কুমেক হাসপাতালে আইসিইউ ও ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন নেই।

সিটিস্ক্যান এমআরআই মেশিন অকেজো 


বশিরুল ইসলাম: 

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তাররা প্রেসক্রাইব করার পর রোগীরা হাসপাতালের অভ্যন্তরে সকল পরীক্ষা নিরিক্ষা করতে পারছেনা। অতি জরুরী রোগীদের জন্য আইসিইউ এর ব্যবস্থা ও নে
ই। বাহির থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে রোগীদের। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিসিও এর ব্যবস্থা থাকলে ও তা পর্যাপ্ত নয়। প্রাইভেট হাসপাতালের আইসিইউ তে গুনতে হয় দ্বিগুন টাকা যা অনেক রোগীর পক্ষে সম্ভব নয়।

রোগী ও হাসপাতালের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে আইসিইউ নেই । জরুরী রোগীদের  কুমিল্লাতে কোন প্রাইভেট হাসপাতাল অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হয়। ফলে রোগী ঢাকা যাওয়ার পথে রাস্তায় মারা যাচ্ছে।  হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আদৌ আসে নাই, এমআরআই মেশিন, সিটিস্ক্যান মেশিন থাকলে ও তা দীর্ঘদিন অকেজো। কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করার পরেও তা মেরামত করা হচ্ছে না।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে রোগীর এক লোক জানান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ এর ব্যবস্থা নেই অথচ কুমিল্লাতে প্রাইভেট হাসপাতালে ও আইসিইউ এর ব্যবস্থা আছে এটা কিভাবে সম্ভব তাও আমরা বুঝতে পারছিনা। 
এমআরআই মেশিনটি ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আর এফ ইউনিটটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে নিমুকে আবেদন করে অবহিত করার পর তাদের কারিগররা বার বার এসে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু আজো কোন সমাধান দিতে পারছেনা বর্তমানে এমআরআই মেশিন একেবারেই অকেজো হয়ে পড়ে আছে। হাসপাতালে ডিজিটাল মেশিন নেই কিন্তু ডাক্তারগন ডিজিটাল মেশিন প্রেসক্রিপশনে লিখে থাকেন। হাসপাতালে বেশির ভাগ ডাক্তারই ডিজিটাল এক্সরের কথা উল্লেখ করে থাকে অথচ এই সেবা হাসপাতালে চালু নেই। আবুল হাসনাত নামের এক রোগী জানান, হাসপাতালে যে সার্ভিস চালু নেই সেই সার্ভিসের জন্য ডাক্তার কেন যে লিখে তা আমরা বুঝতে পারছিনা তবে সে সার্ভিসে তাদের কোন সুযোগ সুবিধা আছে হয়তো সে জন্যই লিখে থাকে। 
হাসপাতালে এমআরআই, সিটিস্ক্যান, ডিজিটাল এক্সরে, আইসিইউ এই সেবাগুলো বন্ধ থাকায় বাহিরের কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে নিয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পাচ্ছেনা মানসম্মত পরীক্ষা-নিরিক্ষা। উপরোন্তু প্রতারণার স্বীকার হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাক। 


No comments:

Post a Comment