প্রেমিকার বাবাকে সাহায্য করতে গিয়ে ফেসে গেলেন ফরহাদ মজহার

কব-িপ্রাবন্ধকি ফরহাদ মজহাররে বান্ধবী র্অচনা রানীকে র্আথকি সহযোগতিা করার জন্যইে অপহরণরে নাটক। ফরহাদ মজহার তার বান্ধবীর সঙ্গে ঘটনার আগ-েপরে মোবাইল ফোনে যে ধরনরে কথা বলছেনে, কথোপকথনরে রর্কেডও আইন-শৃঙ্খলা বাহনিী সংগ্রহ করছে।ে উভয়রে মোবাইল থকেে যে ম্যাসজে আদান-প্রদান করছেনে এ রর্কেডও রয়ছেে আইন-শৃঙ্খলা বাহনিীর হাত।ে ৩ জুলাই ভোরে তনিি মোহাম্মদপুর স্যার সয়ৈদ রোডরে বাসা থকেে বরে হন। এরপর নখিোঁজ হন। তার পরবিাররে পক্ষ থকেে বলা হয় তাকে অপহরণ করে নয়িে যায় র্দুবৃত্তরা। তার পরবিাররে কাছে মুক্তপিণ দাবি কর।েমহানগর গোয়ন্দো পুলশি (ডবি)ি ও পুলশি সদর দফতররে সমন্বয়ে ফরহাদ মজহাররে কথতি অপহরণরে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। আধুনকি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এ তদন্ত।ে তদন্তে শনাক্ত করার হয় এক নারীর মোবাইল ফোন। এ ফোনরে সঙ্গে ফরহাদ মজহাররে হয়ছেে কথা র্বাতা। এ মোবাইল ফোনরে সূত্র ধরে খোঁজ পান তদন্তকারী র্কমর্কতারা এক নারীর। ঐ নারী হলনে ফরহাদ মজাহাররে “উবনিীগ” নামরে এনজওি’র সাবকে র্কমী। তার নাম র্অচনা রানী (২৮)। তনিি সহজ সরল এক নারী। বাঁচার তাগদিে অনকে কাঠখড় পুড়য়িছেনে। ২০০৫ সালে উবনিীগ নামক এনজওিতে চাকরি ননে তনি।ি র্অচনা রানী ভাবছনে এই বুঝি তার এক ঠাঁই হলো। কন্তিু কাজরে ফাঁকে ফরহাদ মজহাররে সঙ্গে তার হয়ে উঠে ঘনষ্টিতা। প্রথম লালন ফকরিরে আর্দশে ফরহাদ মজহারকে গুরু মনেে ফকরিী বায়াত ননে। এর থকেে শুরু হয় তাদরে ঘনষ্ঠিতা। পরর্বতীতে মন দওেয়া নওেয়া এবং দহৈকি সর্ম্পক। তদন্ত র্কমর্কতাদরে বলনে, তনিি ফরহাদ মজহারকে মনপ্রাণে ভালবাসনে ও ভক্তি করনে। প্রায়ই র্অচনা রানীর বাসায় যাতায়াত এবং দহৈকি মলোমশো করতনে ফরহাদ মজহার। ফরহাদ মজহার তাকে র্আথকি সহযোগতিা করতনে। বাড়ি ভাড়া থকেে শুরু করে সংসাররে অন্যান্য খরচ দতিনে তনি।ি ২০০৭ সালে র্অচনা রানী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়নে। ওই সময় তার অবধৈ র্গভপাত ঘটনানো হয়। ঐ র্গভপাত ঘটাতে গয়িে ঐ সময় র্অচনা রানী শারীরকি ক্ষতগ্রিস্ত হন। সুস্থ হয়ে উঠতে তার অনকে সময় লাগ।ে ঐ সব ঘটনা ফরহাদ মজহাররে পরবিারে জানাজানি হলে র্অচনা রানী উবনিীগ থকেে চাকরি হারান। তনিি চাকরি হারালওে ফরহাদ মজহাররে র্আথকি সহযোগতিা অব্যাহত থাকায় র্অচনা রানীর কোন সমস্যা হয়ন।ি র্সবশষে তনিি আবার ৪ মাসরে অন্তঃসত্তা হয়ে পড়নে। তনিি ফরহাদ মজহারকে বলনে, আপনার সর্ম্পক এখন আমার পটে।ে  ফরহাদ মজহার  র্অচনা রানীকে আশস্ত করনে য,ে এবার তোমাকে ভাল ডাক্তার দখোনো হব।ে আগরে মত তোমার শারীরকি ক্ষতি যাতে না হয়। সে বষিয়টি ফরহাদ মজহার গুরুত্ব সহকারে দখেছনে। ইতমিধ্যে র্অচনা রানীর বাবা অসুস্থ হয়ছেনে। বাবার চকিত্সিার জন্য র্অচনা রানীর দরকার অনকে টাকা। ফরহাদ মজাহাররে কাছে সইে পরমিাণ র্অথ নইে। অবশষেে র্অথরে নপেথ্যে ফরহাদ মজহাররে অপহরণরে নাটক। এ নাটক ছলি তার পরবিাররে কাছ থকেে ৩০ লাখ টাকা আদায় করা। র্অচনা রানীর দওেয়া তথ্য, কথপোকথন রর্কেড ও বভিন্নি তথ্য প্রমাণরে ভত্তিতিে তদন্তকারী র্কতৃপক্ষ নশ্চিতি হন যে ফরহাদ মজহাররে অপহরণরে ঘটনা “সাজানো নাটক।” ঘটনার দনি সকাল ১১টার দকিে ফরহাদ মজহার স্ত্রীকে ফোন করে বলনে, ৩০ লাখ টাকা তোমার কাছে রখেে দওি এবং তোমার কাছে ঐ টাকা চাইলে বলবে ডলেভিার হয়ে গছে।ে ফরিে এসে বাকটিা দখেব। খুলনা গয়িে তনিি নউির্মাকটেে (খুলনা) গছেনে ও বরে হয়ছেনে। ঐ দনি সন্ধ্যায় খুলনা থকেে র্অচনা রানীকে তার দুইটি নম্বররে প্রথম দফা ১৩ হাজার টাকা ও দ্বতিীয় দফায় দুই হাজার টাকা পাঠয়িছেনে ফরহাদ মজহার। সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মনিটি ও সন্ধ্যা সাতটা ১৯ মনিটি। বাসরে টকিটে নজিে ক্রয় করছেনে। তারও প্রমাণ তদন্তকারী র্কতৃপক্ষরে হাত।ে তার কথতি অপহরণরে সময় মাইক্রোবাসরে কথা বলা হলওে গতকাল মঙ্গলবার র্পযন্ত ঐ মাইক্রোবাসরে কোন হদসি পাননি গোয়ন্দো র্কমর্কতারা।

No comments:

Post a Comment