আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের ঈদ পূনর্মিলন।

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই গ্রামে সাবেক শিক্ষা সচিব ইরশাদুল হক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আবেদা-নূর ফাউন্ডেশন। উক্ত ফাউন্ডেশনের অন্তর্গত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (আনোসা)।  আনোসা’র উদ্যোগক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আতাউর রহমান গনির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আবেদা-নূর ওল্ড স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর বিভিন্ন উপলক্ষে একত্রিত হয়ে থাকে। ঈদ পুনর্মিলনীর পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও করা হয়ে থাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। 
প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২৭ জুন আনোসা  সংগঠনের উদ্যোগক্তা ও সংগঠনের  সভাপতি ’র সভাপতিত্বে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের বিগত দিনের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। অনেক শিক্ষার্থী তাদের প্রাক্তন বন্ধুদের কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লোত হয়ে পড়েন। প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহনে আবেদা-নূর ফাউন্ডেশনে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারন ও মোটিভেশনাল বক্তব্য শুনে খুশি এবছর এ+ পাওয়া প্রায় ৭২জন শিক্ষার্থী । এধরনের সামা
জিক, অরাজনৈতিক  ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আগত নতুন শিক্ষার্থীরা খুশি ও  আনন্দিত। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবেদা-নূর বিএম কলেজের প্রথম ব্যাচের মেধাবী ছাত্র ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ফেণী শাখার ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার মো: আবুল কালাম আজাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০২ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র ও চট্টগ্রাম ইসলামি বিশ^বিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মো: হেলাল উদ্দিন, আবেদা-নূর বিএম কলেজের মেধাবী ছাত্র ও দি ডেইলী স্টার পত্রিকার সাংবাদিক গাজী তওহীদ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লি: এর কক্সবাজার শাখার রিজিওনাল ম্যানেজার মো: শরিফুল ইসলাম, আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৬এর মেধাবী ছাত্র ও কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র আবু নাছের অপু। আরো উপস্থিত ছিলেন আবেদা-নূর উচ্চ বিদ্যালয়ের-২০০৮ ব্যাচের মেধাবী ছাত্র নবজাগরন ফাউন্ডেশন রাজশাহী শাখার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি এবং মেরিন এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এনার্জি বাংলাদেশ এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার মো: সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিরা তাদের ব্যক্তি জীবন ও শিক্ষাজীবনের নানান স্মৃতিচারণ করার পাশাপাশি আনোসা’র কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় তারা আরো বলেন, সকলে ঐক্যবদ্ধ থেকে আনোসাকে এগিয়ে নিতে হবে এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা সব সময় আনোসা’র পাশে আছি এবং থাকব। 

চাঁদপুর কচুয়ায় ঈদের নামাজ শেষে জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১, আটক-১।

বশিরুল  ইসলাম:
চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নে জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে আলম মিয়া (৪০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে একই গ্রামের কালু মিয়ার পুত্র রবিউল্লাহ, মফিজ উদ্দিনের পুত্র লিটন মিয়া, নুরুল ইসলামের পুত্র বিল্লাল। নিহত আলম পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের আইনপুর হাওলাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র। উক্ত ঘটনায় জড়িত  বিল্লাল মিয়াকে স্থানীয় জনতা আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। প্রতিবেদন লিখ পর্যন্ত উক্ত ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের আইনপুর হাওলাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র আলম মিয়ার সাথে উল্লেখিত আসামীগন গত রবিবার দিবাগত রাতে খালেক মার্কেটে জোয়া খেলে। আজ ঈদের দিন সেই মার্কেটে তাকে ফোন করে নিয়ে যায় আবার জোয়া খেলার জন্য। কিন্তু সে খেলতে না চাইলে তাকে জোয়ার টাকা ফেরত চায় উল্লেখিত ব্যক্তিগন। টাকা ফেরত না দেওয়ায় রবিউল্লাহ, লিটন ও বিল্লাল তাকে আজ ঈদের দিন দুপুর ১২টায় সফিবাদ খালেক মার্কেটের সামনে শুকনা লাড়কি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। তার স্ত্রী রাবেয়া খবর পেয়ে দৌড়ে আসলে   তাকে ও লাথি মেরে পিটিয়ে চলে যায় হত্যাকারীরা। উক্ত ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সহদেবপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল আমিন খোকন জানান, আমার খবর পেয়ে নিহত আলমের বাড়ীতে গিয়ে সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত। আবার কেউ হাওলাত টাকার কথা ও বলছে। তবে মূল ঘটনা আমি এখনো জানিনা। থানা থেকে পুলিশ এসেছে বিল্লাল মিয়া নামে এক আসামীকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে দিয়েছে।  


কুমিল্লা কোতয়ালী থানার চিরুনী অভিযানে আটক ২

অটোচালক হত্যার ঘটনার ৪ ঘন্টায় ঘাতক আটক

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লায় আক্কাস মিয়া (৬০) নামে এক অটোচালককে হত্যার ঘটনার চার ঘন্টার মধ্যে কোতয়ালী থানা পুলিশের চিরুনী অভিযানে একই  থানার মাঝিগাছা এলাকা থেকে হত্যার মূল ঘাতক সহ ঘটনার সাথে জড়িত আরো একজনকে  আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো অটোচালক মো: হৃদয় হোসেন(২০) ও মো: লিটন (২০)। নিহত আক্কাছ মিয়া কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাথুরিপাড়া মানিক মিয়ার বাড়ীর মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। উক্ত ঘটনায় নিহত আক্কাছ মিয়ার ছেলে আজাদ বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। 
জানা যায়, মো: লিটন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই বাজার এলাকার তাজু মিয়া বাড়ীর নছুরুল উদ্দিনের ছেলে। সে মধ্যম মাঝিগাছা এলাকায় মৃত আজদেক আলীর বাড়ীতে ভাড়া থাকতো

মো: হৃদয় হোসেন দাউদকান্দি থানার বিটিশ^র এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে। সে চর্থা থিরাপুকুরপাড় কসাই দেলোয়ারের বাড়ীতে ভাড়া থাকতো।  
গত ২৩ তারিখ দিবাগত রাত ১১.৩০টায় বিবির বাজার নাছিমা প্লাজার দক্ষিন পাশে বন্দর রোডে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহত আক্কাস মিয়া প্রদীপ শীলের দোকানের সামনে এসে পড়ে যায় তাকে স্থানীয়রা হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নিলে দেখা যায় সে মৃত। মূলত অটোরিক্সাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘাতকরা তাকে এই হত্যা করেছে বলে দাবী নিহতের ছেলে আজাদের। আজাদ আরো জানায় আমার বাবা ঐদিন রাত ১০টায় ঘর থেকে বের হয়। দেড় ঘন্টা পর জানতে পারি বাবাকে কে বা কাহারা হত্যা করেছে।  বিবিরবাজার প্রদীপ চন্দ্র শীলের দোকানের সামনে পড়ে রয়েছে।   
কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু ছালাম মিয়া জানান, গত ২৩তারিখ দিবাগত রাত ১১.৩০টায় হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটার পরপর আমাদের থানা পুলিশ ঘাতকদের আটকের জন্য চিরু অভিযান শুরু করে। হত্যার কান্ডের চার ঘন্টার মধ্যে আমরা কোতয়ালী থানার মাঝিগাছা এলাকা থেকে মূল ঘাতক সহ তার সহযোগী আরো একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। হত্যা কান্ডের ঘটনায় নিহত আক্কাছ মিয়ার ছেলে আজাদ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছি। 




দেশী-বিদেশী মেহমানদের উপস্থিতিতে

কনফিডেন্ট কোচিং সেন্টারে ইফতার ও দোয়ার আয়োজন।
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট গুলমার্কেটে অবস্থিত কনফিডেন্ট একাডেমীক কোচিং সেন্টারে দেশী ও বিদেশী মেহমানদের উপস্থিতিতে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানের  আয়োজন করা হয়।
 কনফিডেন্ট কোচিং সেন্টারের পরিচালক ডা: এস.এম আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কনফিডেন্ট কোচিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম সোহাইবুল ইসলাম (সোহাগ)। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিএডিসি’র তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী মো: বদরুল আলম, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইক্বরা জামিয়া ক্বারিমিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাসউদ আহমেদ ইক্বরা, আ
মন্ত্রিত মেহমান ছিলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: সেলিম খান, গ্রীনল্যান্ড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: জসিম উদ্দিন, ইমরোজ ইউনানী ল্যাব ও বেঙ্গল ফার্মা এর পরিচালক এস.এম রেজাউল করিম, বিজয়পুর মহিলা কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রভাষক মো: মোস্তফা কামাল, বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মো: সাইফুল ইসলাম, বিজিডিসিএল এর বিশিষ্ট্য ব্যবাসয়ী  মো: আনোয়ার হোসাইন, কমিটমেন্ট বিশ^বিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ের পরিচালক কে.এম হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শরীফ আহমেদ,  শ্রমিক নেতা মো: সৈয়দ। বিদেশী মেহমান ছিলেন পাকিস্তানের ইমরান আহমেদ ও   আনোয়ার আহমেদ।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল।

বশিরুল ইসলাম: 
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটির আয়োজনে হাউজিং এস্টেট মাদরাসা-এ কাদেরিয়া বখশীয়া মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা ও আমাদের করণীয় বিষয়ক আলোচনা সভায় কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি ও কুমিল্লা বখশীয়া দরবার শরীফের  শাহজাদা জালাল উদ্দিন বখশী এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র সৈয়দ মুহাম্মদ সোহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের  ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুহাম্মদ ইমরান বাচ্চু, ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিল জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুল, ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর  হাজী আফসান মিয়া, ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন, ১২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শফিউল আজম রতন, ইঞ্জিনিয়ার সাহিদুল হক, ফয়সল হসপিটালের স্বত্বাধিকারী নাছির উদ্দিন আহমদ, শান্তি সেতু মিশন কুমিল্লার চেয়ারম্যান দয়াল নুরুল ইসলাম সুজন, রাজগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজগর, দৈনিক চকবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ পারভেজ। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সাংগঠনিক
সম্পাদক  মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন রেজভী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, পদুয়া দরবার শরীফের ক্বারী মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সহ-সভাপতি মো: নাজমুল হাসান সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোবারক হোসাইন (ফিরোজী) শাহেদী বখশী, অর্থ-সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আলম রেজভী, দপ্তর সম্পাদক ছৈয়দ আব্দুল বাকী, কুমিল্লা মহানগরের সহ-সভাপতি শাহ মুহাম্মদ মবিন রহমানী বখশী, সহ সভাপতি হাজী মুহাম্মদ রাশেদ সহ রেজভীয়া দরবার শরীফ, বখশীয়া দরবার শরীফ, গোলাপ রহমানীয়া দরবার শরীফ, পানুয়া দরবার শরীফ, নুরী বাবা দরবার শরীফ, সবুরীয়া দরবার শরীফ, মুহাম্মদ আলী বখশী দরবার শরীফ, কুতুব শাহ দরবার শরীফ, শাহজালাল দরবার শরীফ, সৈয়দ রেজাশাহ দরবার শরীফ, আমজাদ শাহ দরবার শরীফ, ওসমানীয়া বখশীয় দরবার শরীফ, হেছামিয়া দরবার শরীফ এর প্রতিনিধি বৃন্দ ও জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল পরিচালনা করেন আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনসুর হেলাল মাইজভান্ডারী ।

চিটার আলমগীর ও প্রতারক রাজিয়া! এদেরকে ধরিয়ে দিন।

চিটার আলমগীর ও প্রতারক রাজিয়াকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উক্ত অভিযোগপত্রে  কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কুচাইতলী গ্রামের আ: ছাত্তারের পুত্র মো: শামীম অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ জুন ২০১৭ ইং তারিখে তাহার কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে আলমগীর ওরফে হিরণ ও রাজিয়া বেগম ৮৫হাজার টাকা নিয়া যায়। যাওয়ার পর থেকে তাদের মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। যদি কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তাদের খোজ পান তাহলে নি¤œ ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করলে যথাপোযুক্ত সম্মান করা হবে ও তথ্য প্রদানকারীর নাম গোপন রাখা হবে। উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় গত ১৭/০৬/২০১৭ ইং তারিখ একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।   
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা: এসআই ফিরোজ আলম-০১৭১২১০৩৯০১, অভিযোগকারী শামীম: ০১৭২২-৩৬৮০৮৫,  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: 

বাজগড্ডায় খোকন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্রদের বস্ত্রবিতরণ

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বাজগড্ডা এলাকায় খোকন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করেন মরহুম খোকনের ছোট ভাই জাকির হোসেন স্বপন ও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মনিরুল ইসলাম মোহন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও খোকন ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের অন্যতম সদস্য মো: জাকির হোসেন, বিশিষ্ট্য সমাজসেবক শহিদুল হক সহিদ, পরিবহন শ্রমিক নেতা ও শাসন গাছা শাখা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ৯৩৮ এর সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান টিটু, বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও যুবনেতা নুরুজ্জামান জামান, সমাজসেবক গিয়াস উদ্দিন, লিটন, জাকির ও ফাউন্ডেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য মরহুম খোকন জাপানে কর্মরত অবস্থায় ১৯৯৬ ইং সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য ছোটভাই মনিরুল ইসলাম মোহন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের আত্ম মানবতার সেবায় নানা রকম সেবামূলক কাজ করে আসছেন।  

ডাকাত-পুলিশ গুলিবিনিময় ৭ ডাকাত আটক, নিহত ১ ডাকাত।

বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত-পুলিশ গুলি বিনিময় ও সাধারণ মানুষের গণপিটুনী খেয়ে ৭ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক হয়।  আটককৃত ৫ ডাকাতকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ
র্তি করা হলে  ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য  কামাল হোসেন (৩৫) মারা যায় । রোববার সকাল ১০টায়  কুমিল্লা মেডিকেল  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । আটককৃত ডাকাত দলের ৭ সদস্যরা  হলো ফারুক পিতা: খোরশেদ  আলম  বাড়ী তিতাস থানা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায়   ৩টি মামলা রয়েছে । শাহপরান পিতা  মোশারফ হোসেন, মুরাদনগর থানায় বাড়ী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল  পিতা: ইউনূছ মিয়া  মুরাগনগর থানায় বাড়ী। ডাকাত দলের সর্দার হিসেবে পরিচিত। জুলহাস পিতা দৌলত মিয়া কচুয়া থানার সাঁচার এলাকায় বাড়ী সেও ডাকাত দলের সদস্য। মহসিন পিতা: সামছুল ইসলাম বাড়ী দাউদকান্দি সে ডাকাত দলের সদস্য।  মো: রুবেল পিতা চান মিয়া গাজী চান্দিনার থানার রশিদপুর এলাকায় বাড়ী। আলমগীর পিতা: মেহেরচানগাজী  শরীয়তপুর জেলার ড্যামুড্ডা থানার উত্তরখান এলাকায় বাড়ী। মৃত কামাল হোসেন জাহাপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে। 
গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের বোড়ারচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ-ডাকাতদলের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের হাতে আটক হয়।  
এ ঘটনায় নিহত ডাকাত কামাল হোসেনসহ আরও পাঁচ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিব্ধ ৫ ডাকাতসহ ৭ ডাকাতকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও উদ্ধার করা হয়েছে। 
মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম বদিউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে ইলিয়টগঞ্জ মুরাদনগর রোডে রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির সময় পুলিশের সাথে ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়। সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় পুলিশ ৭ডাকাত সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। এদের মধ্য হতে কামাল নামে ১ ডাকাত সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 

ছবি ক্যাপশন: ৫ ডাকাত সদস্যদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তুলা ছবি। 

ডাকাত-পুলিশ গুলিবিনিময়  ৭ ডাকাত আটক,  নিহত ১ ডাকাত।
বশিরুল ইসলাম: 
কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত-পুলিশ গুলি বিনিময় ও সাধারণ মানুষের গণপিটুনী খেয়ে ৭ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক হয়।  আটককৃত ৫ ডাকাতকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে  ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য  কামাল হোসেন (৩৫) মারা যায় । রোববার সকাল ১০টায়  কুমিল্লা মেডিকেল  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । আটককৃত ডাকাত দলের ৭ সদস্যরা  হলো ফারুক পিতা: খোরশেদ  আলম  বাড়ী তিতাস থানা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায়   ৩টি মামলা রয়েছে । শাহপরান পিতা  মোশারফ হোসেন, মুরাদনগর থানায় বাড়ী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল  পিতা: ইউনূছ মিয়া  মুরাগনগর থানায় বাড়ী। ডাকাত দলের সর্দার হিসেবে পরিচিত। জুলহাস পিতা দৌলত মিয়া কচুয়া থানার সাঁচার এলাকায় বাড়ী সেও ডাকাত দলের সদস্য। মহসিন পিতা: সামছুল ইসলাম বাড়ী দাউদকান্দি সে ডাকাত দলের সদস্য।  মো: রুবেল পিতা চান মিয়া গাজী চান্দিনার থানার রশিদপুর এলাকায় বাড়ী। আলমগীর পিতা: মেহেরচানগাজী  শরীয়তপুর জেলার ড্যামুড্ডা থানার উত্তরখান এলাকায় বাড়ী। মৃত কামাল হোসেন জাহাপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে। 
গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের বোড়ারচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ-ডাকাতদলের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের হাতে আটক হয়।  
এ ঘটনায় নিহত ডাকাত কামাল হোসেনসহ আরও পাঁচ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিব্ধ ৫ ডাকাতসহ ৭ ডাকাতকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও উদ্ধার করা হয়েছে। 
মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম বদিউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে ইলিয়টগঞ্জ মুরাদনগর রোডে রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির সময় পুলিশের সাথে ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়। সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় পুলিশ ৭ডাকাত সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। এদের মধ্য হতে কামাল নামে ১ ডাকাত সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। 

ছবি ক্যাপশন: ৫ ডাকাত সদস্যদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তুলা ছবি। 

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কুমিল্লার আদালতে মামলা

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক প্রভাষক ডাঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে একই জেলার সুমাইয়া খন্দকার বিথী নামে এক কলেজ ছাত্রী। বিথী নিজেকে ডাঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদারের স্ত্রী দাবি করে বলেন, দেড় বছরের সংসার জীবনে তার গর্ভে একটি সন্তান আসে। গর্ভের সেই সন্তানটি তার অনিচ্ছায় জোরপূর্বক গর্ভপাত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জজকোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানালে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন সুমাইয়া খন্দকার বিথী। জানা গেছে, বিথী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ডিগ্রী দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। এর আগে তিনি রানীর বাজার রোডস্থ একটি প্রাইভেট চেম্বারের রিসিপশনিস্ট পদে কর্মরত ছিলেন।
বিথি সাংবাদিকদেরকে জানান, গত আড়াই বছর পূর্বে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্কের ভিত্তিতে বিথীকে বেড়ানোর কথা বলে বাগেরহাটের মংলায় নিয়ে যায় ডাঃ সাইফুল। সেখানে স্থানীয় এক কাজীর মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মংলার মেইন রোডস্থ’ হাজী শেখ আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) হোটেলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ৪ দিন অবস্থান করেন। এরপর মংলা থেকে ফিরে কুমিল্লার হাউজিং এস্টেট এলাকার ৩ নম্বর সেকশনের ফাইজা হাউজে উঠেন তারা। ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত হাউজিং এস্টেটের ফাইজা হাউজে অত্যন্ত সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করছিলেন। ১৭ জানুয়ারি রাতে বাসা থেকে বের হয়ে ডাঃ সাইফুল আর ফেরেননি। কেন বাসায় ফিরছেন না জানার জন্যে তার কাছে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতো সে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ডাঃ সাইফুল অন্যত্র বিয়ে করেছেন, আর একারণেই তাকে এড়িয়ে চলছেন। বিথী  আরো জানান, দেড় বছরের বেশী সময় ধরে সংসার করেছি, এসময় আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধী হয়নি। তবে মাঝে মধ্যে বিয়ের কাবিননামা চাইলে অভিমান করতেন ডাঃ সাইফুল। মূলত: বিয়ের কাবিননামা চাওয়ার পরই ওষুধের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটায় ডাঃ সাইফুল।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা এলাকার আংগলখোড় গ্রামে গিয়ে সাইফুলের বাবা নজির আহম্মদ মজুমদারসহ তার মা, ভাই সবার কাছ থেকে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন বিথী। এতে কোনো রকম সাড়া না পেয়ে বিথী কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। 
এছাড়াও সাইফুলের ব্যক্তিগত চেম্বারে গিয়েও যোগাযোগ করে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করেন বিথী। তাতেও  কোনো পাত্তা দেননি সাইফুল।
পরে গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ট্রাইবুন্যালে এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেন বিথী। বিথী আরো জানান, তিনি সাইফুলকে নিয়ে আগের মতো সংসার করতে চান। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শাহ আবিদ হোসেন সাংবাদিকদের  জানান, এখনো পর্যন্ত তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না।
এ বিষয়ে ডাঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। সে (বিথী) আমাকে ব্লাক মেইল করছে। আমি তার সাথে এমন কোন সম্পর্কে জড়াইনি যা নিয়ে এতো কিছু হবে। 

বিয়ে ও সন্তান গর্ভপাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, সে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য নিতো। তার ফুফুর মাধ্যমে আমার সাথে পরিচয় হয় । সেই থেকেই বিভিন্নভাবে সাহায্য নিয়ে এখন আমাকেই ব্ল্যাক মেইল করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ সব জায়গায় আমার সাথে তার এডিট করা ছবি ছড়িয়ে দিয়ে আমার মান-সম্মান নষ্ট করছে। আমার স্ত্রী দাবি করে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অপপ্রচার চালাচেছ। ছাত্র-ছাত্রী ও ডিপার্টমেন্টে আমার সম্মান হানির কারণে আমি সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ থেকেও প্রভাষকের চাকুরি ছেড়ে দিয়েছি। এ বিষয়ে আমি কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছি। যার তদন্ত করছে থানার এএসআই আবু তাহের।  

হত্যা না আত্মহত্যা?

বশিরুল ইসলাম:
স্বামী প্রবাসে স্ত্রী দেশে। শাশুড়ী ও বাশুর প্রায় সময় নির্যাতন করতো সিমাকে (২৭)। সংসারের টাকা পয়সা খাওন খরচের টাকা সব আসে বাশুর রাসেলের নিকট । সে বাজার করে যা দেয় তাই খেতে হয় সিমাকে। সপ্তাহে তরকারি চাউল সংসারে যা যা দরকার তার চেয়ে অনেক কম দিয়ে আসতো বাশুর রাসেল। এ নিয়ে স্বামীকে জানালে নির্যাতনের স্বীকার হতে হয় সিমাকে। এরই সূত্র ধরে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে বাশুর রাসেল ও শাশুড়ী সানোয়ারা বেগমকে সতর্ক করার পরে ও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। এতে করে বাধ্য হয়েই সিমা আত্মহত্যা করে এমনটি জানান সিমার ভাই নয়ন। 
চৌদ্দ্রগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিম করা গ্রামের ফরিদ মিয়ার ওমান প্রবাসী পুত্র মিন্টু মিয়ার স্ত্রী সিমা (২৭) বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। সিমার এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে বলে জানিয়েছে বাশুর রাসেল। 
নিহত সিমার স্বজনরা জানান, গত ১১বছর পূর্বে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিমকরা গ্রামের ফরিদ মিয়ার পুত্র মিন্টু মিয়াকে পারিবারিকভাবে বিবাহ করে সিমা। বিবাহের পর বাশুর রাসেল ও সানোয়ারা বেগমের অত্যাচারে সংসার থেকে আলাদা হতে বাধ্য হয় সিমা। কিন্তু তার পরে ও সিমাকে তার বাশুর রাসেল এবং তার স্ত্রী মাসুদা বেগম ও শাশুড়ী সানোয়ারা বেগম বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতন করতে থাকে। এব্যাপারে কয়েকবার তাদেরকে স্থানীয়ভাবে সতর্ক করা হয়েছে। প্রবাসী মিন্টু মিয়া তার ভাই রাসেলকে হাটবাজার করে দেওয়ার দায়িত্ব দিলে সে বাজার করে সপ্তাহে যা দেওয়ার কথা তা ঠিকভাবে দেয়নি। এই নিয়ে কয়েকবার মিন্টু মিয়াকে জানানোর পর রাসেল ও রাসেলের স্ত্রী মাসুদা ক্ষিপ্ত হয়ে মিন্টুকে মিথ্যা কথা বলে তাকে উত্তেজিত করলে ওমান প্রবাসী মিন্টু মিয়া ফোন দিয়ে সিমাকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাকে বাজে কথা বার্তা বলে । তাকে তালাক দেওয়া হবে বলে হুমকি ও দেওয়া হয়।  নানা রকম মানুষিক চাপ সহ্য করতে না পেরে সিমা বিষপানে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। সিমাকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা দিয়েছে রাসেল ও রাসেলের স্ত্রী মাসুদা। তাই রাসেল, রাসেলের স্ত্রী মাসুদা ও শাশুড়ী সানোয়ারা বেগমের তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করে শাস্তির দাবী করছি। এব্যাপারে কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।  
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মো: আবুল
ফয়সল জানান,  চিওড়া ইউনিয়নে এই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে আমাদেরকে কেউ কিছু জানায়নি। আমরা ব্যাপারটি জাানিনা। 

চান্দিনা উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজন সিআইজদের মৎস্য বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা।

নিজস্ব প্রতিবেদক।
চান্দিনা উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে গত ২৩ মে গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিআইজিদের মৎস্য বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাধেশ্যাম বৈষ্ণব এর দিক নির্দেশনায় উক্ত অনুষ্ঠানটি প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষন প্রদান করেন উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয় বণিক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড এ্যাসিসটেন্ট মো: মনির হোসেন ও লিফ সাংবাদিক বশিরুল ইসলাম ।  প্রশিক্ষনে দুইটি ভাগে চল্লিশ জন সিআইজিকে বিশ জন বিশ জন করে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। প্রশিক্ষনে রুই পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের বানিজ্যিক মিশ্রচাষ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। মাছ চাষীদের মাছ চাষে বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের বিষয়ে ও আলোচনা করা হয়। চাষীদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নাছিরুল ইসলাম, মাসুক, আব্দুল মতিন, শাহ আলম, ফারুক হোসেন, রফিকুল ইসলাম ও সিরাজুল ইসলাম মাছের সমস্যা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে উপজেলা সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয় বণিক সকলের প্রশ্নের সুন্দর সমাধান দেন। এসময় চাষীরা কর্মকর্তার সহজ ও সাবলিল ভাষায় সুন্দর সমাধানের জন্য উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান। সাধারণ মাছ চাষীরা বলেন, এধরণের প্রশিক্ষন আগে কখনো পাইনি আমরা। আজ এই প্রশিক্ষন পাওয়ায় আমরা মাছ চাষ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি। আগামীতে এরকম আরো বড় বড় প্রশিক্ষনের আয়োজন করলে মাছ চাষের আরো ব্যাপকতা ও গভীরতা সম্পর্কে জানতে পারবো। তাই সরকারের নিকট আমাদের আবেদন আমাদেরকে বেশি বেশি প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করে মাছ চাষ বৃদ্ধি কল্পে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করলে আমাদের মত সাধারণ মাছ চাষীদের অনেক উপকৃত হবে।