বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছালেহা বেগম (১৯) নামে ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা রোগীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সে আদর্শ সদর উপজেলার ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর গ্রামের শাহ জাহান মিয়ার ৪র্থ মেয়ে। ৯ মাস পূর্বে সামাজিক ভাবে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিল একই ইউনিয়নের বিবির বাজার এলাকার অরণ্যপুর গ্রামের মো: আজাদ মিয়ার সাথে। ছালেহার প্রসব বেদনা দেখা দিলে গত ১৫ জুলাই কুমেক হাসপা
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছালেহা বেগম (১৯) নামে ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা রোগীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সে আদর্শ সদর উপজেলার ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দৌলতপুর গ্রামের শাহ জাহান মিয়ার ৪র্থ মেয়ে। ৯ মাস পূর্বে সামাজিক ভাবে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিল একই ইউনিয়নের বিবির বাজার এলাকার অরণ্যপুর গ্রামের মো: আজাদ মিয়ার সাথে। ছালেহার প্রসব বেদনা দেখা দিলে গত ১৫ জুলাই কুমেক হাসপা
তালে গাইনী ওয়ার্ডে ডা. করুনা রানী কর্মকারের অধীনে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর থেকে ছালেহাকে ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী সকল প্রকার পরিক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। মৃত্যুর ১০ মিনিট পূর্বে ও ছালেহার স্বজনরা তার সাথে কথা বলে। কিন্তু হঠাৎ করে মুখে ফেনা এসে মৃত্যু হয় ছালেহার। ছালেহার মৃত্যুতে স্বজনদের কান্নায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে স্বজনদের আহাজারীতে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠলে সাংবাদিক আনোয়ারের পরিবেশ শান্ত করে বলেন, এটি সরকারি প্রতিষ্ঠান এখানে কোন রকম বিশৃংখলা করা ঠিক হবেনা। তাই আপনারা শান্ত হয়ে আজ বাড়ীতে চলে যান আগামীকাল অফিস খোলা হবে আপনারা সঠিক বিচার চেয়ে আবেদন করলে সঠিক বিচার পাবেন।
এব্যাপারে ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রোগীর ফুসফুসে রক্ত জমাট বাধার কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তারপরেও ময়নাতদন্ত না করা পর্যন্ত সঠিকভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। রোগী আট মাসের আন্তসত্ত্বা এবং তার পেটে দুই বাচ্চা আছে। তিনি আরো জানান, মৃত্যুর ২/৩ ঘন্টা আগেও মেডিসিন ডাক্তার ঐ রোগীটি এসে দেখে গিয়েছে পাশাপাশি আমরা সব সময় রোগীটি অবজারবেশনে রাখছি।
No comments:
Post a Comment