ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা, বাদীকে হত্যার হুমকি
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৬নং ওয়ার্ডের ৩নং গলিয়ারা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও চৌয়ারা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী মো: আশিকুর রহমান (ফরহাদ) সহ আশিকের জেঠাতো ভাই জাহাঙগীরকে বাড়ীতে এসে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে । ঘটনার ১১দিন পার হলেও আসামীরা গ্রেফতার হয়নি। উল্টো বাদীকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আশিকের মা ও মামলার বাদী জিন্নতের নেছা।
সূত্রমতে ও মামলার বাদীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার সময় তাদের এলাকায় বাহির থেকে তিনটি মোটর সাইকেল প্রবেশ করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে তার ছেলেকে উদ্দেশ্য করে গুলি করে। ঘটনাস্থলে তার ছেলে ও তার বাশুরের ছেলে জাহাঙগীর গুরুতর আহত হয়। গুলির আওয়াজে
আশে পাশের লোকজন দৌড়ে আসলে ২৫ নং ওয়ার্ডের কালিনগর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে নাসিম, ২৭ নং ওয়ার্ডের পাঠান কোট গ্রামের সজীব, ২৬ নং ওয়ার্ডের গোয়াল মথন গ্রামের বিল্লাল, গলিয়ারা ইউনিয়নের একবালিয়া গ্রামের অস্ত্রব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামী সবু মিয়ার পুত্র আনিছ, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের রঘুপুর গ্রামের ফয়সাল পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তার ছেলের নিথর দেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগীতায় চৌয়ারা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক একেএম আব্দুল আলী স্যারের গাড়িতে করে স্যার সহ কুমেক হাসপাতালে নিয়ে আহতদের ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয়। ঘটনার সময় নাসিমের হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে আমার ছেলেকে গুলি করে বলে জানতে পারি স্থানীয়দের নিকট, নাসিমের সাথে থাকা অন্যান্যরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এঘটনা ঘটনায়। উক্ত ঘটনার সাথে সাথে সদর দক্ষিণ থানার পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খবর পেয়ে ওসি তার ছেলে মো: আশিকুর রহমান ফরহাদ ও ভাতিজা জাহাঙ্গীর কে হাসপাতালে দেখতে আসে । একবালিয়া গ্রামের পিচ্ছি নাছির মার্ডার মামলার ১নম্বর আসামী সবু মিয়ার পুত্র সন্ত্রাসী আনিছ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়ে কিছু দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকে পরে এলাকা শান্ত হলে আবার ফিরে আসে। আনিছের বাবা সবু দীর্ঘদিন ভারতে পলাতক রয়েছে। রাতের আধারে সে গ্রামে আসে অস্ত্র ও মাদক বিক্রি করে । এগুলো এলাকায় পরিচালনা করে থাকে আনিছ।
আশে পাশের লোকজন দৌড়ে আসলে ২৫ নং ওয়ার্ডের কালিনগর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে নাসিম, ২৭ নং ওয়ার্ডের পাঠান কোট গ্রামের সজীব, ২৬ নং ওয়ার্ডের গোয়াল মথন গ্রামের বিল্লাল, গলিয়ারা ইউনিয়নের একবালিয়া গ্রামের অস্ত্রব্যবসায়ী, মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামী সবু মিয়ার পুত্র আনিছ, ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের রঘুপুর গ্রামের ফয়সাল পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তার ছেলের নিথর দেহ পরে থাকতে দেখে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগীতায় চৌয়ারা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক একেএম আব্দুল আলী স্যারের গাড়িতে করে স্যার সহ কুমেক হাসপাতালে নিয়ে আহতদের ভর্তি করে চিকিৎসা করা হয়। ঘটনার সময় নাসিমের হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে আমার ছেলেকে গুলি করে বলে জানতে পারি স্থানীয়দের নিকট, নাসিমের সাথে থাকা অন্যান্যরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এঘটনা ঘটনায়। উক্ত ঘটনার সাথে সাথে সদর দক্ষিণ থানার পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খবর পেয়ে ওসি তার ছেলে মো: আশিকুর রহমান ফরহাদ ও ভাতিজা জাহাঙ্গীর কে হাসপাতালে দেখতে আসে । একবালিয়া গ্রামের পিচ্ছি নাছির মার্ডার মামলার ১নম্বর আসামী সবু মিয়ার পুত্র সন্ত্রাসী আনিছ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়ে কিছু দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকে পরে এলাকা শান্ত হলে আবার ফিরে আসে। আনিছের বাবা সবু দীর্ঘদিন ভারতে পলাতক রয়েছে। রাতের আধারে সে গ্রামে আসে অস্ত্র ও মাদক বিক্রি করে । এগুলো এলাকায় পরিচালনা করে থাকে আনিছ।
চৌয়ারা বাজার কমিটির সভাপতি ও ১নং আসামী নাসিমের বাবার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার ছেলে ভাল আমি বল্লে হবেনা। সে খারাপ ছেলেদের সাথে চলাফেরা করে খারাপ হয়ে গিয়েছে। সে আমার ১ম স্ত্রীর সন্তান তার মা বেচে নেই। তাকে আমি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিনা। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনাটি ঘটেছে তবে গুলি আমার ছেলে করে নাই মর্মে জানতে পেরেছি।
উক্ত ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাজিব জানান, আমি মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্য নিয়েছি। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে কোন কিছু বলা যাচ্ছে না। আসামীরা পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারছিনা। তবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে অবহিত হলে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
No comments:
Post a Comment