কুমেক হাসপাতালের পরিবেশ আগের চেয়ে উন্নত হচ্ছে।

বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক উন্নত হচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে হাসপাতালের বাহির ও ভিতরের দৃশ্য। ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ফ্লোর, সিড়ি, সামনের রাস্তা , ড্রেন ও হাসপাতালের আঙ্গিনা সব কিছুতেই পরিবর্তন। হাসপাতালে আগের মত কোন দুর্গন্ধ নেই। রোগী ও রোগীর স্বজনরা এখন হাসপাতালে অবস্থান করে সন্তুষ্ট।  অনেক আগে এই হাসপাতালে এসেছিলাম কিন্তু এতো সুন্দর পরিবেশ আর ডাক্তার,
নার্স, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর আচরণ পায়নি এখন কয়েক দিন হয় হাসপাতালের সকলের আচরণে আমরা সন্তুষ্ট। তারা এখন আমাদের সাথে অনেকটা স্বজনের মত আচরণ করছে। গতকাল ১৮ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হাসপাতালে প্রবেশ করে ক্যাজুলিটি, বার্ণ ও প্লাস্টিক ওয়ার্ডে কোতয়ালী থানার কমলাপুর গ্রামের রুহুল আমিন নামের রোগীর কাছ থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
সরেজমিনে ক্যাজুলিটি ওয়ার্ডে প্রবেশ করে দেখা যায় সেখানে ওয়ার্ড মাস্টার আকতার হোসেনের নেতৃত্বে সেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহানারা আক্তার শানু ও ওয়ার্ড মাস্টার মো: ইলিয়াছ মিয়া, জরুরী বিভাগের ইনচার্জ দুলাল চন্দ্র সূত্রধরের উপস্থিতিতে জরুরী বিভাগের  নার্সিং স্টাফ ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা স্ব স্ব কাজে ব্যস্ত। হাসপাতালের এ দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছে টাইলস সহ অন্যান্য সব কিছুই যেন নতুনের মত। রোগীদের বিছানার চাদর, বিছনার নিচে ময়লা রাখার গামলাটি যেন একদম নতুনের মত। এই দৃশ্য পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে ওয়ার্ড মাস্টার আকতার হোসেনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, অত্র হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী ও সহকারী পরিচালক ডা. ফরিদুল আলম মহোদয়ের জোড়ালো নির্দেশে আমরা হাসপাতালের সকল স্টাফ হাসপাতালের ভাবমূর্তি উন্নয়নে এবং রোগীদের উন্নত সেবা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেনীর জনবল সংকট রয়েছে তার পরেও আমরা সরকার ও হাসপাতালের ভাবমূর্তি উন্নয়নে স্বল্প জনবল দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচিছ। আমাদের হাসপাতালের তিনজন ওয়ার্ড মাস্টারকে পরিচালক মহোদয় কাজে গতি আনার জন্য গত ১৬ জুলাই কাজ বন্টন করে দেন। তাই আমরা প্রত্যেকে উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। 

No comments:

Post a Comment