নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার ৫নং কেরণখাল ইউনিয়নের দোতলা গোবিন্দপুর মৌজায় দোতলা এলাকায় সরকারি খাল ও খালের পার ড্রেজার দিয়ে গভীরভাবে কেটে লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি বিক্রি করছে দোতলা গ্রামের মৃত হানু মিয়ার ছেলে আবুল হাসেম ওরফে হাসেম মোল্লা।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,
আবুল হাসেম ওরফে হাসেম মোল্লা ৪৫শতক খাস জমি সহ সরকারি খাল এবং খালের পার ড্রেজার দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ ফুট গভীর করে মাটি কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা বিক্রি করছে। এলাকার কিছু লোক তার নিকট থেকে টাকা নিয়ে তাকে এ কাজে সহযোগীতা করছে। এব্যাপারে প্রশাসনকে জানানোর পরে ও প্রশাসন এসে দেখে হাসেম মোল্লাকে খাল ভরাটের নির্দেশ দিয়ে চলে যায় কিন্তু দীর্ঘ অনেক দিন পার হলেও হাসেম মোল্লা খাল ভরাট করেনি বরং সে খালের আশে পাশের লোকদের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে এলাকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান মহোদয় এবং দোতলার মাদ্রাসার শিক্ষক সাত্তার সাহেবের দোহাই দিচ্ছে। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষক সাত্তার সাহেবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করে বলেন আমি এসব কাজের সাথে জড়িত নই আমার নাম ভাঙ্গিয়ে থাকলে সে এটি ঠিক করে নাই আমি কখনো একাজের সাথে জড়িত ছিলামনা বর্তমানে ও নাই। এদিকে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাকে পাইনি।
এ ব্যাপারে চান্দিনা সহকারী কমিশনার ভূমি মো: আমিনুর রহমান জানান, আমি খালটি ভরাটের নির্দেশ দিয়েছে। সে খালটি আস্তে আস্তে ভরাট করছে। কেরণখাল ইউনিয়নের ভূমি সহকারীকে কাজটি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছে । প্রয়োজনে আমি সহ আপনি এক সাথে গিয়ে ভরাট করা হয়েছে কিনা দেখে আসব।
কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার ৫নং কেরণখাল ইউনিয়নের দোতলা গোবিন্দপুর মৌজায় দোতলা এলাকায় সরকারি খাল ও খালের পার ড্রেজার দিয়ে গভীরভাবে কেটে লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি বিক্রি করছে দোতলা গ্রামের মৃত হানু মিয়ার ছেলে আবুল হাসেম ওরফে হাসেম মোল্লা।স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,
আবুল হাসেম ওরফে হাসেম মোল্লা ৪৫শতক খাস জমি সহ সরকারি খাল এবং খালের পার ড্রেজার দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ ফুট গভীর করে মাটি কেটে লক্ষ লক্ষ টাকা বিক্রি করছে। এলাকার কিছু লোক তার নিকট থেকে টাকা নিয়ে তাকে এ কাজে সহযোগীতা করছে। এব্যাপারে প্রশাসনকে জানানোর পরে ও প্রশাসন এসে দেখে হাসেম মোল্লাকে খাল ভরাটের নির্দেশ দিয়ে চলে যায় কিন্তু দীর্ঘ অনেক দিন পার হলেও হাসেম মোল্লা খাল ভরাট করেনি বরং সে খালের আশে পাশের লোকদের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে এলাকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান মহোদয় এবং দোতলার মাদ্রাসার শিক্ষক সাত্তার সাহেবের দোহাই দিচ্ছে। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষক সাত্তার সাহেবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করে বলেন আমি এসব কাজের সাথে জড়িত নই আমার নাম ভাঙ্গিয়ে থাকলে সে এটি ঠিক করে নাই আমি কখনো একাজের সাথে জড়িত ছিলামনা বর্তমানে ও নাই। এদিকে চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ও তাকে পাইনি।
এ ব্যাপারে চান্দিনা সহকারী কমিশনার ভূমি মো: আমিনুর রহমান জানান, আমি খালটি ভরাটের নির্দেশ দিয়েছে। সে খালটি আস্তে আস্তে ভরাট করছে। কেরণখাল ইউনিয়নের ভূমি সহকারীকে কাজটি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছে । প্রয়োজনে আমি সহ আপনি এক সাথে গিয়ে ভরাট করা হয়েছে কিনা দেখে আসব।
No comments:
Post a Comment