বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১৪ কোটি ৩৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে আইসিইউ সহ কয়েকটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধার হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি। এর মধ্যে আইসিইউ ভবণ নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লক্ষ, ছাত্রী হোস্টেল বাবদ ব্যয়ে হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ, শেখ রাসেল ছাত্রাবাস বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ, শাহ
আলম ছাত্রাবাসের জন্য ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী, উপাধাক্ষ কেএ মান্নান, হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী, গণপূর্ত বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী স্বপন চাকমা, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ, আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, হাসপাতালের ডাক্তার, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১৪ কোটি ৩৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে আইসিইউ সহ কয়েকটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধার হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি। এর মধ্যে আইসিইউ ভবণ নির্মানে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লক্ষ, ছাত্রী হোস্টেল বাবদ ব্যয়ে হয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ, শেখ রাসেল ছাত্রাবাস বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ, শাহ
হাসপাতালের পরিচালক ডা: স্বপন কুমার অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সকল স্তরে উন্নয়ন হচ্ছে। কুমিল্লা সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি মহোদয়ের আন্তরিকতায় এবং হাসপাতালের সকলের প্রচেষ্টায় আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের সর্বাধিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের কিছু সমস্যা ও রয়েছে যেমন হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন হলে ও এর কোন সরঞ্জাম এখনো স্থাপিত হয়নি। আমাদের হাসপাতাল ৫০০ শয্যা কিন্তু আমাদের প্রতিদিন সেবা দিতে হয় কমপক্ষে ৮০০ থেকে ৯০০ রোগীকে। ফলে এই সেবা দিতে আমাদের ডাক্তারদের অনেক সময় হিমশিম খেতে হয়। আমাদের ডাক্তাররা রাতে দায়িত্ব পালন করতে হয় কিন্তু তাদেরকে কোন অতিরিক্ত ভাতা দেওয়া হয়না। আমাদের হাসপাতালে ডাক্তার ও কলেজে শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে তাই এব্যাপারে আমরা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কলেজের অধ্যক্ষ ডা: মহসিন উজ জামান চৌধুরী বলেন, আমাদের কলেজের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার মান অনেক ভাল। সারা বাংলাদেশে যেখানে শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৫৬% সেখানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাশের হার ৬৯.০৩ %। বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা যেখানে দশম স্থান অধিকার করেছে সেখানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ১ম, ২য় ও তৃতীয় স্থান সহ প্রথম পর্যায়ের স্থান গুলো দখল করে রেখেছে। এই সফলতা আমাদের সকলের । কেননা স্থানীয় এমপি মহোদয়ের আন্তরিকতা, শিক্ষকদের দায়িত্বশীল কর্মকান্ড, শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা কলেজের পারিপাশির্^ক অবস্থা ও পরিবেশ আমাদের শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফলের পক্ষে কাজ করে। বর্তমানে আমাদের ছাত্রাবাসের তেমন কোন সমস্যা নেই তবে অনেক আগে ভবন গুলো করা হয়েছে বিধায় এই ভবন গুলো মাটির নিচে দেবে যাচ্ছে তাই গণপূর্ত বিভাগ এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক সহায়ক হবে। অনেক ভবন জরাজীর্ণ আছে সেগুলো মেরামতের ব্যবস্থা করলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বসবাস স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
কুমিল্লা-০৬ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেন, শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলে আমি গর্বিত ও আনন্দিত। এজন্য আমি কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে ঠিক সেভাবে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
No comments:
Post a Comment