ইউপি নির্বাচন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শেষ হলো
বশিরুল ইসলাম: 
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইউপি নির্বাচন। গতকাল (৩১ অক্টোবর) সোমবার কুমিল্লা জেলায় ১২টি উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিত কেন্দ্র গুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১২টি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ২৪টি কেন্দ্রে সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন করা হয়। ভোট কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের তুলনায় মহিলা ভোটারের উপস্থিতি ছিল সবেচেয়ে বেশি। সকাল বেলা ভোট কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি বেশি থাকলে ও দুপুরের পর থেকে ভোটারের উপস্থিতি তেমন একটা দেখা যায়নি। দুপুরের পর থেকে ধীরে ধীরে বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহন শেষ হয়। কঠোর নিরাপত্তার কারণে কুমিল্লা জেলার কোন কেন্দ্রে ছোট খাট ঘটনা ছাড়া তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ১৮টি টহল দলে ১৩৩জন অতিরিক্ত র্যাব সদস্য, বিপুল সংখ্যক বিজিবি ও পুলিশ সদস্য সহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করেছে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ফলে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে তেমন কোন অসুবিধা হয়নি। এদিকে জোয়াগ ইউনিয়নে কিছু লোক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে আইনশৃংখলা বাহিনী অস্ত্র সহ আটক করে। আটকৃকত হলো এলামুল হক রাজু, আবু বকর, মাহমুদুল হাসান ও গাজী আল মামুন।শামীম নামে এক ভোটার জানান, গত কয়েক মাস আগে যে ভোট হয়েছিল ঐ সময়ের তুলনায় এখন অনেক র্যাব, পুলিশ,বিজিবি এসেছে। তাই এখন মানুষ কোন রকম অঘটন ঘটানোর সাহস পাচ্ছে না। যে ভাবে ভোট চলছে তাতে মনে হচ্ছে সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হবে। কোন পক্ষই কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সাহস পাবেনা। তবে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের বিভিন্ন বক্তব্য থাকলে ও সকলে আইনশৃংখলা পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ঠ। তারা জানান এখন যেভাবে আইনশৃংখলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে তখন ও একই রকম থাকলে মনে হয় এরকম সমস্যা হতোনা।
এদিকে এক সাংবাদিক জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের এই পর্যায়ে এসে কেন্দ্র কম হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি দেখা যাচ্ছে। সাংবাদিক, পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনোর সাহস পাচ্ছেনা। তারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারছে।
No comments:
Post a Comment