বশিরুল ইসলাম:
আগামী ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার কুমিল্লায় এজতেমা শুরু হচ্ছে। আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর শনিবার আখেরাী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। সমাবেশ স্থলে বিদেশী ৯০জন মেহমান উপস্থিত থাকবেন। দেশী মেহনা প্যান্ডেলের নিচে থাকবেন প্রায় ৩লাখ মুসল্লী এবং প্যান্ডেলের বাহিরে আরো ৪ লাখ মুসল্লীর সমাগম ঘটবে। ১হাজারের ও বেশি আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ২০টি সিসি ক্যামেরা ও পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে। এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আলেখারচর বিশ^রোডের সাথে আমতলী এলাকার গোমতী নদীর চরে। ইতোমধ্যে সেখানে ১৩ লাখ বর্গফুটের প্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ করা হয়েছে। ২৯ ডিসেম্বর এজতেমা শুরু হলেও ইতোমধ্যে এজতেমাস্থলে মুসল্লীগন আসতে শুরু করেছে। এজতেমায় সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল সাক্কু অংশগ্রহন করবেন। কুমিল্লায় এবারই প্রথম সবচেয়ে বড় এজতেমার আয়োজন করা হয়েছে ফলে কুমিল্লা জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীদের মধ্যে আগ্রহ একটু বেশি। 
এজতেমার মুরুব্বীদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, পুরো সমাবেশস্থলটি একটি উন্মুক্ত মাঠ, যা বাঁশের খুঁটির উপর চট লাগিয়ে ছাউনি দিয়ে সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। সমাবেশস্থলটি প্রথমে খিত্তা ও পরে খুঁটি নম্বর দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীগণ খিত্তা নম্বর ও খুঁটি নম্বর মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান সনাক্ত করবেন। বিদেশী মেহমানদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা বেষ্টনী সমৃদ্ধ স্থান নির্ধারিত আছে, সেখানে স্বেচ্ছাসেবকরাই কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। এই পবিত্র কাজের জন্য কাউকে কোন প্রকার মজুরী দেওয়া হয়না। সকলেই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এজতেমার ময়দানে যারা কাজ করেন তারা নিজের খাবারটিও নিয়ে আসেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মুসল্লীরা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ, পানি, চট, লাইট, বিদ্যুৎ, দড়ি ইত্যাদির দায়িত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়ে এই বিশাল আয়োজন করে থাকে। ফলে কাহারো উপরে তেমন কোন বাড়তি চাপ পড়েনা।
No comments:
Post a Comment