বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সদর উপজেলার চাপাপুর এলাকার বালুতুপার সন্নিকটে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের টহলকৃত গাড়ী চাপায় এক হোন্ডা আরোহী নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের চার সদস্যদের মধ্যে তিনজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে কোতয়ালী থানায় প্রেরণ করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অফিসার পালিয়েছে।
মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এতে করে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশের এক সদস্য পালিয়ে যায় এবং পুলিশের তিন সদস্যকে আটক করে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ঘটনার পর পর কুমিল্লার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানভীর সালেহীন ইমন, পিবিআই পুলিশ সদস্য, র্যাব-১১ এর সদস্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহউদ্দিন, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন, বালুতুপা এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার আলী হোসেন সহ স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশের ব্যবহৃত হাইএক্স গাড়ীটি সাধারণ মানুষ ঘটনাস্থলেই পুড়ে ফেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ প্রায় সময় এই রাস্তায় সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে। যারা মাদক বহন করে যারা মাদক ক্রয় বিক্রয় করে তাদেরকে না ধরে আমাদেরকে ধরে হয়রানি করে।
কুমিল্লা সদর উপজেলার চাপাপুর এলাকার বালুতুপার সন্নিকটে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের টহলকৃত গাড়ী চাপায় এক হোন্ডা আরোহী নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশের চার সদস্যদের মধ্যে তিনজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে কোতয়ালী থানায় প্রেরণ করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের অফিসার পালিয়েছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১০ মার্চ শুক্রবার ভোর ৫টায় পুলিশের একটি হাইএক্স গাড়ী মোটরসাইকেল চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাত লোকটি মারা যায়। ঘটনার পর পর আশে পাশের লোক দৌড়ে আসলে পুলিশ তাদেরকে হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। এক পর্যায়ে পুলিশ নিহত ব্যক্তির লাশটি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ হাত দূরে ইরি ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাধারণ
মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এতে করে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশের এক সদস্য পালিয়ে যায় এবং পুলিশের তিন সদস্যকে আটক করে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। ঘটনার পর পর কুমিল্লার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, তানভীর সালেহীন ইমন, পিবিআই পুলিশ সদস্য, র্যাব-১১ এর সদস্য ফায়ার সার্ভিসের লোকজন, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সালাহউদ্দিন, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ মামুন, বালুতুপা এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার আলী হোসেন সহ স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশের ব্যবহৃত হাইএক্স গাড়ীটি সাধারণ মানুষ ঘটনাস্থলেই পুড়ে ফেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ প্রায় সময় এই রাস্তায় সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে। যারা মাদক বহন করে যারা মাদক ক্রয় বিক্রয় করে তাদেরকে না ধরে আমাদেরকে ধরে হয়রানি করে।
উক্ত ঘটনায় ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুন সাধারণ মানুষকে শান্ত করার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শান্ত হন এখন যেহেতু একটি ঘটনা ঘটে গিয়েছে আবার নতুন ঘটনার সৃষ্টি যেন না হয় । পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে ব্যাপারটি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। স্যারেরা ব্যাপারটি অবগত আছে। আপনাদের বিচার আপনারা পাবেন।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুস ছালাম মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ও তাকে পাওয়া যায়নি।
উক্ত ঘটনায় সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি মুঠোফোনে জানান, লক্ষীপুর এলাকায় আমাদের পুলিশ সদস্যদের একটি অভিযান ছিল। ঐ এলাকাটি সদর দক্ষিণ থানার আওতাধীন তবে আমরা সদর/ কোতয়ালী থানার উপর দিয়ে যেতে হয়। অভিযান শেষে আসার পথে গাড়ীর ড্রাইভার কোয়াশার কারণে ভালভাবে দেখতে পায়নি ফলে মোটর সাইকেল ও পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ীটি রাস্তা থেকে নিচে পড়ে যায়। ঐ মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহী ছিল। মৃত ব্যক্তিটি দৌড়ে পা
লিয়ে যাওয়ার সময় ২০০হাত দূরে ইরিক্ষেতে গিয়ে পরে যায়। স্থানীয় জনতা পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ীটি পুড়ে ফেলে। আমাদের পুলিশের ৪ সদস্যের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য কোতয়ালী থানায় আছে। পুলিশের যিনি অফিসার ছিলেন তিনি অসুস্থ্য তাই হাসপাতালে চলে যান। তিনি কুমেক হাসপাতাল থেকে সাময়িক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পর পর আমি সহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য ঘটনাস্থলে পৌছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছি এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশ সদস্যদের টহলকৃত গাড়ীর চাপায় যে ব্যক্তি মারা গিয়েছে তাকে আমরা কুমেক হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছি। এদিকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। কোন পুলিশ সদস্য এই ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠিন বিচার করা হবে।
No comments:
Post a Comment