বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত-পুলিশ গুলি বিনিময় ও সাধারণ মানুষের গণপিটুনী খেয়ে ৭ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক হয়। আটককৃত ৫ ডাকাতকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ
র্তি করা হলে ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য কামাল হোসেন (৩৫) মারা যায় । রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা মেডিকেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । আটককৃত ডাকাত দলের ৭ সদস্যরা হলো ফারুক পিতা: খোরশেদ আলম বাড়ী তিতাস থানা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা রয়েছে । শাহপরান পিতা মোশারফ হোসেন, মুরাদনগর থানায় বাড়ী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল পিতা: ইউনূছ মিয়া মুরাগনগর থানায় বাড়ী। ডাকাত দলের সর্দার হিসেবে পরিচিত। জুলহাস পিতা দৌলত মিয়া কচুয়া থানার সাঁচার এলাকায় বাড়ী সেও ডাকাত দলের সদস্য। মহসিন পিতা: সামছুল ইসলাম বাড়ী দাউদকান্দি সে ডাকাত দলের সদস্য। মো: রুবেল পিতা চান মিয়া গাজী চান্দিনার থানার রশিদপুর এলাকায় বাড়ী। আলমগীর পিতা: মেহেরচানগাজী শরীয়তপুর জেলার ড্যামুড্ডা থানার উত্তরখান এলাকায় বাড়ী। মৃত কামাল হোসেন জাহাপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে।
গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের বোড়ারচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ-ডাকাতদলের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের হাতে আটক হয়।
এ ঘটনায় নিহত ডাকাত কামাল হোসেনসহ আরও পাঁচ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিব্ধ ৫ ডাকাতসহ ৭ ডাকাতকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও উদ্ধার করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম বদিউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে ইলিয়টগঞ্জ মুরাদনগর রোডে রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির সময় পুলিশের সাথে ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়। সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় পুলিশ ৭ডাকাত সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। এদের মধ্য হতে কামাল নামে ১ ডাকাত সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
ছবি ক্যাপশন: ৫ ডাকাত সদস্যদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তুলা ছবি।
ডাকাত-পুলিশ গুলিবিনিময় ৭ ডাকাত আটক, নিহত ১ ডাকাত।
বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লার মুরাদনগরে ডাকাত-পুলিশ গুলি বিনিময় ও সাধারণ মানুষের গণপিটুনী খেয়ে ৭ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক হয়। আটককৃত ৫ ডাকাতকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য কামাল হোসেন (৩৫) মারা যায় । রোববার সকাল ১০টায় কুমিল্লা মেডিকেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । আটককৃত ডাকাত দলের ৭ সদস্যরা হলো ফারুক পিতা: খোরশেদ আলম বাড়ী তিতাস থানা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩টি মামলা রয়েছে । শাহপরান পিতা মোশারফ হোসেন, মুরাদনগর থানায় বাড়ী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল পিতা: ইউনূছ মিয়া মুরাগনগর থানায় বাড়ী। ডাকাত দলের সর্দার হিসেবে পরিচিত। জুলহাস পিতা দৌলত মিয়া কচুয়া থানার সাঁচার এলাকায় বাড়ী সেও ডাকাত দলের সদস্য। মহসিন পিতা: সামছুল ইসলাম বাড়ী দাউদকান্দি সে ডাকাত দলের সদস্য। মো: রুবেল পিতা চান মিয়া গাজী চান্দিনার থানার রশিদপুর এলাকায় বাড়ী। আলমগীর পিতা: মেহেরচানগাজী শরীয়তপুর জেলার ড্যামুড্ডা থানার উত্তরখান এলাকায় বাড়ী। মৃত কামাল হোসেন জাহাপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে।
গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলার মুরাদনগর-ইলিয়টগঞ্জ সড়কের বোড়ারচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ-ডাকাতদলের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের হাতে আটক হয়।
এ ঘটনায় নিহত ডাকাত কামাল হোসেনসহ আরও পাঁচ ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিব্ধ ৫ ডাকাতসহ ৭ ডাকাতকে আটক করে। ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও উদ্ধার করা হয়েছে।
মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম বদিউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত শনিবার দিবাগত রাতে ইলিয়টগঞ্জ মুরাদনগর রোডে রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতির সময় পুলিশের সাথে ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়। সাধারণ মানুষের সহযোগীতায় পুলিশ ৭ডাকাত সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। এদের মধ্য হতে কামাল নামে ১ ডাকাত সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
ছবি ক্যাপশন: ৫ ডাকাত সদস্যদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তুলা ছবি।
No comments:
Post a Comment