বশিরুল ইসলাম:
চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নে জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে আলম মিয়া (৪০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে একই গ্রামের কালু মিয়ার পুত্র রবিউল্লাহ, মফিজ উদ্দিনের পুত্র লিটন মিয়া, নুরুল ইসলামের পুত্র বিল্লাল। নিহত আলম পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের আইনপুর হাওলাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র। উক্ত ঘটনায় জড়িত বিল্লাল মিয়াকে স্থানীয় জনতা আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। প্রতিবেদন লিখ পর্যন্ত উক্ত ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নে জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে আলম মিয়া (৪০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে একই গ্রামের কালু মিয়ার পুত্র রবিউল্লাহ, মফিজ উদ্দিনের পুত্র লিটন মিয়া, নুরুল ইসলামের পুত্র বিল্লাল। নিহত আলম পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের আইনপুর হাওলাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র। উক্ত ঘটনায় জড়িত বিল্লাল মিয়াকে স্থানীয় জনতা আটক করে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। প্রতিবেদন লিখ পর্যন্ত উক্ত ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের আইনপুর হাওলাকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র আলম মিয়ার সাথে উল্লেখিত আসামীগন গত রবিবার দিবাগত রাতে খালেক মার্কেটে জোয়া খেলে। আজ ঈদের দিন সেই মার্কেটে তাকে ফোন করে নিয়ে যায় আবার জোয়া খেলার জন্য। কিন্তু সে খেলতে না চাইলে তাকে জোয়ার টাকা ফেরত চায় উল্লেখিত ব্যক্তিগন। টাকা ফেরত না দেওয়ায় রবিউল্লাহ, লিটন ও বিল্লাল তাকে আজ ঈদের দিন দুপুর ১২টায় সফিবাদ খালেক মার্কেটের সামনে শুকনা লাড়কি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। তার স্ত্রী রাবেয়া খবর পেয়ে দৌড়ে আসলে তাকে ও লাথি মেরে পিটিয়ে চলে যায় হত্যাকারীরা। উক্ত ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সহদেবপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল আমিন খোকন জানান, আমার খবর পেয়ে নিহত আলমের বাড়ীতে গিয়ে সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি জোয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত। আবার কেউ হাওলাত টাকার কথা ও বলছে। তবে মূল ঘটনা আমি এখনো জানিনা। থানা থেকে পুলিশ এসেছে বিল্লাল মিয়া নামে এক আসামীকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
No comments:
Post a Comment