বশিরুল ইসলাম:
পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা ফসলী জমি ও বসতবাড়ীর সাথে ইটভাটার স্থাপনে রহস্যজনক ভূমিকা পালন করে আসছে। ফলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও ফসলী জমি ও মানুষের বসবাসের স্থানে ইটভাটার মহোৎসবে মেতে উঠেছে একটি চক্র। কুমিল্লা জেলার ১৬টি উপজেলায় মোট নিবন্ধনকৃত ইট ভাটার সংখ্যা ৩১৭টি এর মধ্যে আদর্শ সদর উপজেলায় ৩৯টি, সদর দক্ষিণ উপজেলায়-৩১টি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়-৪৯টি, মুরাদনগর উপজেলায়-৫০টি, নাঙ্গলকোট-২৩টি, লাকসাম-১২টি, মনোহরগঞ্জ-৬, ব্রাহ্মনপাড়া-৯টি, দেবিদ্বার-২৩টি, বুড়িচং-২৫টি, তিতাস-৮টি, চান্দিনা-২০টি, বরুড়া-১৩টি, হোমনা-২টি, দাউদকান্দি ৬টি ও মেঘনা ১টি। কিন্তু সাধারণ মানুষের ধারণা উল্লেখিত সংখ্যার অধিক ইটভাটা রয়েছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।
মাঠ পর্যায়ে কোন রকম পর্যবেক্ষন ছাড়াই ইটভাটার অনুমোদন ও নবায়ন করে দিচ্ছে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যক্তি। সরকার যেখানে ২০২১ সালের মধ্যে দুষনমুক্ত বসবাসযোগ্য একটি সুস্থ্য, সুন্দর ও নিরাপদ মডেল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের খামখেয়ালীপনা সাধারণ মানুষকে ভাবিয়ে তুলে। পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিধি বিধানের সুষ্ঠ ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সকলকে যেখানে উদ্বুদ্ধ করা কথা সেখানে তাদের তেমন কোন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের চোখে পড়ছে না। সরকার যেখানে পরিবেশ সংরক্ষন ও উন্নয়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে চায় সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত। দুষন ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা যাদের দায়িত্ব অথচ তারা নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে ইটভাটা গুলোকে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে। সকল প্রকার দুষণ ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যাদের দায়িত্ব অথচ তারাই দায়িত্বহীনতার কাজ করে। তাই সাধারণ মানুষের দাবী দেশের সামগ্রিক পরিবেশ সংরক্ষন ও পরিবেশগত মান উন্নয়নের স্বার্থে পরিবেশ আইনের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন। সকল ক্ষেত্রে পরিবেশ সম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে, নাগরিকগনের প্রতি সততা, শুদ্ধতা এবং স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সব সময় পরিবেশ সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও মনিটরিং করতে হবে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেনা। কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ ।
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদি জমির ইট ভাটা লোকালয়ে অবস্থিত হওয়ায় ইট ভাটার কালো ধুয়ায় পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। নির্গত ধোয়ার কারণে পাশ^বর্তী ফসলের ক্ষেত ও জনজীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফসলি আবাদি জমির উপর ঘরে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র ধ্বংস করে ইটভাটা গুলোতে পুরোদমে চলছে ইট তৈরি ও পোড়ানোর কাজ। জমির প্রাণ নষ্ট করে তোলা হচ্ছে টপসয়েল। প্রয়োগ হচ্ছে না পরিবেশ আইন। হারাচ্ছে জমির উর্বরতা। হ্রাস পাচ্ছে উৎপাদন ও আবাদি জমির পরিমান। সোনার টুকরো ফসলি জমি নষ্ট করে ও দখলে নিয়ে চলছে ইটভাটার কাজ। পরিবেশ বাচাও ফসলি জমি বাচাও এমন স্লোগান নিয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন, কাষ্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কার্যালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মূল সংযোজন কর (মুসক) আর পরিবেশ অধিদপ্তরের আইন অমান্য করার কড়া নজরদাড়ির চিঠি পত্র জারি করা হলেও তা সাধারন মানুষের উপর বাস্তবায়িত হচ্ছে কিন্তু মানছেনা ইট ভাটার মালিকগন। এছাড়া ব্রিক ফিল্ডের মালিকদের বিরুদ্ধে ইট ভাটা ও সংশ্লিষ্ট আইন, সরকারকে অভিনব কায়দায় রাজস্ব থেকে বঞ্চিত, ক্রেতাকে ঠকানোর অভিনব কায়দা করার অভিযোগ প্রতিনিয়ত।
ভাটায় কর্মরত শ্রমিকরাও ধুলো আর ধোয়ার কারণে স্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আইন অমান্য করে বসতবাড়ীর মাঝে ও কৃষি জমিতে গড়ে উঠা এসব ইট ভাটার ফলজ বৃক্ষ ধ্বংস ও পরিবেশ দূষণ করছে। ইটভাটার মালিকগন জমির মালিকদের টাকার লোভ দেখিয়ে আবাদি জমির টপসয়েল ক্রয় করছে। ভাটার ধোয়ায় পরিবেশ দুষনের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক শ্রেনীর অসাধু কর্মচারী এই ধরনের কাজে জড়িত বলে দাবী সাধারণ মানুষের। জানা যায়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইন অনুযায়ী ইট ভাটা স্থাপনের জন্য ভূমি ব্যবহারের দিক নির্দেশনা মূলক সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত আইন অনুযায়ী ইটভাটা স্থাপনের জন্য কেবল অকৃষি জমি ব্যবহার করা যাবে। অথচ ইট ভাটা দুই তিন ফসলী জমির উপর গড়ে উঠেছে। এই ইটভাটা কয়েক একর জমি দখলে নিয়েছে। এছাড়া ও ভাটার আশে পাশের কয়েক একর জমি ইটভাটার কারণে উর্বরতা হারাচ্ছে। আবাদি বা ফসলী জমির পাশে ইট ভাটা গড়ে উঠায় ভাটার নি:সৃত ধোয়ায় পাশ^বর্তী জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শীতকালীন সবজি লাউ, টমেটো, মুলা ও চলমান মৌসুমের সবজি সমূহ নষ্ট হয়ে যায়। জমির অন্যান্য ফসল গুলোতে ও আশানুরুপ ফলন পাওয়া যায়না। এছাড়াও ইটভাটা সংলগ্ন এলাকাগুলোর আম, কাঠাল, পেয়ারা ও কলা সহ বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছে ফল ধরা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে কৃষি নির্ভর দেশে আবাদী জমি ও বনভূমি উজাড় এবং পরিবেশ দূষণের কবলে পড়ে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। এব্যাপারে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ইটভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দেশের আবাদী জমি বনভূমি ও পরিবেশকে মারাত্মক বিপর্যের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে একমাত্র পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরে নিকট সাধারণ লোকজন অভিযোগ নিয়ে গেলে জনবল সংকট দেখিয়ে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয় অথবা অনেক অনুরোধের প্রেক্ষিতে আবেদন করা হলে ও তা কখনো সরেজমিনে পরিদর্শণ করা হয়না বা অনেক গুলোর মধ্যে দুয়েকটা। তাও যাতায়াত খরচ বা বিভিন্ন খরচ দিতে হয় গোপনীয়ভাবে। সাধারন মানুষ ইটভাটা বন্ধের আবেদন করে ও কোন রকম প্রতিকার পাচ্ছেনা। অথচ ইটভাটা আইন এবং নীতিমালা সরকারের জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে ১৯৮৪ সালের ইটভাটা বন্ধের আইনে যে কোন কৃষি জমি, আবাসিক এলাকা, পৌর এলাকায় কোন অবস্থাতেই ইটভাটা স্থাপন করা যাবেনা এবং মাটি সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোন কৃষি জমির উপরি ভাগ কেটে ওই মাটি ব্যবহার করা যাবে না। ইটভাটার অনুমতির ক্ষেত্রে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের পাশাপাশি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, বন ও পরিবেশ বিভাগ, কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়ন পত্র গ্রহন করতে হবে। ইট ভাটায় কোন অবস্থাতেই কাঠ, টায়ার এবং পরিবেশ দুষিত হয় এমন কোন কিছু পোড়ানো যাবেনা। আইন অমান্যকারীদের জন্য নূন্যতম দুই বছরের জেল ও জরিমানা অথবা উভয় প্রকার দন্ড আরোপ করে সংশ্লিস্ট ইটভাটা বন্ধ করে দেয়ার কথা আইনে বলা হয়েছে। কিন্তু এই নীতি মালার কোনটির প্রয়োগ নেই কুমিল্লায়। ইটভাটা গুলো সরকারকে কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় সুকৌশলে কর ফাকি ভ্যাট ফাকি দিচ্চে বলে জানা গেছে। পরিবেশ বিদদের মতে কৃষি জমিতে ইটভাটা করা যাবেনা। সেই সাথে জনবসতির ৩কি: মি: মধ্যে ইটভাটা না করার সুস্পষ্ট নির্দেশনা ও রয়েছে। তাদের মতে আবাসিক সংরক্ষিত বা বাণিজ্যিক এলাকা সিটিকর্পোশেন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন বন, অভয়রন্য বাগান ব জলাভূমি, কৃষি প্রধান এলাকা এবং পরিবেশ সংকটপন্ন এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করা যাবেনা। কিন্তু কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সহ জেলার বিভিন্ন পৌরসভা এলাকায় রয়েছে শতাধিক ইটভাটা। ইটভাটার মালিকদের আইন অমান্য করার সুযোগ করে দিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ফসলি জমির উপরিভাগ কেটে নিলে ফসলের প্রধান খাদ্য নাইট্রোজেন, পটাশ, জিংক, ফসফরাস, সালফার, ক্যালসিয়ামসহ অর্গানিক বা জৈব উৎপাদনের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি হচ্ছে। ফসলি জমিগুলো ভবিষ্যতে বন্ধ জমিতে পরিণত হবে এবং বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম জলাবদ্ধতা দেখা দিবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইটভাটার মালিক জানান, আমার ইটভাটায় পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর এজন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়েছে। তাদেরকে ম্যানেজ না করলে আমার ইটভাটা বন্ধ করে দিবে। তাদের কাছে আইনের শেষ নাই ইটভাটা সরিয়ে নিতে হবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই রকম শর্ত দিয়ে দিয়েছে তারপরেও চালিয়ে আসছি। কি করব ভাই অনেক টাকা মূল ধন এছাড়া উপায় ন্ইা। অন্য একজন জানান, স্যার কয়েক বছর আগে এসেছিল এখন আর আসে না অফিসের লোক আসে তাকে গাড়ীভাড়ার খরচ দেই তিনিই সব ব্যবস্থা করে দেন।
উল্লেখ্য বিশ^ব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনবরত পরিবেশ দূষণের কারণে অন্যান্য বিষয় সহ জলবায়ুর পরিবর্তন পৃথিবীর বুকে জীবনের জন্য মারাত্মকভাবে ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। সারা পৃথিবীর পরিবেশবিদরা বিশ^নেতাদের কাছে পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশ সংরক্ষন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াবলির উপর দৃষ্টি আকর্ষণ করা চেষ্টা করে আসছে। বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট পরিবেশ সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে । শুরুতে মাত্র ২৭জন জনবল নিয়ে জনস্¦াস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বাংলাদেশে পরিবেশ বিষয়ক কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৭ সালে পরিকল্পনা কমিশনের অধীনে একজন সদস্যের নেতৃত্বে ২৬জন জনবল নিয়ে পরিবেশ দুষণ নিয়ন্ত্রন সেল গঠিত হয় এবং একই বছর পরিবেশ দুষণ নিয়ন্ত্রন প্রকল্প গ্রহন করা হয়। ১৯৮৫ সালে দুষণ নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর ও ১৯৮৯ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে মহা পরিচালকের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর নামকরণ করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, বরিশাল, এবং সিলেট মোট ৬টি বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে আসলে ও ২০১০ সালে সরকার ২১টি জেলা অফিসের কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ৪৬৮টি নতুন পদ সৃষ্ট করে। বর্তমানে পরিবেশ অধিদপ্তরের জনবল সাড়ে সাত শতের অধিক। কিন্তু তারপরেও সঠিকভাবে পরিবেশ সংরক্ষন ও পরিবেশ দূষনের বিষয় গুলো ভাল ভাবে দেখাশোন করা হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অভিমত সরকার যেখানে বিশ^ জলবায়ু বিপর্যয়ের হাত থেকে বাংলাদেশকে বাচানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বেতন নিচ্ছে। পরিবেশ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোন কাজই তারা করছে না। বরং তারা পরিবেশ দুষিত হয় এমন কাজই টাকা হলে করার সুযোগ করে দিচেছ। কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তর সম্পর্কে এমনটিই ধারনা সাধারণ মানুষের।
মোশারফ হোসেন নামে একজন অভিযোগ পত্র দিয়ে বলেন ভাই আমার বাড়ীর দুই পাশে দুইটি ইটভাটা আমি জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন করলে স্যার বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তরকে দেখাশোনার দায়িত্ব দেন। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তরে আমি গেলে স্যার বিরক্ত অনুভব করে। স্যার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে বলে এটা জেলা প্রশাসক দেখবে আমি দেখতে পারব না। আামি অভিযোগ পত্র প্রত্যাহার করেছি।

No comments:
Post a Comment