চান্দিনায় জাল সার্টিফিকেটে নিয়োগে উচ্চ আদালতে মামলা।

বশিরুল ইসলাম:
চান্দিনা উপজেলার
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের কারণে দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি শরিফ নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন চান্দিনা উপজেলায় দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকটি অভিযোগ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা হয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার অভিযোগের তদন্ত করার দায়িত্ব ছিল, এখন আর তাদের তদন্ত করা দায়িত্ব নেই বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি ) হিসেবে আমি বিষয়টি তদন্ত করব, আমার উপর দায়িত্ব পরেছে।  
এদিকে নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করে চান্দিনা উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের নাটিঙ্গী গ্রামের মূর্তজ আলীর ছেলে এমরান হোসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসার সহ আরো তিনজনকে আসামী করে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে। অভিযোগে তিনি নানা অনিয়ম আর দুর্নীতির মাধ্যমে চান্দিনা উপজেলায় দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করেন। 
চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে জানা যায়,  জাল সনদ, ভূয়া জন্ম নিবন্ধন, ভূয়া নাগরিকত্ব সনদ, বিবাহ বয়সের তথ্য গোপন করে  চাকুরীতে আবেদনের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে উপজেলা কার্যালয়ে। ওই সব অভিযোগের পরেও গত ১২ জুলাই উপজেলা কার্যালয়ে ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০জনকে সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। স্থানীয় নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ঘুষ বাণিজ্য আর নানা স্বেচ্চারিতার। অশিক্ষিত আর ভূয়া সার্টিফিকেট যাচাই বাছাই ছাড়া এই নিয়োগ অনুষ্ঠিত হওয়ার একাধিক অভিযোগও রয়েছে। চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের হাসিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশপ্রহরী পদে জাল সনদের মাধ্যমে সরকারি চাকুরীতে নিয়োগে অভিযোগ উঠায় গত ২৫ জুলাই দৈনিক ডাক প্রতিদিন ও অনলাইন পত্রিকা গুলোতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। 
এব্যাপারে চান্দিনা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুনের মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের নাটিঙ্গী গ্রামের মুর্তজ আলীর ছেলে এমরান নামে এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে মামলা করেছে । যেহেতু উচ্চ আদালতের বিষয় এজন্য সব কিছু আপনাদেরকে জানানো যাবে না।  
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জাকারিয়া জানান, উচ্চ আদালতে মামলা করা হয়েছে মর্মে একটি আদালতের কপি হাতে পেয়েছি। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে মার্ক করে বিষয়টি দেখার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি। 

No comments:

Post a Comment