বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা মহানগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২৪ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, শাহজাদা হত্যার মূল আসামী সাফায়েত উল্লাহ সৈকত এখনো ধরাছোয়ার বাইরে এবং সে কয়েকটি মামলার অভিযক্ত আসামী। তার গ্রামের বাড়ী লাকসাম পৌরসভা এলাকার উত্তর-পশ্চিম গ্রামের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আবু মুছা সেলিমের একমাত্র পুত্র। তার মা সাজেদা চৌধুরী কুমিল্লা মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত সেবিকার চাকুরী করে। সাফায়েত উল্লাহ সৈকত ও তার মা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পিছনের গলিতে ‘দারুল জান্নাহ’ নামক ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকে। বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কারণে পূর্বে ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সে বহিস্কৃত হয়েছে। ইতোমধ্যে সে ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে সকল প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
কুমিল্লা মহানগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২৪ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে কুমিল্লা মহানগরীতে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি বেড়ে গিয়েছিল শিরোনামে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডাক প্রতিদিন পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়। এরই প্রেক্ষিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ কুমিল্লা মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে ২৩জনকে আটক করে । এরা সকলে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি এবং চুরাই মালামাল ক্রয় বিক্রয়ের সাথে জড়িত। তাদের কাছ সাথে ২টি ল্যাপটপ, ১০ টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলো বদরপুর এলাকার সুরুজ মিয়ার পুত্র ফিরোজ মিয়া (২০), দেবিদ্বার খিরাইকান্দির এ.কে.এম মহসিন মিয়াজীর পুত্র সফিউর রহমান, লক্ষীপুর সদরের উ: টুমচর এলাকার মাহবুবুর রহমানের পুত্র সিয়াম , লাকসাম আঙ্গারিয়ার জসিম উদ্দিনের পুত্র সোহাগ (২০)। এদের সকলকে কুমিল্লা মহানগরীর শাসনগাছা ডাকবাংলো এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং বর্তমানে এরা সকলে শাসনগাছা এলাকায় বসবাস করে মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতি কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
অপর এক মামলায় মহানগরীর ধর্মপুর এলাকার সুলতান মিয়ার পুত্র মো: খলিল, মোহন মিয়ার পুত্র সৈকত, তাজুল ইসলামের পুত্র সোহেল ওরফে পিচ্ছি সোহেল, শাহীন মিয়ার পুত্র পাভেল প্রকাশ ফয়সাল, তালতলা চৌমুহনীর নবীর হোসেনের পুত্র মেহেদী, ঠাকুর পাড়ার সুধির কান্তি সরকারের পুত্র জয় সরকার, পাথুরিয়া পাড়ার মোহন মিয়ার পুত্র হৃদয়, রানীর বাজারের বদিউল আলমের পুত্র বাবুল।
অপর এক মামলায় ঠাকুর পাড়ার আব্দুল ওহাব মিয়ার পুত্র রায়হান, কাটাবিলের মৃত বিল্লাল হোসেনের পুত্র মো: ইনু মিয়া, চিকুনিয়া বর্তমান ঠাকুর পাড়ার বাবুল মিয়ার পুত্র রাব্বি,অশোকতলার শমসের আলীর পুত্র রফিক, আমড়াতলীর মাসুদ মিয়া পুত্র জনি, হারিশ্চাইল কচুয়া বর্তমানে দক্ষিণ চর্থার মৃত শাহজাহান মিয়ার পুত্র নাইম, দাউদকান্দির চাপিতলা বর্তমানে মোঘলটুলীর শামছুল হকের পুত্র সোহেল, চান্দিনা মাধাইয়া বর্তমানে চৌধুরীপাড়ার মনির হোসেনের পুত্র কামাল, কাটাবিলের মনতাজ মিয়ার পুত্র নাসির আহমেদ, রানীর বাজার কেরামত আলীর পুত্র সেলিম।
এদিকে সোজানগর এলাকার ব্যবসায়ী সহিদ মিয়ার পুত্র শাহজাদা হত্যাকান্ডের ঘটনায় ২জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এরা হলো বরুড়ার দূর্গাপুর এলাকার প্রাণেশ^র আচার্যের পুত্র অর্পন আচার্য। সে বর্তমানে মহানগরীর বাদুরতলা এলাকায় ডা. জোবেদা হান্নান কলোনীর বেবি আক্তারের বাসায় বসবাস করে আসছিল। অন্য একজন হলো ঢাকা রাজবাড়ীর সদর এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে ইশাত ই রাব্বী। সে মহানগরীর তালপুকুরপাড় আবু তাহের মিয়ার বাড়ীতে বসবাস করে আসছিল। এদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে থানা পুলিশ। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, শাহজাদা হত্যার মূল আসামী সাফায়েত উল্লাহ সৈকত এখনো ধরাছোয়ার বাইরে এবং সে কয়েকটি মামলার অভিযক্ত আসামী। তার গ্রামের বাড়ী লাকসাম পৌরসভা এলাকার উত্তর-পশ্চিম গ্রামের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আবু মুছা সেলিমের একমাত্র পুত্র। তার মা সাজেদা চৌধুরী কুমিল্লা মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত সেবিকার চাকুরী করে। সাফায়েত উল্লাহ সৈকত ও তার মা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পিছনের গলিতে ‘দারুল জান্নাহ’ নামক ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকে। বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কারণে পূর্বে ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সে বহিস্কৃত হয়েছে। ইতোমধ্যে সে ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে সকল প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ছালাম মিয়া জানান, আমরা গত দুই দিন যাবত চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি সহ হত্যার ঘটনায় মোট ২৫জনকে আটক করেছি। এদের সাথে চুরির দুটি ল্যাপটপ, ১০টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় আরো যারা জড়িত রয়েছে এদের সকলকে গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
No comments:
Post a Comment