আগামীকাল সোমবার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে গর্ণপূর্ত বিভাগ। গত ২৬জুন সন্ধার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকা ও অন্যান্য মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা সকাল ৯টা থেকে কাজ শুরু করে, চলতে থাকে গভীর রাত পর্যন্ত। আজ সোমবার ১৬৪ ঘন্টা পর আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে কুমেক হাসপাতালে।
সরেজমিনে গিয়ে কাজে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২৭ জুন গণপূর্ত বিভাগ ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য কাজ শুরু করে। বিআরবি কোম্পানীর সাথে ক্যাবলের জন্য যোগাযোগ করে না পাওয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের কাছ থেকে তারটি সংগ্রহ করা হয়। এই তারটি ব্যয়বহুল এবং বাজারে এটি সচরাচর পাওয়া যায়না। গতকাল রবিবার ৩০মিটার এই তারটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে পৌছার সাথে সাথে কাজ শুরু করে গনপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীগন। প্রতি মিটার তারের মূল্য ১২৭০০ টাকা । তাছাড়া আনুষাঙ্গিক কাজ সব মিলিয়ে প্রায় ৯লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় গতকাল রবিবারে ও দেখা যায় হাসপাতালে আসা শিশু ও রোগীর স্বজনের দুর্ভোগ। কেউ হাত পাখা, কেউ কাগজের ঠোঙ্গা দিয়ে গায়ে বাতাস করছে। অন্ধকারের কারণে অনেক সাংবাদিক মোবাইলের আলো দিয়ে ভিডিও ধারণ করতে ও দেখা গিয়েছে।
এব্যাপারে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্বপন চাকমা জানান, গতকাল রবিবার আমরা ক্যাবলটি হাতে পেয়েছি। ঘটনার সাথে সাথে আমাদের লোকজন কাজ শুরু করে। আশা করি রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। সোমবার থেকে যথারীতি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। কাজটি আরো দ্রুত সম্ভব হতো যদি ক্যাবলটি বাজারে সচরাচর পাওয়া যেত।
উল্লেখ্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৬জুন ঈদের দিন বিকাল ৩টা থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আজ ১৬৪ ঘন্টা পর আবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হল। বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা ভোগান্তিতে পরে। এছাড়াও বিদ্যুৎ ছিলনা হাসপাতালের পরিচালকের ডাক বাংলোতে, কলেজের হোস্টেলে ও হাসপাতালের ডরমেটরীতে।
No comments:
Post a Comment