বশিরুল ইসলাম:
কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলা সহ আশে পাশে উপজেলা গুলোর রাস্তা গুলো খানা খন্দ আর নির্মাণ সামগ্রীতে ভরপুর। রাস্তা গুলোতে বালুর ট্রাকের বেপরোয়া চলাচলের কারণে ট্রাকের বালু পরে রাস্তা খানাখন্দে ভরে যাচ্ছে। রাস্তায় মাটি পড়ে একদিকে যেমন রাস্তা নষ্ট হচেছ অপর দিকে বালুর কারণে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। সাধারন মানুষ বালুর কারণে সর্দি কাশি সহ নানা রকম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। একটু বৃষ্টি বা কোন রকম পানি পড়লেই তা কর্দমাক্ত হয়ে রাস্তার ঢালাই নষ্ট হয়ে রাস্তার পিচ উঠে যাচ্ছে। উপরোন্তু রাস্তার দুপাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করে রেখেছে প্রভাশালীরা যার কারণে রাস্তা দিয়ে যাত্রী চলাচলে বিঘœ ঘটছে। এই সমস্যার জন্য সাধারণ মানুষ প্রশাসনকে দায়ী করছেন। কেননা প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে এই ঘটনা গুলো প্রতিনিয়ত ঘটছে।
বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুমিল্লা সদর ও আশে পাশে রাস্তা গুলো বালু বা মাটি বাহী ট্রাক গুলোর বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে রাস্তার উপরে প্রচুর পরিমানে মাটি ও বালু পরে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিবির বাজার স্থলবন্দর রোড, বাখরাবাদ-টমছমব্রিজ রোড, সালাউদ্দিন-চকবাজার রোড, চাঁনপুর কালিকাপুর রোড, শাসনগাছা-বুড়িচং রোড, ধর্মপুর-ভিক্টোরি
য়া কলেজ রোড, ধর্মপুর-শাসনগাছা রোড সহ শহরে প্রবেশের আরো অনেক রোডের বেহাল অবস্থা। খানাখন্দের কারণে রাস্তার পিচ নষ্ট হয়ে রাস্তা দিয়ে যাত্রী চলাচলে কষ্ট হচ্ছে। তাছাড়াও রাস্তার দুপাশে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখল করে রেখেছে ভবন নির্মাণ মালিকগন। সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ভবন নির্মাণে ব্যস্ত এরা। কান্দিরপাড় থেকে শাসনগাছা রোডে ঝাউতলা মুন হাসপাতালের সামনে প্রধান সড়কে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের চিত্র দেখা যায়। টমছম ব্রিজ থেকে কান্দির পাড় যেতে রাস্তার দুই পাশে রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণের সামগ্রী পরে থাকতে দেখা গিয়েছে। ঢুলিপাড়া চৌমুহনী থেকে চর্থা যাওয়ার পথে চৌমুহনী মোড়েই ভবন নির্মাণের সমাগ্রী দিয়ে রাস্তা দখল, থিরাপুকুরের উত্তর পাড়ে কবরস্থানের সামনে পুরো রাস্তা দখল করে মাটি ফেলে রাখা হয়েছে, একটু সামনে গেলে চর্থা মোড়ের একটু আগে দেখা যায় ভবন নির্মাণের সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের চিত্র। রাস্তা দখলের কারণে এমন চিত্র মনে হয় না এখানে কোন রাস্তা আছে? এছাড়াও শহরের প্রতিটি অলি-গলিতে নির্মাণ সামগ্রী রেখে রাস্তা দখলের দৃশ্য আরো বেশি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে।
No comments:
Post a Comment