বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার নুরপুর এলাকায় গত ৮জানুয়ারী তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার স্বপন, তুষার অপু সহ কয়েকজন মিলে হাছানকে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা হাসপাতালে নেওয়ার পর হাছান মারা যায়। উক্ত ঘটনায় হাছানের বড় ভাই এসহাক বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে মামলাটি কুমিল্লা পিবিআই তে স্থানান্তর হয়। কুমিল্লা পিবিআই মামলাটি পুলিশ ইন্সপেক্টর আব্দুল বাতেন মৃধাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ ৪২দিন পর কুমিল্লা ইপিজেড এলাকা থেকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকা আসামী স্বপন ও তুষারের ভাই অপুকে আটক করে।
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার নুরপুর এলাকায় গত ৮জানুয়ারী তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার স্বপন, তুষার অপু সহ কয়েকজন মিলে হাছানকে কুপিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা হাসপাতালে নেওয়ার পর হাছান মারা যায়। উক্ত ঘটনায় হাছানের বড় ভাই এসহাক বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে মামলাটি কুমিল্লা পিবিআই তে স্থানান্তর হয়। কুমিল্লা পিবিআই মামলাটি পুলিশ ইন্সপেক্টর আব্দুল বাতেন মৃধাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ ৪২দিন পর কুমিল্লা ইপিজেড এলাকা থেকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকা আসামী স্বপন ও তুষারের ভাই অপুকে আটক করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন মৃধা মুঠো
ফোনে জানান, মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর রাত দিন অনেকভাবে আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে আসছি। স্বপন ও তুষার এখনো পলাতক রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কারণে গোপন সংবাদ ও সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স এএসআই গোলাম জিলানী ও পুলিশ ইন্সপেক্টর রাকিবুল হাসানকে সাথে নিয়ে অপুকে ইপিজেড এলাকা থেকে আটক কর।
কুমিল্লা পিবিআই পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ জানান, সন্ধায় অপু (২৩) নামে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় অভিযুক্ত দুই আসামী আপন ভাইকে আটকে করেছে। মামলার সূত্র নং-২৭(১)১৭, সেকশন ৩০২/৩৪। পিসি কোতয়ালী মডেল থানা।
উল্লেখ্য গতকাল (৮ জানুয়ারী) দুপুর ১টায় নুরপুর বড়বাড়ীর মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে হাসান ও হযরত পাড়া এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে স্বপনের সাথে কথাকাটা কাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়রা দুজনকে দুই দিকে পাঠিয়ে দিলে ঘটনার স্থান থেকে হাসান ও স্বপন চলে যায়। ঘটনার কিছুক্ষন পরে হাসান নুরপুর এলাকার শ্যামল মিয়ার সেলুন দোকানে গেলে সেখানে স্বপন, তুষার সহ আরো দুই তিন জন হাসানকে সেলুন দোকান থেকে ডেকে রাস্তায় এনে বুকের বাম পাশে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। হাসানের চিৎকারে স্থানীয়রা দৌড়ে আসলে স্বপন ও তুষার সহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment