বশিরুল ইসলাম:
অবশেষে ভাগ্যের চাকা ঘুরছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফারুকের। হাজারো দুর্দশা, অভাব অভিযোগের টানা পোড়েনে থাকা মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের অসহায়ত্বের অবসান ঘটছে । আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর শহীদ, যোদ্ধাহত ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও তাদের সন্তানদের নানাভাবে সহযোগীতা করছে। এরই অংশ হিসেবে সরকার মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের চাকুরীতে কোঠা পদ্ধতি চালু করে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। যুদ্ধের পর
দেবিদ্বার মোহনপুর এলাকা থেকে চান্দিনা গল্লাই ইউনিয়নের মিরাখলা গ্রামে রেজিয়া নামীয় মহিলাকে বিয়ে করে কবরস্থানের উপর বসবাস করতে থাকে মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের । পরে অনেক কষ্টে সামান্য জায়গা ক্রয় করে সেখানে বসবাস শুরু করে। অভাব অনটনের পরিবারে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে অর্থাভাবে অবশেষে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। তাকে জাতীয় ভাবে সমাহিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়ে তার স্ত্রী রেজিয়া কোন রকম সংসার চালাতে থাকেন। অবশেষে তার ছেলে ফারুক গত ১২জুলাই মিরাখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী পদে নির্বাচিত হওয়ায় পরিবারটি অনেক খুশি। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফারুক জানান, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। সরকার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে আমাদেরকে মূল্যায়ন করছে। আজ আমার বাবা জীবিত নেই তিনি থাকলে আরো বেশি খুশি হতেন। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে আমি অনেক খুশি মুক্তিযোদ্ধাদের ও তাদের পরিবারদের সরকার অনেক মূল্যায়ন করছে। আমি মনে করি আমার বাবা শুধু চান্দিনা আর দেবিদ্বারের নয় সারা দেশের বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধা।
No comments:
Post a Comment