কুমিল্লা মহানগরীতে চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও খুনের ঘটনায় আটক ২৪জন।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মহানগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২৪ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
কোতয়ালী থানা পুলিশ থেকে প্রাপ্ত  তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে কুমিল্লা মহানগরীতে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি বেড়ে গিয়েছিল শিরোনামে  কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়। এরই প্রেক্ষিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ কুমিল্লা মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩জনকে আটক করে । এরা সকলে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এবং চুরাই মালামাল ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত। তাদের কাছ সাথে ২টি ল্যাপটপ, ১০ টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলো বদরপুর এলাকার সুরুজ মিয়ার পুত্র ফিরোজ মিয়া (২০), দেবিদ্বার খিরাইকান্দির এ.কে.এম মহসিন মিয়াজীর পুত্র সফিউর রহমান,  লক্ষীপুর সদরের উ: টুমচর এলাকার মাহবুবুর রহমানের পুত্র সিয়াম , লাকসাম আঙ্গারিয়ার জসিম উদ্দিনের পুত্র সোহাগ (২০)। এদের সকলকে কুমিল্লা মহানগরীর শাসনগাছা ডাকবাংলো এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে এরা সকলে শাসনগাছা এলাকায় বসবাস করে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। 
অপর এক মামলায় মহানগরীর ধর্মপুর এলাকার সুলতান মিয়ার পুত্র মো: খলিল, মোহন মিয়ার পুত্র সৈকত, তাজুল ইসলামের পুত্র সোহেল ওরফে পিচ্ছি সোহেল, শাহীন মিয়ার পুত্র পাভেল প্রকাশ ফয়সাল, তালতলা চৌমুহনীর নবীর হোসেনের পুত্র মেহেদী, ঠাকুর পাড়ার সুধির কান্তি সরকারের পুত্র জয় সরকার, পাথুরিয়া পাড়ার মোহন মিয়ার পুত্র হৃদয়, রানীর বাজারের বদিউল আলমের পুত্র বাবুল। 
অপর এক মামলায় ঠাকুর পাড়ার আব্দুল ওহাব মিয়ার পুত্র রায়হান, কাটাবিলের মৃত বিল্লাল হোসেনের পুত্র মো: ইনু মিয়া, চিকুনিয়া বর্তমান ঠাকুর পাড়ার বাবুল মিয়ার পুত্র রাব্বি,অশোকতলার শমসের আলীর পুত্র রফিক, আমড়াতলীর মাসুদ মিয়া পুত্র জনি, হারিশ্চাইল কচুয়া বর্তমানে দক্ষিণ চর্থার মৃত শাহজাহান মিয়ার পুত্র নাইম, দাউদকান্দির চাপিতলা বর্তমানে মোঘলটুলীর শামছুল হকের পুত্র সোহেল, চান্দিনা মাধাইয়া বর্তমানে চৌধুরীপাড়ার মনির হোসেনের পুত্র কামাল, কাটাবিলের মনতাজ মিয়ার পুত্র নাসির আহমেদ, রানীর বাজার কেরামত আলীর পুত্র সেলিম। 
এদিকে সোজানগর এলাকার ব্যবসায়ী সহিদ মিয়ার পুত্র শাহজাদা হত্যাকান্ডের ঘটনায় ২জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এরা হলো বরুড়ার দূর্গাপুর এলাকার প্রাণেশ^র আচার্যের পুত্র অর্পন আচার্য। সে বর্তমানে মহানগরীর বাদুরতলা এলাকায় ডা. জোবেদা হান্নান কলোনীর বেবি আক্তারের বাসায় বসবাস করে আসছিল। অন্য একজন হলো ঢাকা রাজবাড়ীর সদর এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে ইশাত ই রাব্বী। সে মহানগরীর তালপুকুরপাড় আবু তাহের মিয়ার বাড়ীতে বসবাস করে আসছিল। এদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, শাহজাদা হত্যার মূল আসামী  সাফায়েত উল্লাহ সৈকত এখনো ধরাছোয়ার বাইরে  এবং সে কয়েকটি মামলার অভিযক্ত আসামী। তার গ্রামের বাড়ী লাকসাম পৌরসভা এলাকার উত্তর-পশ্চিম গ্রামের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আবু মুছা সেলিমের একমাত্র পুত্র। তার মা সাজেদা চৌধুরী কুমিল্লা মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত সেবিকার চাকুরী করে। সাফায়েত উল্লাহ সৈকত ও তার মা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পিছনের গলিতে ‘দারুল জান্নাহ’ নামক ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকে। বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কারণে পূর্বে ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সে বহিস্কৃত হয়েছে। ইতোমধ্যে সে ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে সকল প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে। 
 উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ছালাম মিয়া জানান, আমরা গত দুই দিন যাবত চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি সহ হত্যার ঘটনায় মোট ২৫জনকে আটক করেছি। এদের সাথে চুরির দুটি ল্যাপটপ, ১০টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় আরো যারা জড়িত রয়েছে এদের সকলকে গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। 

কুমিল্লার চান্দিনায় গৃহবধূকে হত্যা স্বামী পলাতক

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লার চান্দিনায় রুনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। উক্ত ঘটনায় রুনার বাবা মো: শাহ আলম চান্দিনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। হত্যার পর থেকে  স্বামী ও শশুরবাড়ীর লোকজন পলাতক  রয়েছে। নিহত গৃহবধু রুনা আক্তার মোহনপুর গ্রামের প্রবাসী আবু মুছার স্ত্রী এবং একই উপজেলার ঘাটিগড়া গ্রামের মো: শাহ আলম ও রিনা আক্তারের মেয়ে। শুক্রবার রাতে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রাম থেকে রাতে  গৃহবধূ রুনার মরদেহ উদ্ধার করে চান্দিনা থানা পুলিশ। ঐ দিন সকালে রুনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী তার পিতা শাহ আলমের। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর পূর্বে পারিবারিক আয়োজনে বিবাহ হয় রুনা ও মুছার। বিবাহের পর স্বামী বিদেশ চলে গেলেও বিভিন্ন অযুহাতে মানসিক ভাবে নির্যাতন করে স্বামী ও শশুর বাড়ীর লোকজন। রুনা’র ২ বছর বয়সের একটি কণ্যা সন্তান রয়েছে নাম মিম (২)। স্বামী মুছা বিদেশ থেকে আসার পর তার উপর শারীরিক ও মানুসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। শুক্রবার সকালে তাকে এলোপাথারী মারধর করলে এক পর্যায়ে মৃত্যু হয় রুনার। ঘটনার পর নিহতের  স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন আত্মগোপন করে এবং খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন থানায় নিয়ে আসে। 



এব্যাপারে চান্দিনা থানা অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। নিহতের পিতা শাহ আলম স্বামীসহ দুইজনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত  সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

চান্দিনায় জেলা প্রশাসককে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচছা।


কুমিল্লা সদ্য যোগদানকৃত জেলা প্রশাসককে চান্দিনা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার চান্দিনা ও বুড়িং সংবাদ দাতা মামুনুর রশিদ সরকার, কুমিল্লার কাগজের বিশেষ প্রতিবেদক রনবীর ঘোষ কিংকর, যায় যায় দিন পত্রিকার চান্দিনা সংবাদ দাতা জাকির হোসেন, বাংলার আলোড়ন পত্রিকার চান্দিনা প্রতিনিধি আব্দুল বাতেন, কুমিল্লার আলো পত্রিকার চান্দিনা প্রতিনিধি জহির রায়হান । 

কুমিল্লা মহানগরীতে ছিনতইকারীর প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মহানগরীতে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে সাধারণ লোকজন। মহানগরীর চিহ্নিত কিছু স্থানে এই ঘটনা গুলো ঘটছে প্রতিনিয়ত। 

ছিনতাইকারীদের কবলে পরাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েকমাস ধরে ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। গত ২০ এপ্রিল সুজানগর চৌমুহনীতে ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে ছুরিকাঘাতে আহত হয় জহিরুল ইসলাম সুমন(২০), সে হেটে যাওয়ার সময় ছিনতাই
কারীরা আক্রমন করে তার মোবাইল টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। টানাহেচড়া করলে ছিনতাইকারীরা তাকে কুপিয়ে জখম করে।

গত ৭ মে কলেজ ছাত্র রফিক (১৮) সালাউদ্দিন হোটেলের দক্ষিণ পাশে টমছম ব্রিজের দিকে হেটে যাওয়ার সময় দামী মোবাইল হারায় ছিনতাইকারীর কবলে পরে। মোবাইল নিয়ে জোরাজুরি করলে তাকে পায়ে কুপিয়ে জখম করে ছিনতাইকারীরা। 
গত ১৮মে  জালাল উদ্দিন (৪৫) ছিনতাইকারীর কবলে পরে সবকিছু হারিয়েছে। তাদের সাথে দস্তাদস্তি করলে তারা তাকে মেরে রক্তাক্ত করে পরে হাত পা বেধে রাস্তার পাশে রেখে চলে যায়। সে  যশোরের গৌগাছা থানার গোয়াতলী মোঘলডাঙ্গা গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে। 
গত ২৩ মে মিঠু (২৬) কুমিল্লা মহানগরীর কান্দিরপাড় থেকে টমছম ব্রিজ যাওয়ার পথে সালাউদ্দিন হোটেলের দক্ষিন পাশে ছিনতাইকারীর কবলে পরে সাথে থাকা সব কিছু হারায় এবং ছিনতাইকারীর ছুরিকা
ঘাতে আহত হয়। সে মহানগরীর গোবিন্দপুর এলাকার আ: গনি মিয়ার ছেলে।

গত ২৪ মে সোহেল (২০) সালাউদ্দিন হোটেলের দক্ষিন পাশে রাত ৮টায় রিক্সা যোগে শাকতলা নিজ বাসায় যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পরে মোবাইল টাকা হারায়। চিৎকার চেচামেচি  করলে তাকে হাতে ও পায়ে কুপিয়ে জখম করে ছিনতাইকারীরা। সে মহানগরীর শাকতলা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। 
এব্যাপারে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু ছালাম মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ২৪ মে আমরা মহানগরীর কিছু চিহ্নিত ছিনতাইকারীকে আটক করে থানায় এসে স্বীকারোক্তি নিয়েছি। তারা বিভিন্ন মামলার সাথে জড়িত রয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করছি। সালাউদ্দিন হোটেলের পাশে এবং টমছম ব্রিজ এলাকায় কারা এই ধরণের ঘটনা গুলো ঘটাচ্ছে তাদের তথ্য নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। 
এব্যাপারে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যে ব্যক্তিগুলো ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছে তাদেরকে থানায় পাঠিয়ে দিন অভিযোগ করার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

২০৩০ সালের মধ্যে কুমিল্লা হেপাটাইটিস বি ভাইরাস মুক্ত করা হবে।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা  লিভার ফোরাম ও নার্সিং ইনস্টিটিউট কর্তৃক আয়োজিত হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস সচেতনতা বৃদ্ধি অন্ষ্ঠুানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় হেপাটোলজি ও গেস্ট্রো এন্ট্রারোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক  ডা. ইজাজুল হক বলেন আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে কুমিল্লাকে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস মুক্ত করতে চাই। এজন্য আপনাদের সকলের সহযোগীতা ও সচেতনতা প্রয়োজন। তাই সাংবাদিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু গ্রামের সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সকলে এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে এবং সকলে এই টিকা গ্রহন করতে হবে । উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. ফরহাদ আবেদীন হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের উপর একটি প্রেজেন্টেশান প্রর্দশন করেন। তিনি তার আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন এই রোগ নিরাময় করা সম্ভব তবে এই রোগের খরচ অনেক বেশি। এখন এ রোগের প্রতিষেধক বের হয়েছে। কিন্তু এই রোগের জন্য যে টাকা খরচ হবে তা সকলের পক্ষে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়ে উঠেনা। উক্ত অনুষ্ঠানে নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ রোকেয়া বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী অনামিকা ভেরোনিকা ছেড়াম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনস্ট্রাক্টর মো: মোবারক হোসেন, শিরিন আক্তার, সেলিনা আক্তার ও মো: মনিরুল ইসলাম সরকার সহ প্রমুখ। 

বরুড়ায় আম পারতে গিয়ে শিশু আহত

বশিরুল ইসলাম:
বরুড়া উপজেলার নরিন গ্রামে গাছ থেকে আম পারতে গিয়ে খবায়েজ (১৫) নামে এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। আহত খবায়েজকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে এখনো মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করছে। 
এলাকাবাসী জানায়, খবায়েজ সকাল আনুমানিক ১০টায় আম পারতে গিয়ে গাছ থেকে পরে নিছে থাকা বাশের কচিতে বিদ্ধ হয়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা দৌড়ে আসলে এই অবস্থা দেখে তাকে প্রথমে কুমেক হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। যেহেতু বাশের কচিটি পেট দিয়ে প্রবেশ করে পিঠ দিয়ে বের হয়েছে সেহেতু এটি বের করা বিপজ্জনক বিধায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। 

কুমিল্লায় দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা টাউন হল মাঠে  বেলুন উড়িয়ে  দিনব্যাপী স্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: জাহাংগীর আলম।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায়  আমার স্বাস্থ্য আমার উন্নতির সোপান শ্লোগানে সূর্যের
হাসি ক্লিনিক,স্বনির্ভর বাংলাদেশ,কুমিল্লা সদর ও সংরাইশ(ছোটরা) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক মো: জাহাংগীর আলম। কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: কামাল উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-,স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রকল্প পরিচালক একেএম জাহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম বড়–য়া,পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মাহবুবুল করিম,আদর্শ সদর কর্মকর্তা চৌধুরী মোর্শেদ আলম,জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের সদস্য নারীনেত্রী পাপড়ি বসু, সিটি কাউন্সিলার ইমরান বাচ্চু, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ম্যানেজার কাজী ইকরাম হোসেন,প্রকল্প পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম,ক্লিনিক ম্যানেজার মোহাম্মদ রাজু হোসেন।
এর আগে কুমিল্লা টাউনহল থেকে স্বাস্থ্য সচেতনাতায় বিভিন্ন ব্যানার -ফেস্টুন নিয়ে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আগত অতিথিরা স্বাস্থ্যমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
মেলায় ২৫টি স্টলে দিনভর কুমিল্লার মানুষের বেশ সমাগম ছিলো।সুর্যের হাসি ক্লিনিক স্টলে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়।

চান্দিনায় মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম।

বশিরুল ইসলাম:
     কুমিল্লার জেলার চান্দিনা থানার মাইজখার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মনির হোসেনকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। মাথায়, দুই হাত ও বাম পায়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে জানিয়েছে তার বড় ছেলে পারভেজ ইমতিয়াজ মিঠু। 
         মিঠু আরো জানায়, কোন কারণ ছাড়াই আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেলিম চেয়ারম্যানের লোকজন কুপিয়ে জখম করে।  আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমার বাবাকে নির্মম ভাবে কুপিয়ে জখমের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।  
            উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম সুমন জানান, মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় বিশ^াসী লোকদেরকে গুপ্তহত্যা চালিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে জামাত বিএনপি’র লোকেরা এখনো তৎপর রয়েছে। তারা দেশের শান্তি ও মঙ্গল চায়না। এরা সরকারের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করতে চায়। এদের ব্যাপারে দল এখন থেকে সিদ্ধান্ত না নিলে তারা এক সময় বিষফোড়া হয়ে দাড়াবে। 
                    মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো: জামাল হোসেন জানান, সেলিম চেয়ারম্যান ও তার গুন্ডা বাহিনী গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় সেলিম মাস্টারের বাড়ীর সামনে তাকে কুপিয়ে জখম করে। মনির হোসেনের মাথায়, হাতে পায়ে গুরুতর জখম হলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। 

চান্দিনা বার্তা ফেইসবুক আইডিতে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

চান্দিনা বার্তা ফেইসবুক আইডিতে গত ১৭ মে ২০১৭ ইং তারিখে জোয়াগ ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি নাছির তালুকদার ও শাহপরান তালুকদার বহিস্কৃত শিরোনামে সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন । প্রতিবাদ লিপিতে তারা উল্লেখ করেন   সংবাদকটি সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। কেননা গত ১২ মে ২০১৭ চান্দিনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি সম্পর্কে জরুরী মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ¦ মো: খোরশেদ আলম। চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সভাপতি কাজী ইঞ্জিনিয়ার শাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি ও চান্দিনার পৌরসভা বিএনপি সভা
পতি এবিএম সিরাজুল ইসলাম, চান্দিনা  উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মফিজুল ইসলাম ভূঞা এবং চান্দিনার পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক (মেয়র) শাহ্ মুহাম্মদ আলমগীর খাঁন সহ উপজেলা যুব দলের নেতৃবৃন্দ। চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাও. আবুল খায়ের।  উক্ত সভায় জোয়াগ ইউনিয়ন বা কোন ইউনিয়নের যুবদলের কোন নেতা বা কর্মী বহিস্কারের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি । 
মো: নাছির উদ্দীন তালুকদার ও শাহপরান তালুকদার জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ আলহাজ¦ খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাথে পূর্বে ছিলাম বর্তমানে আছি ভবিষ্যতেও থাকব। নেতা  আমাদেরকে যেভাবে বলবে সেভাবে দলের স্বার্থে কাজ করে যাব। একটি মহল আমাদের প্রতি ঈর্ষানিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কে দুর্বল করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে দলকে ভাঙ্গতে চায়। আমরা শতর্ক আছি তাই তা হতে দেবনা। আগামীতে কেউ এই ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি আইনে আমরা বিজ্ঞ আদালতের সাহায্য নিব। 
চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাও. আবুল খায়ের এ বিষয়ে জানান, দলীয় অফিসে আমাদের চান্দিনা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে জরুরী সভা হয়েছিল। সেদিন আমাদের প্রিয় নেতা আলহাজ¦ খোরশেদ আলম সাহেব উপস্থিত ছিলেন। গত ১২ মে ২০১৭ তারিখের সভায় যুবদলের কোন নেতা বা কর্মী বহিস্কারের বিষয়ে  আলোচনা হয়নি। বহিস্কারের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। 
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আলহাজ¦ খোরশেদ আলম এ বিষয়ে জানান, গত ১২ মে শুক্রবার ২০১৭ ইং তারিখে চান্দিনা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠনের ব্যাপারে জরুরী সভা আহ্বান করা হয়েছিল। সেখানে বিএনপি’র বিভিন্ন অংগসংগঠনের নানান কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা সেদিন সকলকে পিছনের সব কিছু ভুলে সামনের দিকে ভালভাবে কাজ করা এবং দলের ভাবমুর্তিকে কিভাবে আরো ফুটিয়ে তোলা যায় সেভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু যুবদলের কোন নেতা বা কর্মীকে বহিস্কারের ব্যাপারে কোন আলোচনা হয়নি। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। 

এ.কে.এম মনজুর আলম কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম মনজুর আলম। ১৪৩২ কেজি গাজা, ১০৭৪০পিস ইয়াবা উদ্ধার,নিয়মিত মামলায় ৮২জন আসামী ও ১১৬জন অন্যান্য আসামী সফলতার সাথে গ্রেফতার
করায় তাকে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার  মো: শাহ আবিদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিবিআই (কুমিল্লা) আপেল মাহমুদ সহ প্রমুখ। 

পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘরে আগুন ২.৫লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার এলাকার বিবিশাহ মাজারের পশ্চিমপাশে রিক্সা চালক শফিকুল ইসলামের ঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটে গত ১২ মে দিবাগত রাত ১টায়। আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে প্রায় ২.৫লক্ষাধিক টাকার মালামাল। ঘটনাটি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটেছে বলে ধারনা পরিবারের লোকদের। 
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রিক্সা চালক শফিকুল ইসলাম চান্দিনা শশুরবাড়ীতে বেড়াতে গেলে গত ১২ মে দিবাগত রাত ১টায় ঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা টের পেয়ে দৌড়ে এসে দেখে ঘরের সব কিছু পুড়ে ছাই। কোন কিছুই ভাল অবস্থায় উদ্ধার করা যায়নি। ঘরের মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমি এ বাড়ী ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে মৃত ইমান আলীর ছেলে জামাল ও মৃত কাজী ফজর আলী ছেলে মালেক। মালেক অবৈধ ব্যবসা করে । আমার বাড়ীটি ছেড়ে না দিলে  ডিবি পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়েছে কয়েকবার। পূর্বে আমাদের বাড়ীতে অবৈধ মাল রেখে ডিবি পুলিশকে খবর দিয়ে উল্টো আমাদের নামে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। আমাদের বাড়ী দখলের জন্য নানাভাবে হয়রানি করেছে জামাল ও মালেক। 
অরণ্যপুর গ্রামের  ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার রিপন মাস্টার জানান, গত ১২ মে রাত ১২টা কিংবা ১টায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি সাথে চেয়ারম্যান সাহেব ও গিয়েছে কিন্তু কে বা কাহারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাহা আমরা জানি না । জামাল ও মালেকের ব্যাপারে চেয়ারম্যান সাহেবের নিকট কেউ কিছু বলেনি বা আমার কাছেও কেউ কিছু বলেনি। 

৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন জানান, বিবিরবাজার বিবিশাহ মাজারের সাথের বাড়ীতে আগুন লেগেছে শুনে আমি বাড়ীটি দেখতে গিয়েছিলাম। গভীর রাতে বাড়ীতে আগুন লেগেছে বিধায় কে বা কাহারা আগুন দিয়েছে কোথায় থেকে লেগেছে বা কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আগুন লাগিয়েছে কিনা তা বুঝা যাচ্ছেনা। তবে এখানে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা । শুনেছি থানায় জিডি করা হয়েছে। 


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অনেুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ইন্টার্ণীশীপ সমাপ্ত।

বশিরুল ইসলাম।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্ণশীপ সমাপ্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী। এসময়  উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকার, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান , শিক্ষক-শিক্ষিকা, ডাক্তার ও কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ। মঞ্চ উপবিষ্ট ইণ্টার্ণ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. নুরুদ্দিন মোহাম্মদ ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈকত দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাপস চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. নাজিফা তাজরিন অর্থি। 

কুমিল্লা জেলায় ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ ৮০ভাগ সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম

বশিরুল  ইসলাম: 
সারাদেশের ন্যায়  কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলায় ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালানাগাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যরা  কঠোর পরিশ্রম করে এই তথ্য হালনাগাদের কাজটি  করছে। বিভিন্ন থানায় তথ্য হালানাগাদ প্রায় ৮০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।  কুমিল্লা জেলার অধিকাংশ থানায় ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কোতয়ালী থানায়  অধিকাংশ ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদ সম্পন্ন ও চান্দিনা থানা ভাড়াটিয়াদের  ৯০ ভাগ তথ্য হালানাগাদ সম্পন্ন । আগামীকাল বৃহস্পতিবার চান্দিনা থানার ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। কোতয়ালী থানার ভাড়াটিয়াদের তথ্য দ্রুত গতিতে হালানাগাদের কাজ চলছে। এই থানায় ভাড়াটিয়ার সংখ্যা বেশি।  এই কার্যক্রমটি চলমান প্রক্রিয়া তাই সব সময়ই ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ করা হবে । বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে-

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ছালাম মিয়া জানান, ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ একটি চমকপ্রদ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় আপনি চাইলে যে কোন ভাড়াটিয়ার বিস্তারিত তথ্য ২০ সেকেন্ডের মধ্যে জানতে পারবেন। প্রথম দিকে আমরা ৮ থেকে ১০ হাজার ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদ করতে সক্ষম হয়েছি পরবর্তীতে একটি চমকপ্রদ প্রক্রিয়ায় নতুন করে কাজ করছি। এই চমকপ্রদ প্রক্রিয়াটির আমিই উদ্যোক্তা। সকল থানাকে  এই প্রক্রিয়ায় করার জন্য বলা হয়েছে। প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হলে ভাড়াটিয়াদের জন্য যেমন ভাল হবে তেমনি বাড়ির মালিকদের জন্যও ভাল হবে। আশা করি এটি দ্রুত সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হবে। 

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, আমাদের থানায় ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামীকাল আমাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হবে। তবে যেহেতু এটি চলমান প্রক্রিয়া তাই এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।
  
সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, কোটবাড়ী এলাকায় ৫০% এবং ইপিজেড এলাকায় ২০% সব মিলিয়ে প্রায় ৩০% ভাড়াটিয়া তথ্য হালনাগাদ সম্পন্ন হয়েছে। এপর্যন্ত প্রায় ২৫০০ ভাড়াটিয়ার তথ্য আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি। 

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবুল ফয়সল জানান, আমাদের থানায় ৯টি ওয়ার্ড সহ অধিকাংশ স্থানের ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ প্রায় ৮০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার ভাড়াটিয়াদের তথ্য আমরা হালনাগাদ করতে পেরেছি আশা করছি এ মাসের মধ্যে তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। 

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার দে জানান, ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা ভাড়াটিয়াদের তথ্য এখন শুধুমাত্র ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করছি। কম্পিউটারে তথ্য অন্তর্ভুক্ত শেষে বলতে পারবো কতজন ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। 

মুরাদগনর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএমবদিউজ্জামান জানান, ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহ করছি। আমাদের পুলিশ সদস্যরা তথ্য সংগ্রহ করছে। এপর্যন্ত প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। আশা করি অতি শীঘ্রই ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কাজটি সম্পন্ন করতে পারবো। 

লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, আমাদের থানায় ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় ৭০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে শতভাগ কাজ সম্পন্ন করতে পারবো। 

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আয়োব জানান, আমরা এপর্যন্ত ৮০জন ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। আমাদের ভাড়াটিয়া তথ্য হালানাগাদ প্রায় শেষ পর্যায়ে। 

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল আলম জানান, ভাড়াটিয়াদের তথ্য হালনাগাদ করছি। তবে আপনাকে কোন তথ্য দেওয়া যাবেনা। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা রয়েছে। 

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: গোলাম রসুল নিজামী জানান, আমাদের থানায় ভাড়াটিয়া

দের তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া প্রায় ৮০ভাগ সম্পন্ন করতে পেরেছি। এপর্যন্ত ৭১৭জন ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। আশা করি আগামী কিছুদিনের মধ্যে তথ্য হালনাগাদ শেষ করতে পারবো।

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, আমাদের থানায় ৬০ভাগ ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন। আগামী ১৫দিনের মধ্যে আশা করছি হালনাগাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবো। 

দেবিদ্বার থানার প্রাপ্ত কর্মকর্তা  মো: মিজনুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে রাত ৮টায়  যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। 

কুমিল্লা জেলা সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেন বিপিএম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমাদের কাছে এখনো ভাড়াটিয়াদের পুরো তথ্য এসে পৌছায়নি। আশা করি অতি শীঘ্রই তথ্য গুলো সংগ্রহ করে একটি সুন্দর ডাটাবেইজ সাধারণ মানুষকে উপহার দিতে পারবো। আমাদের পুলিশ সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করে এই তথ্য সংগ্রহ করছে। সকলের সহযোগীতায় আমরা এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে চাই। এপর্যন্ত প্রায় ৮০ভাগ ভাড়াটিয়ার তথ্য সংগ্রহ হয়েছে অল্প কিছুদিনের মধ্যে আপনাদের সামনে একটি সুন্দর চমকপ্রদ ভাড়াটিয়াদের তথ্য ভান্ডার উপস্থাপন করতে পারবো। 

কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন নিহত।

বশিরুল ইসলাম:
                    কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর  ব্রীজের উত্তর পাশে রেলওয়ে খুটি কি: মি: ১৫৭/০ সীমানায় আশরাফুল ইসলাম (২৫) এবং গোমতী নদীর ব্রীজের দক্ষিন পাশে রেলওয়ে খুটি কি: মি: ১৫৪/৮ কুমিল্লা সেকশন সীমানায় মোসা: শাহিদা আক্তার  (২৩) নামে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত আশরাফুল মাথা দেহ থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং মোসা: শাহিদা আক্তারের শরীর খন্ড খন্ড হয়ে যায়।  
                        
জানা যায়, গতকাল (৭ মে) দুপুর আনুমানিক ২টায় একই ট্রেনে কাটা পরে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত আশরাফুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কাপ্তান বাজার এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।  এবং মোসা: শাহিদা আক্তার একই জেলার বরুড়া উপজেলার ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে। 
আশরাফুল ইসলামের বাবা শফিকুল ইসলাম জানান, আমার ছেলে মেধাবী ছাত্র ছিল। এসএসসি পরীক্ষার পর মানুষিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সে মানুষিক রোগে ভোগছিল। দীর্ঘদিন ধরে মানুষিক ভারসাম্যহীনভাবে এদিক সেদিক ঘোরাফেরা করতো। 
                             
এদিকে মোসা: সাহিদা আক্তারের স্বজনরা জানান, গতকাল (৭ এপ্রিল) পারিবারিক কলহের জেরে মান অভিমান করে সকালে বাড়ি থেকে বের হয় শাহিদা। দুপুর ২.৩০টায় লোক মারফত জানতে পারি শাহিদা ট্রেনের নিচে আত্মহত্যা করে । আমরা খবর শোনে দ্রুত কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন জিআরপি থানায় যোগাযোগ করে ঘটনার সত্যতা পাই। থানার নিয়মকানুন শেষে আমরা লাশ বাড়ীতে নিয়ে দাফন করবো। 
                                       
কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাড়ীর এএসআই মো: করিমুল হক জানান, কুমিল্লা রেলওয়ে সীমানা কি:মি: ১৫৪/৮ ও ১৫৭/০ মুড়াপাড়া ও পালপাড়া এলাকায় ট্রেনে কাটা  দুই ব্যক্তির মৃত দেহ উদ্ধার করি। উক্ত ঘটনায় লাকসাম রেলওয়ে থানায় দুটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃতদেহ গুলো ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহত দুই ব্যক্তির স্বজনদের আমরা পেয়েছি এবং তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছি। 

কুচাইতলী ফুটবল ক্লাব ৩-১ গোলে বিজয়ী।

বশিরুল ইসলাম: 
ক্রাউন সিমেন্ট চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট-২০১৭  আয়োজিত  গতকাল  বিবির বাজার স্কুল মাঠে কুচাইতলী ফুটবল ক্লাব বনাম মোহামেডান ক্লাব দাউদকান্দি এর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় কুচাইতলী ফুটবল ক্লাব ৩-১ গোলে মোহামেডাম ক্লাব দাউদকান্দিকে পরাজিত করে । এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দুই বার নির্বাচিত ও চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়াম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার মো: শাহাজাহান সাজু, আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কুমিল্লা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আব্দুল কাদের, কুচাইতলী ফুটবল ক্লাবের ম্যানেজার মো: শফিউল বাশার, উপদেষ্টা মো: ইসলাইল হাজারী,  উপদেষ্টা মো: আব্দুল খালেক বাসির, শিমুল, জাহিদ, রনি, মোজাম্মেল, কাদের, কাইয়ুম প্রমুখ। খেলা শেষে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ পুরস্কার পায় কুচাইলতলী  ফুটবল ক্লাবের খেলোয়ার ।  

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে মেধাতালিকায় ৭ম আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ।

বশিরুল ইসলাম: 
                                     কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে চান্দিনা উপজেলার আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মেধাতালিকায় ৭ম এবং চান্দিনা উপজেলায় একমাত্র শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়, তৃতীয় স্থানে রয়েছে চিলোড়া পূর্ব অম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চতুর্থ স্থানে রয়েছে করতলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পঞ্চম স্থানে রয়েছে এতবারপুর আজম উচ্চ বিদ্যালয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এবছর শতভাগ পাশকরা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মডেল কলেজ, এথনিকা এন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, আওয়ার লেডী ফাতেমা গালর্স হাই স্কুল, ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্টমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, চান্দিনা উপজেলার আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুরের দ্যা চার্টার একাডেমী, ব্রাহ্মনবাড়িয়ার উজানচর কে.এন হাইস্কুল, নোয়াখালী জিলা স্কুল, নোয়াখালী জেলার জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল একাডেমী, ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজ, ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লক্ষীপুরের প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল। চান্দিনা উপজেলায় সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে ওরাইন উচ্চ বিদ্যালয় তাদের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৬জন পাশ করেছে ১২জন। সারাদেশে একেবারে পাশ করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৩টি। 
                                         উল্লেখ্য এবছর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে মোট ১লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১লাখ ৮ হাজার ১১জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৫০জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ২৫০৪জন কম। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবছর পাসের হার কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নম্বর প্রদান নির্দেশিকা অনুযায়ী এবার সব পরিক্ষক একইভাবে খাতা মূল্যায়নের কারণে ফলাফলের এই চিত্র বের হয়েছে। 


                                            জানা যায়, চান্দিনা উপজেলায় আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়, আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,  আবেদা-নূর ফাজিল মাদ্রাসা (শতভাগ পাশ)  আবেদা-নূর বিএম কলেজ সহ সকল প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই চান্দিনা , কুমিল্লা তথা সারাদেশে মেধাতালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী সহ অসংখ্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ও মন্ত্রণালয়ে কর্মরত রয়েছে।  তাই এই প্রতিষ্ঠানের ভাল ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরা রাখা সকলের দায়িত্ব বলে মনে করেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। 
                                                   এদিকে আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান গণি জানান, আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে সুনামের সহিত সারা দেশে ফলাফলের দিক দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে আসছে। এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিক উচ্চ বিদ্যালয় ও আবেদা-নূর ফাযিল মাদ্রাসা ভাল ফলাফল করায় আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের সকল শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি আগামীতে আবেদা-নূর কমপ্লেক্সের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাল ফলাফল বোর্ডে শীর্ষ স্থান ধরে রাখবে। সাবেক শিক্ষা সচিব মরহুম ঈরশাদুল হক সাহেব এর নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান আবেদা-নূর ফাউন্ডেশন বর্তমানে জাতীয়
ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত।
                                                 আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুলশানারা জানান, আমরা আশানুরুপ ফলাফল পাইনি। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৮জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে ৪জন এ+ পেয়েছে, ৩০জন এ পেয়েছে এবং ১৪জন এ-পেয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এরকম ফলাফল বিপর্যয় না হলে হয়তো আরো ভাল ফলাফল করতে পারতো আমাদের শিক্ষার্থীরা। 




কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে মেধাতালিকায় ৭ম আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে চান্দিনা উপজেলার আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মেধাতালিকায় ৭ম এবং চান্দিনা উপজেলায় একমাত্র শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়, তৃতীয় স্থানে রয়েছে চিলোড়া পূর্ব অম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, চতুর্থ স্থানে রয়েছে করতলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পঞ্চম স্থানে রয়েছে এতবারপুর আজম উচ্চ বিদ্যালয়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এবছর শতভাগ পাশকরা প্রতিষ্ঠান ১৪টি প্রতিষ্ঠান গুলো  হলো-কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মডেল কলেজ, এথনিকা এন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, আওয়ার লেডী ফাতেমা গালর্স হাই স্কুল, ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ক্যান্টমেন্ট বোর্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, চান্দিনা উপজেলার আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুরের দ্যা চার্টার একাডেমী, ব্রাহ্মনবাড়িয়ার উজানচর কে.এন হাইস্কুল, নোয়াখালী জিলা স্কুল, নোয়াখালী জেলার জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল একাডেমী, ফেনী গালর্স ক্যাডেট কলেজ, ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লক্ষীপুরের প্রতাপগঞ্জ হাই স্কুল। চান্দিনা উপজেলায় সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে ওরাইন উচ্চ বিদ্যালয় তাদের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৬জন পাশ করেছে ১২জন। সারাদেশে একেবারে পাশ করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৩টি। 

                জানা যায়, চান্দিনা উপজেলায় আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়, আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,  আবেদা-নূর ফাজিল মাদ্রাসা (শতভাগ পাশ)  আবেদা-নূর বিএম কলেজ সহ সকল প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই চান্দিনা , কুমিল্লা তথা সারাদেশে মেধাতালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী সহ অসংখ্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ও মন্ত্রণালয়ে কর্মরত রয়েছে।  তাই এই প্রতিষ্ঠানের ভাল ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরা রাখা সকলের দায়িত্ব বলে মনে করেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। 

                  এদিকে আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান গণি জানান, আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে সুনামের সহিত সারা দেশে ফলাফলের দিক দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে আসছে। এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিক উচ্চ বিদ্যালয় ও আবেদা-নূর ফাযিল মাদ্রাসা ভাল ফলাফল করায় আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনের সকল শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি, কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি আগামীতে আবেদা-নূর কমপ্লেক্সের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাল ফলাফল বোর্ডে শীর্ষ স্থান ধরে রাখবে। সাবেক শিক্ষা সচিব মরহুম ঈরশাদুল হক সাহেব এর নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান আবেদা-নূর ফাউন্ডেশন বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। 
আবেদা-নূর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুলশানারা জানান, আমরা আশানুরুপ ফলাফল পাইনি। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৮জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে ৪জন এ+ পেয়েছে, ৩০জন এ পেয়েছে এবং ১৪জন এ-পেয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এরকম ফলাফল বিপর্যয় না হলে হয়তো আরো ভাল ফলাফল করতে পারতো আমাদের শিক্ষার্থীরা। 

               বিভিন্ন সূত্রে জানা যায, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নম্বর প্রদান নির্দেশিকা অনুযায়ী েএবার সব পরিক্ষক একই ভাবে খাতা মূল্যায়নের ফলে ফলাফলের এই চিত্র। 

                 
উল্লেখ্য এবছর ১লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১লাখ ৮ হাজার ১১জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৫০জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ২৫০৪জন কম। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবছর পাসের হার কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। 



কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ কমেছে

ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখায় ফলাফল বিপর্যয়। 

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা  শিক্ষাবোর্ডে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ কমেছে ব্যাপকভাবে। ব্যবসায় ও মানবিক শাখায় ফলাফলে বিপর্যয় ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। এবছর পাসের হার ৫৯.০৩ শতাংশ। গণিতে ৩৪ হাজার ৬৮৯ এবং ইংরেজীতে ২৫ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক  ভাল ফলাফল করলেও মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীরা গণিত ও ইংরেজীতে খারাপ করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় মাত্র ৮২জন শিক্ষার্থী এবং মানবিক শাখায় মাত্র ৩০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।  ফলাফলে বিপর্যয়ে ইংরেজী ও গণিত শিক্ষার্থীদের প্রভাব পরেছে বেশি।  
এবছর কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে মোট ১লাখ ৮২ হাজার ৯৭৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১লাখ ৮ হাজার ১১জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৪৫০জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবছর জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ২৫০৪জন কম। গত বছর পাশের হার ছিল ৮৪ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবছর পাসের হার কমেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ জানান, গণিতে আশঙ্কাজনক হারে ফেল করায় সামগ্রিকভাবে ফলাফলে প্রভাব পড়ছে। চলতি বছর ৩৪ হাজার ৬৮৯ জন শিক্ষার্থী সাধারণ গণিতে অকৃতকার্য হয়েছিল। 


ডিবি পুলিশের অভিযানে গাজী, ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র সহ আটক তিন।

প্রেস ব্রিফিং  :
 গত-০৩/০৫/১৭ খ্রিঃ এসআই/মোঃ নজরুল ইসলাম, সঙ্গীয় এসআই/ মোঃ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম, এএসআই/নন্দন চন্দ্র সরকার, কং/১২৩৩ স্বপন কুমার দে, কং/৬৫৮ মোঃ ইসমাইল হোসেন, কং/৬১৩ মোঃ কামাল উদ্দিন, কং/১০৮১ দয়াল কান্তি চাকমা, কং/১৫১৪ সাইফ উল্লাহ, কং/১০৬৭ আঃ হাই, কং/৬৭০ জ্ঞানময় চাকমা, সকলেই জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লাগণদের নিয়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি পরিচালনা কালে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৩/০৫/১৭ খ্রিঃ তারিখ রাত্র ২৩:৫৫ ঘটিকার সময় বুড়িচং থানাধীন, এবদারপুর সাকিনস্থ গোমতী নদীর বেড়ীবাঁধ পাকা রাস্তার কামাল মিয়ার চায়ের দোকানের পূর্ব পাশের্^ পাকা রাস্তার উপর পৌছা মাত্রই তথায় অবস্থানরত অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ডিবি পুলিশের লোক হিসাবে চিনিতে পারিয়া দৌড়াইয়া পালানোর চেষ্টা কালে, এসআই/মোঃ নজরুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সদের সহায়তায় ধাওয়া করিয়া আসামী (১) মোঃ আমির হোসেন (৩৭), পিতা- সিরাজুল ইসলাম, সাং-বাজেবাহের চর @ লাড়বাগ, থানা-বুড়ি
চং, জেলা-কুমিল্লাকে আটক করতঃ উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় উক্ত ধৃত আসামীর দেহ তল্লাশী করিয়া তাহার কোমড়ের পিছনে পরিহিত প্যান্টের নীচে গুজানো অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র একটি দেশীয় তৈরী এলজি এবং তাহার পরিহিত প্যান্টের ডান সাইডের পকেট হইতে ০১ রাউন্ড কাতুর্জ গুলি উদ্ধার করিয়া এসআই/মোঃ নজরুল ইসলাম ০৪/০৫/১৭ খ্রিঃ তারিখ রাত্র ০০:১০ ঘটিকার সময়  উক্ত আগ্নেয়াস্ত্র একটি দেশীয় তৈরী এলজি ও ০১ রাউন্ড কার্তুজ গুলি আলামত হিসেবে জব্দ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ধৃত আসামী তাহার নাম, ঠিকানা প্রকাশ করে এবং সাক্ষীদের মোকাবেলায় স্বীকার করে যে, সে উক্ত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি নিজ দখল ও হেফাজতে রাখিয়া ছিনতাই করার জন্য উক্ত স্থানে অবস্থান করিতেছিল। উক্ত আসামীকে আরও জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, উক্ত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি নিজ দখল ও হেফাজতে রাখিয়া নিজ এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী মূলক কার্যকলাপ করিয়া আসিতেছে। আসামীকে ধৃত করার সময় সে এলাকার একজন চিহ্নিত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, বলিয়া জনশ্রুতি পাওয়া যায় এবং এবং তাহার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা মোকদ্দমা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রহিয়াছে মর্মে বলিয়া জ্ঞাত হইয়া উক্ত ঘটনায় এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে এজাহার দায়ের করিয়াছেন। একই অভিযানে  কোতয়ালী মডেল থানাধীন, আমতলী সাকিনস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অভি আবাসিক হোটেল এর এর সামনে রাস্তার উপর পৌছিয়া তথায় ঢাকাগামী একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকার, যাহার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-গ-২২-৭২৭৬ গাড়ীটিকে আটক করত গাড়ীর চালক উক্ত শামীম রহমান এবং সহযোগী আসামী (২) মোঃ মীর রাকিবুলদ্বয়কে আটক করতঃ উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় উক্ত আসামীদ্বয়ের দেহ তল্লাশী শেষে আসামীদের ব্যবহৃত বর্ণিত গাড়ীটি তল্লাশী করিয়া গাড়ীর পিছনের সীটের উপর ০২টি  চটের বস্তায়, প্রতি বস্তায় ২৫ কেজি করিয়া (২৫দ্ধ২)=৫০ কেজি গাঁজা এবং গাড়ীর পিছনের বক্সে ০২টি  চটের বস্তায়, প্রতি বস্তায় ২৫ কেজি করিয়া (২৫দ্ধ২)=৫০ কেজি গাঁজা, সর্ব মোট (৫০+৫০)=১০০ কেজি গাঁজা ও একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকার, যাহার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-গ-২২-৭২৭৬ জব্দ করা হয়।  চান্দিনা থানাধীন, রূপনগর সাকিনস্থ হারুন ভূঁইয়ার বাড়ীর সামনে রূপনগর রাস্তার উপর হইতে আসামী (১) মোঃ মহরম আলী (২৯), পিতা- মৃত গনি মোল্লা, সাং-ধানসিড়ি, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা, (২) মোঃ বিল্লাল মিয়া (২৫), পিতা- মৃত সাদেম আলী, সাং-রূপনগর, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লাদ্বয়কে ধৃত করত উক্ত আসামীদ্বয়ের দখল ও হেফফাজত হইতে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (অ্যাম্ফিটামিন মাদকদ্রব্য) উদ্ধার করা হয়। বর্ণিত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় প্রযোজ্য ধারায় এজাহার দায়ের করা হইয়াছে।



কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ডাক্তারদের সাইন্টিফিক সেমিনার -

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) কুমিল্লার আয়োজনে এবং বেক্সিকো ফার্মা’র সহযোগীতায় সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।  সেমিনা
রে সামনের সাড়িতে বসে সেমিনার উপভোগ করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আব্দুল লতিফ, গাইনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. করুণা রাণী কর্মকার, ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা, বিএমএ কুমিল্লার সাবেক সভাপতি ডা. গোলাম মহিউদ্দীন দিপু,  সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ। 
গতকাল বুধবার (৩ মে) সকাল ১১.৩০ঘটিকা থেকে একটানা দুপুর পর্যন্ত এ সেমিনার চলে। সেমিনারে বেক্সিকো ফার্মা’র এসিফিক্স (অপরভরী) প্রোডাক্ট এর বিশদ আলোচনা হয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মহসিন উজ জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ডা. মাহমুদ হাসান, সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমএ কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক ডা. আতাউর রহমান জসিম, সাইন্টিফিক সাব কমিটির চেয়ারম্যান ও কুমেক উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক  ডা. কে. এ মান্নান, প্রোডক্ট প্রেজেন্টেশন করেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লি. (হাসপাতাল শাখা) নির্বাহী ডা. তানজিমুল ইসলাম সৈকত, আরো বক্তব্য রাখেন বিএমএ কুমিল্লার সহ-সভাপতি ও সিভিল সার্জন ডা. মুজিবুর রহমান, বেক্সিকো ফার্মার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার  (সেল্স) কাজী নুরুল হক, কুমিল্লার রিজিওনাল সেল্স এক্সিকিউটিভ শেখ মো: আজিজুল করিম প্রমুখ। উক্ত সেমিনারে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

চান্দিনা মৎস্য অফিসে প্রশিক্ষণ ও মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ।

বশিরুল ইসলাম:
চান্দিনা উপজেলা মৎস অফিসের আয়োজনের মাসিক সভা ও প্রশিক্ষন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। উক্ত প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে  চান্দিনা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা রাধেশ্যাম বৈষ্ণব এর সভাপতিত্বে নবাগত মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয় বণিক এর সাথে চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত লিফদের পরিচয় সম্পন্ন শেষে প্রশিক্ষন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। লিফ জাহাঙ্গীর হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় নি¤েœ উল্লেখিত সিদ্ধান্ত সমূহ গৃহীত হয়। 
প্রত্যেক মাসের ২য় রবিবার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। মাসিক সভার একটি ব্যানার তৈরি করা হবে। সিআইজি সদস্যদের গঠিত কমিটির প্রত্যেকের একটি করে একাউন্ট করতে হবে এবং একাউন্ট সম্পর্কিত জটিলতা দূরীকরণে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে স্মরক সহ একটি চিঠি ব্যাংক ম্যানেজার বরাবর ইস্যু করা হবে। সিআইজি সদস্যদের নাম পরিবর্তন করতে হলে রেজুলেশন করে পরিবর্তন করতে হবে। প্রত্যেক লিফদের পরামর্শ রেজিস্ট্রার খুলতে হবে। প্রত্যেক মাসে পরামর্শ প্রদানের তথ্য উপজেলা মৎস্য অফিসে প্রেরণ করতে হবে। আলোচনা শেষে প্রশিক্ষনে মাছের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।   এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলার ফিল্ড এ্যাসিসটেন্ট মো: সাইদুর রহমান, শুহিলপুর ইউনিয়নের লিফ মো: শরীফ হোসেন, বাতাঘাসী ইউনিয়নের মো: শরীফ আহমেদ, মাধাইয়া ইউনিয়নের মাও. শহীদ উল্লাহ, মহিচাইল ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলম, কেরণ খাল ইউনিয়নের হ্যাপি রানী পাল, বাড়েরা ইউনিয়নের খাদিজা আক্তার, করকইট ইউনিয়নের এ.কে. এম মাসুদুর রহমান, মাইজখার ইউনিয়নের মো: গিয়াস উদ্দিন,  গল্লাই ইউনিয়নের মো: বশিরুল ইসলাম ও জোয়াগ ইউনিয়নের মো: শরিয়ত উল্লাহ মিয়ান প্রমুখ। 

সেবা তত্ত্ববধায়ক শাহানারা আক্তার শানু’র উদ্যোগে নার্র্সদের ওরিয়েন্টেশন ।

 বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহানারা আক্তার শানু  এবং নার্সিং সুপারভাইজারগনের তত্ত্বাবধানে রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষে  হাসপাতালের নার্সদের ওরিয়েন্টশন করা হয়। সপ্তাহে তিন দিন এ প্রোগ্রামে  সেবা তত্ত্বাবধায়ক  নিজে উপস্থিত থেকে তা দেখভাল করেন। তিনি নার্সদের নৈতিকতা বৃদ্ধি, নার্সদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করা, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ও পুরাতন নার্সদের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং আত্ম সম্মান বজায় রাখার নানা রকম দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। 

কুমেক হাসপাতালে ১৪ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আইসিইউ সহ কয়েকটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

 বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১৪ কোটি ৩৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে  আইসিইউ সহ কয়েকটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধার হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি। এর মধ্যে আইসিইউ ভবণ নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লক্ষ, ছাত্রী হোস্টেল বাবদ ব্যয়ে হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ, শেখ রাসেল ছাত্রাবাস বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ, শাহ
আলম ছাত্রাবাসের জন্য ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী, উপাধাক্ষ কেএ মান্নান, হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী, গণপূর্ত বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বপন চাকমা,  কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ,  আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, হাসপাতালের ডাক্তার, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সকল স্তরে উন্নয়ন হচ্ছে। কুমিল্লা সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি মহোদয়ের আন্তরিকতায় এবং হাসপাতালের  সকলের প্রচেষ্টায় আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের সর্বাধিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের কিছু সমস্যা ও রয়েছে যেমন হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন হলে ও এর কোন সরঞ্জাম এখনো স্থাপিত হয়নি। আমাদের হাসপাতাল ৫০০ শয্যা কিন্তু আমাদের প্রতিদিন সেবা দিতে হয় কমপক্ষে ৮০০ থেকে ৯০০ রোগীকে। ফলে এই সেবা দিতে আমাদের ডাক্তারদের অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। আমাদের ডাক্তাররা রাতে দায়িত্ব পালন করতে হয় কিন্তু তাদেরকে কোন অতিরিক্ত ভাতা দেওয়া হয়না। আমাদের হাসপাতালে ডাক্তার ও কলেজে শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে তাই এব্যাপারে আমরা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 
কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী বলেন, আমাদের কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার মান অনেক ভাল। সারা বাংলাদেশে যেখানে শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৫৬% সেখানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাশের হার ৬৯.০৩ %। বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা যেখানে দশম স্থান অধিকার করেছে সেখানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ১ম, ২য় ও তৃতীয় স্থান সহ প্রথম পর্যায়ের স্থান গুলো দখল করে রেখেছে। এই সফলতা আমাদের সকলের । কেননা স্থানীয় এমপি মহোদয়ের আন্তরিকতা, শিক্ষকদের দায়িত্বশীল কর্মকান্ড, শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা কলেজের পারিপাশির্^ক অবস্থা ও পরিবেশ আমাদের শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের পক্ষে কাজ করে। বর্তমানে আমাদের ছাত্রাবাসের তেমন কোন সমস্যা নেই তবে অনেক আগে ভবন গুলো করা হয়েছে বিধায় এই ভবন গুলো মাটির নিচে দেবে যাচ্ছে তাই গণপূর্ত বিভাগ এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সহায়ক হবে। অনেক ভবন জরাজীর্ণ আছে সেগুলো মেরামতের ব্যবস্থা করলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বসবাস স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। 
কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলে আমি গর্বিত ও আনন্দিত। এজন্য আমি কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে ঠিক সেভাবে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।