভার সামসুদ্দিনকে আটক করে। মাদকবিক্রেতা মো: মহসিন আলী র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় বলে দাবী র‌্যাবের। 
র‌্যাবের র‌্যাব-১১ জানায়, অদ্য ২৩ নভে¤¦র ২০১৬ তারিখ রাত ০২.৫০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬৫ কেজি গাঁজা, ০১ টি টাটা মিনি পিকআপ এবং মাদক বিক্রির নগদ ৩,৯৯,৩০০/-(তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিনশত) টাকা সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন চরানল গ্রামস্থ জনৈক মোঃ মহসীন আলী এর বসত বাড়ীতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রেখেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মোঃ মহসীন আলম (৪৪), পিতাঃ মৃত মাইন উদ্দিন, সাং-চরানল, থানাঃ বরুড়া, জেলাঃ কুমিল্লা পালিয়ে যায় এবং উক্ত বাড়ীর উঠানে থাকা একটি টাটা মিনি পিকআপ, যাহার ড্রাইভার মোঃ শামসুদ্দিন (২৫), পিতাঃ মোঃ মানিক মিয়া, সাং-ইলিশা (লাটবাড়ী), থানা ও জেলাঃ ভোলা বর্তমানে সাং- চরানল (মোঃ মহসীন আলমের বাড়ী), থানাঃ বরুড়া, জেলাঃ কুমিল্লাকে আটক করলে সে জানায়, সে মোঃ মহসীন আলমের উক্ত গাড়ীর ড্রাইভার। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত গাড়ীর বডির গোপন পাটাতনের ভিতরে গাঁজা আছে বলে ¯¦ীকার করে এবং বের করে দেয়। উক্ত ধৃত আসামী আরো ¯¦ীকার করে উক্ত গাঁজা ও গাড়ীর প্রকৃত মালিক মোঃ মহসীন মিয়া। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সাথে নিয়ে মহসীন আলীর বসত ঘরে তল্লাশী চালিয়ে গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ৩,৯৯,৩০০/- (তিন লক্ষ নিরানব্বই হাজার তিন শত) টাকা উদ্ধার করা হয়। উক্ত উদ্ধারকৃত ৬৫ কেজি গাঁজার আনুমানিক মুল্য ৩,৯০,০০০/- (তিন লক্ষ নব্বই হাজার) টাকা। উক্ত ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদে সে আরো জানায়, উক্ত পিকআপে গোপন পাটাতনের ভিতরে গাঁজা বহন করিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা বিক্রয় করে আসছে। এ ব্যাপারে উক্ত ধৃত আসামী এবং পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


ডাক্তারী পরীক্ষায় কমিশন না খেলে


৪০শতাংশ ব্যয় কম হবে রোগীর ....ডা. প্রাণ গোপাল দত্ন
লাইন ডেস্স্কে: 

দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক ও কুমিল্লা জেলার চান্দিনার সন্তান অধ্যাপক ড. প্রাণ গোপাল দত্ত বলেছেন, চিকিৎসকরা যদি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন না নেয় তাহলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের ৪০শতাংশ কমে আসবে। তিনি গত শনিবার ৫নভেম্বর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে এক সেমিনারে বলেন, কমিশন বিজনেসের জন্য চিকিৎসকদের সম্মানহানী ঘটছে। চিকিৎসকদের উচিত হবে কমিশন গ্রহণের মতো ‘ম্যালপ্র্যাকটিস’ থেকে বেরিয়ে আসা। তাহলে চিকিৎসকরা হারানো সম্মান পুনরায় ফিরে পাবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ ভিসি বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসানো হয়। কিন্তু রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশে চিকিৎসকরা ততটা সম্মান পান না। এখানকার রোগীদের প্রত্যাশা চিকিৎসকদের কাছে অসীম। তবুও নীতি নৈতিকতা মেনে রোগীদের সঙ্গে পেশাদারি সম্পর্ক গড়ে তোলারও আহ্বান জানান বিশিষ্ট নাক-কান-গলা এই বিশেষজ্ঞ।


প্রশাসন নিরব


ডিজিটাল বাংলাদেশে রাস্তার উপর বাশের সাকোঁ
বশিরুল ইসলাম: 
                         কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা গ্রামে আসা যাওয়ার জন্য একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষা 
র্থী, কৃষক, জেলা ও বিভিন্ন পেশার  প্রায় আড়াইহাজার থেকে তিন হাজার লোকের চলাচল। অথচ দীর্ঘ ছয় মাস ধরে রাস্তাটির এই বেহাল অবস্থা । প্রশাসনকে জানানোর পরে মাটি সংগ্রহের সমস্যার কথা বলে দায় এড়িয়ে গেলে ও কাজ করে দিবে বলে এখনো আশ^াস দিচ্ছে।
                                       সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাস্তাটি তৈরি হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুরে পরে যায়। বর্ষা মৌসুম হওয়ার কারণে ঠিকাদার রাস্তা মেরামতের কাজ করতে পারছেনা। এলাকাবাসীর দাবী রাস্তাটি করার সময় সাইড ওয়ালটি  মানসম্মত ভাবে করা হয়নি। ফলে পুকুর সেচ করার কারণে রাস্তাটি এমনিতে ভেঙ্গে পরে যায়। এতে করে মিরাখলা, গল্লাই উত্তর পাড়া সহ আশে পাশের এলাকার সাধারণ মানুষ সহ শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা যাওয়া করতে  সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাশের সাকো দিয়ে চলাচল করার সময় পরে গিয়ে বই, খাতা ও জামা কাপড় নষ্ট করছে এবং অনেক সময় হাত-পা ভাঙ্গছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে এবং এলাকার জেলে, কৃষক ও বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষ চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। 
                                   উক্ত রাস্তার বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা প্রকৌশলী মোল্লা মো: আবুল কালাম আজাদ জানান, রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে ব্যাপারটি আমাদের জানা আছে। আমাদের লোক দিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া জায়গাটি সার্ভে করিয়েছি। যখন রাস্তাটি ভেঙ্গে গিয়েছে তখন বর্ষা মৌসুম হওয়ায় আমরা রাস্তাটি মেরামত করতে পারিনি। এখন বর্ষা চলে যাচ্ছে আমরা মাটির ব্যবস্থা করে রাস্তাটি মেরামত করব। তবে এখন কোন পক্ষকে নোটিশ করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু রাস্তাটি মেরামতের জামানতের টাকা এখনো আমাদের হাতে আছে তাই রাস্তাটি সংস্কার করতে আমাদের তেমন কোন সমস্যা হবে না। 

                                       উক্ত ঘটনায় চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সুমন চৌধুরী জানান, রাস্তাটি যেখানে ভেঙ্গে গিয়েছে সেই স্থানের পুকুর মালিক এবং যে ঠিকাদার রাস্তাটি নির্মাণ করেছে সেই ঠিকাদার  দুই জনকে নোটিশ করা হউক। নোটিশের কপি আমার অফিসে জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ব্যাপারে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। রাস্তার পাশে কোন পুকুর এবং মাছ চাষের প্রকল্প তৈরি করার সময় ভাঙ্গা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে যেন রাস্তা ভেঙ্গে না যায়। 


বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার

বর্তমানে সারা বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার রয়েছে চিনের কাছে।  তালিকায় সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটারের জায়গাটি দখল করেছে চীনা এই কম্পিউটারটি। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবলের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।
সুপার কম্পিউটারের মালিক হওয়া চীনের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে শীর্ষ স্থান দখল করে থাকা সুপার কম্পিউটারটিও চীনাদের হাতেই তৈরি। তবে একদিক থেকে সানওয়ে তাইহু লাইট পূর্ববর্তী সকল চীনা সুপার কম্পিউটার থেকে অনন্য।
কারণ চীনাদের নতুন এই সৃষ্টির আপাদমস্তক চীনে তৈরী যন্ত্রাংশ দিয়ে নির্মিত। আগের তিয়ানহি-২ সুপার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়েছিল মার্কিন প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের চিপ।
চীনের এই সুপার কম্পিউটারের বিশালত্ব বোঝানোর জন্য এটির চিপকে তুলনা করা যেতে পারে ইন্টেলের সর্বশেষ কোরআই ৭ প্রসেসরের সাথে। যেখানে ইন্টেলের এই প্রসেসরে রয়েছে ১০টি কর্মক্ষম কোর সেখানে সানওয়ে তাইহু লাইটে রয়েছে এক কোটিরও বেশি কোর।
তালিকায় তৃতীয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার টাইনের সাথে কার্যক্ষমতার দিকে থেকে যার তফাৎ অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়নে থাকা টাইটান রয়েছে ওক রিজ ন্যাশলান ল্যাবরেটরিতে, যার কোর সংখ্যা পাঁচ লক্ষ ৬০ হাজার।
সুবিশাল সুপার কম্পিউটারটি কাজের দিক থেকেও অতীতের সকল সুপার কম্পিউটারের চাইতে অনেক এগিয়ে। প্রতি সেকেন্ডে ৯৩ কোয়াডড্রিলিয়ন গণনা পরিচালনা করতে পারে। সংখ্যাটিকে অংকে লিখতে হলে ৯৩ এর পর বসাতে হবে ১৫টি শূণ্য।
তবে এত কর্মক্ষম হয়েও শক্তি খরচের দিক থেকে দারুণ কিপটে সানওয়ে তাইহু লাইট। খুব কম শক্তি খরচ করে কাজ চালাতে পারবে এটি। একই সাথে র‍্যাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী।
টপ ৫০০ ওয়েবসাইটে মোট ৫০০ সুপার কম্পিউটারের তালিকাতেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে দিয়েছে চীন। মোট সুপার কম্পিউটারের হিসাবে এখন শীর্ষে অবস্থান করছে চীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানায় যেখানে ১৬৫টি সুপার কম্পিউটার রয়েছে সেখানে চীনের মালিকানায় রয়েছে ১৬৭টি।

সংসারের ফুল সন্তান

বশিরুল ইসলাম: 
যে বাগানে ফুল নেই, যে নদীর ঢেউ নেই, যে বসন্তে কোকিলের গান নেই, সেই শুষ্ক বাগান, মরা গাঙ আর অবেলার বসন্ত আমাদের মনে দোলা দেয় না। এমন বাগান নদী ও বসন্ত কাছে টানে না। আমাদের হৃদয় পড়ে থাকে ফুলে ফুলে, পথে প্রান্তরে । বন বাদর আর নদীর ঢেউয়ে। পাখির সুর, ভ্রমরের গুণগুণ, শিশিরের জল, অবারিত জোছনা আমাদের পুলকিত করে। জীবন সংসারে সন্তানই ফুল। শিশুরা পাখি। ওদের কান্নাই নদীর ঢেউ। ভ্রমরের গান। শিশুর আদর সোহাগে আছে জোছনার আকুলতা ও তারার বেদনা। সন্তানের নরম গালে চুমুর আলপনা পৃথিবীর সব সুখ শান্তি ও বেদনা কাব্যের চিত্রকল্প। সন্তান স্বর্গের উপমা। জান্নাতের প্রজাপতি। সন্তানের প্রতি মোহাচ্ছন্ন ভালবাসা, হৃদয় নিঙড়ানো আলতো আদর ও ইবাদত মানে ইসলাম। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ধন ঐশ্বর্য
ও সন্তান-সšুÍতি পার্থিব জীবনের অলংকার-শোভা। সুরা কাহাফ : ৪৬
কোরআন আরও বলছে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তায়ালারই। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল। সুরা শুরা : ৪৯-৫০
জীবন গাঙে ভরা বর্ষার পূর্ণতা দেয় সন্তান। পরস্পরের আবেগ উচ্ছ্বাস ও ভালবাসার মোহনা এই আদরেরা। কোরআন আমাদের শিখিয়েছে সন্তানের আকুলতা। প্রভুর কাছে সন্তানের আবেদন। হে আমাদের রব, আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা বানিয়ে দাও এবং আমাদেরকে মুত্তাকিদের জন্যে আদর্শ স্বরূপ কর। সুরা ফুরকান: ৭৪
আরও বর্ণিত হয়েছে, হযরত জাকারিয়া (আ:) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন, হে আমর রব, আমাকে আপনার পক্ষ থেকে উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয় আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী। সুরা আল-ইমরান : ৩৮  আমাদের প্রিয়নবী ও মানবতার পতাকাবাহী হজরত মুহাম্মদ (সা:) শিশুদেরকে জান্নাতের প্রজাপতি বলে উপমা দিয়েছেন। হজরত আবু হুরায়রা সূত্রে বর্ণিত মহানবী সা. বলেন, তোমাদের শিশুরা জান্নাতের প্রজাপতি। ইমাম বুখারি, আল আদাব আল মুফরাদাত
নবীজি আরও বলেছেন, তোমরা শিশুদের ভালবাস এবং তাদের প্রতি দয়া করো। তাদের সঙ্গে কোনো প্রতিশ্রুতি দিলে পূর্ণ করো। তাদের কল্যাণে তোমরা রিজিক পেয়ে থাকো বলে জেনে রাখো। বুখারি মুসলিম
সন্তানের হাসিতে আলোকিত হোক আমাদের ভোর। রাতের নরম আলোয় জ্বলজ্বল করুক শিশুদের দাঁত। জীবন সংসারে ছড়িয়ে পড়ুক শিশুর দুত্যিময় হাসি।
পশ্চিমা প্রীতি যেন আমাদের পেয়ে না বসে। আমাদের পবিত্র কোলে যেন জায়গা করে না নেয় কুকুর-বিড়াল। পশ্চিমারা কুকুরের বিয়ে দেয়, নিজে সাজে কুমারী মাতা। থাকার ঘরে বাস করে কুকুর, শিশু কাদে ডে-কেয়ারে। অভাগা জননী রাজপথে অধিকারের লড়াই করে, স্বাধীনতার আত্মচিৎকার করে, তার সন্তানই জন্মের ভোর থেকে আদর সোহাগ পাওয়ার অধিকার হারিয়ে গুমরে কাঁদে। কুকর বিড়াল নয়; সন্তানই আলোকিত করুক সংসার, জীবন। শিশুর হাসিতে সুগন্ধময় হোক ঘর। সংগৃহীত

চান্দিনা বেলাশ্বর এলাকায় নির্বাচনের সময় গোলযোগের দৃশ্য


আসছে শীতে ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

এখন শীত মৌসুম। শুষ্ক হয়ে উঠেছে আবহাওয়া। একই সাথে শুষ্ক হয়ে উঠছে মানুষের ত্বক। শুষ্কতার পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ত্বকে সৃষ্টি করে নানা সমস্যা। সৌন্দর্যেরও হানি ঘটে ব্যাপক। কে না চায় চেহারাটা সুন্দর থাকুক? সবাই প্রশংসা করুক তার রূপের? সুন্দর চেহারা বা রূপের জন্য স্বভাবতই প্রথমে পরিচর্যা নিতে হয় ত্বকের। আর শীতে তো কথাই নেই। ত্বকের প্রধান শত্রু শীত। আরো বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে এ সময়। তবে শীতে ত্বকের শুষ্কতা মারাত্মক রূপ নেয়ার আগে কিছুটা যত্ন নিলেই ত্বককে কোমল, সজীব করা সম্ভব। কিন্তু কীভাবে?

নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করুন-

গোসলের সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে গোসল করবেন না কিংবা গরম পানি ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলো ত্বকের শুষ্কতা আরো বাড়িয়ে তোলে। গোসলের পরে ত্বকে ভেজা ভাব থাকতেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। হাতে, পায়ে, মুখে এবং পুরো শরীরে ময়েশ্চারাইজার মাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ময়েশ্চারাইজার মেখে ঘুমাতে যেতে পারেন। মনে রাখতে হবে, ত্বক একেবারে শুকিয়ে নিয়ে তারপর ময়েশ্চারাইজার মাখলে কাজ হবে না। ত্বকে ভেজাভাব থাকতেই ময়েশ্চারাইজার মাখতে হবে।

শীতে গোসলের সময় সাবান কম ব্যবহার করাই ভালো। কারণ সাবান ত্বকে শুষ্কতা সৃষ্টি করে। সুতরাং গোসলে কিংবা হাত-মুখ ধুতে সাবান যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করবেন। এ সময় সাধারণত গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করাই উত্তম।

শীতে ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে গ্লিসারিন কিংবা অলিভ অয়েল নিয়মিত মাখতে পারেন। গ্লিসারিন হলো সবচেয়ে ভালোময়েশ্চারাইজার। একভাগ গ্লিসারিনের সাথে দু'ভাগ পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন। গ্লিসারিনের আঠা-আঠা ভাবটা দূর করার জন্য গ্লিসারিন মাখার পর একটা ভিজে তোয়ালে বা কাপড় হালকা করে ত্বকে চেপে ধরলে আঠাভাব চলে যাবে।

রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ত্বকে সানস্ক্রিন ক্রিম মেখে বের হতে হবে। শীতের রোদ মিষ্টি আমেজ সৃষ্টি করলেও ত্বকের জন্য তা ক্ষতিকর। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ত্বকের সমূহ ক্ষতি করে। ত্বকের ক্যান্সার ঘটা বিচিত্র কিছু নয়। তাই ত্বককে রক্ষা করতে হলে সানপ্রোটেকটিভ ফ্যাক্টর বা এসপিএফসমৃদ্ধ ক্রিম মেখে বের হওয়াই মঙ্গলজনক। বিভিন্ন মাত্রার এসপিএফসমৃদ্ধ ক্রিম বা লোশন রয়েছে। তবে গবেষকদের মতে এসপিএফ-১৫ সমৃদ্ধ ক্রিম ত্বকের জন্য নিরাপদ।

শরীরের ত্বকের শুষ্কতার সাথে পাল্লা দিয়ে ঠোঁটের শুষ্কতা এ সময়ে মারাত্মকভাবে েবড়ে যায়। অনেকে এ সময়ে জিভ দিয়ে বারবার ঠোঁট ভেজাতে থাকেন, যা ঠোঁটের কোমল ত্বকের জন্য আরো ক্ষতি ডেকে আনে। সবচেয়ে ভালো হয়- ঠোঁটে বারবার ভেসলিন মাখলে। যদি ভেসিলিন শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়, তাহলে গাঢ় করে ভেসলিন মাখতে হবে। ঠোঁটের ওপরিভাগের পাতলা শুষ্ক ত্বক কখনো টেনে তুলে আনার চেষ্টা করবেন না, তাতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যাবে।

শীতে শরীরের ত্বক ফেটে যায়। সৃষ্টি হতে পারে বিভিন্ন চর্মরোগের। এ অবস্থা প্রতিরোধ করার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে পুরো শরীরে অলিভ অয়েল মাখলে ত্বকের শুষ্কতা কেটে যাবে এবং ত্বক সজীব থাকবে। ত্বক ফেটে যাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলে এবং অলিভ অয়েল ব্যবহারে তেমন উন্নতি না ঘটলে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

বিভিন্ন ফলমূল এবং সবজি ত্বকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে থাকে। গাজর, শিম, লেবু, টমেটো, পালংশাক প্রভৃতি সবজি খেলে ত্বক যৌবনদীপ্ত থাকে। অনেকে ত্বক সুন্দর রাখার জন্য ত্বকে বিভিন্ন সবজি ও ফলের রস মেখে থাকেন। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ত্বকে এ ধরনের সবজি বা ফলের রস মাখলে সত্যিকার অর্থে কোনো কাজ হয় না, উপরন্ত ত্বকে লেবুর রস মেখে বাইরে বেরোলে ত্বকের রঙ আরো কালো হয়। ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সবজি এবং ফলমূল খেতে হবে। সেই সাথে পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণ পানি। আর হ্যাঁ, ধূমপান একেবারেই করবেন না। গবেষকরা বলেন, ধূমপান ত্বককে বৃদ্ধ করে ফেলে।

আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতিত্ব

চান্দিনায় মাধ্যমি শিক্ষক সমিতির বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ।


বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা চান্দিনা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে গতকাল শনিবার ১৯ (নভেম্বর) মহিচাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ৩২টি বিদ্যালয়ের ১৬০জন পরীক্ষা
র্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নিয়ম অনুযায়ী প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র ৫জন  শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করতে পারে।  গতকাল বিকেলে  ফলাফল প্রকাশ করা হলে সেখানে আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৫জনই বৃত্তি পায়। এছাড়া ও আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয় ২০১৫ সালে অষ্টম শ্রেনীতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ১৫জন বৃত্তি পায়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে মেধা তালিকায় ৪বার স্থান পাওয়া এ প্রতিষ্ঠানটি সাবেক শিক্ষা সচিব মরহুম ইরশাদুল হক সাহেব কুমিল্লা জেলার চান্দিনার থানার গল্লাই গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনটি দিন দিন সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও দ্বীনি শিক্ষা দিয়ে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষিত সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আসছে।  এই প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা আজ দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কার্যালয়ে চাকুরী করে দেশের নানা রকম উন্নয়ন মূলক কাজে অংশগ্রহন করছে। আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনে রয়েছে আবেদা-নূর বিএম কলেজ, আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়, আবেদা-নূর দাখিল মাদ্রাসা, আবেদা-নূর বালক উচ্চ বিদ্যালয়,  আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আবেদা-নূর মা ও শিশু হাসপাতাল সহ চান্দিনা থানার অন্যতম বৃহত্তম একটি মসজিদ ও একটি আল আরাফাহ ইসলামী  ব্যাংক । মানসম্মত শিক্ষার মনোরম পরিবেশ রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটিতে।  বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্বে আছেন মরহুম ইরশাদুল হক সচিব সাহেবের বড় মেয়ে সানিয়া হোসেন ও আবেদা-নূর বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন মো: আহসানুল হক মানিক। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায়  মোট ৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে  শতভাগ পাশ সহ ৩৭টি এ প্লাস ও ২৭জন এ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।  

আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আলমগীর কবির সাহেবের সাথে মুঠোফোনে পরীক্ষা পাশের সত্যতা জানতে চাইলে তিনি জানান আমাদের বিদ্যালয়ের ৫জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৫জনই বৃত্তি পেয়েছে। আমরা আশা করি আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এই উৎসাহের মাধ্যমে আগামীতে বিভিন্ন পরীক্ষায় আরো ভাল ফলাফল করে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখবে। 


শুটিংয়ের ফাঁকে নুসরাত ইমরোজ তিশা


 টেলিফিল্মের শুটিংয়ের ফাঁকে ক্যামেরার সামনে জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী 

নুসরাত ইমরোজ তিশা। আরাফাত হোসেনের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন রায়হান খান।
ছবি :  অনলাইন ডেস্ক

'রোহিঙ্গা মুসলমানরা মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার'.......................ড. আহমেদ আল তাইয়্যেব

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানরা ব্যাপকহারে মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ  করেছেন মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়েল গ্রান্ড ইমাম ড. আহমেদ আল তাইয়েব। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন গ্রান্ড ইমাম। তিনি মিশরের আলেমদের সর্বোচ্চ কমিটি অভিভাবক পরিষদের শীর্ষ কর্মকর্তা। ড. তাইয়েব বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটছে যা মাানাবিরোধী অপরাধ। এসব নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড সব ধর্মের শিক্ষার বিরোধী ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্পষ্টতই অপরাধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য,মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী আদিবাসী রোহিঙ্গা মুসলমানরা কয়েক দশক ধরে জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছে।তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতেও অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার সরকার।
সূত্র: যুগান্তর

শিক্ষানবিশ সংবাদকর্মী নিয়োগ দিচ্ছে দৈনিক যুগান্তর

জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা যুগান্তরে শিক্ষানবিশ সাংবাদিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক বেশ কয়েকজনকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতা: স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে সাংবাদিকতায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস অথবা সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে পারবেন ‘ম্যানেজার (প্রশাসন), ক-২৪৪, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯’ ঠিকানায়। আবেদন করার সুযোগ থাকবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।  
বিস্তারিত জানতে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখুন 

বিনা অভিজ্ঞতায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। ‘এক্সিকিউটিভ, আইটি অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং’ পদে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করা যাবে। যোগ্যতা: ‘আইটি অথবা আইসিটি সিস্টেম’ বিষয়ে বিএসসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞাপনে সদ্য পাস করেছেন এমন প্রার্থীদের আবেদনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
পদটিতে ‘ট্রাবলশুটিং ও উইনডোজ সিস্টেম ম্যানেজমেন্টে’ পারদর্শী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া আগ্রহীদের বাংলাদেশের যে কোনো জায়গায় এবং রাত্রিকালীন কাজ করার করার মানসিকতাসম্পন্ন হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে ১২ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। 
সূত্র : বিডিজবস ডটকম  

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে বিভিন্ন পদে নিয়োগ

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। জুনিয়র ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান ও টেকনিশিয়ান সুপারভাইজার পদে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। জুনিয়র ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার: তড়িৎ ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলে ন্যূনতম ডিপ্লোমা পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি যেকোনো শিফটে কাজ করতে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন করতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া প্রার্থীকে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজ করার মানসিকতাসম্পন্ন হতে হবে। টেকনিশিয়ান সুপারভাইজার: পদটিতে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে তড়িৎ ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলে ন্যূনতম ডিপ্লোমা পাস হতে হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা টেকনিশিয়ান: তড়িৎ ও বিদ্যুৎ প্রকৌশলে ‘ভোকেশনাল ট্রেড কোর্সে’ পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পদে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় কাজ করার মানসিকতাসম্পন্ন হতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে ২০ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
থাকতে হবে। প্রার্থীকে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে কাজ করতে হবে।

সূত্র : বিডিজবস ডটকম 

একাধিক পদে চাকরির সুযোগ বাংলালিংকে

একাধিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক। ‘সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, সার্ভিস বেঞ্চমার্ক অ্যান্ড রিপোর্টিং’ ও ‘সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।
সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, সার্ভিস বেঞ্চমার্ক অ্যান্ড রিপোর্টিং
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসএসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট কাজে দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া এমএস এক্সএলএস, এমএস অ্যাক্সেস, এসকিউএল স্ক্রিপটিং বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে।
সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স স্পেশালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার, সার্ভিস অ্যাশিওরেন্স
কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসি পাস প্রার্থীদের আবেদনপত্র আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রার্থীদের এক থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের আইটি চার্জিং, বিলিং, সিআরএম, জিএসএম বা ডব্লিউসিডিএমএ টেকনোলজি, কেপিআই নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
প্রার্থীদের বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সুযোগ থাকছে ১৯ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।
সূত্র : বিডিজবস ডটকম

অফিসার পদে চাকরির সুযোগ ব্র্যাকে

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রিক্রুটমেন্টবিষয়ক কর্মকর্তা (অফিসার, রিক্রুটমেন্ট) পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের সব পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের ফল পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। কোনোভাবেই তৃতীয় বিভাগ বা সিজিপিএ ২.৫-এর কম গ্রহণযোগ্য হবে না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতাধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন। এ ছাড়া প্রার্থীদের মানবসম্পদবিষয়ক জ্ঞান ও এমএস অফিস অ্যাপ্লিকেশনে দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা ছবিসহ বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন ২৬ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।

সাংবাদিক পদে নতুনদের চাকরি দিচ্ছে দীপ্ত টিভি

সাংবাদিক পদে নতুনদের চাকুরী দিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে দীপ্ত টিভি। ‘ট্রেইনি ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট’ পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতা: ব্যবসায় প্রশাসন, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। নতুন স্নাতক পাস প্রার্থীদের আবেদনের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এক বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত ই-মেইল করতে পারবেন ‘jobs@deepto.tv’ ঠিকানায়। এ ছাড়া বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমেও অনলাইনে আবেদন করা যাবে ২৪ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।

এইচএসসি পাস করেই চাকরির সুযোগ দিচ্ছে প্রাণ কোম্পানী

বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ‘ব্র্যান্ড প্রমোশন অফিসার’ পদে ৪০ জনকে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। যোগ্যতায় উল্লেখ করা হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পাসেই পদটির জন্য আবেদন করা যাবে। তবে স্নাতক পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবে। পাশাপাশি এক থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের ইংরেজি ও বাংলা ভাষায় দক্ষ হতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া হল: আগ্রহী প্রার্থীদের বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে পদটির জন্য আবেদন করা যাবে।  আবেদনের সুযোগ থাকছে ২৫ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত।

১০ বিজিবি’র অভিযানে ৮,৬১,৬০০/- টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও মালামাল আটক


১০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মেহেদী হাসান, বিজিবিএমএস এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় নিজস্ব গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ১৮ নভেম্বর ২০১৬ তারিখ আনুমানিক ০৮.৫০ ঘটিকায় চৌদ্দগ্রাম থানার অর্ন্তগত “মতিয়াতলী” নামক স্থান হতে ভারতীয় ৫০ বোতল হুইস্কি মালিকবিহীন অবস্থায় আটক করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও অন্যান্য বিওপি’র দায়িত্বর্পূণ এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ফেন্সিডিল- ২৫ বোতল, জিরা- ৩০০ কেজি, কসমেটিকস্‌ সমাগ্রী-২৬০ টি, চকলেট- ৫৮ প্যাকেট, হরলিক্স- ২৬ টি, তাস- ১২০ প্যাকেট, কমপ্লান দুধ- ২০ টি, ছাগল-০৬ টি এবং ০১ টি সিএনজি  মালিকবিহীন অবস্থায় আটক করা হয়। আটককৃত মাদকদ্রব্য এবং অন্যান্য মালামালের আনুমানিক মূল্য ৮,৬১,৬০০/- (আট লক্ষ একষট্টি হাজার ছয়শত) টাকা। আটককৃত মাদকদ্রব্য কুমিল্লা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য মালামাল কাষ্টম অফিসে জমা করা হয়েছে। 

কুমিল্লায় অস্ত্র সহ আন্ত:জেলা ডাকাত সদস্য আটক

বশিরুল ইসলাম:  
কুমিল্লায় আন্তজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২ টায় কুমিল্লা শহরের সাতোরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল মনির হোসেন (২৭), মো. সোহাগ (২৩), আহসান হাবিব ফুয়াদ (২০), মেহেদী হাসান বাবু (২০), মো. জহির (২০) ও মাইন উদ্দিন (২২)। এরা সকলে আদর্শ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। 
ডিবি সূত্রে জানা যায়, রাতে ডিবির  মো: শাহ কামালা আকন্দ পিপিএম ও এসআই সহিদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম শহরতলীর সাতোরা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করে। 
পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি মারফত জানা যায়, গতকাল ১৮/১১/২০১৬খ্রি: তারিখ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই/সহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় এসআই/ মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম, এএসআই/নজরুল ইসলাম, এএসআই/মোঃ কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ আইন শৃংখলা ডিউটি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে আনুমানিক রাত ১২:৪৫ ঘটিকার সময় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন নোয়াপাড়া সাকিনস্থ ধান গবেষনা অফিসের পশ্চিম পাশের সাতরা সাকিনস্থ যাওয়ার রাস্তার দক্ষিন পাশে পৌছা মাত্রই সেখানে অবস্থানরত ১০/১১ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ডিবি পুলিশের লোক ও গাড়ী দেখে দৌড়ে  পালানোর চেষ্টা কালে আসামী (১) মোঃ মনির হোসেন (২৭), পিতা- মৃত আব্দুল মনসুর, সাং-শালধর (বাদু মিয়ার বাড়ী), (২) মোঃ সোহাগ (২৩), পিতা- আসলাম মিয়া, সাং-আড়াইওড়া (ফারুক মিয়ার বাড়ী), (৩) মোঃ আহসান হাবিব ফুয়াদ (২০), পিতা- তাজুল ইসলাম, সাং-রাজগঞ্জ (রাজ বাড়ী), (৪) মোঃ মেহেদী হাসান বাবু (২০), পিতা- আহম্মদ, সাং-উত্তর চর্থা (তেলিয়া পুকুর পাড়-বাদশা মিয়ার বাড়ী), (৫) মোঃ জহির (২০), পিতা- মৃত আঃ জলিল, সাং-পুরান চৌধুরী পাড়া (সরকার হাউজ), (৬) মোঃ মাইন উদ্দিন (২২), পিতা- মিলন মিয়া, সাং-উত্তর চর্থা (সালাহ উদ্দিনের বাড়ী), সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লাদের আটক করে আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ০১ (এক) টি কাঠের বাট যুক্ত সচল ওয়ান শুটার গান, ০১ (এক) টি কাঠের বাট যুক্ত এলজি , ০২ (দুই) রাউন্ড কার্তুজ গুলি, ০১ (এক)টি কাঠের বাট যুক্ত ছোরা, ০১ (এক) টি কাঠের বাট যুক্ত ছোরা,  ০১ (এক)টি ষ্টীলের বাট যুক্ত ষ্টীলের ছোরা, ০১ (একটি) কাঠের বাট যুক্ত ছোরা।  
ডিবির ওসি একেএম মঞ্জুর আলম জানান, গ্রেফতারকৃতরা আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালীসহ জেলার বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ নানা রকম অভিযোগে মামলা রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


মাঝরাতে সব থেকে বড় খবর!

এতদিন শুধু শোনা যেত! এবার রীতিমতো স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ভিনগ্রহের যান! বিশ্বাস না হলে নিজের চোখেই দেখে নিন সেই ভিডিও ফুটেজ!
#Indoneasia #UFO #Kolkata24x7
https://goo.gl/SkcFfS
ভিনগ্রহের প্রাণীদের ব্যাপারে ধারণা আছে কমবেশি সবারই। অনেকেই এসব কথা হেসেই উড়িয়ে দেন। কিন্তু আসলেই যদি একটি ইউএফও এসে পড়ে আপনার সামনে, তখন কী করবেন ভেবেছেন কখনো?
KOLKATA24X7.COM|BY STAFF REPORTER

ইকবাল মাহমুদ বলেছেন পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি আছে

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, 
পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি আছে।  তবে আগের চেয়ে অনেক কমেছে। নাগরিকদের সেবা পাওয়ার কথা থাকলেও তা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়  পৌঁছাতে পারেনি পাসপোর্ট অধিদপ্তর। ইকবাল মাহমুদ  আরো বলেন, পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনে হয়রানি হয়।  তারা টাকা ছাড়া কাজ করে না।  আমরা আশা করব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টা খতিয়ে দেখবে।  মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর গণশুনানিতে দুদক চেয়ারম্যান  ইকবাল মাহমুদ এসব কথা বলেন।

বলুনতো এটি গড়ার কারিগর কে? যদি আপনি জানেন তাহলে লাইক ও কমেন্ট করে সকলকে জানিয়ে দিন।


ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ জেলা গুয়েন্দা শাখার ওসি মহোদয়ের নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহন করছেন। ...........বশিরুল ইসলাম


কিডনি রোগরে ১০ টি লক্ষণ, জানেন কি ? দেখুন এই লক্ষন গুলো আপনার মাঝে আছে কিনা।

 
কডিনি দহেরে গুরুত্বর্পূণ একটি অঙ্গ। কডিনি রোগ খুব নীরবে শরীররে ক্ষতি করে খুব জটিল অবস্থা না হওয়া র্পযন্ত সাধারণত লক্ষণগুলো ভালোভাবে প্রকাশও পায় না। তাই কডিনি রোগরে প্রাথমকি লক্ষণগুলো আগে থকেইে জেনে রাখা জরুর। লক্ষন গুলো নিম্নে তুলা হলো:-

১. প্রস্রাবে পরর্বিতন

কডিনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরর্বিতন হওয়া। কিডনি সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে।  প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।

২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা
প্রস্রাবের  সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি  ট্র্যাক্ট ইনফকেশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।

৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া

প্রস্রাবের  সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরার্মশ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ একটি লক্ষণ।

৪. দেহে ফোলা ভাব

কিডনি শরীর থেকে র্বজ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি।

৫. মনোযোগ দিতে অসুবধিা হওয়া

লোহিত  রক্তকনিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবধিা হয়।

৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া

কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যওে শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে

৭. ত্বকে র‍্যাশ হওয়া

কিডনি অর্কাযকর হয়ে পড়লে রক্তে র্বজ্য পর্দাথ বাড়তে থাক। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র‍্যাশ তৈরি করতে পারে।

৮. বমি বা বমি বমি ভাব

রক্তে র্বজ্যনীয় পর্দাথ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।

৯. ছোটো ছোটো শ্বাস

কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পর্দাথ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেক ছোট ছোট করে শ্বাস ননে।

১০. পেছেনে ব্যথা

কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়।এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।

সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশ নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তায়


বশিরুল ইসলাম: 
সীমানা জটিলতার কারণে  সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন একই সাথে হওয়ার কথা থাকলে ও শুধুমাত্র নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন র্নিবাচন ডিসেম্বরের ২২তারিখ অনুষ্ঠিত হবে।  তবে আগামী ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে মধ্যে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন করার নির্দেশনা রয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।  এ নিয়ে কাজও শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সম্প্রতি সিটি কর্পোরেশনের সীমানা প্রায় তিনগুণ বাড়ানোর একটি মাস্টার প্লান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মাস্টার প্লানটি ৩ মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করে র্নির্বাচন দিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদেশের কপি কুমিল্লা নির্বাচন অফিসে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত কম সময়ে এই সীমানা বাড়ানোর কাজ করা সম্ভব নয়। সচেতন মহলের মতে, একটি পক্ষ রিট আবেদন করে নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় থাকার অপকৌশল চালাচ্ছে। 
জানা যায়, ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা পৌরসভা ও সদর দক্ষিণ পৌরসভা একীভূত করে ৫৩ দশমিক ০৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনে ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে ২০১১ সালের ১০ জুলাই কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে সীমানা  তিনগুণ বাড়ানোর মাস্টার প্লান করা হয়। ১৫ জুন সিটি কর্পোরেশনের মাসিক সভায় মাস্টার প্লান অনুযায়ী এ এলাকা ৫৩ দশমিক ৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন থেকে বাড়িয়ে ১৫০ বর্গ কিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার ৪ মাস পর গত মাসের প্রথম সপ্তাহে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় সেই প্রস্তাবনা। প্রস্তাবিত ওই মাস্টার প্লান অনুযায়ী বিজয়পুর, চৌয়ারা, গলিয়ারা, পশ্চিম জোড়কানন, জগন্নাথপুর, পাঁচথুবি, দুর্গাপুর উত্তর ও দুর্গাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের আংশিক এলাকা কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
এর ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন সম্পন্ন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ আগামী ২০ ডিসেম্বর সিটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে কাজ শুরু করেছে কমিশন। এর আগে সীমানা সংক্রান্ত মাস্টার প্লান বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। কিন্তু এটি বাস্তাবায়ন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ৫ অক্টোবর হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কাজী মাহাবুবুর রহমান ও নগরীর শুভপুরের বাসিন্দা খুরশিদ আলমের ছেলে হাবিব মিয়া। রিটে এলজিইডি সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সহকারী পরিচালক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিন মাসের মধ্যে মাস্টার প্লান অনুযায়ী কর্পোরেশন এলাকা সম্প্রসারণ করে নির্বাচন করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের সংলগ্ন এলাকা কেন সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না এই মর্মে এলজিইডি সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৬ জনকে চার সাপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. এজারুল হক আকন্দ এই আদেশ দেন। প্রস্তাবিত সীমানা প্রসঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ বলেন, ‘প্রস্তাবিত মাস্টার প্লান বাস্তাবায়ন দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা, হঠাৎ করেই তা সম্ভব নয়। ইউনিয়নের যেসব এলাকা সিটিতে যুক্ত হবে সেসব এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানি শেষে মতামত নিতে হবে।’


কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম দৈনিক ডাকপ্রতিদিনকে জানান,  সিটি কর্পোরেশনের আয়তন বৃদ্ধিসংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশের কপি পেয়েছি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যে  নির্দেশনা দিবে সেই নির্দেশনা মোতাবেক আমি কাজ করবো। তবে আগামী ফেব্রুয়ারী মাসে নির্বাচন হবে কি না এব্যাপারে নিশ্চিত করে কোন কিছু বলতে পারছিনা। তবে স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের  নির্দেশনা পেলে আমরা নির্বাচনের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।  

কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকাবাসীর উদ্যোগে বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্স


বশিরুল ইসলাম: 
গত ১৫ নভেম্বর মঙ্গলবার ১৫দিন ব্যাপী  হাউজিং এস্টেট এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত বয়স্ক কোরআন শিক্ষাকোর্স সম্পন্ন হলো। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ইকরা বাংলাদেশ স্কুল এন্ড মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মো: সোহাইবুল ইসলাম। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে লাখ কোটি শুকরিয়া আদায় করছি যে মহান রাব্বুল আলামীন খুবই চমৎকার একটি বয়স্ক কোরআন শিক্ষা  কোর্স সম্পন্ন করার মত তৌফিক দিয়েছেন। আরো শুকরিয়া আদায় করছি যে, বর্তমান যুগে মানুষ যেখানে নেকের কাজ ছেড়ে দিয়ে গুনাহের কাজে লিপ্ত হচ্ছে এবং কে কার আগে জাহান্নামে যাবে এই প্রতিযোগীতায় মগ্ন হয়ে আছে,  ঠিক সেই মুহূর্তে কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকারবাসীর  উদ্যেগে বিপুল পরিমান পুলিশ সদস্যদের অংশগ্রনে  বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্স সম্পন্ন হয়েছে যা নজিরবিহীন। বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কোর্সে ছবক অনুষ্ঠানে হাইওয়ে পুলিশের সদস্য সহ অন্যানরা উপস্থিত ছিলেন। যাদের অক্লান্তে পরিশ্রমে ছবক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে তারা হলেন-আরিফুল ইসলাম, এনামুল হক, ইমান হোসেন, ওয়াসিম, পারভেজ, সাব্বির ও বয়স্ক ছাত্রবৃন্দ। যেভাবে আমাদের কোর্সটি করানো হয়েছে তা হল- 
১। সহজ পদ্ধতিতে মাত্র ১০দিনে শুদ্ধ করে কোরআন শরীফ পড়া ও অতি সহজে মাত্র তিনটি বিষয় আয়ত্ব করা। ২৯টি হরফ পৃথক-পৃথক ও যুক্ত নাম জানা সূরত চিনা জবর, জের, পেশ, জজম, তাশদীদ এর পরিচয় ও ইহার দ্বারা উচ্চারণ শিক্ষা করা। প্রথমে মোকদ্বামা বলিয়া দেওয়া। কোরআন শরীফের ছয় জায়গায় টান, দুই জায়গায় গুন্না এবং চারটি নিয়মে পড়িতে পারিলে ছহি করে কোরআন শরীফ পড়া যায়। 
প্রথমত : আল্লাহ পাক ফরমান যেই ব্যক্তি আমার পথ অবলম্বন করার চেষ্টা করিবে তাহাকে আমি আমার রাস্তা দেখাইয়া দিব। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী করিম (সঃ) ফরমাইয়াছেন তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম ঐ ব্যক্তি যে কোরআন মজিদ শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়। 
দ্বিতীয়:  দ্বীনি এলেম শিক্ষা করন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ। এই জন্যেই আমরা চেষ্টা করিতেছি। যাহাতে আল্লাহর কালাম আল্লাহর বান্ধাদের কাছে পৌছাইয়া দিতে পারি কি-না! আমাদের কাজ চেষ্টা করা,অন্য কিছুই আমাদের করার ক্ষমতা নাই।  যেমন: আয়নার পেছনে রং লাগাইবার আমাদের কারো ক্ষমতা নেই। এই রং কারখানায় লাগাইয়াছে। কিন্তু উপরে কালি অথবা ময়লা পড়িলে সেই ময়লা নেকরা দ্বারা মুছিয়া পরিস্কার করিয়া দিতে পারি। এরকমই মানুষের অন্তরের মধ্যে আল্লাহ পাক কোরআন শরীফ পড়িবার ক্ষমতা দিয়েই পাঠাইয়াছেন। আমি একটু চেষ্টা করিলেই অন্তরের আবরণ টুকু দূর হইয়া গেলেই ছহি ভাবে কোরআন শরীফ পড়িতে পারিব বলে আশা রাখি, ইনশাল্লাহ। কোরআন শরীফ যে সহজ তাহার উদাহরন যেমন: বাংলা ভাষা শিক্ষা করিতে হইলে ৪৮টি অক্ষর শিক্ষা করিতে হয়। ইংরেজী শিক্ষা করিতে হইলে ২৬প্রকারের অক্ষর শিখিতে হয়। আরবী শিখতে ২৯টি হরফ এ ১৬ প্রকারের নকশা শিক্ষা করিতে হয়। বাংলা ভাষায় হরকত ১২টি, এবং উর্দ্ধু, ইংরেজী ভাষায় যে কত হরকত তাহার হিসেব নেই। আরবী ভাষায় মোট ৫টি হরকত সীমাবদ্ধ, জবর, জের, পেশ, জজম, তাশদিদ। এই জন্যেই দেখা যায় আল্লাহর কালাম সহজ। সহজ পদ্ধতিতে কোরআন শরীফ শুদ্ধ করিয়া পড়িবার কতিপয় নিয়ম: যেই হরফ সেই রকম করলেই মাখরাজের সাথে উচ্চারণ হইয়া যায়। অত:পর যেই হরফ সেই রকম লিখা হইয়াছে। তাহার উচ্চারণ ও সেই রকম। এই জন্যই মাখরাজ পড়াইতে হয়না। ইমানে মোফাজ্জেল: আমানতু বিল্লাহি: ইমান আনিলাম আল্লাহর উপরে। ওয়া মালাইকাতিহি: ইমান আনিলাম ফেরেস্তাদের উপরে। ওয়া কুতুবিহি: ইমান আনিলাম আসমানী কিতাব সমূহের উপরে।  ওয়া রাসুলিহি: ইমান আনিলাম, নবীদের উপরে। ওয়াল ইয়াওমাল আখিরী: ইমান আনিলাম পরকালের উপরে। ওয়াল কাদরী খাইরীহী অশাররিহী মিনাল্লাহি তায়ালা: ইমান আনিলাম ভাল মন্দের তকদীরের উপরে। ওয়াল বাছে বা’দাল মাউত: ইমান আনিলাম মৃত্যুর পরে পুন:জীবিত হওয়ার উপরে। যেমন: আলিফ এই হরফটি সোজা উচ্চারণ ও সহজ। যেমন বা দুই ঠোট মিলায়া বা উপরের ফাকা জায়গার মত ফাকা করিলেই উচ্চারণ হইয়া যায়। এরপর একটি একটি হরফ ব্লাক বোর্ডে লিখিয়া নাম বলিয়া বলিয়া ১৫টি হরফ শিক্ষা দেওয়া।  কিন্তু হরফের সাথে কোন কিছুর তুলনা না দেওয়া কারণ আল্লাহর কালামের সাথে কোন কিছুর সাথে তুলনা করা ঠিক নহে। আমাদের কাজ হরফ শিক্ষা দেওয়া, তুলনা করা বা দেওয়া নয়। যখন আলিফ লিখিবেন তখন আলিফই উচ্চারণ করিবেন। বা  লিখিয়া  বাই উচ্চারণ করিতে হইবে। যাহাতে হরফের পরিচয় হইয়া যায়। 

তোয়া হইতে বাকি হরফ গুলো এভাবে একটি একটি করে শুধু উচ্চারণ করিয়া পড়াইয়া দেওয়া এই বার ২৯টি হরফ এলোপাথারি লিখিয়া জিজ্ঞাসা করা তাহাতে দেখা যাইবে প্রায় লোকেই পারেন। দ্বিতীয় দিনের ছবকটুকু প্রথমেই আবার জিজ্ঞাসা করিয়া দেখিতে হইবে পারে কিনা? এই ভাবে প্রত্যেক দিন পেছনের কিছু কিছু ছবক জিজ্ঞাসা করা যাহাতে ভুলিয়া না যায়। এরপর কাটা হরফ শিক্ষা করা। যেমন:  এক দাত গোল মাথা তিন দাত ছোয়াদের মাথা তোয়া এই নকশাটি মুখস্ত করাইয়া দেওয়া এবং এই নকশায় কতটি হরফ হয় বুঝাইয়া দেওয়া যেমন :এক দাতের নিচে এক নোকতা দিলে বা এক দাতের উপরে এক নোকতা দিলে নুন। এক দাতের উপরে দুই নোকতা দিলে তা। এক দাতের নিচের দুই নোকতা হলে ইয়া। উপরে তিন নোকতা দিলে  ছা। গোল মাথার উপরে এক নোকতা দিলে  ফা। গোল মাথার উপরে দুই নোকতা দিলে কফ। তিন দাত ওয়ালা চিহ্নকে সিন বলে। তিন দাতের উপরে তিন নোকতা দিলে .শিন বলে। ছোয়াদের মাথা .ছোয়াদ। ছোয়াদের মাথার উপরে এক নোকতা দিলে দোয়াদ। তোয়াই তোয়া। তোয়ার উপরে এক নোকতা দিলে  যোয়া। এখন দেখাইয়া দেওয়া এই নকশায় তেরটি হরফ হইল। এবার একটি একটি করে লিখিয়া দেখানো যেমন বুঝে আসে। 
চতুর্থ দিনের ছবক
প্রথমে পূর্বের নকশাটা একটু পড়াইয়া দেওয়া এবং পরপরই নকশা শুরু করা। যেমন : উল্টা দাত হায়ের মাথা আইন, লাম, গোলহা, মিম।  উল্টা দাতের কিছুই হয়না। তবে ডাইনের হরফ মিলানোর জন্য দেওয়া হয়েছে। হায়ের মাথা  হা। হায়ের মাথার উপরে এক নোকতা দিলে খ। হায়ের মাথার নিচে এক নোকতা দিলে জিম। 
আইন আসলে আইনের মাথা  আইন। আইনের উপরে এক নোকতা দিলে  গঈন। লাম. ই.লাম। লামের উপরে কোনা কোনি টান দিলে.কাফ। গোলহা একটি হরফ..হা। মিম.ই একটি হরফ .মিম। এখন দেখাইয়া দেওয়া এই নকশায় মোট  ৯ টি হরফ হইল। এই নকশার হরফ গুলি যোগ দিয়ে দেখাইয়া দেওয়া যেমন : ২২টি হরফ হইল। এখন জিজ্ঞাসা করা কত হরফ বাকী রহিল। যেমন: আলিফ, দাল, জাল, র, জা, হামজা, ওয়াও, এই ৭ হরফের বামে কোন হরফ মিলিবে না। ডানে মিলিতে পারে। এবার পেছনের ছবক একটু একটু বোর্ডে লিখিয়া দেওয়া । 
পঞ্চম দিনের ছবক উপরের কোনাকোনি টানকে জবর বলে। .নিচের কোন কোনি টানকে জের বলে। উপরের কোনাকোনি টানের এক মাথা গোলকে পেশ বলে। .এক জবর, ..এক জের, ...এক পেশ কে হরকত বলে। হরকতের উচ্চারণ তারাতারি করিয়া পড়িতে হয়। আলিফের উপরে হরকত হইলে আলিফকে হামজা বলে। এখন কিছু হরফ মিলাইয়া উদাহরণ দেওয়া। যেমন: উদাহরণ গুলি হরকতের সময় দিলে ভাল হয়। 
উপরের বাঁক্য চিহ্নকে জজম বলে।  জজম ওয়ালা হরফ একা পড়া যায় না। জজম ওয়ালা হরফ তাহার ডাইনের হরফের সাথে একবার পরা যায়। যেমন: ...আব...আদ...আত্ব......আফ এর সাথে সাথে কলকলা বলিয়া দেওয়াও উচ্চারণ দেখাইয়া দেওয়া ..উপরের তিন দাত ওয়ালা চিহ্নিকে তাশ দিদ বলে।  তাশ দিদ ওয়ালা হরফ দুই বার পড়া যায়। একবার ডাইনের হরফের সাথে আর একবার নিজ হরফের সাথে যেমন-....আম্মা...আন্না, মিম এর উপর নুনের উপর তাশ দিদ হইলে গুন্না করিয়া পড়িবে হয়। 
০৬  দিনের ছবক
প্রায় সকল লোকেই বড় ভুল করেন যে, কোরআন শরীফে যেখানে  টান আছে সে খানে দেয় না। যেই খানে নাই সে খানে টান দেয় এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। কিন্তু কোরআন শরীফে মোট ছয় জায়গায় টান আছে। এবং এই ছয় জায়গায় টানিয়া পড়িতে হয়। যেমন: .জবরের বাম পার্শ্বে খালি আলিফ.জেরের বাম পার্শ্ব জজম ওয়ালা ইয়া.. পেশের বাম পার্শ্বে জজম ওয়ালা ওয়াও।..খাড়া জবর...খাড়া জের ...উল্টাপেশ হইলে টানিয়া..পড়িতে হয়।.টানিয়া দেখাইয়া দেওয়া, এক আলিফ টানিয়া পড়িতে হয় বলা যাইতে পারে।এই বাঁকা চিহ্ন দেখিলে বা আসিলে একটু বেশি টানিয়া পড়িতে হয়। অথবা তিন আলিফ টানিয়া পড়িতে হয়। এই চিহ্ন  সোজা আশিলে বা দেখিলে বেশি টানিয়া পড়িতে হয়। যেখানে যতটুকু টান টানিয়া দেখাইয়া দেওয়া। এই দুটি চিহ্ন দেখাইলে বাকী আট প্রকার মদ পড়িতে হয়না এবং এটা ভুলিয়া যাইবে না।  এবার কিছু মদের উদাহারন দেওয়া যেমন:
০ গোল চিহ্নি টি দেখাইয়া ওয়াকফ বুজাইয়া দেওয়া।
কিন্তু কোন মদের নাম বলা যাইবে না। কারণ  মদের নাম  বলিলে স্বরণ থাকিবে না।এবং ঠিকও রাখিতে পারিবেনা। এর পরেই সূরা আল হামদুল্লিাহ হইতে পড়ান শুরু করিতে হইবে।বোর্ডে একটি একটি হরফ লিখিয়া এক একটি হর কত দিয়া শব্দ গঠন করিতে হইবে। এবং শব্দ গঠন করিয়া মিলাইয়া আয়াত বর্ণ করিয়া পড়াইতে হইবে। আন আমতা পর্যন্ত গেলেই নূন ছাকিনের ও নূন তানবিনের কায়দা পড়াইতে হইবে।
নূন ছাকিনের এবং তানবিনের বিবরণ:
... জজম ওয়ালা নূনকে নুন ছাকিন বলে. দুই জবর দুই জের দুই পেশকে নূন তানবিন বলে। নূন ছাকিন এবং নূন তানবিনকে চার প্রকার পড়া যায় যেমন এজাহার ,একলাব এদগাম, এখফা। এইবারে শুধু এজাহার পড়াইতে হইবে:- বাকি গুলো পড়াইতে হয় না।
...এজাহার ভাল তাবে পড়ানো চাই....যেমন: এজাহারের হরফ ছয়টি . এজাহার অর্থ ষ্পষ্ট করিয়া পড়া। নোন ছাকিন ও নোন তানবিন এরপরে এজাহারের ৬হরফের যেকোন হরফ আসিলে ছাকিন ও তানবিন কে ষ্পষ্ট করিয়া পড়িতে হয়। বাকী তিন প্রকার একটু দেখাইয়া দিলেই হইয়া যায়। যেমন....এরকম ইকলাবের সময় সব জায়গায় মিম ....নোনের উপরে ..এ মিম দেখিয়া মিম উচ্চারণ করিলে হইয়া যায়। কায়দা বা নিয়ম শিখাইতে হয়না। 
সপ্তম দিনের ছবক
এদগামের হরফ ৬টি. এদগাম অর্থ মিলাইয়া পড়া যেমন: . জজম একবার পড়া যায় এবং তাজদিদ দুই বার পড়া যায়। যেহেতু জজমের পরে তাজদিদ আসিলে তাজদিদ দেখিয়া পড়িতে হয়। জজম পড়িতে হয়না। কাজেই তাজদিদ দেখিয়া পড়িবে। এদগাম পড়াইতে হয়না। তাজদিদ দেখিয়া পড়িলে অনিচ্ছায় ও উচ্চারণ হইয়া যায়। যেমন: এখানে গুন্নাহ করিতে চাইলে গুন্নাহ করা যায়না। এই ভাবে এদগাম বা গুন্নাহ’র জায়গায় গুন্নাহ হইয়া যায়। বাকী যত হরফ সবই..এখানকার ১৫ হরফ আসিলে নোন ছাকিন ও তানবিনকে গোপন করিয়া পড়িতে হয়। আংতা উদাহরণ.  আংতা পড়ে আমপাড়ার সূরা নাস পড়াইবেন। এক শব্দ এক শব্দ করে আয়াত পূরণ করিয়া ভাল ভাবে পড়াইতে হইবে। প্রত্যেক আয়াত লিখার সাথে সাথে কিছু জায়গায় টান আছে। জিজ্ঞাসা করিতে হইবে তাহা হইলে আর কোন দিন টান ভুল করিবে না। 
৮ম দিনের ছবক সূরা ফালাক ও ঘন্টার শেষের দিকে আয়াত যতদূর পারেন লিখিয়া পড়াইবেন।
নবম দিনের ছবক
 নামাজের তাকবির, তাহমিদ, তাসমিয়া, রুকু ও সিজদার তাছবিহ ও দোয়ায় কুনুত পড়িয়া শেষ করবেন। 
দশম দিনের ছবক:  বি: দ্র: শেষের দিকে বলিয়া দিবেন যে, ছোট এক আয়াত এবং বড় হইলে চার শব্দের বেশি কোন দিন পড়িবে না। এক আয়াত করিয়া পড়িলে কোরআন শরীফ খতম করিতে আঠারো বৎসর ছয় মাস লাগিবে। জীবনে যিনি বিশ বৎসর নামাজ পড়িয়াছেন এবং ইমামের পিছনে যদি দিনে দুই ওয়াক্ত নামাজ পড়িয়া থাকেন তবে বিশ বৎসর ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) বার সূরা ফাতেহা শোনা হইয়াছে। তবু ও এক আল হামদু সূরা ছহী হইলনা। কিন্তু একদিনের এক আয়াত করিয়া সাত দিনে ছহী হইয়া যাইতো।